ভুখা পেটের বিকল্প খাবার থেকে জিআই তকমা, যেভাবে বিখ্যাত হল লাল পিঁপড়ের চাটনি

GI, red ant chutney: ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলায় কাই চাটনি নামে পরিচিত এই খাবারটি। মূলত আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকার খাবার এই চাটনি।

Sohini Das
৪ মিনিট
ভুখা পেটের বিকল্প খাবার থেকে জিআই তকমা, যেভাবে বিখ্যাত হল লাল পিঁপড়ের চাটনি

বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় খাবারের খোঁজ তো করেন অনেকেই। কিন্তু সেই খাবার খুঁজতে খুঁজতে যদি আপনার হাতে এসে পড়ে এক বাটি পিঁপড়ের চাটনি। মুখ ঘোরালে চলবে না মোটেই। কারণ এই পিঁপড়ের চাটনিই কিন্তু আজ ডেলিকেসি। অন্তত ওড়িশার তো বটেই। সম্প্রতি জিআই তকমা পেয়েছে ওড়িশার এই লাল পিঁপড়ের চাটনি। সেই জিআই তকমা, রসগোল্লার উপর যা নিয়ে যুযুধান হয়ে উঠেছিল বাংলা ও ওড়িশা। তবে ওড়িশার এই লাল পিঁপড়ের চাটনির ডেলিকেসির উপর ভাগ বসাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেনি অন্য কোনও রাজ্য। এবার গোটা খ্যাতি পকেটস্থ করেছে ওড়িশা একাই। শোনা যায়, এই খাবার যে শুধুই সুস্বাদু, তা-ই নয়। একই সঙ্গে নাকি অজস্র ঔষধী গুণ এই বিশেষ রকমের পিঁপড়ের চাটনির।

খিদের বালাই এমনই, যে একসময় গাছপালা থেকে পিঁপড়ে, পিঁপড়ের ডিম ধরে ধরে খেতে বাধ্য হতেন আদিবাসী, পিছিয়ে পড়া সমাজের মানুষজন। সেই পিঁপড়েই আজ যাকে বলে ডেলিকেসি। সম্প্রতি জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন অর্থাৎ জিআই ট্যাগ পেয়েছে ওড়িশার বিখ্যাত সেই লাল পিঁপড়ের চাটনি। পিঁপড়ের চাটনি শুনে অবশ্য চোখ কপালে তুলবেন অনেকেই। যে পিঁপড়ের কামড় খেলে ত্রিভুবন অন্ধকার, সেই পিঁপড়ে খাবারের পাতে! হ্যাঁ, ব্যাপারটি অবাক করার মতো হলেও দীর্ঘদিন ধরেই আদিবাসী পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষেরা এই খাবার খেয়ে জীবননির্বাহ করে এসেছেন।

ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলায় কাই চাটনি নামে পরিচিত এই খাবারটি। মূলত আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকার খাবার এই চাটনি। দেশের অন্য এলাকার বাসিন্দারা যতই নাক শিঁটকাক না কেন, ময়ূরভঞ্জের বাসিন্দাদের কাছে এই চাটনির জবাব নেই। সিমলিপাল এলাকাতে একে বলা হয় সিমলিপাল কাই চাটনি। না, পিঁপড়ে দেখলেন আর ধরে চাটনি বানিয়ে ফেললেন, ব্যাপারটা কিন্তু মোটেও এমন নয়। কাই পিম্পুদি নামে এক বিশেষ ধরনের পিঁপড়ে পাওয়া যায় এসব অঞ্চলে। বাংলায় অনেকে বলেন লাল তাঁত পিঁপড়ে। সেই বিশেষ ধরনের পিঁপড়ে দিয়েই তৈরি হয় এই চাটনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দুটি পদই দেওয়া হয় শেষ পাতে, জানেন আসলে কী তফাৎ ‘চাটনি’ এবং ‘অম্বল’-এর

Dessert item : বাঙালি বাড়িতে টক স্বাদের রয়েছে রকমফের। কেউ কেউ বলেন চাটনি, কেউ বলেন আচার আবার কোনও কোনও বাড়িতে ভাতের পাতে দেওয়া এই পদটিকে বলা হয় অম্বল। কিন্তু জানেন কেন এমন ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হয় এই তিনটি পদকে?

স্বাদের সঙ্গে সঙ্গে পুষ্টি একেবারে বিনামূল্যে। বিকল্প খাবারের খোঁজ কিন্তু আজকের পৃথিবীতে কোনও নতুন বিষয় নয়। চিন, জাপানের মতো বহু দেশেই বিভিন্ন রকম পোকামকড় খাওয়ার চল রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের মাংসজাত প্রোটিনের বিকল্প খুঁজে বের করাটাই এই উদ্যোগের মূল কথা। বিশেষজ্ঞেরা এই লাল পিঁপড়েগুলি বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, এতে প্রচুর পরিমাণ জরুরি প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন বি-১২, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, তামা ও অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া আদিবাসী মানুষজন, যাঁরা মূলধারার খাবারদাবারের তেমন নাগাল পেতেন না, তাঁদের ভরসা বলতে ছিল ওই পিঁপড়ে থেকে পাওয়া পুষ্টিটুকুই। মহাশ্বেতা দেবীর লেখা 'অরণ্যের অধিকার' থেকে শুরু করে বহু আদিবাসীকেন্দ্রীক সাহিত্যে এমন খাবারদাবারের উল্লেখ আমরা পেয়েছি। পড়ে অবাকও হয়েছি। কিন্ত সেই পিঁপড়ের ডিমের তৈরি চাটনিই আজ মাথা উঁচু করল ওড়িশার।

