মহিলাদের চুলেই ছিল পাচারের রাস্তা! কোথা থেকে এল 'খোঁপা' শব্দটি

ভাষাতাত্ত্বিক ও নৃতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে দেখা যায় খোঁপা শব্দটি দ্রাবিড় উত্তরাধিকার বহন করছে।

Asit Das
৪ মিনিট
মহিলাদের চুলেই ছিল পাচারের রাস্তা! কোথা থেকে এল 'খোঁপা' শব্দটি

এবারের শব্দ খোঁপা। মহিলাদের কেশসজ্জার এই শৌখিন বিষয় নিয়ে কিছু লেখা অনধিকার চর্চা নয় বলেই মনে হয়। বিশেষত লেখাটি যদি হয় শব্দের ব্যুৎপত্তি-বিষয়ক।

হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'বঙ্গীয় শব্দকোষ'-এ খোঁপা শব্দটির ব্যুৎপত্তি দেওয়া হয়েছে, [হি খোং(খো)পা; ঠ খোংপা; তু 'খোফা'; 'খোম্ফা'(অপ্র); F-Coiffe, L- Cofia, E-Coif– a covering for the head,worn by women]। তবে হিন্দি(হি) ও মারাঠি(ঠ)-তে কোথা থেকে এসেছে খোঁপা, সে-বিষয়ে হরিচরণ নীরব। সংস্কৃত তথা তৎসম কি না, সেটা এখানে পরিষ্কার নয়। ফ্রেঞ্চ ল্যাটিন, ইংরেজি ভাষার প্রায় সমোচ্চারিত শব্দগুলি থেকেও এসেছে বলে মনে হয় না।

জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের 'বাঙ্গালাভাষার অভিধান'-এ খোঁপা শব্দটির ব্যুৎপত্তি আছে, '[ক্ষুপ শব্দজ]'। ক্ষুপ তৎসম শব্দ, অর্থ ঝোঁপ বা গুল্ম। হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা থেকে জুতসই উদ্ধৃতিও আছে। 'কপালে টিপের ফোঁটা, খোঁপা বাঁধা চুল'। স্পষ্টতই উপমাবোধাত্মক ব্যুৎপত্তি, কল্পনার মিশেলও দিয়েছেন অভিধানকার। 'বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান'-এ খোঁপার ব্যুৎপত্তিতে শুধুমাত্র লেখা হয়েছে, বাংলা শব্দ। এর বেশি কিছু বলা নেই।

জামিল চৌধুরী সম্পাদিত 'বাংলা একাডেমি বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধান'-এ ব্যুৎপত্তি আছে, [স ক্ষুপ]। প্রয়োগ উদাহরণ আছে বড়ু চন্ডীদাস থেকে। 'লবঙ্গ দোলঙ্গ খোঁপা বান্ধিআ উল্লাসে'। জীবনানন্দ দাশের ১৯৩২-এ লেখা কবিতা থেকেও উদ্ধৃতি আছে, 'তাদের খোঁপার ফাঁস খুলে যায়'। মিস্টিক জীবনানন্দের পক্ষেই এসব পঙক্তি লেখা সম্ভব।

নগেন্দ্রনাথ বসুর বিশ্বকোষ-এ পাচ্ছি, খোঁপা(খোপা) দেশজ শব্দ। অর্থ, কেশগুচ্ছ, ধমিল্ল। সুকুমার সেন লিখেছেন সংস্কৃত 'ক্ষপেক' থেকে খোঁপা শব্দটি এসেছে। অর্থ, কোথাও কোনও কিছু লেগে থাকা বা এঁটেসেঁটে থাকা। তবে সুকুমারবাবু সবকিছুর মধ্যেই যে সংস্কৃতের প্রেত আবিষ্কার করেছেন, তা তাঁর লেখা 'বাংলা স্থাননাম' বইটি পড়লেই বোঝা যায়।

সুবলচন্দ্র মিত্রর 'সরল বাঙ্গালা অভিধান'-এ পাই, খোঁপা 'বাংলা প্রচলিত' শব্দ। ইংরেজি Coiffure এর সঙ্গে সাদৃশ্য টেনেছেন। যদিও ইংরেজি শব্দটি চুলের আবরণী বোঝায়, কেশবিন্যাস বোঝায় না।

