সংক্রামক রোগ থেকে জন্ম আলস্যের? কীভাবে এল 'কুঁড়ে' শব্দটি?

Bengali Word Origin: প্রত্যেকেই কোনও না কোনও ভাবে শব্দটিকে কুষ্ঠরোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে ভেবে নিয়েছেন।

Asit Das
৪ মিনিট
সংক্রামক রোগ থেকে জন্ম আলস্যের? কীভাবে এল 'কুঁড়ে' শব্দটি?

এবারের আলোচ্য শব্দটি হ'ল কুড়ে, বানানভেদে কুঁড়ে। এ কিন্তু পর্ণকুটীর বা মেটে পাথরের গোলাকার ভোজনপাত্র নয়, এ হল অলস অর্থে কুঁড়ে। এই কুড়েই (কুঁড়ে) ঘোল খাইয়ে ছেড়েছে তাবড় তাবড় অভিধানকারকে। প্রত্যেকেই কোনও না কোনও ভাবে শব্দটিকে কুষ্ঠরোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে ভেবে নিয়েছেন। আসলে তা যে কত বড় ভ্রান্ত ধারণা, সেটা ধরা পড়ে গেছে।

হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বঙ্গীয় শব্দকোষে কুড়ে, কুঁড়ে, কুড়িয়া-এন্ট্রিতে শব্দটিকে যেভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, তা ভাষা-চিকিৎসকরাও করতে পারবেন না। লেখা হয়েছে, বিং [কুড় + ইয়া > কুড়িয়া > কুড়্যা(কুড়ে); কুঁড়িয়া, কুঁড়ে; হি কোঢ়িয়া, মারাঠি কোডী, মৈ কোঢ়িআ,—কুষ্ঠগ্রস্ত, অলস; ওড়িয়া কোঢ়িআ; অসমিয়া কুঠীয়া] কুষ্ঠরোগপীড়িত, গৌণার্থে কর্মে অপটু। গোলাম মুরশিদ সম্পাদিত বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধানে কুঁড়ে শব্দটির ব্যুৎপত্তিতে লেখা হয়েছে, [সংস্কৃত কুষ্ঠ]। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৮৮০ সালের একটি লেখা থেকে উদ্ধৃতি আছে, "যত সব কুঁড়ে আছে ঠাঁই জুড়ে।" কুঁড়ের বাদশাহ যে কে সেটা বোঝাতে দৃষ্টান্ত দেওয়া আছে, সেলিনা হোসেনের ১৯৭৫-এর একটি লেখা থেকে, "ছেলেটা বাপের মতো কুঁড়ের বাদশা হয়েছে।"

তাহলে দেখা যাচ্ছে, এই অভিধানের মতে অনেক কিছুর বিবর্তন হলেও হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূল ধারণার কোনও বিবর্তন বা পরিবর্তন হয়নি। অর্থাৎ 'কুষ্ঠ' থেকেই কুঁড়ে। হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কুষ্ঠ-ধারণার সপক্ষে মত জোগাড় করতে সাধক রামপ্রসাদ সেনের গান থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন, "প্রসাদ বলে ওমা তারা হ'য়ে আছি আদি কুড়ে/ ওই যে তোমার দরজা জুড়ে বসে গেছে যত দেশের কুড়ে।" কুষ্ঠরোগীরা যেমনভাবে তীর্থস্থানে মন্দির-মসজিদের দরজা জুড়ে বসে থাকে, কুড়েরাও দরজার সামনে প্রসাদের জন্যে লাইন লাগিয়েছে। অর্থাৎ হরিচরণবাবু সম্পূর্ণ নিশ্চিত ছিলেন কুষ্ঠরোগী ও কুড়ে একই শব্দজাত। কুষ্ঠ থেকে কুড়। তা থেকে কুড়িয়া হয়েই নাকি কুড়ে তথা কুঁড়ে।

জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের বাঙ্গালা ভাষার অভিধানে কুঁড়ে নিয়ে লেখা হয়েছে, [কুঁড়িয়া দ্রষ্টব্য] বিণ, অলস। বি, কুঁড়েমি। প্রবাদের উল্লেখ করা হয়েছে, "কাজে কুঁড়ে,ভোজনে দেঁড়ে, বচনে মারে পুড়িয়ে ঝুড়িয়ে"। "কুঁড়ে গরু অমাবস্যা খোঁজে।" অমাবস্যায় হলচালনা নিষিদ্ধ বলিয়া সেদিন গরুর বিশ্রাম। (তা হতে) অলস ব্যক্তি বিশ্রামদিনের অনুসন্ধান করে।"

কুঁড়ের আগের বানানরূপ কুঁড়িয়া। সেখানে এই অভিধানকারের ব্যাখ্যা, [হিন্দি - কোঢ়িয়া, গ্রাম্য কুঁড়ে]। সংসদ বাংলা অভিধান লিখেছে, [ কুঁড়ে- বিণ.(দেশি) অলস। কুঁড়েমি বি. অলসতা, আলসেমি]।

জামিল চৌধুরী সম্পাদিত বাংলা আকাডেমির আধুনিক বাংলা অভিধানে অবশ্য কুঁড়ে তথা কুড়ে-কে দেশি শব্দ বলা হয়েছে। সুবলচন্দ্র মিত্রর আদর্শ বাঙ্গালা অভিধানে কুঁড়ে বা কুড়ে শব্দটিই নেই। এখানেই আমার খোঁজাখুঁজির শুরু। সুবলচন্দ্র মিত্রর অভিধানে কুঁড়ে পেলাম না। কিন্তু পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে 'কুণ্ঠ' পেলাম। কী আশ্চর্য, অর্থের দিক থেকে 'কুণ্ঠ' শব্দটি কুঁড়ের সমার্থক। অলস, জড়, মূর্খ, অকর্মণ্য। ব্যুৎপত্তি, [কুন্ ঠ + অন্, ক্ত ক। বিণ; ত্রি।] সমস্ত প্রামাণ্য বাংলা অভিধানে 'কুণ্ঠ' শব্দটি আছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'পাগল' নাড়ালে রক্ষে নেই, 'সাঁকো' শব্দের আড়ালে লুকিয়ে কোন রহস্য

Bengali Vocabulary: 'সাঁকো' শব্দটির উৎপত্তি কোথা থেকে

হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বঙ্গীয় শব্দকোষে কুণ্ঠ-র বিষয়ে লেখা হয়েছে, "বিণ [ √কুণ্ঠ্ + অ (অচ্)-ক ], কর্মে মন্দ; অলস, অকর্ম্মণ্য"। জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের অভিধান কুণ্ঠ-এন্ট্রিতে লিখেছে, "[কুণ্ঠ্ (আলস্য করা) + অ(র্ত্তৃ)৷ যে আলস্য করে] বিণ, আলস্যযুক্ত; অলস; জড়, কুঁড়ে"। সংসদ বাংলা অভিধানে কুন্ঠ-বিষয়ে আছে, [-কুণ্ঠ বিণ.(অন্য শব্দের পরে সমাসবদ্ধভাবে ব্যবহৃত) কর্মে অনিচ্ছুক, কাতর (ব্যয়কুণ্ঠ, শ্রমকুণ্ঠ)]। অর্থাৎ সংসদ বাংলা অভিধান কুণ্ঠ-কে স্বাধীন শব্দ হিসেবে স্বীকৃতিই দেয়নি। অন্য শব্দের লেজুড় হিসেবে ভেবে নিয়েছে। তবে শ্রমকুণ্ঠ মানেই যে অলস, তা কাউকে বলে দিতে হয় না।

বাংলা আকাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানে কুণ্ঠ-র ব্যুৎপত্তি [সং. √কুণ্ঠ + অ]। অর্থ অকর্মণ্য, অলস(কর্মকুণ্ঠ)।

অর্থাৎ সমস্ত অভিধানে কয়েক পাতার ব্যবধানে কুণ্ঠ ও কুঁড়ে শব্দদু'টি আছে একই অর্থে। জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের অভিধানে তো কুণ্ঠ-র অর্থই দেওয়া হয়েছে কুঁড়ে। সুশীলকুমার দে'র 'বাংলা প্রবাদ' বইয়ে কুড়ে (কুঠে) নিয়ে অনেকগুলি প্রবাদ আছে।

