তিথি হিসেবে মহালয়ার গুরুত্ব বাড়িয়ে দিল 'মহিষাসুরমর্দিনী'

Mahisashuramardini: হয়তো বা বিভ্রম জাগে, দুর্গাপুজোর অবশ্য-পালনীয় পুণ্য কাজকম্মর অন্যতম 'মহিষাসুরমর্দিনী' শোনা!

Simool Sen
৪ মিনিট
তিথি হিসেবে মহালয়ার গুরুত্ব বাড়িয়ে দিল 'মহিষাসুরমর্দিনী'

এ যেন এক আশ্চর্য দুর্ঘট? আসমুদ্রহিমাচলে তো বটেই, গোটা দুনিয়াতেও কি এ রকম উদাহরণ খুব বেশি মিলবে, যেখানে রেডিও-অনুষ্ঠান আরম্ভ হয় ক্যালেন্ডারের সময়মাফিক নয়– বরং তিথি-নক্ষত্রর নিক্তি মেপে?

আকাশবাণীর সম্প্রচারিত 'মহিষাসুরমর্দিনী' অনুষ্ঠানটি নানা কারণেই ব্যতিক্রম! ঈষৎ কাণ্ডজ্ঞান প্রয়োগ করলেই ভাবা যায়, রেডিও একটি আদ্যন্ত প্রযুক্তিসম্ভূত, আধুনিক প্রতিষ্ঠান। যে পাবলিক সে রচনা করে, তা-ও খাতায়-কলমে আপাদমস্তক সেকুলার। অন্তত, তেমনটাই হওয়ার কথা। অথচ, প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবতায় যোজন ফাঁক থেকে যায়। উপমহাদেশের ধর্মসংকুল আবহে শ্রুতি-পরিসরের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে ভাবতে বসলে অতএব 'মহিষাসুরমর্দিনী'-কে এড়িয়ে কিছু ভাবাই যাবে না!

এখনও খাতায়-কলমে শতবর্ষীয়ান হয়ে ওঠেনি এই বেতার-নিবেদন। অথচ, এই ন'-দশকেই 'মহিষাসুরমর্দিনী' যেন হয়ে উঠেছে হিন্দু বাঙালির শারদ-অভ্যেসের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ, পুজোর আবশ্যিক এক উপাদান-বিশেষ। স্বাভাবিকতার এহেন অমেয় প্রকোপেই হয়তো বা বিভ্রম জাগে, দুর্গাপুজোর অবশ্য-পালনীয় পুণ্য কাজকম্মর অন্যতম 'মহিষাসুরমর্দিনী' শোনা! যার ইতিহাস নিতান্তই কয়েক দশকের, থেকে থেকে তাকে মনে হয় আবহমান, চিরন্তন৷ গত ন'-দশকে তাই মহিষাসুরমর্দিনী-প্রসঙ্গে গালগল্পর তালিকা বেড়ে গেছে ক্রমে– আদতে যা হতে পারত নিতান্তই সাধারণ একটি সংগীত-আলেখ্য, তাতে জুড়ে বসেছে দৈব অনুষঙ্গর ইশারা। কে বলতে পারে, তিথি হিসেবে মহালয়ার গুরুত্বও হয়তো-বা বেড়ে গেছে কিঞ্চিৎ!

২

বাঙালির রেডিও শোনার ইতিবৃত্ত জড়িয়ে আছে অবসর সময়ের ইতিহাসের সঙ্গে। দিনমানে ক্ষমতার কলে পেষাই হতে হতে যে আধমরা– উদ্বৃত্ত, একান্ত সময়ে সে-ই উড়াল দিত রেডিও নামক এক ব্যক্তিগত জাদুডানায় ভর করে! এই উদ্বৃত্ত সময়কে সে কাজে লাগায় সংস্কৃতির আখর কুড়োতে– যেখানে সে স্বরাট, স্বতন্ত্র। সেই সংস্কৃতিতেই বাঙালি মধ্যবিত্তর অমোঘ জন্মদাগ। বেতার-মাধ্যম স্বাধীনতার অব্যবহিত আগের দশকগুলিতে সেই জরুরি দায়িত্ব সম্পাদন করেছিল।

তারপর গঙ্গা দিয়ে বহু জল বয়ে গেছে। হিন্দু বাঙালির অবস্থানও এক নেই আর। সে ক্রমে ক্ষয়িষ্ণু, তার অর্থনৈতিক কলজের জোর কমতির দিকে, রাজনীতিতেও ক্রমশ কমে এসেছে মধ্যবিত্তর লুকোনো প্রতাপ। এ এক পতনের গল্প: মা কী ছিলেন, আর, মা কী হয়েছেন– হালফিলে, অধুনায়।

