ইদ সবার উৎসব হোক, কেন চান না রাজনীতিবিদরাই?

Eid 2023: অনেক মুসলমান ধর্মাবলম্বী মানুষ রমজান মাসে শুধু ইফতারের পরের খাওয়াদাওয়া নিয়ে অ-মুসলমানদের আগ্রহ নিয়ে আপত্তি তুলছেন।

Sambit Pal
৪ মিনিট
ইদ সবার উৎসব হোক, কেন চান না রাজনীতিবিদরাই?

আজ ইদ। গত ৩০ দিন ধরে রমজান মাসে মুসলমান ধর্মাবলম্বী মানুষরা রোজা রেখেছেন। সারা দিনের উপোস। সন্ধেবেলায় নামাজের পর উপোস ভেঙেছেন। এর মাঝেই দেশের এবং এই রাজ্যেরও বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের রামনবমী উৎসবের সময় হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক হিংসা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় রামনবমীর মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিজেপির ছোট-বড় নেতারা। মসজিদের সামনে দিয়ে রামনবমীর মিছিল গেছে। তা নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে। ইঁট-পাটকেল ছোঁড়া হয়েছে। আগুন জ্বালানো হয়েছে। শাসকদলের প্রশাসনিক অব্যবস্থা চোখের সামনে এসেছে। তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও চলেছে। আপাতত সেই হিংসার খবর হেডলাইন থেকে সরে গেছে। কিন্তু ক্ষত রয়ে গেছে। রয়ে যায়। মানুষের মনে।

রেড রোডে ইদের নামাজের শেষে প্রতি বছরের মতো এবারও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বক্তব্য রেখেছেন। ইদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তিনি বেশি সময় ব্যয় করেছেন রাজনৈতিক কথায়। বিজেপিকে রুখতে মুসলমান সমাজকে এক হতে বলেছেন। ভোট যাতে ভাগ না হয়ে যায়, সেই আবেদন করেছেন। ভরসা দিয়েছেন তিনি ওঁদের সঙ্গে রয়েছেন। ধর্মীয় আচার পালন হোক বা উৎসবের দিন- রাজনীতিকে বাইরে রাখা যায়নি।

রাজনীতিকরা নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য যে ধর্মকে ব্যবহার করেন তা ঐতিহাসিক সত্য। পৃথিবীর ইতিহাস ঘাঁটলে রাশি রাশি উদাহরণ পাওয়া যাবে। আবার ধর্মও যে রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে তার প্রমাণও হাতে গরম মেলে। পশ্চিমি দুনিয়ায় চার্চ ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক যে একে অন্যের পরিপূরক ছিল তাও আমরা দেখেছি। ইসলামিক রাষ্ট্র তো আজও আছে।

এ কথা ঠিক যে সমাজকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখতে গেলে রাজনীতি ছাড়াও আরও কিছু লাগে যা রাজনীতি বহির্ভূত। নাগরিক সমাজকে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত রাখতে গেলে, একটি কাঠামোর মধ্যে ধরে রাখতে গেলে শুধু রাজনীতির কথায় তা হয় না। ধর্ম এমনই একটি রাজনীতি-বহির্ভূত বিষয় যা সামাজিক ও কখনও কখনও রাজনৈতিক নৈতিকতার মানদণ্ড ঠিক করে দেয়। আর ভারতীয় সমাজে তো ধর্ম একটি অপরিহার্য বিষয়। রাজনীতিকরা কখনই সেটি এড়িয়ে যেতে পারেননি। গান্ধিজি থেকে মোদিজি- নিজের নিজের মতো করে রাজনীতিতে ধর্মকে ব্য়বহার করেছেন। আর ভারত তো ধর্মের ভিত্তিতেই দ্বিখণ্ডিত হয়েছে স্বাধীনতার সময়েই। ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলির মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। তার লালন-পালন হয়েছে রাজনীতিকদের হাত ধরেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সাগরদিঘি উপনির্বাচনের ফলাফলের বার্তা: সংখ্যালঘুরা শুধু ভোটব্যাঙ্ক নন