রাজশেখর বসুর চলন্তিকা-য় শুধু আছে, খোঁপা মানে কবরী। ব্যুৎপত্তি দেননি পরশুরাম। সংসদ বাংলা অভিধানে জানানো হয়েছে, খোঁপা এসেছে মধ্যযুগীয় বাংলা খোম্পা থেকে। অশোক মুখোপাধ্যায়ের সমার্থ শব্দকোষ-ও দেখতে হয়। সেখানে খোঁপা এন্ট্রিতে আছে, 'খোঁপা, কবরী, ধম্মিল, ধমিল্ল, যুক্তবেণী; ধুড়বুড়ি; ধুদ্ধুড়ি; এলোখোঁপা; চুড়ো খোঁপা, টপনট; কানড় খোঁপা, কানড়, কানড়া; ডোনাট।'

এই কানড় খোঁপা জিনিসটি কী, সেটা দেখতে গিয়ে সংসদ বাংলা অভিধান ঘাঁটতে হল। 'কানড়' সম্বন্ধে লেখা হয়েছে, ' স্ত্রীলোকের কেশবিন্যাসবিশেষ, কর্ণাটকপ্রদেশের প্রসিদ্ধ কুণ্ডলাকৃতি খোঁপা'। এসেছে সংস্কৃত 'কর্ণাট' থেকে'।

তাহলে কি খোঁপার সঙ্গে দক্ষিণী ভাষাগুলির যোগসূত্র আছে? দ্রাবিড় ভাষাগুলি থেকে বহু শব্দ বাংলায় এসেছে। আদতে বাঙালি দ্রাবিড়-অস্ট্রিক-আর্য উত্তরাধিকার বহন করছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাঙালির জিভে জল আসে 'হেঁশেল' শুনলেই! শব্দের উৎস জানলে চমকে উঠতে হবে

'হেঁশেল' শব্দটি এল কোথা থেকে?

ড. সত্যনারায়ণ দাশ প্রণীত 'বাংলায় দ্রাবিড় শব্দ' বইটিতে পেয়ে গেলাম অভীষ্ট সূত্র। সেখানে খোঁপা শব্দটিকে দ্রাবিড় ভাষা থেকে আগত বলা হয়েছে। লেখা হয়েছে, [খোঁপা- বি. কেশবিন্যাস। কন্নড়. কোপ্পু, তামিল. কোপপু, খোপ।]। অর্থাৎ, কন্নড় ভাষায় কোপ্পু আর তামিল ভাষায় কোপপু বা খোপ বলা হয় খোঁপা তথা খোপাকে।

হিসেবটা মিলে গেল। খোঁপা বঙ্গে দক্ষিণী দ্রাবিড় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে এসেছে। খোঁপায় ফুল গোঁজার দক্ষিণী কালচার সম্প্রতি তামিলনাড়ুর উটিতে গিয়ে দেখলাম। কোয়েম্বাটোর থেকে উটি যাওয়ার পথে সর্বত্র দেখেছি দক্ষিণী কায়দায় শাড়ি পরা মহিলারা খোঁপায় ফুল গুঁজে দিনের বেলায় ঘুরতে বেরিয়েছে। চা-পাতা থেকে বাণিজ্যিকভাবে চা উৎপাদনের একটি ফ্যাক্টরির কর্মকাণ্ড দেখতে বিরাট লাইন পড়েছিল। অনেক তামিল, কন্নড় প্রবীণাও খোঁপায় ফুল গুঁজে সাধারণবেশে সেসব দেখতে এসেছেন। সংলগ্ন দোকানগুলিতে কেনাকাটাও করছেন কবরীনন্দিত হয়ে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সমগ্র সাহিত্যকর্মে মোট বত্রিশবার খোঁপা শব্দটি ব্যবহার করেছেন। 'ঘরে বাইরে'-র বিমলার আত্মকথা, নিখিলেশের আত্মকথা-য়, 'নৌকাডুবি' উপন্যাসে, 'গল্পগুচ্ছ'-র নষ্টনীড়, মানভঞ্জন গল্পে, বিচিত্র প্রবন্ধে, তিনি বারবার খোঁপা শব্দটি লিখে গেছেন। কবরী যে তাঁর প্রিয় বিষয় ছিল, সে তো আমরা জানিই।

ফিরিঙ্গি খোঁপা একসময় বঙ্গনারীদের প্রিয় কেশবিন্যাস ছিল। হুতোম থেকে বঙ্কিমচন্দ্র হয়ে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সবাই ফিরিঙ্গি খোঁপার কথা লিখে গিয়েছেন গল্পে-উপন্যাসে।

কত রকমের খোঁপা ছিল, সেটা আমার জানানোর বিষয় নয়, খোঁপার ব্যুৎপত্তি সঠিকভাবে নির্ণয় করাই আমার উদ্দেশ্য। এর জন্যে কিছু খোঁপা বিষয়ক ছড়ার খোঁজ নিতে হল। একটি ছড়া এরকম,

