'চিনি'-র দখল চিনের? স্বাদে মিষ্টি, কিন্তু শব্দের ভেতর লুকিয়ে জটিল রহস্য

Bengali Vocabulary: অনেকের মনে বদ্ধমূল ধারণা হয়ে গেছে, চিনি শব্দটি চিনদেশীয়।

Asit Das
৪ মিনিট
'চিনি'-র দখল চিনের? স্বাদে মিষ্টি, কিন্তু শব্দের ভেতর লুকিয়ে জটিল রহস্য

এবারের শব্দ 'চিনি'। বস্তুত পাঠ্যবইগুলিতে চিনা ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দের মধ্যে চিনি-র উদাহরণ থাকায় অনেকের মনে বদ্ধমূল ধারণা হয়ে গেছে, চিনি শব্দটি চিনদেশীয়।

হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় বঙ্গীয় শব্দকোষ-এ চিনি শব্দটির ব্যুৎপত্তি নিয়ে সন্দিহান। চিনির ব্যুৎপত্তিতে সপ্রশ্ন ['চীনীয়–মূল(?)'] লিখেছেন তিনি। চিনদেশে প্রথম তৈরি হয় বলেই চিনি, তা তিনি বেদবাক্য বলে মেনে নেননি। চিনিকে যে চিনা ভাষায় Thang বলা হয়, তাও লিখেছেন।

নগেন্দ্রনাথ বসুর বিশ্বকোষ-এ চিনি নিয়ে পাতার পর পাতা লেখা হলেও চিনি শব্দটির ব্যুৎপত্তি দেওয়া হয়নি। চলন্তিকা-তেও নেই চিনি-র ব্যুৎপত্তি। সুবলচন্দ্র মিত্র আদর্শ বাঙ্গালা অভিধানে চিনি-কে চিনা শব্দ লিখেছেন। আবার সেই তিনিই সরল বাঙ্গালা অভিধানে চিনি শব্দটিকে 'বাংলা প্রচলিত' বলে দেগে দিয়েছেন।

বস্তুত চিনিপাতা দই, চিনির বলদ, চিনিচাঁপা, শব্দবন্ধগুলি কমবিস্তর সকলেরই জানা।।

বাংলা একাডেমি-র জামিল চৌধুরী সম্পাদিত আধুনিক বাংলা অভিধান জানাচ্ছে, চিনির ব্যুৎপত্তি [ সং শর্করা > ]। কিন্তু কোন দুরূহ রাস্তায় শর্করা অপভ্রংশ হয়ে চিনি হয়েছে, সেটা তিনি জানাননি। গোলাম মুরশিদ সম্পাদিত (সহ-সম্পাদক স্বরোচিষ সরকার) বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধানে চিনি-র ব্যুৎপত্তি [সং চীনীয়]।

১৫০০ সালে লেখা মালাধর বসুর 'অতপ্ত তণ্ডুল ফুল চিনি চাঁপাকলা' ও ১৬০০ সালে লেখা কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর 'কিনিঞা নবাত ফেনি বিশা দরে কিনে চিনি পান কিনে সহস্রের দরে।'–পঙক্তিদু'টি তিনি উদ্ধৃত করেছেন।

সংসদ বাংলা অভিধান চিনি-র ব্যুৎপত্তিতে লিখছে, [ চৈ. চি-নি,—তু হি চীনী]। যখন গুগল ট্রানস্লেটে সহজেই দেখা যায়, ট্র্যাডিশনাল ও সিমপ্লিফায়েড চাইনিজে Sugar-এর চিনা তর্জমা Thang, তখন সংসদ অভিধানে প্রদত্ত ব্যুৎপত্তি চৈনিক 'চি–নি'-কে সত্যিই অচেনা ঠেকে। জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের বাঙ্গালা ভাষার অভিধান জানাচ্ছে, [সং=শর্করা=ফা=শকর, শক্কর, শকরীন, শীরা(চিনির রস)= শীরীনী(মিষ্টতা)>বিণ, ক্রমে হিন্দিতে শির্ণী, শিন্নি > চিনি]। অর্থাৎ সংস্কৃত শর্করা থেকে চিনি আনতে তাঁকে ফারসির সাঁকো বেয়ে হিন্দির হাওড় পেরিয়ে অনেকটা ঘুরপথে আসতে হয়েছে।

তাহলে দেখা যাচ্ছে, চিনদেশীয় বা চিনীয় থেকে চিনি আসার প্রচলিত তত্ত্ব ছাড়াও আরও মত আছে চিনির ব্যুৎপত্তির বিষয়ে। সকলেই চিনের আধিপত্য মেনে নেননি।

