দেখলেই স্প্রে করছেন! জানেন, আপনার জন্যই যৌন মিলন করতে পারছে না আরশোলারা?

Cockroaches Sex Life: সঙ্গী খোঁজার সময়, পুরুষ আরশোলা তাদের পিঠের দিকে একটি মিষ্টি তরল তৈরি করে নিঃসরণ ঘটায়।

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
দেখলেই স্প্রে করছেন! জানেন, আপনার জন্যই যৌন মিলন করতে পারছে না আরশোলারা?

বনে গেছেন পাণ্ডু। রাজা মানুষ, তার উপর বন জঙ্গলে মৃগয়ায় গিয়ে তো নিশ্চয়ই কেবল দৃশ্য দেখবেন না! দূর থেকে দেখলেন ঝোপের ফাঁকে দুই হরিণ। দিলেন তির চালিয়ে। সেই মুহূর্তে সঙ্গমে লিপ্ত ছিল ওই হরিণ এবং এক হরিণী। অত ঘন জঙ্গলে কেই বা আর বন্যপ্রাণ বাঁচানোর ডাক দেবে? সেই সময় অত কড়াকড়িও তো ছিল না প্রাণী হত্যার। মৃগয়া সফল হয়েছে ভেবে এগিয়ে গিয়ে পাণ্ডু দেখেন, সর্বনাশ করেছেন। এক ঋষিপুত্র ছদ্মবেশ ধরে তাঁর হরিণীরূপী স্ত্রীর সঙ্গে যৌন মিলন করছিলেন। পাণ্ডু বেচারা বুঝবেনই বা কীভাবে! ঋষিকুমার কিমিন্দম তখন পাণ্ডুকে বললেন, এত তাড়া কীসের ছিল? যখন দেখছেন দুটো হরিণ যৌন মিলনরত অবস্থায় আছে, একটু অপেক্ষা করতে কী হয়? যৌন মিলনের মতো চরম মুহূর্তে কেউ কাউকে মারে? পাণ্ডু ক্ষমা টমা চাইলেন বটে, কিন্তু বরফ গলল না। একে মিলন সম্পূর্ণ হয়নি, তারপর লেগেছে তির! বিশাল চটে ঋষিকুমার পাণ্ডুকে অভিশাপ দিলেন, যখনই পাণ্ডু কারও সঙ্গে যৌনতায় যাবেন তখনই তাঁর মৃত্যু হবে! যৌন মিলনে বাধা দেওয়ার ফলে কুকুরদেরও এমন অভিশাপ পেতে হয়েছিল দ্রৌপদীর থেকে। খুব বেশি দিন নেই, মানুষকে এমন ঝুরি ঝুরি 'অভিশাপ' দেবে আরশোলারা। দেখলেই স্প্রে করে দিচ্ছেন তো কীটনাশক? আরশোলারা পালাচ্ছে বা মরে যাচ্ছে। মরে গেলে তো হয়েই গেল, যারা বেঁচে যাচ্ছে- আজীবনের মতো যৌনতার ক্ষমতা শেষ হয়ে যাচ্ছে সেই আরশোলাদের। আর এর জন্য দায়ী একমাত্র মানুষ!

মানুষের নানা কাজকর্মের ফলে প্রাণীদের, কীটদের, পতঙ্গদের কী কী বদল এসেছে, কীভাবে নতুন করে অভিযোজিত হচ্ছে তারা, এই নিয়ে গবেষণা চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। তেমনই একটি গবেষণা বলছে, কীটনাশক ব্যবহারের ফলে আরশোলাদের যৌন জীবনে অস্বাভাবিক বদল আসছে। কিছু কিছু আরশোলা এই কীটনাশকের ফলে গ্লুকোজ সহ্য করতে পারছে না। গ্লুকোজের প্রতি এই ঘৃণা থেকেই যৌনতা করতে পারছে না আরশোলারা। সাম্প্রতিক এই গবেষণা বলছে, পুরুষ আরশোলাদের যৌনমিলনের কৌশলগুলি অভিযোজিত হয়েছে, আচরণগত বিবর্তন ঘটেছে। কিন্তু গ্লুকোজ, কীটনাশক এবং আরশোলার যৌনতার মধ্যে সম্পর্ক কী?

নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা দেখতে চেয়েছিলেন যে, কীভাবে মানুষের কোনও আচরণ প্রাণিকুলের দ্রুত বিবর্তন ঘটায় এবং কীভাবে প্রাণীরা এই জাতীয় সমস্যার মোকাবিলা করতে না পেরে ভুক্তভোগী হয়। গবেষণার জন্য জার্মান আরশোলা ব্লাটেলা জার্মানিকাদের বেছে নেন তারা। এই আরশোলাদের আচরণে অভিযোজিত পরিবর্তনের কারণে তাদের যৌন আচরণে পরিবর্তন দেখা দেয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিষে হার মানাবে গোখরোকে, পশ্চিমবঙ্গেও হানা দিচ্ছে এই মারাত্মক পোকা

অ্যাসিডপোকা বা নাইরোবি ফ্লাই। কেনিয়া, নাইরোবি-সহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে এদের দেখা মেলে। এমনকী, বিশ্বজুড়ে ক্রান্তীয় অঞ্চলগুলিতে এদের দেখা পাওয়া যায়। তাহলে কি পশ্চিমবঙ্গে এদের দেখা পাওয়া সত্যি-ই অস্বাভাবিক বা ভয়ের?

ঘটনাটি কী ঘটে জানা যাক আগে। সঙ্গী খোঁজার সময়, পুরুষ আরশোলা তাদের পিঠের দিকে একটি মিষ্টি তরল তৈরি করে নিঃসরণ ঘটায়। স্ত্রী আরশোলাদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি নাকি 'বৈবাহিক উপহার' হিসাবে ব্যবহার করে পুরুষ আরশোলারা। যখন স্ত্রী আরশোলা লোভে পড়ে এই মিষ্টি খাবারটি উপভোগ করার জন্য পুরুষের ডাকে সাড়া দেয় তখন পুরুষ আরশোলা তার সঙ্গে যৌনমিলন শুরু করে দেয়। প্রায় ৯০ মিনিট পর্যন্ত চলে আরশোলাদের সঙ্গম।

বাজারে প্রচলিত কীটনাশকগুলিতে থাকে গ্লুকোজ। আসলে বিষের তিক্ত স্বাদকে ঢেকে রাখার জন্যই এই গ্লুকোজ মেশানো হয়। আরশোলা দেখলেই মানুষ কীটনাশক নিয়ে স্প্রে করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এই গ্লুকোজযুক্ত মিষ্টি কীটনাশক দিয়ে আরশোলা মারার ফলে চিনির প্রতি বিরূপ হয়ে গিয়েছে স্ত্রী আরশোলারা। পুরুষদের দেহের 'মিষ্টি উপহার' আর ভাল্লাগছে না তাদের। এর কারণ হচ্ছে, স্ত্রীদের লালা পুরুষদের পিঠের ক্ষরণের মধ্যে থাকা মল্টোজকে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে, যার ফলে তারা পুরুষকে প্রত্যাখ্যান করে এবং যৌন মিলন সম্পূর্ণ না করেই পালিয়ে যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিখ্যাত সব ছবি, ভাস্কর্যে পুরুষাঙ্গের আকার এত ছোট কেন? চমকে উঠবেন কারণ জেনে

Male Body Paintings of Renaissance Period: বিশেষ করে ২০ শতকে পুরুষদের লিঙ্গের দৈর্ঘ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে এই বিষয়টি। ২০১৩ সালে, আয়াকো ওয়াদা-কাটসুমাতা এবং তাঁর সহকর্মীরা দেখতে পান, যে আরশোলাদের গ্লুকোজের প্রতি এই বিতৃষ্ণা তৈরি হয়েছে তাদের পেরিফেরাল গাস্টেটরি সিস্টেমে পরিবর্তন ঘটেছে। স্বাদ এবং গন্ধ বোঝার কাজটি করে এই সিস্টেমটি। ঠিক কী পরিবর্তন? এখন আর গ্লুকোজকে মিষ্টি লাগে না তাদের, তেতো লাগে বলেই যৌন মিলনের সময় বিরক্ত হয়ে চলে যায় তারা।