ভাবা যেতেই পারে, এই সময় একাভিমুখী। তার তুঙ্গ সাফল্য থেকে একাদিক্রমে হেরে যাওয়ার ইঙ্গিত। এ এক সরলরৈখিক কালচেতনা– যেখানে সময়বিন্দুগুলি আর ফিরে আসে না কখনও– যা যায়, তা জন্মের মতো যায়।

এখানেই লুকোনো থাকে নস্টালজিয়া। হালকা, পালকের মতো। ঘরে ফেরার তীব্র আকুতি। আর্তি। উদ্বায়ী। এ-স্মৃতির ভার থাকে না কোনও।

৩

শরৎ এলে স্মৃতিও আসে। এই সময় ঋতুসন্ধির। এই সময় কেবল নির্বিবাদ, নিরঙ্কুশ এগিয়ে-যাওয়া সময় নয়– ট্রানজিটে, হাওয়া ও আলোর থিয়েটারে এ এক নিত্যবৃত্ত সময়। চক্রবৎ, এবং পুনরাবৃত্তিময়।

প্রতি বছর, অতএব, শরৎ ফেরে৷ তাকে ফিরতে হয় বলে৷ ব্যোমকেশের গল্পে অজিতের মন কেমন করত শরৎ এলে৷ সে বেরিয়ে পড়বে৷ হাওয়া তাকে বাইরে থেকে ডাকছে। রবীন্দ্রনাথের শারদোৎসবে বণিক ঘর ছাড়ে শরতে, সন্ন্যাসী বিবাগী হয়। যোদ্ধা চলে যায় যুদ্ধে। ফুল ঝরে যায়, নতুন ফুল জন্মায়। এ এক মহাজাগতিক সময়– ছায়াপথের নিশ্বাস ঘন হয়ে আসে মাটির ওপর৷ দিন হয় ছোট, রাত আরও বড়। মেঘ ও আকাশের কোনও গোপন যোগাযোগে, এই মহাজগৎ বেজে ওঠে প্রতি বছর– তীব্র সংরাগে, আকুতিতে।

৪

যে দিন ভেসে গেছে, তা কি একেবারেই গেছে? বছরভর যে মাকড়সাপ্রতিম ঊনমানুষ হয়ে ছিল, আশ্বিন কাজে এলে, অনেক হারানোর পরেও সে গ্রেগর সামসা হিসেবে বেজে ওঠে চরাচরে৷ পরম আলস্য নিয়ে আসে মহালয়ার সকাল, তার কোথাও যাওয়ার নেই, কিচ্ছু করার নেই৷ পড়ে-আসা আলো শুয়ে আছে উল্টো দিকের ছাদে, আর চামড়ার ভেতর একটা গোপন শিরশিরানি। আশ্বিন কি এসেই গেল তবে? আস্তে আস্তে ঋতুমালা গুটিয়ে এল, শহরের সর্বত্র একটা হাওয়া বুলোয় বিকেল হতে না হতেই, তার নাম দেওয়া যায়: ‘মেলানকলি’। এই হাওয়া উতল করে, তাড়িত করে। বর্ষার সমস্ত কালো ঝরিয়ে আকাশের গা আরও ফর্সা, মিহি হিম ছুঁয়ে যাচ্ছে উঠোন, টুপটাপ। দূর থেকে এক-আধটা গাড়ি চলে যায়, পিচরাস্তার সঙ্গে তাদের ধাতব সংঘর্ষের শব্দ সচকিত করে, জাগ্রত রাখে৷ বেকার যুবকটি কাককে খেতে ডাকলেন– আয়... আয়... দু’ বার চুমরে দিলেন বাটি, ওল্টানো ভাত, ছড়ানো শস্য খেতে উড়ে এল শহরের সমস্ত পাখিরা। তর্পণ। বেলা গড়িয়ে দুপুর হচ্ছে, মেঘ বলছে এই তো আসি, অবসন্ন লাগে, বর্ষা চলে গেছে... বাদল ধারা হলো সারা, বাজে বিদায় সুর/ গানের পালা শেষ করে দে, যাবি অনেক দূর। আলো আশ্চর্য অগোছালো। সময়কে মনে হচ্ছে আরও শ্লথ। শিশিরের মতো এক-এক করে বিভাস রাগ থেকে ঝরে পড়ছে স্বরগুচ্ছ। তব অচিন্ত্য, রূপচরিত মহিমা৷ আশ্বিনের ওই পরাজাগতিক অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে বিপজ্জনক হাঁটতে হাঁটতে, সময়কে কেবলই মনে হয় সে পিছলে আসছে, আস্তে হাঁটছে? এই তো, একটু পরেই বেরোব। ঘড়িগুলো ছুটবে। আবার। একটা সময় আছে, যে কেবল ঘড়ির শাসনে চলে না। বদ্ধ, বিভাজিত সময়-ইউনিটগুলো যাকে চোখ রাঙাতে পারে না। সে একটা সময়– একটা আস্ত, ব্যক্তিগত সময়।

যে দিন ভেসে গেছে...

