"আমি ভারতের প্রথম চাঁড়াল কবি!" জন্মদিনে আড়ালেই কবিতার মগ্ন সাধক বিনয় মজুমদার

Binay Majumdar: বিনয় মজুমদার ঠিক ‘পাগল’ ছিলেন না, ছিলেন কাব্যোন্মাদ, আত্মভোলা এক শিশু এবং কবিতার সাধক, যাঁকে বুঝতে, আত্মস্থ এখনও বহু বছরের সাধনার প্রয়োজন পাঠকের।

Sanchari Bhowmik
৪ মিনিট
"আমি ভারতের প্রথম চাঁড়াল কবি!" জন্মদিনে আড়ালেই কবিতার মগ্ন সাধক বিনয় মজুমদার

একটি উজ্জ্বল মাছ একবার উড়ে

দৃশ্যত সুনীল কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাবে স্বচ্ছ জলে

পুনরায় ডুবে গেলো — এই স্মিত দৃশ্য দেখে নিয়ে

বেদনার গাঢ় রসে আপক্ক রক্তিম হল ফল।

আসলে যিনি চলে যান, তিনি কি একেবারেই ছেড়ে যান? কবি তো যান না ছেড়ে পাঠককে! তাঁর হৃদয়ের গভীর প্রভাব ছায়া ফেলে পাঠকের মননে আজও! তাঁর ব্যক্তিজীবন আর কবি জীবন অবলীলায় মিলে মিশে এক হয়ে গেছে। কখনও তিনি পালন করেছেন মৌনব্রত আবার কখনও হাসির ফাঁকে বলছেন জীবন সত্যের গভীর মনস্তত্ত্বকে। আবার পালন করেছেন বছরের পর বছর একটি শব্দও না লেখার কঠিন জেদকে। থেকেছেন আড়ালে, অথচ তিনি নিজেই বেরিয়ে পড়েন জোনাকি, প্রজাপতি, হাঁস, পাখি আর অদ্ভুত মানুষ দেখতে। স্কিৎজোফ্রেনিয়ার রোগী, সদা কম্পমান হাতে হ্যারিকেন জ্বালাতে গিয়ে একের পর এক ফুরিয়েছে দেশলাই কাঠি। অথচ জ্যামিতির উপপাদ্য আঁকার সময় নির্ভুল ৯০ ডিগ্রি কোণ। বাড়ি বয়ে পুরস্কার দিতে এলে দরজা এঁটে স্বেচ্ছাবন্দি তিনি। পুরস্কার, আত্মপ্রচারের ঘোর বিরোধী ছিলেন বিনয়। জীবনের ‘চাকা’কে তিনি চালিয়েছেন নিজের মতো করে। এই সবটা মিলিয়েই তিনি ‘ফিরে এসো চাকা’র কবি বিনয় মজুমদার। তাঁর ৮৮তম জন্মদিন আজ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভালবাসা মরে গেলেও থাকে স্মৃতিতে! ভাস্কর চক্রবর্তীর কবিতা চেনায় অন্য প্রেম

Bhalobasar Karok Prokoron: বিশুদ্ধ ভালবাসা তবু, ভাস্কর জানেন, তা থেকে যায় ভালবাসা মরে গেলে স্মৃতিতেই।