১. কাঙাল কুড়ে বেনে, বেচে শুঁঠ আর ধনে।

২. কুড়ে মুরগির ঠোঁটে বল।

৩. ভাবনা কিরে কুঠে, তোর মাচা ভরা ঘুঁটে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
চোর না পতিতা? 'ছিনাল' শব্দের আসল মানে রয়ে গেছে আড়ালেই

Bengali Vocabulary: অপরের পুরুষধন ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যেও যে ছিনকার, ছিনার বা ছিনাল শব্দের উৎপত্তি হতে পারে, তা কেউ ভেবে দেখেননি।

৪.মিথ্যা কথা প্রবঞ্চনা, হয় ত কুড়ে, নয় ত কানা।

৫. সাত কুড়ের ঘর, গোঁসাই রক্ষা কর।

৬.ধর্মের ঘরে কুড়ের অভাব নাই।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সর্বত্র 'কুঁড়ে' বানানটি ব্যবহার করেছেন। 'বাংলভাষা-পরিচয়'-এ লিখেছেন, "এই প্রসঙ্গে আমাদের ভাষার একটি বিশেষ ভঙ্গীর কথা বলি। 'সব' শব্দের অর্থে কোনো দূষণীয়তা নেই, 'যত' সর্বনাম শব্দটাও নিরীহ। কিন্তু দুটোকে এক করলে সেই জুড়িশব্দটা হয়ে ওঠে নিন্দার বাহন। 'মূর্খ', 'কুঁড়ে' কিংবা 'লক্ষ্মীছাড়া' প্রভৃতি কটুস্বাদ বিশেষণ ওই 'যত সব' শব্দটাকে বাহন ক'রে ভাষায় যেন মুখ সিঁটকোতে আসে, যথা, 'যত বাঁদর এক জায়গায় জুটেছে' বললেই যথেষ্ট অকথ্য বলা হয়।"

'চিরকুমার সভা'-য় তিনি রসিকের মুখ দিয়ে বলিয়েছেন, "সংসারে সেরা লোকেরাই কুঁড়ে এবং বেকার লোকেরাই ধন্য। উভয়ের সম্মিলন হইলেই মণিকাঞ্চনযোগ। এই কুঁড়ে-বেকারের মিলনের জন্যেই তো সন্ধ্যাবেলাটার সৃষ্টি হয়েছে।"

ভারতবর্ষ বইয়ে কবিগুরু লিখেছেন, "রূপকথায় শুনিয়াছি রাজা প্রতিজ্ঞা করিয়াছেন সকালবেলায় উঠিয়া যার মুখ দেখিবেন তারই সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিয়ে দেবেন। কন্যাদায়-হরণের এটা সোজা রাস্তা— যারা কুড়ে মানুষ তাদের পক্ষে এই রাস্তাই ভালো।'

কুণ্ঠ থেকেই কুঁড়ে শব্দটি এসেছে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। হরিচরণবাবু কুষ্ঠের পক্ষে যতই সওয়াল করুন না কেন, তা ধোপে টেকে না। তা ছাড়া কুষ্ঠ থেকে কুঁড়ে হলে, আরও অনেক রোগ থেকে আলস্যসূচক আরও অনেক শব্দ সৃষ্টি হওয়ার কথা। বাস্তবে তা হয়নি। বেতো ঘোড়া অবশ্য কুঁড়ের চেয়েও শ্রমবিমুখ! আমার মতে,

কুণ্ঠ + ইয়া > কুণ্ঠিয়া > কুণ্ঠে > কুঠে > কুড়ে। অথবা,

কুণ্ঠ + ইয়া > কুণ্ঠিয়া > কুণ্ডিয়া > কুঁড়িয়া > কুঁড়ে > কুড়ে।

বস্তুত কুণ্ঠ বলে একটি শব্দ যে অভিধানগুলিতে সশরীরে বর্তমান এবং তার অর্থ যে অলস, অকর্মণ্য, শ্রমবিমুখ, তা কুঁড়ের খোঁজ না পড়লে জানাই যেত না!

লিখেছেন
Asit Das
Asit Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।