Sagardighi By Election West Bengal Politics : শুধু তৃণমূল বিরোধী ভোট নয়, বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সমর্থকদের ভোটও কংগ্রেস প্রার্থীর বাক্সে এসেছে।

কিন্তু এই ধর্ম ও রাজনীতির সমীকরণটি অত জটিল হয় না যখন সমাজ একমাত্রিক হয়। একটি ধর্মের উপর ভিত্তি করে যখন রাষ্ট্র পরিচালনা করা হয়, তখন সমস্যা কম। কিন্তু ভারতের মতো বহু ধর্ম, ভাষা, জাতির দেশে এই সমীকরণ সোজা নয়। তার উপর যেখানে ধর্মকে রাষ্ট্রের থেকে আলাদা রাখা ও নিজের নিজের ধর্ম পালনকে সাংবিধানিক অধিকার দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে এ দেশে রাজনীতিকরা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে নিজেদের ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন অনেকদিন ধরেই। ধর্মীয় নেতারাও ক্ষমতার কাছে থাকার জন্য তাতে ইন্ধন জুগিয়ে চলেছেন। এছাড়াও 'আমার ধর্মই শ্রেষ্ঠ' এই বিশ্বাস তো প্রায় সব ধর্মের ধর্মগুরুর মধ্যেই রয়েছে। সেই আবেগ বাহিত হয়েছে ধর্মাবলম্বীদের মধ্যেও। আর রাজনীতি ও ধর্মকে আলাদা করা রাজনীতিকদের পক্ষেই সম্ভব হয়নি।

এই জটিল সমীকরণে সাধারণ মানুষ একটি জাঁতাকলে আটকে গেছেন। তাঁরা রাজনীতিবিদ বা রাজনীতির চশমা দিয়েই ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলিকে চিনছেন। কারও কারও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থাকতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই পরের মুখের কথা নিয়ে চলতে ভালবাসেন। নিজের ধর্ম কারও কাছে শ্রেষ্ঠ হয়ে যায়। কারও কাছে অন্যের ধর্ম ঘৃণার বস্তু হয়ে যায়। অবিশ্বাসের মনোভাব তৈরি হয়। রাজনীতিকরা তার ফায়দা তোলেন।

এই জাঁতাকল থেকে বাঁচার একটিই উপায়। যেহেতু ধর্মকে এড়িয়ে রাস্তা চলা কঠিন, তাই একটি ধর্মের সঙ্গে অন্য ধর্মের সরাসরি আদানপ্রদান বেশি করে হওয়া উচিত। রাজনীতিকদের হাত ধরে নয়। নিজের ধর্মের প্রচার ও ধর্মান্তকরণের উদ্দেশ্যে নয়। শুধু জানা বোঝার জন্য সরাসরি যোগাযোগ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মানুষের সমর্থন ছাড়া দুর্নীতি হয় না, রাজ্যকে ভাগাড় করেছে জনতাই?

Corruption in West Bengal: নিজেরা রুখে দাঁড়াতে পারি না। কিন্তু বিচারপতি রাজনৈতিক নেতাদের দুটো কড়া কড়া কথা বললে অদ্ভুত উত্তেজনা বোধ করি।

বিলেতে এই রমজান মাসেই কোনও কোনও মসজিদে অ-মুসলিম নাগরিকদের ডাকা হয়। অ-মুসলিমদের যা অজানা, যা কৌতূহল তা কথাবার্তার মাধ্যমে মেটানোর চেষ্টা হয়। শুধু রমজান মাসেই নয়। বছরের কোনও সপ্তাহান্তে মসজিদের দরজা খুলে দেওয়া হয় সবার জন্য। সেখানে মুসলমানদের নানা আচার-অনুষ্ঠানের ব্যাপারে অ-মুসলমানদের কৌতূহল মেটানোর ব্যবস্থা থাকে। সেখানে নিজেদের ধর্মের প্রচারের থেকেও বেশি গুরুত্ব পায় অন্যদের সঙ্গে সেতু তৈরির কাজটি। সেখানে কেউ ঠিক ঝগড়া করতে যান না। যুক্তি তর্ক চলে। কিন্তু অনেকটাই খোলা মনে।

