হৃদরোগের চিকিৎসায় দিশা দেখাবে পালং শাকের পাতা! আশ্চর্য আবিষ্কারে তোলপাড় বিশ্ব

ত্রি-মাত্রিক মুদ্রণের মাধ্যমে ২০২১ সালেই ইজ়রায়েল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির গবেষকরা বানিয়েছিলেন রক্ত-জালিকা। এবং সেই রক্ত-জালিকা কেবল বানাননি তাঁরা, তার মধ্য দিয়ে রক্ত-প্রবাহ যে হচ্ছে, তা-ও হাতে-নাতে দেখিয়েছিলেন।

Madhurima Pattanayak
৩ মিনিট
হৃদরোগের চিকিৎসায় দিশা দেখাবে পালং শাকের পাতা! আশ্চর্য আবিষ্কারে তোলপাড় বিশ্ব

ত্রি-মাত্রিক মুদ্রণ প্রযুক্তি (বা থ্রি-ডি প্রিন্টিং টেকনোলজি) বিগত কয়েক বছরেই উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। সেই প্রযুক্তিতে মানবদেহের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ মুদ্রণ করে, তা আবার প্রতিস্থাপনও করা হচ্ছে রোগীর দেহে। বেশ কিছু বছর আগে এক ব্যক্তি নাকি ত্রি-মাত্রিক মুদ্রণ যন্ত্রে বার্গার বানিয়েছিলেন, এবং তা খেয়েওছিলেন।

ত্রি-মাত্রিক মুদ্রণের মাধ্যমে ২০২১ সালেই ইজ়রায়েল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির গবেষকরা বানিয়েছিলেন রক্ত-জালিকা। এবং সেই রক্ত-জালিকা কেবল বানাননি তাঁরা, তার মধ্য দিয়ে রক্ত-প্রবাহ যে হচ্ছে, তা-ও হাতে-নাতে দেখিয়েছিলেন।

কিন্তু আরও কয়েকবছর আগে যদি পিছিয়ে যাই আমরা- বেশি না, এই পাঁচ বছর মতো- তাহলে দেখতে পাব ত্রি-মাত্রিক মুদ্রণের প্রযুক্তি যথেষ্ট উন্নতি করলেও, এই প্রযুক্তির সাহায্যে রক্ত-জালক নির্মাণ যথেষ্ট কঠিন একটি বিষয় ছিল। বিশেষ করে হৃদযন্ত্রের ভেতর দিয়ে ছড়িয়ে থাকা শিরা-ধমনি বানানো ছিল আরওই একটি কঠিন বিষয়। কিন্তু প্রকৃতি তো সব সম্পদই দিয়েছে হাতের কাছে। সেই সম্পদ খুঁজে, প্রয়োজনমতো একটু অদলবদল করে নেওয়ামাত্র।

যেমন ভাবা, তেমন কাজ। ২০১৭ সালে ওরসেস্টার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ইউনিভার্সিটি অফ উইসকনসিন-ম্যাডিসন, এবং আরকানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা পালং-শাকের পাতা থেকেই বানিয়ে ফেললেন হৃদপিন্ডের কলা-কোশ। বানালেন হৃদপিন্ডের মধ্যে দিয়ে বেয়ে চলা রক্তজালিকাও, পালং-শাক থেকেই। গবেষণাটি ওই সালেই এলসিভিয়ার বায়োমেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রথমেই পালং-শাকের পাতার কোশগুলিকে সরিয়ে ফেলা হয়, যাকে বলে ডিসেলুলারাইজে়শন। কিন্তু পাতার নিজস্ব শির-উপশিরাগুলিকে রেখে দেওয়া হয়। ডি-সেলুলারাইজে়শনের মাধ্যমে কোশ থেকে ক্লোরোফিল, নিউক্লিয়াস, প্রোটিন, ডিএনএ-কে সরিয়ে ফেলা হয়। কিন্তু পড়ে থাকে পাতার মূল স্ক্যাফোল্ড বা কাঠামোটি, যার মূল উপাদান হিসেবে পেকটিন এবং লিগনিন পড়ে থাকে ডি-সেলুলারাইজে়শনের পরেও। পেকটিন এবং লিগনিন উদ্ভিদ কোশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। উদ্ভিদের শিরা-উপশিরা গঠনের একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান লিগনিন।

তারপর পাতার এই প্রাথমিক কাঠামো বা স্ক্যাফোল্ডের ওপর ল্যাবরেটরিতে হৃদপিন্ডের কোশগুলিকে গজিয়ে তোলেন গবেষকরা। পাতার কাঠামোর ওপর প্রথমে ফাইব্রোনেকটিনের আবরণ দেওয়া হয়, যাতে কোশগুলি সহজে এসে আটকে যেতে পারে স্ক্যাফোল্ড বরাবর।

হৃদপিন্ডের কোশ নতুন করে গজিয়ে তোলার পর্যায়টিকে বলে রি-সেলুরারাইজেশন বা নতুন করে কোশ গজিয়ে তোলা। এই পর্যায়ে ব্যবহার করা হয় এন্ডোথেলিয়াল কোশ। এই এন্ডোথেলিয়াল কোশগুলি যে কোনও স্তন্যপায়ী প্রাণীর শিরা ও ধমনির ভেতরের দিকের (ফাঁপা দিকের) কোশীয় আস্তরণ হিসেবে থাকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভ্যাকসিনেও আটকাবে না! কোভিডের চোখরাঙানি ফের ফেরাবে অতিমারীর কালো দিন?

