মেশিন লার্নিংয়ের বাঁক বদল! গণিতে নয়, পদার্থবিদ্যায় কেন নোবেল পেলেন হিন্টন?

Nobel Prize in Physics 2024: পদার্থবিদ্যায় কেন নোবেল পেলেন হিন্টন? গণিতে কেন নয়? কম্পিউটার বিজ্ঞানের জয়রথকে ভৌতবিজ্ঞান কীভাবে ধারণ করতে পারে?

Istiyak H Siddiquee
৪ মিনিট
মেশিন লার্নিংয়ের বাঁক বদল! গণিতে নয়, পদার্থবিদ্যায় কেন নোবেল পেলেন হিন্টন?

নোবেল কমিটি ফোন করেছে জফরি হিন্টনকে। ফোনেই নোবেল প্রাপ্তির সুখবরটি জানাবে কমিটি। হিন্টন তখন ক্যালিফোর্নিয়ার এক ‘সস্তা’ হোটেলে (তাঁর কথাতেই) উঠেছেন। এমআরআই করানোর কথা। এ কথা শুনে নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে যে ভদ্রলোক ফোন করেছিলেন তিনি খানিক অপ্রস্তুত হলেও, হিন্টন একদম স্বাভাবিক! কথা শুনে মনে হয়েছিল, এমনতা যে ঘটবে তা জানাই ছিল তাঁর। কোনও না কোনওদিন এই ফোন তিনি পাবেনই, বিশ্বাস ছিল। কিন্তু ফোনটি তিনি পেলেন পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেয়ে। এই নিয়ে বেশ চর্চা চলছে অনলাইন-অফলাইন সব মাধ্যমেই। যে প্রশ্নটি চারদিকে ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলো, পদার্থবিদ্যায় কেন নোবেল পেলেন হিন্টন? গণিতে কেন নয়? কম্পিউটার বিজ্ঞানের জয়রথকে ভৌতবিজ্ঞান কীভাবে ধারণ করতে পারে? এই বিতর্ক ঘনীভূত হওয়ার আগেই দেখা গেল, নোবেল কমিটি রসায়নবিদ্যাতেও দু'জন প্রথিতযশা কম্পিউটার প্রকৌশলীকে (হ্যাসাবিস ও জাম্পার) পুরস্কৃত করেছে। এই দু'জনই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের উপরেই কাজ করেছেন। এটুকু অন্তত স্পষ্ট যে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিষয়ে জনমানসে প্রচণ্ড এক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের এই যুগে হিন্টন হলেন জীবন্ত কিংবদন্তি; অতএব, তাঁকে নিয়ে বা তাঁর কাজ নিয়ে চর্চা হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাঁর যে কাজের জন্য পুরস্কার দেওয়া হলো তা নিয়ে আমজনতার মধ্যে খানিক সচেতনতার অভাব রয়েছে। যারা দৈনন্দিন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের গবেষণা করেন তাঁরা ব্যতীত অন্যদের মধ্যে হিন্টন আর হপফিল্ডের কাজটি চট করে বুঝতে না পারা অস্বাভাবিক কিছু নয়। ফলশ্রুতিতে হিন্টনের অন্য কাজগুলোর সঙ্গে এটিকে গুলিয়ে ফেলাও খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।

নোবেল কমিটি হিন্টন-হপফিল্ড যুগলকে পুরস্কার দেওয়ার কারণ হিসেবে লিখেছে যে "সেই সব মৌলিক গবেষণা ও উদ্ভাবন যা আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মেশিন লার্নিংকে সম্ভব করেছে"। এখানে যে 'আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটওয়ার্কের' কথা বলা হচ্ছে তা এক ধরনের নিউরন দিয়ে তৈরি যার জন্ম, বিচরণ কম্পিউটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এই নিউরনগুলো প্রোগ্রামিং করে বানানো হয় এবং নানা ধরনের ডেটা দিয়ে তার প্রশিক্ষণ হয়। যেকোনও সমস্যা সমাধানে এরা অসম্ভব শক্তিশালী। এদের হাত ধরেই বহুল প্রচলিত চ্যাটজিপিটির উদ্ভব হয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মেশিন লার্নিং! কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ধারালো করার যে আবিষ্কারে নোবেল জয় বিজ্ঞানীদের

Nobel Physics Prize 2024: একটি যন্ত্রের যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি করতে হয়, তাকে যদি নতুন তথ্য জুগিয়ে কিছু শেখাতে হয়, সেক্ষেত্রে একটি যন্ত্রেরও কিন্তু আমাদের মতো নিউরাল নেটওয়ার্ক দরকার