চিনির বলদ যে আজীবন চিনির বস্তা বয়েই যায়, চিনি খেতে পারে না, তা সকলেই জানে। তবে এটা জানা যায় না, পিঠ থেকে চিনির বস্তা ফেলে দিয়ে কখনও কোনও বিদ্রোহী বলদ ক্ষুন্নিবৃত্তি করেছিল কি না। যদি তা ঘটে থাকে কোথাও, সেটা ব্যতিক্রমী ঘটনা বলেই চিহ্নিত হবে।

সুশীলকুমার দের 'বাংলা প্রবাদ' বইটিতে চিনি নিয়ে অজস্র প্রবাদ আছে। যেমন—

১. অন্য লোকে ভুরা(নিকৃষ্ট গুড়) দেয়, ভাগ্যে আমি চিনি।(ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর, শরৎচন্দ্রের দেবদাস উপন্যাসে প্রযুক্ত)

২. যে খায় চিনি, তায় জোগান চিন্তামণি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'পাগল' নাড়ালে রক্ষে নেই, 'সাঁকো' শব্দের আড়ালে লুকিয়ে কোন রহস্য

Bengali Vocabulary: 'সাঁকো' শব্দটির উৎপত্তি কোথা থেকে

৩. কারো দুধে চিনি, কারো শাকে বালি।( 'তোমার এখন দুধে চিনি, আমার এখন শাকে বালি'—গোপাল উড়ে। 'শুনিয়াছি যে আমাদের শাকে বালি ঘুচিয়া দুগ্ধে চিনি হইবেক– দীনবন্ধু মিত্রের গদ্যপদ্য)

৪. চাঁড়ালেরে চিনি, বামুনেরে লবণ।(নিহিতার্থ বলা নেই)

৫. চিনি খেয়ে মেনী হওয়া।

৬. চিনির পুতুল।

৭. চিনির বলদ।

[অর্থাৎ, কেবল বহিয়াই যায়, আস্বাদ পায় না। 'চিনির বলদ সবে একখানি গুণ'–ভারতচন্দ্র। 'আমি যাহা জানি তাহা অবশ্যই বলিব, কিন্তু আমি চিনির বলদের ন্যায়'—টেকচাঁদ ঠাকুরের অভেদী। 'হয়ে আছে চিনির বলদ সদা আজ্ঞাকারী'—গোপাল উড়ে। চিনির বলদ তোমরা কেবল, কেরাণী, মুহুরী সরকারের দল'—মনমোহন বসু। 'শুধু কি বলদ হে, চিনি বহে আঁখি ঢাকা'—সত্যেন্দ্র দত্ত।]

৮. চিনির ভেতর বাহির সমান মিঠে।

৯. পিঁপড়ের গর্ত থেকে চিনি টেনে বার করা।

১০. বামুনের পাতে লবণ নাই, ধোপার পাতে চিনি।

১১. মায়ে রাঁধে যেমন তেমন, বোনে রাঁধে পানি

ওই অভাগী রাঁধে যেন চিনি পরমান্নি। (পক্ষপাতমূলক ঘটনা বোঝাতে)

১২. যে হাতে আছে চিনির গন্ধ, সে হাত চুষতে সবার আনন্দ।

১৩. সতীনের হাত সাপের ছোঁ, চিনি দিলে তুলে থো।

১৪. সুয়া যদি নিম দেয় সেই হয় চিনি

দুয়া যদি চিনি দেয় নিম হন তিনি। (ভারতচন্দ্র)

চিনি-বিষয়ক এই প্রবচনগুলি যেন সমাজের আয়না। সামাজিক বৈষম্য, জাতপাত, পারিবারিক কলহ-বঞ্চনার ছবি যেন প্রতিফলিত হয় এই প্রবাদগুলিতে। চেনা সমাজ যেন মুহূর্তে অচেনা ঠেকে প্রবাদের জেরে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে চিরেতা বা নিমের সরবত পান করতেন। তেতো খেলেও চিনিরও তিনি সমঝদার ছিলেন নিশ্চয়। 'জাপানযাত্রী'-তে কবিগুরু লিখেছেন,

আমরা (মানুষের) সেইসব ভ্রমণ ও দুঃসাহসের বোতলে-ভরা মোরব্বা উপভোগ করছি যেন। এতে কোনো কাঁটা নেই, খোসা নেই, আঁটি নেই; কেবল শাঁসটুকু আছে, আর তার সঙ্গে যতটা সম্ভব চিনি মেশানো।

