‘‘INDIA জোট ক্ষমতায় এলেই... ’’ যে যে প্রতিশ্রুতি দিলেন রাহুল

Lok Sabha Election 2024: ভোটে জিতে ক্ষমতায় এলে দেশে ইন্ডিয়া জোটের তরফে একগুচ্ছ বদল আনার কথা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। রাঁচির শহীদ ময়দানে সমাবেশে এসে ইন্ডিয়া জোটের হয়ে ঘোষণা করে দিলেন রাহুল।

Sohini Das
৪ মিনিট
‘‘INDIA জোট ক্ষমতায় এলেই... ’’ যে যে প্রতিশ্রুতি দিলেন রাহুল

শিয়রে লোকসভা ভোট। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার পেশ করে ফেলেছে অন্তর্বর্তী বাজেট। তবে ভোটের আগে তাতে বিশেষ আশার আলো দেখতে পায়নি জনগণ। তবে সেই পথে হাঁটছে না বিজেপিবিরোধী জোট 'ইন্ডিয়া'। সমালোচকদের কেউ কেউ বলছেন, নরেন্দ্র মোদির সরকার ২০২৪ ভোটে এতটাই আত্মবিশ্বাসী, যে ভোটারদের টানতে প্রতিশ্রুতির মালা তেমন করে আর গাঁথছে না বিজেপি সরকার। আর সেখানে উল্টোটাই করছে 'ইন্ডিয়া' জোট। ভোটে জিতে ক্ষমতায় এলে দেশে ইন্ডিয়া জোটের তরফে একগুচ্ছ বদল আনার কথা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি।

ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা নিয়ে ঝাড়খণ্ডে রাহুল গান্ধি। দু'দিন আগেই সেখানে আস্থাভোটে জিতে ফের সরকার গড়তে সক্ষম হয়েছে জেএমএম-আরজেডি-কংগ্রেস জোট। জেএমএমের প্রবীণ নেতা চম্পাই সোরেনের হাতেই থাকছে মুখ্যমন্ত্রীত্ব। লোকসভা ভোটের আগে সে রাজ্যে বিজেপিবিরোধী জোটের হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকি ছিল প্রবল, যেমনটা দিন কয়েক আগেই ঘটেছে বিহারে। পাল্টি খেয়ে সোজা এনডিএ জোটের হাত ধরেছেন নীতীশ কুমার। যার প্রভাব সামান্য হলেও পড়েছে ইন্ডিয়া জোটে। তার উপর তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন নিজের রাজ্যে একা লড়ার কথা। সেই পথেই হাঁটতে চেয়েছে আম আদমি পার্টি পঞ্জাব ও হরিয়ানাতেও। এই পরিস্থিতিতে ইন্ডিয়া জোটের ভিটেমাটি আলগা হতে দেখা যাচ্ছে ক্রমশ। যদিও কংগ্রেসের তরফে আপ্রাণ চেষ্টা করা হচ্ছে, জোটের ঐক্যমত বজায় রাখার। অন্তত তার ফুটিফাটা অবস্থাটা যাতে মানুষের সামনে না আসে, তা লুকিয়ে রাখতে কোনও কসুর বাকি রাখছেন না কংগ্রেস নেতা-নেত্রীরা। জয়রাম রমেশের মতো প্রবীণ নেতারা বারংবার দেখানোর চেষ্টা করেছেন, নীতীশের পাল্টির কোনও প্রভাব পড়ছে না জোট ইন্ডিয়া-তে।

কিছুদিন আগেই বাংলা সফর শেষ করেছে রাহুলের 'ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা'। প্রথম পর্বে অসম হয়ে বাংলায় ঢুকলেও দিল্লি উড়ে যেতে হয়েছিল রাহুলকে। দু'দিনের বিরতি নিয়ে ফের জলপাইগুড়িতে শুরু হয় যাত্রা। সেখান থেকে বিহার হয়ে রাহুলরা ফের ফেরেন বাংলায়। মালদা এবং মুর্শিদাবাদ হয়ে সেখান থেকে বীরভূমে গিয়েছিলেন রাহুলরা। বাংলায় যাত্রার সময়েও বারবার জাতিশুমারির কথা উল্লেখ করেছেন কংগ্রেস নেতা। জাতিশুমারির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কেও ভাষণ দেন তিনি। এবার ঝাড়খণ্ডের মাটি থেকেও একই কথা শোনা গেল রাহুল গান্ধির মুখে। তবে এবার আর শুধু আলোচনা নয়। সোজাসাপ্টা প্রতিশ্রুতিই দিয়ে বসলেন রাহুল ইন্ডিয়া জোটের হয়ে। জানিয়ে দিলেন, ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় এলেও জাতিশুমারি বা জাতগণনা হবে। এবং সেই প্রক্রিয়ার পরে জাতিভিত্তিক সংরক্ষণের হার ৫০ শতাংশের আওতা থেকে সরিয়ে আরও বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দিলেন তিনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মালদহে জয় 'মহব্বতে'রই , ঘৃণার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বাংলাকে ডাক রাহুলের

Bharat Jodo Nyay Yatra: রাহুল জানান, দেশে এখন বিচারধারার লড়াই চলছে। একদিকে ঘৃণা (নফরত) ও হিংসার বিচারধারা, অন্যদিকে ভালোবাসা (মহব্বত) ও ভাতৃত্বে (ভাইচারা)-র বিচারধারা।