১৯২৭। রবীন্দ্রনাথ চিঠি লিখছেন, জাভা থেকে৷ অমিয় চক্রবর্তীকে। বলছেন, ট্যুরিস্টের সময় বড় দ্রুত চলে। নিত্য ধাক্কাধাক্কি, হট্টগোল। তাকে বশ মানানো যায় না৷ মনের ওপর অভিজ্ঞতার পাহাড় উজাড় হয়। ধরতে পারা যায় না কেবল৷ এই তো, লিখছেন রবীন্দ্রনাথ, একটু পরে সুনীতি আসবে, আমায় ডাকবে৷ চলুন। বেরোই। চিঠি লেখার এই শিথিল, স্থবির অবসর, এই মনকেমন দুলুনি কাটিয়ে আবার ঘড়িটায় দম দিতে হবে। অভ্যস্ত। নিয়মতান্ত্রিক। যেমন হয় আর কী।

এবং? একটা অদ্ভুত শব্দ লিখছেন: ‘লয়’। সময়ের লয়। সে কেবল একই মাত্রায় চলে না। কখনও বাড়ে, আবার কমে কখনও। ঢিমে। এই ছুটন্ত। ট‍্যুরিস্টের দেহ আর আমাদের অভ্যাসমাফিক জৈব শরীরের লয়– দুটো একই সমে ফেরে না কখনও। রবীন্দ্রনাথ বলছেন।

কেন এমন হয়, বিভাস শুনলে ভেতরে আশ্বিন ঘনিয়ে আসে? সময়কে মনে হয় শ্লথ– যে, নিশ্চিন্ত নির্বেদে হেঁটে যাচ্ছে এই ধুলো আর কাঁকরবিছানো আলোপথ দিয়ে? ভোর। আকাশের রং ঘাসফড়িংয়ের মতো। আবছা ও নীল। আলোর গর্ভসঞ্চার ঘটল ক্রমে৷ ওই তো, শেষ গানে এগিয়ে গেলেন পঙ্কজকুমার মল্লিক। রূপং দেহি, জয়ং দেহি। বাংলার একান্ত পুজোয় ঘনিয়ে এল কোন সুদূরের হাওয়া, মধ্যপ্রাচ্যর সুর।

আশ্বিনেরও বয়স বাড়ল। দেখতে দেখতে।

লিখেছেন
Simool Sen
Simool Sen
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাভি পিল্লাই কেন পেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার?

Navi Pillay Nobel Peace Prize 2026: ১৯৪১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে এক দরিদ্র ভারতীয় তামিল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন নাভি পিল্লাই। তাঁর ঠকুমা-ঠাকুরদা ১৮৯০-এর দশকে ভারত থেকে চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার নাতাল প্রদেশের চিনি বাগানে কাজ করতে এসেছিলেন।

বাড়িতে এক নারীর আগমন, তারপর স্বপ্নাদেশ: যেভাবে শুরু হয়েছিল দে বাড়ির দুর্গাপুজো

Dey Bari Durga Puja Bhawanipur: কথিত আছে, একবার ২৬ নম্বর চন্দ্রনাথ স্ট্রিটের বাড়িতে লালপাড়-সাদা শাড়ি পরিহিতা একজন সধবা নারী তাঁর ছেলেমেয়েদের নিয়ে এই বাড়িতে এসেছিলেন চাল-ডাল ভিক্ষা করতে। বাড়িরই এক সদস্যা অন্দরমহল থেকে চাল-ডাল নিয়ে আসার পর আর সেই সধবা মহিলাকে দেখতে পাননি।

শ্রীরামকৃষ্ণের চিকিৎসক গঙ্গাপ্রসাদ সেনের বাড়ির দুর্গাপুজো: পূর্ববঙ্গের ঐতিহ্য যেভাবে এল কুমারটুলিতে

Gangaprasad Sen Bari Durga Puja: গঙ্গাপ্রসাদ সেন ছিলেন বিখ্যাত আয়ুর্বেদ চিকিৎসক। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবও তাঁর কাছে চিকিৎসা করাতে আসতেন। তাঁর বাবা নীলাম্বর সেন অবিভক্ত বাংলার এক নামকরা কবিরাজ ছিলেন। কলকাতায় আসার পর সেন পরিবার কুমারটুলিতে বসতি গড়ে এবং সেখানেই ১৮৫৭ সালে শুরু হয় দুর্গার আরাধনা।

১৩ বছর বয়সে ফুটপাথে থাকা, কার্গিলে জওয়ানদের পাশে, ‘পরিন্দা’য় আগুনে পুড়ে যাওয়া: নানা পাটেকর আসলে কেমন মানুষ ছিলেন?