বঙ্গীয় শব্দকোষ-এ চিনা শব্দের অর্থ যেমন চিনদেশীয় দেওয়া হয়েছে, তেমনই চিনা মানে ক্ষুদ্র ধান্যবিশেষ।কেননা, তামিল, তেলুগুতে 'চিন্না' মানে ক্ষুদ্র। তা থেকেই এই 'চিনা'। খনার বচনে আছে, 'যদি বর্ষে ফাগুনে, চিনা কাউন দ্বিগুণে।' তামিল যে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ভাষা, তা পণ্ডিতরাই বলেন। সুতরাং চিন্না থেকে ক্ষুদ্রার্থে চিনা বা চিনে আসা খুবই সম্ভব।

চিনে (ছিনে) জোঁক, চিনে বাদাম, চিনে চিংড়ি, এগুলো কোনওটাই চিনদেশীয় বা চৈনিক নয়, 'চিনে' মানে এখানে ছোট। চিনা বাজার, চিনদেশীয় লোকেদের বাজার না বড়বাজারের পাশে ছোট বাজার, সেটা নিয়ে আমরা দোলাচলে। হয়তো প্রথমে বড়বাজারের তুলনায় ছোটবাজারকেই বলা হতো চিনাবাজার, পরে চিনারা সেখানে এসে হাজির হয়, ব্যবসা শুরু করে। লোকের মনে এই ধারণা ক্রমশ গড়ে ওঠে যে চিনাদের জন্যই চিনাবাজার নামটি এসেছে।

চিনির দানা ছোট হয়, মিছরির তুলনায় অনেক ছোট। তাই ছোট, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র দানার মিষ্টদ্রব্য বোঝাতে, মিছরির সঙ্গে চিনিকে পৃথক করতে চিনা বা চিনে দানা বলা হত। তা থেকেই কালক্রমে 'চিনি' শব্দটি চালু হয়ে গেল। অনেক জায়গায় এখনও ছোট দানা মিছরি, ছোট দানা খণ্ড, বলতে শোনা যায়। ছোট মানেই তো চিন্না, চিনা, চিনে, চিনি।

তা বলে চিন থেকে আসা চিনি-প্রস্তুতকারক টং অছিউ যে বজবজের কাছে চিনির কারখানা গড়ে তুলেছিলেন, সেটা কি আমরা দেখিনি? জায়গাটির নামই তো হয়ে গেছে অছিপুর। বাওয়ালির কাছে। টং অছিউ উন্নতমানের আখের চাষও শুরু করেছিলেন চিনি তৈরির জন্য।

কাশীতেও চিনি রফতানি হতো কলকাতা থেকে। তাকে বলা হতো কাশীর চিনি। সেই চিনির রং লালচে। আসলে ইক্ষুরসজাত ছোট দানার মিষ্টদ্রব্যই চিনি নামে পরিচিত হয়েছিল। এর সঙ্গে চিনদেশের কোনও যোগ নেই। ইউরোপের মতো চিন ও ভারতও চিনি প্রস্তুতে দক্ষ ছিল। তার মানে এই নয় চিনীয় থেকে চিনি হয়েছে। বিশ্বকোষ থেকে জানতে পারি ভারতেই প্রথম শর্করা বা চিনি উৎপন্ন হয়েছিল। চিনের দাবি সেখানে নস্যাৎ করা হয়েছে। আর চিনে তৈরি হলেই জিনিসটির নাম চিনি হয় না। তাহলে তো চিনে আবিষ্কৃত বা চিন থেকে আসা সমস্ত জিনিসই চিনি নামে পরিচিত হত! তামিল 'চিন্না' শব্দ থেকে চিনা ধানের মতো চিনিও যে এসেছে, সে-ব্যাপারে আমি নিঃসন্দেহ।

লিখেছেন
Asit Das
Asit Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ঋত্বিক: ফিরে দেখা

Ritwik Ghatak: আমরা যখন ছোট ছিলাম, মানে ষাটের দশকের সেই শেষ দিকে বা সত্তরের দশকে, তিনি কত না অদ্ভুতভাবে আমাদের প্রভাবিত করতেন। যেমন একদিন আমাদের রবীন্দ্রসদনের সামনে দেখতে পেয়ে তিনি হঠাৎ বললেন, আমাকে একটা ট্যাক্সি ধরে দেবে?