ওয়াদা-কাটসুমাতা স্ত্রী আরশোলাদের পুরুষের মিলনের ডাকে সাড়া দেওয়ার প্রতিক্রিয়া জানার চেষ্টা করেন। তিনি এবং তাঁর সহকর্মী এডুয়ার্ডো হাতানো এবং কোবি শ্যাল একটি ইনফ্রারেড-সংবেদনশীল ক্যামেরার সাহায্যে ২৫১ জোড়া জার্মান আরশোলার যৌনতা রেকর্ড করেন। এও আরশোলাদের মধ্যে কিছু ছিল এমন যাদের গ্লুকোজের প্রতি বিতৃষ্ণা জন্মেছে, কিছু ছিল যাদের এমনটা ঘটেনি। আরশোলাগুলিকে তারপর দু'টি দলে ভাগ করা হয়েছিল - যারা সঙ্গমে সফল হয়েছে এবং যারা হয়নি।

গবেষকরা দেখেছেন, গ্লুকোজ বিতৃষ্ণা থাকা স্ত্রী আরশোলারা সেই পুরুষদের দেহনিঃসৃত মিষ্টি তরল খাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং সঙ্গম করে না যাদের একইরকম বিতৃষ্ণা তৈরি হয়নি। এই একই স্ত্রী আরশোলারা এমন পুরুষদের দেহের তরল খেতে রাজি হয়েছে যাদেরও গ্লুকোজ সহ্য হতো না। সফলভাবে সঙ্গম করেছে এই আরশোলারা। এবং এই আকর্ষণের ২.২ সেকেন্ডের মধ্যে স্ত্রীদের সঙ্গে যৌনতা করতে পেরেছে পুরুষ আরশোলারা, যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক সেকেন্ডেরও বেশি দ্রুত।

গ্লুকোজ পছন্দ করছে না এমন আরশোলাদের নিঃসরণ বিশ্লেষণ করার সময়, গবেষকরা দেখতে পান, এতে বেশিরভাগই ম্যালটোট্রিওজ রয়েছে। এই ম্যালটোট্রিওজ তিনটি গ্লুকোজের সমন্বয়ে গঠিত যার মধ্যে একটি ট্রাইস্যাকারাইড যা মহিলাদের লালা উৎসেচকের প্রতিরোধী। ম্যালটোট্রিওস গ্লুকোজে ভেঙে যেতে প্রায় পাঁচ মিনিট সময় নেয়। তাই স্ত্রী আরশোলা যখন মিষ্টি স্বাদ বুঝতে পারে, পুরুষটি যৌন মিলন প্রক্রিয়া শুরু করার সুযোগ ও সময় দুইই পায়। একবার মিলন শুরু হয়ে গেলে, স্ত্রী আরশোলাটি পালাতে পারে না।

প্রসিডিংস অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি বি-তে প্রকাশিত গবেষণাটি বলছে, মানুষের নানা আচরণ প্রাকৃতিক নির্বাচনকে অস্বীকার করে। আরশোলাদের যৌন আচরণের অভিযোজনের নেপথ্যে মানুষের ভূমিকাই বেশি। মানুষের কাজকর্মের প্রেক্ষিতে দীর্ঘকাল ধরেই প্রাণীদের আচরণও বদলে যাচ্ছে।