জেনেটিক পরিবর্তন বা মিউটেশনের ফলেই প্রচলিত ভ্যাকসিন আর এই সাব-ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে না। তা সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞদের মতে ভ্যাকসিন ও বুস্টার ডোজ় একমাত্র ভরসা বিপদ থেকে বাঁচার।

ঠিক‍ স্তন্যপায়ীর শিরা ও ধমনির ভেতরদিকে যেভাবে সাজানো থাকে এন্ডোথেলিয়াল কোশ, পাতাটির রয়ে যাওয়া শিরা-উপশিরার ভেতরদিকের অংশে, সেই শিরা-উপশিরার কাঠামোকে ভিত্তি করে সারে-সারে গজিয়ে তোলা হলো এন্ডোথেলিয়াল সেল। ঠিক যেমন খড়ের কাঠামোকে ভিত্তি করে, তার ওপর মাটি চাপিয়ে গড়ে তোলা হয় প্রতিমা।

অন্যদিকে পাতার বাইরে দিকে কার্ডিওমায়োসাইটসকোশ গজিয়ে তোলা হলো কৃত্রিমভাবে। কার্ডিওমায়োসাইটস কোশ হৃদপিন্ডে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে, হৃদযন্ত্রকে সচল রাখে। এবং হৃদপিন্ডকে 'পাম্পিং'-এর মাধ্যমে, সারা শরীরে রক্ত সরবরাহ করতে সাহায্য করে। এই কার্ডিওমায়োসাইট্স কোশ সম্পূর্ণভাবে বেড়ে উঠে, হৃদপিন্ডের স্বাভাবিক কাজ শুরু করার মতো অবস্থায় পৌঁছতে মোট একুশ দিন সময় নিয়েছিল। এই গবেষণায় কার্ডিওমায়োসাইটস কোশ তৈরি করা হয়েছিল মেসেনকাইমাল স্টেম সেল এবং হিউম্যান প্লিউরিপোটেন্ট স্টেম সেল থেকে।

মেসেনকাইমাল স্টেম সেল বিভাজিত হয়ে বিভিন্ন ধরণের সেল বা কোশের জন্ম দিতে পারে। মেসেনকাইমাল স্টেম সেল বিভাজিত হলে কেবল হৃদপিন্ডের কোশই নয়, এখান থেকে বিভিন্ন শ্বেত রক্তকণিকা, চোখের কর্নিয়া, ত্বক, পেশি, যকৃতের কোশ, হাড়ের কোশ, কার্টিলেজের কোশ, ফুসফুসের ট্র্যাকিয়ার কোশ, এমনকী, নার্ভ-কোশেরও জন্ম দিতে পারে।

মেসেনকাইমাল স্টেম সেলকে বিভিন্ন কোশ থেকে সংগ্রহ করা যেতে পারে, যার মধ্যে অন্যতম হলো আম্বিলিক্যাল কর্ড (বা নাভিরজ্জু,গর্ভে থাকাকালীন শিশুকে মায়ের শরীরের সাথে সংযুক্ত রাখে যা), এন্ডোমেট্রিয়ার পলিপস, ঋতুস্রাবের রক্ত, ফ্যাটের কোশ।

অন্যদিকে হিউম্যান প্লিউরিপোটেন্ট সেল নিজে থেকে বিভাজিত হতে পারে (সেলফ-রেপ্লিকেটিং) এবং যে কোনও স্টেম সেলের মতোই বিভিন্ন ধরনের কোশে নিজেকে পরিণত করতে পারে। যার মধ্যে অন্যতম নার্ভ কোশ, হৃদ-পেশি এবং রক্ত কণিকা। হিউম্যান প্লিউরিপোটেন্ট স্টেম সেল পাওয়া যায় মানবভ্রূণে। আর সেই কারণেই এই স্টেম সেলকে হিউম্যান এম্ব্রায়োনিক স্টেম সেলও বলা হয়।

মেসেনকাইমাল স্টেম সেল এবং হিউম্যান প্লিউরিপোটেন্ট স্টেম সেল থেকে কার্ডিওমায়োসাইটস কোশগুলি সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে পাতার স্ক্যাফোল্ডের বাইরের দিকে পুঞ্জীভূত হতে সময় লেগেছিল তিনদিন। পাঁচ দিনের মাথায় কোশগুলি নিজে থেকেই ধীরে ধীরে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে শুরু করে, ঠিক যেমনটা হওয়া দরকার একটি স্বাভাবিক, সচল হৃদপিন্ডে।

দশদিনের মাথায় সংকোচন ও প্রসারণের হার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছয়।

গবেষকরা সেই সময় আশা করেছিলেন, এই আবিষ্কার পরবর্তীতে হৃদরোগীদের চিকিৎসার কাজে বহুলভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। সত্যি-ই দিশা দেখানোর মতো ছিল এই আবিষ্কার।

যদিও উদ্ভিদে উপস্থিত সেলুলোজ় এর আগেও চিকিৎসার কাজে ব্যবহার হয়েছে, তবে গবেষকদের মতে এই আবিষ্কার সাড়া জাগানো। তবে এর আগেও ডি-সেলুলারাইজ়ড আপেলের টুকরোর ওপর স্তন্যপায়ী প্রাণীর কোশ আটকে, পরবর্তীতে সেই কোশগুলির পুনর্বিভাজন এবং বিস্তার ঘটানো হয়েছিল কৃত্রিমভাবে।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।