কলকাতায় চালু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ স্কুল অফ ম্যাজিক অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস

West Bengal School of Magic: মুখ্যমন্ত্রী ‘পশ্চিমবঙ্গ স্কুল অফ ম্যাজিক, ইল্যুশন অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস’ স্থাপনের প্রস্তাবে অনুমোদন করেছেন। পুজোর পর উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা বৈঠক করবেন।

বিভূতিভূষণের উপন্যাস কেবল দৃশ্যের নয়, শব্দেরও এক জগৎ তৈরি করে

Bibhutibhushan Bandyopadhyay: বাংলা সাহিত্যে বিভূতিভূষণকে আমরা সাধারণত প্রকৃতির কবি বলেই চিনি। তাঁর বর্ণনায় নদী, মাঠ, বন, আকাশ, ঋতু আর গ্রামীণ জীবনের যে ছবি ফুটে ওঠে, তা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকে যদি একটু অন্য দিক থেকে দেখা যায়? যদি আমরা শুধু দৃশ্যের দিকে না তাকিয়ে শোনার চেষ্টা করি?

স্ট্যাচু অব লিবার্টি ও আমেরিকার অভিবাসন: আমেরিকার ইতিহাসে আশ্রয়প্রার্থীদের জায়গা কোথায়?

Statue of Liberty: স্ট্যাচু অব লিবার্টির ধারণার সূত্রপাত ১৮৬৫ সালে। ফরাসি রাজনৈতিক চিন্তাবিদ এদুয়ার্দ দ্য লাবুলে আমেরিকার স্বাধীনতার শতবর্ষ এবং ফ্রান্স-আমেরিকার বন্ধুত্বকে স্মরণ করে স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের ধারণা দেন।

এশিয়ার সেরা মিউজিয়ামের স্বীকৃতি পাটনার, কীভাবে বিশ্বসেরাদের টেক্কা দিল বিহার মিউজিয়াম?

Patna Outranks paris: বিশ্বের সেরা ১০০টি মিউজিয়ামের তালিকায় নবম স্থান অর্জন করে কীভাবে ল্যুভর ও মেটের মতো বিখ্যাত জাদুঘরকে পিছনে ফেলে এশিয়ার সেরা মিউজিয়াম হয়ে উঠল পাটনার বিহার মিউজিয়াম?

দেশভাগের ইতিহাসকে নারীর চোখে দেখা: অংশুমান করের ‘হিরণবালা’

Hiranbala Novel Review: বাংলা উদ্বাস্তু-আখ্যানের বড় অংশে দেশভাগের অভিজ্ঞতা এসেছে পুরুষের জীবন, তার মনস্তত্ত্ব ও তার গতিবিধির ভিতর দিয়ে। ‘হিরণবালা’ প্রথমেই এই কাঠামো ভেঙে দেয়। উদ্বাস্তু পরিবারের গল্পে একজন নারীকে নিষ্ক্রিয় বা পরোক্ষ ভূমিকায় না দেখিয়ে, উদ্বাস্তু হওয়ার অভিজ্ঞতাটিকে প্রত্যক্ষভাবে বুনে দেয় নারীটির জীবন। দেশভাগকে প্রায় অদৃশ্য করে হিরণকে উদ্বাস্তু করা শুরু হয় ১৯৪৬ সালে, বিয়ের মধ্য দিয়ে।

সুকুমার রায়ের সঙ্গে চার্লি চ্যাপলিনের ভীষণ মিল পাই: স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত

Sukumar Ray Literature: কেউ যদি অনেক বড় বয়সেও ছোট থাকতে চায়— যেমন আমি বলি যে আমার বয়স বাড়েনি— আর যদি নিজের বয়সটাকে একই জায়গায় ধরে রাখতে ইচ্ছে করে, তবে মনে হয় সুকুমার রায়ের সমগ্র তাঁর সারাজীবন বিছানার পাশে গীতবিতানের মতোই চিরসঙ্গী হয়ে থাকতে পারে।

বাংলার দেশি খাসির মাংস থেকে চিংড়ি শুঁটকি, জিআই তকমার অপেক্ষায় কোন কোন খাবার?

GI Tag Registration: বাংলার দেশি খাসির মাংস, ইলিশের বিভিন্ন পণ্য ও চিংড়ি শুঁটকি জিআই স্বীকৃতি পেতে চলেছে। আবেদন প্রক্রিয়া এগিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে স্বীকৃতি পাওয়ার আশা। কিন্তু জিআই তকমা কী এবং এই স্বীকৃতি পেলে বাংলার উৎপাদকদের কী লাভ হবে?