‘মোদি জমানায় ২৫ কোটি দেশবাসী দারিদ্রমুক্ত’! তবে রেশন কাকে দিচ্ছে বিজেপি সরকার?

Poverty in India: কিন্তু সত্যিই যদি প্রতিদিন ৭৫ হাজার করে মানুষকে গরিবির আওতা থেকে বের করে এনে থাকে মোদি সরকার, তাহলে ঘটা করে বিনামূল্যে রেশনের ঘোষণা আসলে কাদের জন্য?

Sohini Das
৪ মিনিট
‘মোদি জমানায় ২৫ কোটি দেশবাসী দারিদ্রমুক্ত’! তবে রেশন কাকে দিচ্ছে বিজেপি সরকার?

ভোটের দামামা বাজতে না বাজতেই গত বছর নভেম্বর মাসেই বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। গরিবদের জন্য সেই ঘোষণা লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি সরকারের বড়সড় পদক্ষেপ ছিল বলেই মনে করেছিলেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞেরা। বিরোধীরা বলতে শুরু করেন, মোদির এই ঘোষণাই দেশের দারিদ্রের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। অথচ ভোট যখন একেবারে দরজায় কড়া নাড়ছে, যে কোনও মুহূর্তে ঘোষণা হয়ে যেতে পারে ভোটের দিনক্ষণ, ঠিক সেসময় মোদি সর্গবে জানালেন, তার জমানাতেই দেশের ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্রসীমার উপরে উঠে এসেছেন। দেশে দারিদ্র কমছে।

লোকসভা ভোটের আগে প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাস দেখিয়ে এসেছে বিজেপি সরকার। ফেব্রুয়ারির শুরুতে অন্তর্বর্তী বাজেটে কার্যত আকর্ষণীয় কোনও ঘোষণাই করেনি বিজেপি সরকার। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানিয়েছিলেন, সরকার গড়ার পরেই সম্পূর্ণ বাজেটের ঘোষণা করবে বিজেপি সরকার। এই লোকসভা ভোটে জয় নিয়ে যে কতটা আত্মবিশ্বাসী নরেন্দ্র মোদি সরকার, তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল সেখানেই। আর সেই আত্মবিশ্বাসকেই দ্বিগুণ করেছে নীতি আয়োগের সাম্প্রতিকতম রিপোর্ট। নীতি আয়োগের সিইও বিভিআর সুব্রমনিয়াম জানিয়েছেন, নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে ভারতের অন্তত ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আর তারপরেই একটি সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে সেই খতিয়ানই তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গর্বের সঙ্গে জানান, গত দশ বছরে দেশের ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্রসীমার উপরে উঠে এসেছেন।

একদিন আগেই সামনে এসেছে নীতি আয়োগের সেই রিপোর্ট। হাউসহোল্ড কনসাম্পশন এক্সপেনডিচার সার্ভের (গৃহস্থালির খরচের সমীক্ষা) রিপোর্ট তুলে ধরে নীতি আয়োগের সিইও বিভিআর সুব্রমণিয়ম জানান, মোদী জমানায় উন্নতি ও বিকাশের নয়া দিগন্ত খুলে গিয়েছে ভারতের কাছে। ভারতে দারিদ্রের হার বর্তমানে কমে পাঁচ শতাংশের নীচে নেমে গিয়েছে। ২০২২ সালের অগস্ট মাস থেকে ২০২৩ সালের জুলাই, গোটা এক বছর ধরে চালানো হয়েছে এই সমীক্ষা। দেশে বর্তমানে গৃহস্থালির খরচের উপরে বিশ্লেষণ করা হয় এই সমীক্ষার মাধ্যমে, যার মাধ্যমে দেশের বর্তমান দারিদ্রের হার কোন জানান, দারিদ্র দূরীকরণে কতটা সাফল্য এল, তা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে একটি প্রধান মেট্রিক হল গৃহস্থালির খরচের হিসেব। হাউসহোল্ড কনসাম্পশন এক্সপেনডিচার সার্ভের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, শহুরে ও গ্রামীণ উভয় জায়গাতেই গৃহস্থালির খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই প্রায় আড়াই গুণ বেড়েছে গৃহস্থালির খরচ। ২০১১-১২ সালে মাথাপিছু মাসিক গড় খরচ যা ছিল, তা গত এক দশকে লাফ দিয়ে অনেকটাই বেড়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জলের গভীরে 'ঐশ্বরিক' অভিজ্ঞতা! ভোটের আগে দ্বারকায় কেন ডুব মোদির?