Nana Patekar unknown facts: প্রকাশ রাজের ভাষায়, নানা কেবল একজন প্রবীণ সহকর্মী ছিলেন না; তিনি ছিলেন এমন এক অভিভাবক-বন্ধু, যাঁর সঙ্গে তীব্র তর্কে জড়িয়ে পড়া যেত, আবার একই টেবিলে বসে তাঁর হাতের রান্না করা খাবার ভাগ করে নেওয়া যেত। মদ বা মুম্বইয়ের তথাকথিত হাই-প্রোফাইল পার্টি কালচারের প্রতি তাঁর চিরকালই ছিল তীব্র অনীহা।

নানা পাটেকর: ফিরে দেখা অনন্য জীবন

Nana Patekar: ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন বোম্বে রাজ্যের রায়গড় জেলার মুরুদ-জানজিরায় এক মারাঠি পরিবারে জন্মেছিলেন বিশ্বনাথ পাটেকর। পরে সিনেমার দুনিয়ায় তিনি হয়ে ওঠেন ‘নানা পাটেকর’।

মাছ-ভাত খেয়েই বোধন, দশমীতে মৎস্যমুখ! বাগবাজার হালদার বাড়ির সাড়ে চারশো বছরের পরম্পরা

Bagbazar Haldar Bari Durga Puja: পুজোর ইতিহাসের সূত্রপাত ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে সাহেবপুর বা রহনপুরে। হালদার পরিবারের পূর্বপুরুষরা চন্দননগরের নোয়াপাড়ার জমিদার ছিলেন। তাঁদেরই এক পূর্বপুরুষ কৃষ্ণপ্রসাদ হালদার প্রমোদভ্রমণে ওড়িশার ওই এলাকায় গেলে স্বপ্নাদেশ পান। সেই স্বপ্নের বর্ণনা অনুযায়ী মাটি খুঁড়ে সত্যিই উদ্ধার হয় মহিষমর্দিনীর কষ্টিপাথরের মূর্তি।

মাছ-ভাত খেয়ে দেবী বরণ আর কী কী বিশেষ রীতি পালন করা হয় ২২০ বছরের রাজকৃষ্ণ মিত্র বাড়ির দুর্গাপুজোয়?

Rajkrishna Mitra House Durga Puja: দর্জিপাড়ার রাজকৃষ্ণ মিত্রের বাড়ির শতাব্দীপ্রাচীন দুর্গাপুজোতে ২২০ বছর ধরে একই রীতি মেনে পুজো হয়ে আসছে। তবে এই পুজোর বিশেষত্ব শুধু তার প্রাচীনত্বে নয়, দেবীর ভোগ, নৈবেদ্য, পারিবারিক খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে দশমীর বরণ; প্রতিটি ক্ষেত্রেই রয়েছে নিজস্ব কিছু নিয়ম। যার মধ্যে অন্যতম, দশমীর দিন মাছ-ভাত খেয়ে দেবীকে বরণ করেন বাড়ির মহিলারা। আবার যে পুজোয় একসময় বলির রীতি ছিল, সেই পুজোতেই এখন বলির পরিবর্তে দেওয়া হয় চিনির নৈবেদ্য।

ইস্টবেঙ্গলের জয়ে কোমা ভেঙে চোখ মেলেছিলেন শচীনকর্তা

S D Burman's love for East Bengal: শচীনকর্তার একমাত্র পুত্র ‘পঞ্চম’ বাবার কানের কাছে চিৎকার করে উঠলেন— “বাবা… ইস্টবেঙ্গল জিতসে… পাঁচ-শূন্য!” আর তারপরই ... যে মানুষটি নির্জীব পড়েছিলেন, যাঁর স্নায়ু কোনো ডাকে সাড়া দিচ্ছিল না—তাঁর চোখের কোণ সামান্য কেঁপে উঠল। ধীরে ধীরে শচীনকর্তা তাঁর অক্ষিপট মেলে তাকালে। ব্যাস, ওইটুকুই। এর পর আর কোনোদিন তিনি চোখ খোলেননি।