যা বিশাল, বাঙালির কাছে তাই 'পেল্লায়'! এই শব্দের সঙ্গে কীভাবে জড়িয়ে তামিল ভাষা

Bengali Vocabulary: তামিল 'পেরিয়া' বাংলায় পেল্লিয়া তথা পেল্লায় বা পেল্লাই হয়ে গেছে?

Asit Das
৪ মিনিট
যা বিশাল, বাঙালির কাছে তাই 'পেল্লায়'! এই শব্দের সঙ্গে কীভাবে জড়িয়ে তামিল ভাষা

এবারের শব্দ 'পেল্লায়'। উচ্চারণভেদে পেল্লাইও বলা হয়। অর্থ, বিরাট, বিশাল। হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'বঙ্গীয় শব্দকোষ'-এ পেল্লায় শব্দটিই নেই। সংস্কৃত ভাষা থেকে না এলে হরিচরণবাবু যেন অবজ্ঞার সঙ্গে অনেক শব্দকে খরচের খাতায় ফেলে দেন। এটা তাঁর পক্ষে অবশ্য স্বাভাবিক সেই যুগের সাপেক্ষে। শান্তিনিকেতনের বিশুদ্ধবাদী ভাবধারা তাঁর মধ্যে গেড়ে বসেছিল তখন। পতিসরের কাছারিবাড়ির কেরানিকে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথই যে শান্তিনিকেতনে নিয়ে এসেছিলেন অভিধান রচনার কাজে।

জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের বাঙ্গালাভাষার অভিধানে 'পেল্লায়' আছে অবশ্য। কিন্তু ব্যুৎপত্তি পিলে চমকে যাওয়ার মতো। অর্থ প্রকাণ্ড, বিরাট, বেজায় ঠিকই আছে নিশ্চয়, তবে ব্যুৎপত্তি–[ সং- প্রলয় > ]। ১৩৩৩ বঙ্গাব্দের 'বঙ্গবাসী' পত্রিকা থেকে উদ্ধৃতি আছে, ''দেশ হইতে এক পেল্লায় বীর আসিয়া 'যুদ্ধং দেহি' বলিয়া হুঙ্কার ছাড়িয়া দাঁড়াইল।"

হরিসাধন মুখোপাধ্যায়ের 'স্বর্ণপ্রতিমা' উপন্যাস থেকেও উদ্ধৃতি আছে। 'সে একটা পেল্লায় সুদখোর মানুষ।' প্রসঙ্গত, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সমসাময়িক লেখক হরিসাধন মুখোপাধ্যায় তাঁর কলকাতা-বিষয়ক বই 'কলিকাতা সেকালের ও একালের' বইটির জন্য বিখ্যাত হলেও কয়েকটি উপন্যাসও লিখেছিলেন। 'স্বর্ণপ্রতিমা' তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস।

'পেল্লায়' শব্দটির ব্যুৎপত্তির ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জ্ঞানেন্দ্রমোহনবাবু বাস্তবিকই এক প্রয়লঙ্কর কাণ্ড বাঁধিয়ে বসেছেন। 'প্রলয় কাণ্ড এই ভাব হইতে' নাকি বিরাট, প্রকাণ্ড, বিশাল ভাবটি আসছে। এটা মানা যায় না। ধ্বংসের আয়োজন কীভাবে বিরাট, বিশাল বলে চিহ্নিত হয়, তা বোঝা দুষ্কর। তবে পরবর্তীকালে যত অভিধান লেখা হয়েছে, কোনওটাতেই অভিধানকাররা প্রলয়-তত্ত্বের বাইরে বেরতে পারেননি। সকলেই একবাক্যে [প্রলয় > পেল্লায়] ব্যুৎপত্তিটিকেই শিরোধার্য করেছেন। সংসদ বাংলা অভিধান, বাংলাদেশের বাংলা একাডেমির আধুনিক বাংলা অভিধান (জামিল চৌধুরী-সম্পাদিত), বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধান, সুবলচন্দ্র মিত্রর সরল বাঙ্গালা অভিধান, সর্বত্রই প্রলয় থেকে পেল্লায় আসার কথা বলা হয়েছে।