বিলেতে এই কাজটির প্রয়োজনীয়তা হয়তো অন্য জায়গায়। পশ্চিমি দুনিয়ায় অ-মুসলমানদের মুসলমান-ভীতি দূর করার তাগিদ থেকেই এমন আয়োজন হয়। কিন্তু তার মাধ্যমে অন্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগাযোগ তো বাড়ে। ভ্রান্তি দূর হয়। অবশ্যই এতে দু'পক্ষের উদার মানসিকতা একটি আবশ্যিক শর্ত।

এদেশেও এই যোগাযোগ বাড়ুক। তবেই স্বার্থান্বেষী মহলের অভিসন্ধিকে পরাজিত করা যাবে। দু'টি যুযুধান পক্ষ তৈরি করার ষড়যন্ত্রকে পরাজিত করা যাবে। যুক্তিবাদী মানুষের সংখ্যা বাড়বে। মধ্যপন্থী মানুষের সংখ্যা বাড়বে। যাঁদের সংখ্যা এখন কমে গেছে। তাই রামনবমীর সময় দাঙ্গা চলতে থাকে। মধ্যস্থতা করার কেউ থাকে না। হয় তুমি এপক্ষ বা তুমি অন্য পক্ষ। প্রশাসনও রাজনীতির দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয়।

অনেক মুসলমান ধর্মাবলম্বী মানুষ রমজান মাসে শুধু ইফতারের পরের খাওয়াদাওয়া নিয়ে অ-মুসলমানদের আগ্রহ নিয়ে আপত্তি তুলছেন। কলকাতার জাকারিয়া স্ট্রিটে খাদ্যরসিকদের ভিড় দেখে অস্বস্তি বোধ করছেন। তাঁদের বক্তব্য রোজা, ইফতার, জাকাত, তারাবির নামাজের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা কম, খাওয়াদাওয়া নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে। হয়তো ঠিক।

কিন্তু এর মাধ্যমেই যদি দু'টি সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আদানপ্রদানের রাস্তা তৈরি হয়, যদি ইদ পালন ধর্মীয় আচারের থেকে সর্বসাধারণের উৎসবে পরিণত হয় তাহলে ক্ষতি কী!

অনেকটা এভাবেই তো দুর্গাপুজো দুর্গোৎসবে পরিণত হয়েছে। আচারের থেকেও উৎসব বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। এতেই কিছু রাজনীতির কারবারিদের সমস্যা হয়েছে। তাই তো তাঁরা ধর্মীয় প্রতীক, আচারে গুরুত্ব বাড়াতে চেষ্টা করছেন। তাতে অন্য ধর্মের বা ধর্ম থেকে দূরে থাকা নাগরিকদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা যায়। একই কায়দায় রামনবমীকে রাজনীতির কাদায় ফেলা হচ্ছে। সেই পাঁকে আটকে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

আজ একসঙ্গে ইদ ও অক্ষয় তৃতীয়া। অনেকেই মুসলমান ও হিন্দু ধর্মের দু'টি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি খুঁজে পাচ্ছেন। ভালো। মাঝে মাঝেই আমরা এরকম দু'চারটে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ পেয়ে যাই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে। যা আসলে ব্যতিক্রমী বলেই গণ্য হয়। এই সম্প্রীতি মূলধারার হোক। রাজনীতিকদের এড়িয়ে হোক। মধ্যপন্থী ও যুক্তিবাদী মানুষের মাধ্যমে এই প্রচেষ্টা সফল হোক।

লিখেছেন
Sambit Pal
Sambit Pal
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।