উলার মেয়ের কলকলানি

শান্তিপুরের চোপা

গুপ্তিপাড়ার হাতনাড়া

বাঘনাপাড়ার খোঁপা।

সুশীলকুমার দের 'বাংলা প্রবাদ' বইয়ে এর আর একটি ভার্সন আছে-

উলোর মেয়ের কুলুজি

অগ্রদ্বীপের খোঁপা

শান্তিপুরের হাতনাড়া

গুপ্তিপাড়ার চোপা।

তুলনায় নবীন স্বপ্না চক্রবর্তীর গাওয়া গানের আদি প্রবচন-রূপটি–

বড়লোকের বেটি লো লম্বা লম্বা চুল

এমন খোঁপা বেঁধে দিব লক্ষ টাকা মূল।

তাঁর গানটির গীতিকার অবশ্য 'লক্ষ টাকা মূল'-এর জায়গায় আধুনিকতা আনার জন্যে 'লাল গাঁদাফুল' করে দিয়েছেন। বাংলা প্রবাদের আর একটি হলো, 'জামাই যে মরদ মেয়ের খোঁপাতেই পরিচয়'। অথবা, 'লাজে বউ খান খান, খোঁপার ভেতর মাছখান'। আর একটি প্রবাদ তো এখনও প্রাসঙ্গিক, ' সাজিয়াগুজিয়া রইলাম, খোঁপা টনটনিয়ে মইলাম (মরিলাম)'। এটাও মন্দ নয়, 'চুল নেই মেয়ে চুলেরে কাঁদে/ কচুপাতার ঢিপলে দিয়ে ডাগর খোঁপা বাঁধে।'

খোঁপা যে অতীতে জিনিস পাচারেও ব্যবহার করা হতো, প্রবাদগুলি পড়লেই বোঝা যায়। অনেক বাড়ির ড্রেসিং টেবিলেই ফলস খোঁপার গোলাকৃতি ভরাটি (বল) পাওয়া যাবে। লীলা মজুমদার তাঁর লেখা 'আর কোনোখানে' বইটিতে স্কুলে তাঁর খোঁপা নিয়ে ভোগান্তির কথা সবিস্তারে বর্ণনা দিয়েছেন। বারবার খুলে যেত তাঁর পগেয়া খোঁপা। শেষমেশ খোঁপাকে বিদায় জানাতে বাধ্য হন।

'আর কোনোখানে' বইয়ের প্রচ্ছদ

সাদা-কালো সিনেমার নায়িকাদের মাথার দিকে তাকালে খোঁপার ক্রমিক বিবর্তনের চেহারাটি ধরা যাবে। কাননবালা, সুপ্রিয়া দেবী, সুচিত্রা সেন, অপর্ণা সেনের খোঁপা বাঁধার স্টাইলের হেরফের আছে। এখনকার সিনেমায় নায়িকাদের খোঁপা দুর্লভ। সবই তো স্ট্রেট এখন! তবে দক্ষিণী নায়িকাদের মধ্যে বড় খোঁপা বাঁধার চল এখনও আছে। খোঁপায় ফুলও গোঁজেন তাঁরা।

মালাবার উপকূলে কয়েক শতাব্দী আগে নারীদের হাট বসত। দাসী-বাঁদি ও রক্ষিতা করা হতো এই সমস্ত দুর্ভাগা নারীকে। খোঁপা দেখে তাদের নির্বাচন করা হত। কেউ যেত বড়লোকের বাঁদি হয়, কেউ যেত গরিবের ঘরে।

খোঁপার সঙ্গে দক্ষিণী রাজ্যগুলির মহিলাদের নিবিড় যোগ আছে। ভাষাতাত্ত্বিক ও নৃতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে দেখা যায় খোঁপা শব্দটি দ্রাবিড় উত্তরাধিকার বহন করছে।

'খোঁপার ওই গোলাপগুলি' কি সত্যিই শুকিয়ে যেতে বসেছে আজ?

লিখেছেন
Asit Das
Asit Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ঋত্বিক: ফিরে দেখা

Ritwik Ghatak: আমরা যখন ছোট ছিলাম, মানে ষাটের দশকের সেই শেষ দিকে বা সত্তরের দশকে, তিনি কত না অদ্ভুতভাবে আমাদের প্রভাবিত করতেন। যেমন একদিন আমাদের রবীন্দ্রসদনের সামনে দেখতে পেয়ে তিনি হঠাৎ বললেন, আমাকে একটা ট্যাক্সি ধরে দেবে?