বিবর্তনমূলক অভিধানে প্রয়োগদৃষ্টান্ত দেওয়া হয়েছে শিবরাম চক্রবর্তীর ১৯৪০ সালে লেখা গল্পের। 'তার নাড়িতে পর্যন্ত প্রকৃতির ছাপ পেল্লায় রকমের।' মোহাম্মদ হারুন রশিদ সংকলিত আরবি ফারসি উর্দু বাংলা অভিধানে পেল্লায় নেই। অর্থাৎ, আরবি-ফারসি নয় শব্দটি। অধ্যাপক ক্ষুদিরাম দাস সম্পাদিত 'সাঁওতালি বাংলা সমশব্দ অভিধান'-এ পেল্লায় পাইনি। কোল-অস্ট্রিক-মুন্ডারি ভাষা থেকে তাই পেল্লায় শব্দটি আসেনি। তাহলে সাঁওতালি-বাংলা অভিধানে স্থান পেত পেল্লায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পেটে খেলে পিঠে সয়, পিঠ থেকেই কি এল 'পেট' শব্দটি?

Bengali Vocabulary: সংস্কৃত না অস্ট্রিক না দ্রাবিড়, ঠিক কোথা থেকে এসেছে পেট শব্দটি, তা ভেবে কূলকিনারা পাওয়া শক্ত।

পর্তুগিজ-ওলন্দাজ-চিনা-জাপানি-স্প্যানিশ-ল্যাটিন, কোনও ভাষা থেকেই যে পেল্লায় শব্দটি আসেনি সেটাও নিশ্চিত। কেননা বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দের তালিকাগুলি খুঁটিয়ে দেখলে পেল্লায়-জাতীয় কোনও শব্দের দেখা মেলে না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সমগ্র সাহিত্যকর্মে মাত্র দু'বার 'পেল্লায়' শব্দটি ব্যবহার করেছেন। ১৩৫৫ সালে গল্পস্বল্পের অন্তর্গত 'রাজার বাড়ি' গল্পে লিখেছেন- 'আমাকে তাক লাগিয়ে দিয়ে নিজেকে ইরু খুব একটা-কিছু মনে করত। হয়তো একদিন ইস্কুল থেকে আসতেই সে ব'লে উঠেছে, উঃ সে কী পেল্লায় কাণ্ড।'

১৩৫৫ সালেই ভাষাতত্ত্ব-বিষয়ক একটি প্রবন্ধ 'বাংলাভাষা-পরিচয়'-এ লিখেছেন, 'বাল্যকালে প্রলয়-ব্যাপারকে'পেল্লায়' ব্যাপার বলতে শুনেছি মেয়েদের মুখে।' আসলে প্রলয় শব্দটির অপভ্রংশপ্রাপ্ত রূপ হলো 'পেলয়'। তারাশঙ্করের 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা', গজেন্দ্রকুমার মিত্রর 'উপকণ্ঠে', এই দু'টি বইয়ের কথা মনে আছে, যেখানে 'পেলয়' শব্দটি আছে মুখের ভাষায়। 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা'-য় বনওয়ারী বা সুচাঁদ পিসির মুখে তরাস, পেলয়, এসব খুবই স্বাভাবিক। বিশেষত দেবতা 'বড়কত্তা'-র অধীনে যখন তাদের বাস করতে হয়! গজেন্দ্রকুমার মিত্র 'উপকণ্ঠে' উপন্যাসে চরিত্রের মুখে বসাচ্ছেন, 'অক্তগঙ্গা বা পেলয় কুরুখেত্তর ঘটে যাক।' প্রলয়জাত এই 'পেলয়'-কে অনেকেপেল্লায়-এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন। রবীন্দ্রনাথের মত বিরাট মাপের লেখকও তার ব্যতিক্রম নন।