কবি বিনয় মজুমদার মায়ানমারের মিকটিলা জেলার টোডো শহরে ১৯৩৪ সালে এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন। বিপিনবিহারী মজুমদার এবং বিনোদিনী দম্পতির ছয় সন্তানের মাঝে বিনয় মজুমদার (মংটু) ছিলেন সবচেয়ে ছোট। ১৯৪২ সালে বাংলাদেশের একটি স্কুলে ভর্তি হন কবি। ১৯৪৪ সালে তিনি প্রথম বিভাগে ছাত্রবৃত্তি পরীক্ষায় পাশ করার পর ১৯৪৬ সালে তাকে বৌলতলী উচ্চবিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। ১৯৪৮ সালে দেশভাগের সময় সপরিবারে তাঁরা ভারতের কলকাতায় চলে আসেন। ১৯৫১ সালে আইএসসি (গণিত) পড়ার জন্য প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে প্রথম বিভাগে প্রথম হন তিনি। ১৯৫৮ সালে ছাত্রজীবন সমাপ্ত হবার কয়েকমাস পরেই এনবিএ থেকে প্রকাশিত হয় ‘অতীতের পৃথিবী’ নামক একটি অনুবাদ গ্রন্থ। এই বছরেই গ্রন্থজগৎ থেকে বের হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নক্ষত্রের আলোয়’। বিভিন্ন ভাষা শিক্ষা, গণিত নিয়ে দেশ-বিদেশে গবেষণাধর্মী লেখা, একের পর এক চাকরি ছেড়ে শুধু কবিতাকে আঁকড়ে বাঁচা। বিনয়ের কথায়, “জড়, উদ্ভিদ, কীট পতঙ্গ, মানুষ সবার সৃষ্টিরহস্য এক। সে কথা উপলব্ধির পরেই শুরু হল কবিতা নিয়ে পথ চলা, আমার নিজস্বতা।”

কর্মজীবন, সাহিত্য জীবন ও মানসিক কেন্দ্রে থাকার সময়টুকু বাদ দিয়ে বাকি একাকিত্বের সময়টা, স্বেচ্ছায় নিজেকে গৃহবন্দি রেখেছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর স্টেশন ছোঁয়া শিমুলপুরে, নিজের ভিটেবাড়িতে। এই বাড়িতে থাকার সময় মাঝে মাঝে ভোরে গিয়ে বসতেন ঠাকুরনগর স্টেশনে। ঘরে ফিরে দরজার ছোট্ট ফুটো দিয়ে তাকিয়ে থাকতেন, কখন আসবে খাবার। রাতে ছিল আকাশ দেখার নেশা—

শুধু চাঁদ দেখবার জন্য আমি বিছানায়

উঠে বসি, চাঁদ আছে বলে

ঘুমোতে বিলম্ব হয়।

এই বাড়িতে বসেই নিজের স্বভাবভঙ্গিমায় তিনি বলেছিলেন,

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রাপ্য শুধুই সহমর্মিতা! উমরের মুক্তি চেয়ে কি আদৌ জোট বাঁধবে দেশ?

Umar Khalid: উমর খালিদের মা সাবিহা খানুম বলেন, “উমর নিজের অসুবিধার কথা শেয়ার করে না। সবসময় হাসিমুখে কথা বলে।”

আমি ভারতের প্রথম চাঁড়াল কবি। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, লেখা ছেড়ে দেওয়ার পরেও, আমি যে কবি নই— এ কথা বলে কিংবা লিখে প্রকাশ করা অসম্ভব হয়ে গিয়েছে। আমি এখন কয়েক জনকে চাঁড়াল কবি বানানোর চেষ্টা করছি।

আগেই বলা হয়েছে বিনয় মজুমদারের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নক্ষত্রের আলোয়’। এছাড়াও তিনি লিখেছেন ‘ফিরে এসো চাকা’, ‘গায়ত্রীকে', যার উৎসর্গ পত্রে তিনি লেখেন ‘আমার ঈশ্বরীকে’। লিখেছেন ‘অঘ্রাণের অনুভূতিমালা’, ‘বাল্মীকির কবিতা’ ইত্যাদি। ‘গায়ত্রীকে’-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২৪ ফাল্গুন, ১৩৬৭তে এবং দ্বিতীয় সংস্করণের নাম হয় ‘ফিরে এসো, চাকা’, প্রকাশিত হয় ৩১ ভাদ্র, ১৩৬৯তে। জীবনানন্দ বললেই যেমন প্রথমেই মনে আসে রূপসী বাংলার কথা তেমনই বিনয় মজুমদারের নামের সঙ্গেই চলে আসে ‘ফিরে এসো, চাকা’ কাব্যগ্রন্থের কথা। বিনয় লেখেন, “ফিরে এসো, ফিরে এসো, চাকা,/ রথ হ’য়ে, জয় হ’য়ে, চিরন্তন কাব্য হ’য়ে এসো।/ আমরা বিশুদ্ধ দেশে গান হবো, প্রেম হবো, অবয়বহীন/ সুর হ’য়ে লিপ্ত হবো পৃথিবীর সকল আকাশে।” পয়ার ছন্দে বিনয়ের লেখায় সমস্ত কবিতাই যেন অন্তিম, অমোঘ এক গন্তব্য। শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, “যে কোনও বিষয়েই কবিতা লিখতে পারে বিনয়।”