কলকাতায় চালু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ স্কুল অফ ম্যাজিক অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস

West Bengal School of Magic: মুখ্যমন্ত্রী ‘পশ্চিমবঙ্গ স্কুল অফ ম্যাজিক, ইল্যুশন অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস’ স্থাপনের প্রস্তাবে অনুমোদন করেছেন। পুজোর পর উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা বৈঠক করবেন।

বিভূতিভূষণের উপন্যাস কেবল দৃশ্যের নয়, শব্দেরও এক জগৎ তৈরি করে

Bibhutibhushan Bandyopadhyay: বাংলা সাহিত্যে বিভূতিভূষণকে আমরা সাধারণত প্রকৃতির কবি বলেই চিনি। তাঁর বর্ণনায় নদী, মাঠ, বন, আকাশ, ঋতু আর গ্রামীণ জীবনের যে ছবি ফুটে ওঠে, তা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকে যদি একটু অন্য দিক থেকে দেখা যায়? যদি আমরা শুধু দৃশ্যের দিকে না তাকিয়ে শোনার চেষ্টা করি?

স্ট্যাচু অব লিবার্টি ও আমেরিকার অভিবাসন: আমেরিকার ইতিহাসে আশ্রয়প্রার্থীদের জায়গা কোথায়?

Statue of Liberty: স্ট্যাচু অব লিবার্টির ধারণার সূত্রপাত ১৮৬৫ সালে। ফরাসি রাজনৈতিক চিন্তাবিদ এদুয়ার্দ দ্য লাবুলে আমেরিকার স্বাধীনতার শতবর্ষ এবং ফ্রান্স-আমেরিকার বন্ধুত্বকে স্মরণ করে স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের ধারণা দেন।

এশিয়ার সেরা মিউজিয়ামের স্বীকৃতি পাটনার, কীভাবে বিশ্বসেরাদের টেক্কা দিল বিহার মিউজিয়াম?

Patna Outranks paris: বিশ্বের সেরা ১০০টি মিউজিয়ামের তালিকায় নবম স্থান অর্জন করে কীভাবে ল্যুভর ও মেটের মতো বিখ্যাত জাদুঘরকে পিছনে ফেলে এশিয়ার সেরা মিউজিয়াম হয়ে উঠল পাটনার বিহার মিউজিয়াম?

দেশভাগের ইতিহাসকে নারীর চোখে দেখা: অংশুমান করের ‘হিরণবালা’

Hiranbala Novel Review: বাংলা উদ্বাস্তু-আখ্যানের বড় অংশে দেশভাগের অভিজ্ঞতা এসেছে পুরুষের জীবন, তার মনস্তত্ত্ব ও তার গতিবিধির ভিতর দিয়ে। ‘হিরণবালা’ প্রথমেই এই কাঠামো ভেঙে দেয়। উদ্বাস্তু পরিবারের গল্পে একজন নারীকে নিষ্ক্রিয় বা পরোক্ষ ভূমিকায় না দেখিয়ে, উদ্বাস্তু হওয়ার অভিজ্ঞতাটিকে প্রত্যক্ষভাবে বুনে দেয় নারীটির জীবন। দেশভাগকে প্রায় অদৃশ্য করে হিরণকে উদ্বাস্তু করা শুরু হয় ১৯৪৬ সালে, বিয়ের মধ্য দিয়ে।

সুকুমার রায়ের সঙ্গে চার্লি চ্যাপলিনের ভীষণ মিল পাই: স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত

Sukumar Ray Literature: কেউ যদি অনেক বড় বয়সেও ছোট থাকতে চায়— যেমন আমি বলি যে আমার বয়স বাড়েনি— আর যদি নিজের বয়সটাকে একই জায়গায় ধরে রাখতে ইচ্ছে করে, তবে মনে হয় সুকুমার রায়ের সমগ্র তাঁর সারাজীবন বিছানার পাশে গীতবিতানের মতোই চিরসঙ্গী হয়ে থাকতে পারে।

বাংলার দেশি খাসির মাংস থেকে চিংড়ি শুঁটকি, জিআই তকমার অপেক্ষায় কোন কোন খাবার?

GI Tag Registration: বাংলার দেশি খাসির মাংস, ইলিশের বিভিন্ন পণ্য ও চিংড়ি শুঁটকি জিআই স্বীকৃতি পেতে চলেছে। আবেদন প্রক্রিয়া এগিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে স্বীকৃতি পাওয়ার আশা। কিন্তু জিআই তকমা কী এবং এই স্বীকৃতি পেলে বাংলার উৎপাদকদের কী লাভ হবে?