দ্রাবিড়ভাষা থেকে কি পেল্লায় আসতে পারে? ভাবতে ভাবতে গুগল ট্রান্সলেট -এর শরণাপন্ন হলাম। বাংলা 'বিশাল' শব্দটি দেখলাম তামিল-এ পেরিয়া। কন্নড়ে পেরিয়, পেড্ডা। রাজনীতিবিদ পেরিয়ার রামস্বামীর নাম অনেকেই জানেন। দক্ষিণের পেরিয়ার নদী, পেরিয়ার জাতীয় উদ্যান বা অভয়ারণ্যও অনেকের কাছে পরিচিত। পেরিয়া যে দক্ষিণে এখনও বড় বা বিশাল অর্থে ব্যবহৃত হয়, সে তো দেখাই যাচ্ছে। কেরলের কাসারগড় জেলায় পেরিয়া গ্রামের দেখা পাচ্ছি। আবার সুজলাসুফলা বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজিলায় পেরিয়া ইউনিয়নের অস্তিত্বও আছে। তাহলে বাংলায়, অন্তত স্থাননামে বিশাল-অর্থে পেরিয়া একসময় চালু শব্দ ছিল। পরে অপভ্রংশে পেল্লায় হয়ে গেছে। পেরিয়া > পেল্লিয়া > পেল্লায়া > পেল্লায় > পেল্লাই।

চিন্না তামিল শব্দ। বাংলায় এসেছে চিনা বা চিনে হয়ে। অর্থ ছোট। তেমনি তামিল 'পেরিয়া' বাংলায় পেল্লিয়া তথা পেল্লায় বা পেল্লাই হয়ে গেছে। মানে বিরাট, বিশাল, বৃহৎ। জানি না অবাঙালি পদবি পিল্লাই-ও এখান থেকেই এসেছে কিনা। চিনা বা চিনে সংযোগে অনেক শব্দ এসেছে বাংলাভাষায়। যথা চিনা বাদাম, চিনা ধান, চিনে জোঁক, চিনে চিংড়ি, চিনা বাজর। সবক্ষেত্রেই চিনা বা চিনে মানে এখানে ক্ষুদ্র। তেমনই পেল্লায় বা পেল্লাই বাড়ি, পেল্লায় মাঠ, পেল্লায় গোলা, পেল্লায় মল, সবই পেল্লায়ের সদর্থক ব্যবহার।

বন্ধু শুভাশিস চিরকল্যাণ পাত্র এক পেল্লায় দূরবিন দিয়ে দিবারাত্র আকাশের গ্রহনক্ষত্র দেখে যাচ্ছেন ডাক্তারির ফাঁকে ফাঁকে। পেল্লায় পেল্লায় গ্রহের ফাঁক দিয়ে অতিকায় নক্ষত্রদের দর্শনে তিনি নিয়োজিত।

অভিধানকাররা পেল্লায়কে প্রলয়-শব্দের অপভ্রংশ পেলয়-এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন। হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় শব্দটিই রাখেননি অভিধানে। জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস, সুবলচন্দ্র মিত্র, সুভাষ ভট্টাচার্য, জামিল চৌধুরী, গোলাম মুরশিদ, রাজশেখর বসু প্রমুখ স্বনামধন্য অভিধানকার তাঁদের পেল্লায় পেল্লায় বইয়ে 'পেল্লায়' শব্দটির ব্যুৎপত্তি ভুল দিয়েছেন। প্রলয়-এর বাইরে কেউ অন্যকিছু দেননি। ভাবার চেষ্টাও করেননি।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও সেই ভুলের ফাঁদে পা দিয়েছেন।কবিগুরুর একটি গানের চরণ দিয়েই গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজো করছি–

প্রলয়-নাচন নাচলে যখন আপন ভুলে

হে নটরাজ! জটার বাঁধন পড়ল খুলে।

লিখেছেন
Asit Das
Asit Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।