'ফিরে এসো চাকা' বইয়ের প্রচ্ছদ

বিনয়ের ‘গায়ত্রীকে’— এক ফর্মার চটি বই, যেখানে রয়েছে মোট চোদ্দোটা কবিতা। নাম অনুযায়ী মনে হতেই পারে কবিতাগুলি জনৈক গায়ত্রীকে উদ্দেশ্য করেই। এই গায়ত্রী কে, সে সম্পর্কে পরিষ্কার করে বিনয় কখনও কিছু বলেননি, ইচ্ছে করেই হয়তো অনেকটা ঘনীভূত হতে দিয়েছেন রহস্য। যে রহস্যের উদঘাটন পাঠকমহল নিজেদের মতো করেই বারবার সমাধান করার চেষ্টা করেছেন। বিনয়ের সমসাময়িক অনেকের থেকেই জানা যায় যে, এই গায়ত্রী পঞ্চাশের দশকের শেষের দিকে প্রেসিডেন্সি কলেজের উজ্জ্বল ছাত্রী গায়ত্রী চক্রবর্তী, পরবর্তীকালে যিনি গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক নামে পরিচিতি পেয়েছেন।

বাঙুর সাইকিয়াট্রি ইনস্টিটিউটে মাস দু’য়েক ভর্তি থাকার সময় কবিতা লিখলে তবেই ঠাকুরনগরের বাড়িতে ফিরতে দেওয়া হবে, বুঝিয়ে তাঁকে লেখানো হয় কবিতা। বিনয় নিজেই বলেছেন, “কবিতা লেখা আমি মাঝে মাঝে ছেড়ে দিই। তখন এমন কাণ্ড ঘটে, যাতে ফের লিখতে বাধ্য হই। আমাকে হাসপাতালে পুরে কাগজ এবং কলম দিয়ে আমাকে বলা হল, ‘কবিতা লিখলে ছাড়া হবে। নচেৎ নয়’।” ২০০০ সালের বন্যা পরিস্থিতি, চারিদিকে উত্তাল জল! সেই জল ভাসিয়েছে বিনয়কে। ঝড়ে ঘর ভাঙা পাখির মতো তিনি তাঁর ঠাকুরনগরের বাড়িতে একা। সম্পাদকদের কাছ থেকে আসা লেখার সমস্ত অনুরোধ তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। তবে ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয় ‘হাসপাতালে লেখা কবিতাগুচ্ছ’ কাব্যগ্রন্থটি। শেষ কাব্যটিতেও হাসপাতালের নানা প্রসঙ্গের সঙ্গে অমোঘভাবে এসে গিয়েছেন গায়ত্রী, “আমার ঠিকানা আছে তোমার বাড়িতে, তোমার ঠিকানা আছে আমার বাড়িতে, চিঠি লিখব না। আমরা একত্রে আছি বইয়ের পাতায়।”

আসলে বিনয় কবিতা লেখার জন্য লেখেননি। তাঁর জীবনটাই হয়ে উঠেছে একটা আস্ত কাব্যগ্রন্থ। যেখানে প্রতি পাতায় লেখা হয়েছে কবিতা। নিজের জীবনবোধ আর রক্তের অক্ষরে তিনি সাজিয়েছেন সেই লেখাকে। আসলে বিনয় মজুমদার ঠিক ‘পাগল’ ছিলেন না, ছিলেন কাব্যোন্মাদ, আত্মভোলা এক শিশু এবং কবিতার সাধক, যাঁকে বুঝতে, আত্মস্থ এখনও বহু বছরের সাধনার প্রয়োজন পাঠকের।

ঋণ: ‘গায়ত্রীকে’ বিনয় মজুমদার

আনন্দবাজার পত্রিকা

লিখেছেন
Sanchari Bhowmik
Sanchari Bhowmik
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।