একটু পিছনের গল্পে যাওয়া যাক। হিন্টন ও সেজনোস্কি ১৯৮৫ সালে বোল্টজম্যান মেশিন নামে এক ধরনের নিউরন প্রস্তাব করেন। বিখ্যাত অস্ট্রিয়ান বিজ্ঞানী লুডভিগ বোল্টজম্যানের নামানুসারে এই মেশিনগুলোকে বোল্টজম্যান মেশিন নাম দেওয়া হয়। লুডভিগ বোল্টজম্যান 'বোল্টজম্যান ডিস্ট্রিবিউশন' তথা গিবস ডিস্ট্রিবিউশন নামে এক ধারণার প্রবক্তা যা ব্যবহার করে তাপগতিবিদ্যার এনট্রপি, তাপমাত্রা এসব মৌলিক বিষয় ব্যাখ্যা করা যায়। বোল্টজম্যান মেশিন তাপগতিবিদ্যা থেকে ধারণা নিয়ে তৈরি হওয়ায় হিন্টন ও সেজনোস্কি একে বোল্টজম্যান মেশিন নাম দেন। তাঁরা তাঁদের মৌলিক গবেষণায় দেখান, একাধিক বোল্টজম্যান মেশিন একসঙ্গে যুক্ত করে এক ধরনের নেটওয়ার্ক তৈরি করা সম্ভব যা ব্যবহার করে মাল্টি-অবজেক্টিভ অপটিমাইজেশন সম্পর্কিত সমস্যাগুলির সমাধান সম্ভব। এক্ষেত্রে অবজেক্টিভগুলো শক্তিশালী কিংবা দুর্বল দু-ধরনেরই হতে পারে। দুর্বল অবজেক্টিভগুলো সন্তুষ্ট করার ক্ষেত্রে কিছুটা নমনীয়তার অনুমতি দেয়।

এই বোল্টজম্যান মেশিনগুলি হপফিল্ড নেটওয়ার্কের ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি যার প্রস্তাব দিয়েছিলেন জন হপফিল্ড, ১৯৮২ সালে। বোল্টজম্যান মেশিনগুলি কন্ডেন্সড ফিজিক্সের স্পিন-গ্লাস মডেল অনুসরণ করে। হপফিল্ড পদার্থবিদ্যায় তাঁর দক্ষতার দরুন এসবের মেকানিক্স ব্যাখ্যা করেছিলেন। তিনি তাঁর নিউরাল নেটওয়ার্কের সংস্করণও উপস্থাপন করেছিলেন কিন্তু তাঁর নিউরাল নেটওয়ার্কটি একটি একক স্তর নিয়ে গঠিত। এটি কোনও স্ব-সংযুক্ত 'লুপ' ছাড়াই একটি জালের মতো গঠন তৈরি করে। এই নেটওয়ার্কগুলো গঠনের দিক থেকে অনমনীয় ছিল বলে এগুলো ব্যবহার করে ডেটা থেকে প্যাটার্ন খুঁজে বের করা কঠিন ছিল। অন্যদিকে হিন্টনের সংস্করণটি নেটওয়ার্ক তৈরি করার জন্য অনেক বেশি সহজ পদ্ধতিতে কাজ করছিল, যা ডেটা থেকে আরও ভালোভাবে শিখতে পারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
AI-ই বিজ্ঞানীদের শেষ ভরসা? কী বলছেন রসায়নে নোবেলজয়ী হ্যাসাবিস?

Nobel Prize in Chemistry 2024: কম্পিউটারকে ব্যবহার করে প্রকৃতিতে অনুপস্থিত এমন কিছু নতুন ধরনের প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়াকেই বলে কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইন।

হিন্টন-হপফিল্ডের আবিষ্কারে পদার্থবিদ্যার এই সংযোগের কারণেই তাঁদের পদার্থবিদ্যার বিভাগে পুরস্কৃত করা হলো। সুতরাং এক অর্থে, আমরা তাঁদের 'ফলিত পদার্থবিদ' বলতেই পারি। তবে আমার মতে, হিন্টনকে বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে যদি পুরস্কৃত করতেই হয় তাহলে তা গণিত বিভাগেই করা উচিত এবং তার ভিত্তি হওয়া উচিত ব্যাকপ্রোপাগেশন অ্যালগরিদম। গণিতে কেন? কারণ ডেটা থেকে শেখা বা প্রদত্ত ডেটার প্যাটার্নগুলি বোঝা মূলত একটি গাণিতিক সমস্যা। হিন্টন-হপফিল্ড তাপগতিবিদ্যার কন্ডেন্সড ফিজিক্স ব্যবহার না করলে পদার্থবিদ্যার সঙ্গে এর সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যেত না। পাশাপাশি হিন্টনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কিত অন্য গবেষণা থেকে এ কথা প্রমাণিত যে, নিউরাল নেটওয়ার্কের জন্য পদার্থবিদ্যার জ্ঞান আবশ্যক নয়।