Narendra Modi in Dwarka : গোমতী নদী এবং আরব সাগরের ধারে অবস্থিত দ্বারকাধীশ মন্দির বৈষ্ণবদের গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান।

সাম্প্রতিক সেই রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা গিয়েছে, মাসিক মাথাপিছু গড় খরচ সাড়ে ৩৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৫১০ টাকা। উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে গ্রামীণ এলাকায় মাথাপিছু গড় মাসিক খরচ। সেখানে ৪০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে মাথাপিছু গড় মাসিক খরচ হয়েছে ২ হাজার টাকার কিছু বেশি। পাশাপাশি দেশে বর্তমানে দারিদ্রের হার ৫ শতাংশ বা তার কম হতে পারে বলেও বেশ কয়েকটি রিপোর্ট উল্লেখ করে জানান নীতিআয়োগ কর্তা। নীতি আয়োগের রিপোর্ট অনুসারে, নরেন্দ্র মোদী জমানায় সবচেয়ে বেশি মানুষ দারিদ্রমুক্ত হয়েছেন উত্তরপ্রদেশে। এই সংখ্যা ৫.৯৪ কোটি। এরপর রয়েছে বিহারের স্থান। সেখানে দারিদ্র থেকে মুক্তি পেয়েছেন ৩.৭৭ কোটি মানুষ। এছাড়া মধ্যপ্রদেশে ২.৩০ এবং রাজস্থানে ১.৮৭ কোটি মানুষ দারিদ্র মুক্ত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমের সেই অনুষ্ঠানে নীতি আয়োগের সেই রিপোর্টকেই কার্যত অস্ত্র করতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে। জানালেন, , “ভারতে গরিবি সিঙ্গল ডিজিটে পৌছে গিয়েছে। বিগত এক দশকে কনজামশন দেড় গুণ বেড়েছে অর্থাৎ মানুষের বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবা গ্রহণের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। গ্রামের মানুষের আর্থিক সামর্থ্য বাড়ছে। ২০১৪ সালের পর থেকে আমাদের সরকার গ্রামকে নজরে রেখে পরিকাঠামো তৈরি করেছে। গ্রাম ও শহরের মধ্যে সংযোগ তৈরি করা হয়েছে। মহিলাদের আয় বাড়ানো হয়েছে। ভারতে প্রথমবার খাবারের উপরে খরচ ৫০ শতাংশের কম হয়েছে। অর্থাৎ আয়ের ৫০ শতাংশই শুধু পরিবারের মুখে অন্ন জোগাতে খরচ হচ্ছে না, তারা অন্য ক্ষেত্রেও খরচ করতে পারছেন।” তিনি আরও বলেন, “এতদিন আমরা শুধু গরিবি হটাও স্লোগান শুনেছিলাম, বিগত ১০ বছরে আমরা ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্রসীমা থেকে বের করে এনেছি। আমাদের সরকারই এই কাজ করেছে।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বেছে বেছে টুইট সরাতে বলছে মোদি সরকার! বিস্ফোরক অভিযোগ মাস্কের

Elon Musk: এই প্রথম নয়, এর আগেও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে বিজেপি সরকার। মাস্ক মালিকানা পাওয়ার আগেও X-এস সঙ্গে সংঘাত দেখা দেয় কেন্দ্রের।