গত ১৪ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু করেছেন রাহুল গান্ধী। এবার তার সঙ্গে জুড়েছে 'ন্যায়' শব্দটি। 'নফরৎ কি বাজার মে মহব্বত কি দুকান' স্লোগান নিয়ে হিংসাদীর্ণ মণিপুর থেকেই ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু করেছিলেন রাহুলরা। সেখান থেকে অসম হয়ে বাংলায় ঢোকে যাত্রা। সেখান থেকে বিহার হয়ে ফের বাংলায় ফেরেন রাহুলরা। সেখানে সফর শেষে যাত্রা পৌঁছয় ঝাড়খণ্ডে। এবার রাঁচির শহীদ ময়দানে সমাবেশে এসে ইন্ডিয়া জোটের হয়ে নতুন এই ঘোষণা করে দিলেন রাহুল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাহুল গান্ধির সঙ্গে দু' দশ মিনিট

Rahul Gandhi Exclusive : কুড়ি ফুট দূরত্ব থেকে দেখলে রাহুল কেমন? ক্লান্তিহীন। স্বতঃস্ফূর্ত। লাক্ষাদ্বীপের নিঃসঙ্গ ভ্রামণিক নন। বরং মানুষের মন বুঝতে মরিয়া। প্রতিটি বাড়িয়ে দেওয়া ফুল তিনি গ্রহণ করছেন সমান আন্তরিকতায়।

দীর্ঘদিন ধরেই জাতিশুমারির দাবি জানিয়ে এসেছে কংগ্রেস। বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন সময় ওবিসি, দলিত কিংবা উপজাতি তাস খেললেও জাতিশুমারির ব্যপারে নিমরাজি কেন্দ্রীয় সরকার। কংগ্রেসের দাবি, জাতিশুমারির দাবি তোলা হলে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, তিনি জাতিভেদে বিশ্বাস করেন না, তাঁর কোনও জাতি নেই বলেও দাবি করেন তিনি। এদিকে, ভোটের আগে নিজেকে ওবিসি বলে দাবি করার সময় দু'বার ভাবেননি প্রধানমন্ত্রী। একদিন আগেই আস্থাভোট দিতে বিধানসভায় এসেছিলেন ইডি-র হাতে গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তাঁর এই গ্রেফতারির নেপথ্যে রাজভবনের হাত আছে বলেও দাবি করেন তিনি। যদিও সোমবার ৪৭জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে শেষপর্যন্ত আস্থাভোটে জিতে যান জেএমএম নেতা চম্পাই সোরেন। এরপরই মঙ্গলবার রাঁচির জনসভায় রাহুলের বক্তব্য, ঝাড়খণ্ডে বিজেপি জেএমএমএম-কংগ্রেস-আরজেডি জোট ভাঙার চেষ্টা করেছিল, আর তার মুখ্য কারণই হল সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী আদিবাসী। তবে বিজেপির সেই প্রচেষ্টাকে নষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে মহাগাঁটবন্ধন। এর জন্য সমস্ত জোট-বিধায়ককে অভিনন্দনও জানান রাহুল। পাশাপাশি বিজেপি-আরএসএস ষড়যন্ত্রকে রুখে দিয়ে ঝাড়খণ্ডের গদি জিতে নেওয়ার জন্য চম্পাই সোরেনকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন তিনি।

এতদিন ধরে দলিত, আদিবাসী, উপজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (OBC)-দের 'বন্ডেড লেবার' করে রাখারও অভিযোগ এনেছেন রাহুল। তাঁর দাবি, এ যাবৎ বড় স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ও কর্মসংস্থানগুলিতে কাজের সুযোগ ও অংশগ্রহণের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল তারা। ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় এলে তাই তাদের প্রথম কাজ হল, জাতিশুমারি করা। ভারতে সংখ্যালঘু আসলে কারা, তা থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে দাবি কংগ্রেস। বর্তমান আইন অনুযায়ী, ৫০ শতাংশের বেশি জাতি সংরক্ষণ করা যায় না। আর সেই আইনেই বদল আনতে চান রাহুলরা। তার জন্য দলিত বা আদিবাসীদের সংরক্ষণে হাত পড়বে না বলেও আশা দিয়েছেন রাহুল। সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষেরাও যাতে এগিয়ে আসার সুযোগ পান, তা নিশ্চিত করাই প্রথম কাজ হবে ইন্ডিয়া জোটের, তেমনটাই জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল।

একদিকে বিজেপি ও আরএসএসের দেশকে হিন্দুরাষ্ট্র বানানোর ডাক, ঝাঁ চকচকে রামমন্দির কিংবা পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারতের মানচিত্রের মধ্যে আনার প্রয়াস, অন্যদিকে বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের জাতিশুমারি বা পিছিয়ে পড়াদের জন্য সংরক্ষণ বাড়িয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া। এখন দেখার কোনদিকে বেশি আকৃষ্ট হন দেশবাসী, কোন দিক বেছে নিতে চান আম জনতা? তার উত্তর অবশ্য মিলবে ভোটবাক্সেই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।