ময়ূরভঞ্জে মেলা ওই পিঁপড়ের বৈজ্ঞানিক নাম ওইসোফিল্লা সামারাগডিমা। গোটা বছরই এই পিঁপড়ে ময়ূরভঞ্জ এলাকায় দেখা যায়। গাছের পাতা দিয়ে তৈরি বাসায় খোঁজ মেলে এই বিশেষ প্রজাতির পিঁপড়ের। সেখান থেকেই পিঁপড়ে সংগ্রহ করে আনেন আদিবাসীরা। এর পর জলের মধ্যে গাছের পাতায় লেগে থাকা ওই পিঁপড়েগুলিকে ডুবিয়ে রাখা হয়। এর পর লার্ভা ও ডিম আলাদা করা হয়। রসুন, নুন, লঙ্কা, আদার মতো হরেক রকম মশলার সঙ্গে সেগুলি বেটে তৈরি করা হয় কাই চাটনি। ওড়িশা ছাড়াও ছত্তিশগড় ও ঝাড়খণ্ডের বেশ কিছু অঞ্চলেও এই চাটনি খাওয়ার চল রয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তরকারি থেকে চাটনি, টমেটো ছাড়া ফ্যাকাসে লাগে স্বাদ, জানেন এর বাংলা প্রতিশব্দ?

Bengali meaning of Tomato : টমেটো শব্দটি বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হলেও এটি একটি ইংরেজি শব্দ। ইংরেজি শব্দের চাপে অবশ্য ব্যবহারিক জীবন থেকে একেবারেই হারিয়ে গিয়েছে বাংলা প্রতিশব্দটি, জানুন সেটি

এই চাটনির জন্য বেশ কিছুদিন আগেই ময়ূরভঞ্জের আয়ুশমন্ত্রকের কাছে আবেদন জমা করেছিলেন বাসিন্দারা। সহজ নয় এই পিঁপড়ে সংগ্রহের কাজ। এই পিঁপড়ে তেমন ভয়াবহ বিষাক্ত না হলে এর কামড় বেশ জ্বালাদায়ী। সেই সব ঝঞ্ঝাট সহ্য করেই রোদে পুড়ে জলে ভিজে পিঁপড়ের সংগ্রহের কাজ করেন বহু আদিবাসী পরিবার। এটাই রুজিরুটি। কিন্তু স্থানীয় স্তরে দাম থাকলেও বৃহত্তর ক্ষেত্রে তেমন দাম নেই এই চাটনির। ফলে ব্যবসায়িক ভাবে তেমন কিছু আশার মুখ দেখতে পান না আদিবাসী মানুষগুলো।

করোনা কালে হঠাৎই রটে গিয়েছিল এই পিঁপড়ের চাটনি নাকি ভ্যাকসিনের চেয়েও বেশি কার্যকর। নয়নধর পাধিওয়াল নামে ওড়িশার এক ইঞ্জিনিয়ার গবেষক নাকি এমন দাবি করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। আবেদনকারী বিস্তারিত ভাবে এই কাই চাটনির খাদ্যগুণের কথা আদালতে জানিয়েছিলেন। তবে আদালতের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে তাঁর দাবি। তা কোভিড সারুক ছাই না সারুক, এই পিঁপড়ের চাটনিতে জ্বর, সর্দি-কাশি সারানোর মতো বহু ভেষজ গুণই যে রয়েছে এই চাটনিতে, তা কিন্তু স্থানীয়রা অনেকেই মানেন।

তবে শুধু ওড়িশার ময়ুরভঞ্জ জেলাই নয়, ঝাড়খণ্ড, ছত্তীসগঢ়, অন্ধ্রপ্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর , ত্রিপুরা, মেঘালয়, এমনকী বাংলার অনেক আদিবাসী-উপজাতিদের মধ্যেই এই চাটনি খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। এ রাজ্যের পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার বিভিন্ন প্রান্তেও আদিবাসীরা এই ঝাল ঝাল চাটনি বানান ও বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে খেয়ে থাকেন। সাধারণ ভাবে পিঁপড়ে গাছ থেকে পেড়ে আনার পর পরিষ্কার করে বেটে মশলা মিশিয়ে তৈরি হয় এই কাই চাটনি। বহু জায়গায় আবার এই লাল পিঁপড়েকে জলে ফুটিয়ে আদা, রসুন ও লঙ্কা-সহযোগে স্যুপের আকারেও খাওয়া হয়। সেটা নাকি আবার দারুণ জ্বর-সর্দির ওষুধও। এই চাটনি মূলত আদিবাসী খাবার হলেও জিআই ট্যাগ পাওয়ার আগেই তা পৌঁছে গিয়েছিল বিশ্বের দরবারে। বিখ্যাত ব্রিটিশ শেফ গর্ডন ব়্যামসে এই পিঁপড়ের চাটনি খেয়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি নাকি একে দুনিয়ার সেরা চাটনি বলেও আখ্যা দেন।

এবার জিআই ট্যাগ পাওয়ার পরে আরও বেশি মাত্রায় বিশ্বের দরবারে পৌঁছে গেল বিশেষ এই কাই চাটনির নাম। এককালে অভাবের সংসারের পুষ্টির বিকল্প ঠিকানা ছিল যে পিঁপড়ের চাটনি, সেই খাবার কি আদৌ ব্যবসায়িক লাভের মুখ দেখাবে ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ এলাকার বাসিন্দাদের। ভবিষ্যতে যাতে আর পিঁপড়ের ডিম খেয়ে দিন যাপন করতে না হয়, সেই নিশ্চয়তা কি দেবে সাম্প্রতিক এই জিআই তকমা! সেটা কিন্তু লাখ টাকার প্রশ্ন!

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।