ভোটের আগে নিজের পাঁচ বছরের কাজের খতিয়ান দিতে কে না চায়। মোদিও এদিন হেঁটেছেন সেই পথেই। জানিয়েছেন, ভারতে প্রতিদিন ২টো করে কলেজ খুলেছে। প্রতি সপ্তাহে একটা নতুন বিশ্ববিদ্যালয় খুলেছে। প্রতিদিন ৫৫ পেটেন্ট, ৬০০ ট্রেডবার রেজিস্টার করা হয়েছে। প্রতিদিন দেড় লক্ষ মুদ্রা লোন দেওয়া হয়েছে, ৩৭টি নতুন স্টার্টআপ শুরু হয়েছে। ভারতে প্রতিদিন ১৪ কিমি রেলওয়ে ট্রাক তৈরি করা হচ্ছে, ৫০ হাজার এলপিজি সংযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রতি সেকেন্ডে একটি বাড়িতে জলের লাইনের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন ৭৫ হাজার মানুষকে গরিবি থেকে বের করে আনা হয়েছে।”

কিন্তু সত্যিই যদি প্রতিদিন ৭৫ হাজার করে মানুষকে গরিবির আওতা থেকে বের করে এনে থাকে মোদি সরকার, তাহলে ঘটা করে বিনামূল্যে রেশনের ঘোষণা আসলে কাদের জন্য? কারা লাইন দিয়ে নিতে আসবেন বিজেপি সরকারের সেই আর্থিক সহায়তা। দেশ থেকে যদি গরিবি দূর হয়েই গিয়ে থাকে। স্বাভাবিক ভাবেই মোদির এই ঘোষণার পরেই দেশ জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে জোর চর্চা। গত নভেম্বর মাসে ছত্তীসগঢ়ে একটি জনসভায় গিয়ে বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথা বলেছিলেন মোদি। প্রধানমন্ত্রীরএই ঘোষণার পরেই বিরোধীরা বলতে শুরু করেছিলেন, দেশ যে এখনও দারিদ্রের অন্ধকারে ঢাকা, তার বড় প্রমাণ এই রেশনের ঘোষণাই। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ সেসময় মোদীকে নিশানা করে বলেছিলন, 'প্রধানমন্ত্রীর বিনামূল্যে রেশন ঘোষণাই দেশের আর্থিক দুর্দশার প্রমাণ। দেশের মানুষের মধ্যে আর্থিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে বিপদসীমায় পৌঁছে গিয়েছে। মানুষের আয় বাড়ছে না, কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম এখন আকাশছোঁয়া। দেশের মানুষের মধ্য়ে আর্থিক ভারমাস্য নষ্ট হয়ে গিয়ে বিপদসীমায় পৌঁছে গিয়েছে। মানুষের আয় বাড়ছে না কিন্তু নিত্য প্রয়োজনায় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া।'

২০২০ সালে কোভিড অতিমারির সময় মোদী সরকার চালু করেছিল প্রধানমন্ত্রীর গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা। এর অধীনেই মাথা পিছু পাঁচ কেজি খাদ্যশস্য দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রকল্পকে আগামী পাঁচ বছর চালু করার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সে সময় বিরোধীদের তোপের মুখে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, ব্যক্তিগত জীবনেও চরম গরিবি দেখেছেন মোদি নিজেও। তিনিও বড় হয়েছেন দারিদ্রের মধ্যেই। ফলে তাঁকে বই পড়ে জানতে হয়নি গরিবি আসলে কী জিনিস। তিনি গরিবেপ কষ্ট বুঝতে পারেন বলেও দাবি করেছিলেন সে সময়। তা যে তিনি অক্ষরে অক্ষরে বুঝেছেন, তা বোধহয় আলাদা করে বলে দিতে হয় না। নাহলে মাস খানেকের মধ্যেই পাল্টে গেল ভারতের পরিস্থিতি? একধাক্কায় ২৫ কোটি দরিদ্র দেশবাসী গরিবির অন্ধকার ছেড়ে বেরিয়ে এলেন! রাতারাতি এমন ঘটনাকে 'ম্যাজিক' বলেই তোপ দেগেছেন বিরোধীরা।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?