ব্যাকপ্রোপাগেশন তাহলে কী? এটি এক ধরনের অ্যালগরিদম যা মেশিন লার্নিংয়ে নবদিগন্তের সূচনা করেছে। এটি অত্যন্ত সফলভাবে মেশিন লার্নিংকে 'ডেমোক্রেটাইজ' করেছে যার প্রমাণ এ বছরের রসায়নের নোবেল পুরস্কার। হ্যাসাবিস ও জাম্পারের আবিষ্কারের মূল চালিকাশক্তি এই ব্যাকপ্রপাগেশন অ্যালগরিদম। একথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, এই অ্যালগরিদমটি আধুনিক এআই বিপ্লবের মূল ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে।

ব্যাকপ্রোপাগেশন কী তা সহজভাবে বলতে গেলে, মেশিন লার্নিংয়ের বড় বড় মডেলদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়। আগেই বলেছি, এই মডেলগুলির জন্য পদার্থবিজ্ঞানের জটিল পটভূমির দরকার নেই। গাণিতিক অপটিমাইজেশন ব্যবহার করে একটি 'লস ফাংশন'-কে ভিত্তি হিসেবে ধরে মডেলদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই মডেল তথা আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটওয়ার্কগুলো ফ্রাঙ্ক রোজেনব্ল্যাটের পারসেপ্ট্রন মডেল দ্বারা অনুপ্রাণিত নিউরন থেকে প্রস্তুত করা হয়। এই নিউরনগুলোতে ডেটা ইনপুট ও আউটপুটের ব্যবস্থা থাকে। ডেটার ওপর ভিত্তি করে কানেকশনের 'ওয়েট' বৃদ্ধির সুযোগও থাকে। আমরা যখন কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্ক বলি, তখন মূলত এই নেটওয়ার্কগুলিকে বোঝাই, বোল্টজম্যান মেশিনের নেটওয়ার্ককে নয়।

এভাবে তৈরি আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটওয়ার্কগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে থাকা ডেটা বিশ্লেষণ করতে সক্ষম, যাকে আমরা মাল্টি-মোডাল মডেল বলি। মূলত এই নেটওয়ার্কগুলোর জন্য ডেটা কোন ফরম্যাটে আছে তা কোনও প্রতিবন্ধকতাই সৃষ্টি করে না। ফলে আমাদের মস্তিষ্কের মতো করেই শিখতে পারে এই মডেলগুলো। এই শেখার শিক্ষক হিসেবে ব্যাকপ্রোপাগেশন কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেলজয়ী হ্যাসাবিস ও জাম্পারের বলা যেতে পারে। তাঁরা আলফাফোল্ড২ নামের এক সিস্টেমের জন্য এ বছর নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন। এই আলফাফোল্ড সিস্টেমটি প্রোটিনের গঠন অনুমান করার ক্ষেত্রে অবাক করা সাফল্য দেখিয়েছে। এ সিস্টেমটির মূল কাঠামো ট্রান্সফর্মার নামে এক ধরনের আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটওয়ার্ক কাঠামো দিয়ে তৈরি যাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ব্যাকপ্রোপগেশন ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়।

দেখা যাচ্ছে, আধুনিক মেশিন লার্নিং-এর অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে এই ব্যাকপ্রোপাগেশন অ্যালগরিদম। ফলশ্রুতিতে ব্যাকপ্রোপাগেশনের প্রবক্তা হিন্টন হয়ে উঠেছেন ‘গডফাদার অফ এআই’। ইন্ডাস্ট্রি ও আকাডেমিয়া দুই ক্ষেত্রেই মারাত্মকভাবে সফল হিন্টনের এই 'ম্যাগনাম অপাস'-কে এড়িয়ে গিয়ে তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া আইনস্টাইনকে সাধারণ আপেক্ষিকতার পরিবর্তে ফটোইলেক্ট্রিক এফেক্ট ব্যাখ্যার জন্য নোবেল পুরস্কার দেয়ার শামিল বলেই গণ্য করা যায়। এমনটা করা না হলে এবং গণিতে নোবেলের প্রচলন থাকলে, হিন্টনকে গণিতেই নোবেল দেওয়া সম্ভব হত। তাতে কম্পিউটার বিজ্ঞানকে ফলিত গণিতের একটি শাখা হিসেবেও সুপ্রতিষ্ঠিত করা যেত।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।