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

সিভিল সার্ভিস ছেড়ে বাঘের টানে রণথম্ভোরে, ৩৫ একর জমিতে তৈরি করলেন বন

Ranthambore tiger conservation: তাঁরা কেবল চেয়েছিলেন সংরক্ষিত বনের বাইরে বাঘেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে। তারপর কুড়ি বছর পর্যটন লজ থেকে যেটুকু আয় হতো, তার প্রায় সবটাই তাঁরা সঞ্চয় করতেন ভাদলাভে কৃষকদের কাছ থেকে এক এক করে জমি কেনার জন্য। প্রায় দুই দশক ধরে একটু একটু করে ৩৫ একরেরও বেশি জমি তাঁরা কিনে নেন, যার মোট খরচ ছিল সে সময়ের হিসাবে এক কোটি টাকারও বেশি।

জলবায়ু বদল শুধু প্রকৃতির বিপদ নয়, ভারতের অর্থনীতির ভিতও নড়বড়ে করে দিচ্ছে

climate change and economy: ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ২১টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি খতিয়ে দেখে একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। দেখা যাচ্ছে, বার্ষিক গড় তাপমাত্রা যদি মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বাড়ে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক উৎপাদন দক্ষতা কমে যায় প্রায় ৩.২২ শতাংশ।

নেপাল বিপর্যয়ের ক্ষতিপূরণ দেবে কে?

Climate Justice for nepal: ২৬ অগাস্ট লাংটাং লিরুং-এর হিমবাহ ধসে নেপালের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়—নিহত ১,৩৪৪, নিখোঁজ ৪,৮৮৭। পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৪-৫ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডে আছে মাত্র ৮২২ মিলিয়ন ডলার।নেপালের দাবি, চিন-ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক দায় আছে। জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্ন এখন আন্তর্জাতিক কাঠগড়ায়।

নেপালের হড়পা বান থেকে বেঁচে ফিরলেন যাঁরা, তাঁদের চোখে ২৬ অগাস্ট

Nepal flash floods 2026: ২৬ অগাস্ট, ২০২৬-এ নেপালের হড়পা বানে ধ্বংসস্তূপের মাঝেও কিছু মানুষ বেঁচে ফিরেছেন। কেউ এক কাপ চায়ের বিরতির জন্য, কেউ গাড়ির একটা রিভার্স গিয়ারের কারণে, কেউ ডালপালা ছড়ানো একটা আমগাছ আঁকড়ে ধরে, আবার কেউ কেবল ১৫ সেকেন্ডের দৌড়ে ছিনিয়ে এনেছেন নিজের শ্বাস। মৃত্যু খুব কাছ থেকে অনুভব করে ফেরা সেই মানুষগুলির অভিজ্ঞতায় রইল রাসুয়া আর নুয়াকোটের সেই সকালের কথা।

হিমালয়ের বরফ গলছে দ্বিগুণ হারে, নেপালের বিপর্যয়ের বিজ্ঞান কী বলছে?

Nepal Flood 2026: বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন, ৪৫০০ থেকে ৬০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে থাকা হিমবাহ অঞ্চলের অন্তত ৭৮ শতাংশ উচ্চতা-নির্ভর উষ্ণায়নের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পাঁচ মাস পর সেই সতর্কবাণীই যেন সত্যি হয়ে উঠল নেপালের উপত্যকায়।

ছয় দশকে কতটা সফল ভারত-নেপাল গান্ডাকচুক্তি?

Gandak dam history: নেপালের হিমবাহ থেকে পাথর ধসের পর জল নেমেছে ত্রিশূলী-কালীগণ্ডক হয়ে বিহারে। বাল্মীকিনগর বাঁধের ৩৬টি গেট খুলে প্রাণ বাঁচল বহু মানুষের। কিন্তু, ১৯৫৯ সালের গান্ডাক চুক্তি কি সত্যিই নেপাল ভারত দুই দেশের ‘সমন্বিত স্বার্থ’ রক্ষা করল? নেপালের তরাইয়ে জল মেলে না, ক্ষতিপূরণ মেলে না কৃষকদের। ৬০ বছরের পুরনো বাঁধ প্রকল্পকে নিয়েও নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

নেপালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি বিপন্ন মহিলারাই, ঝুঁকিতে ১.৬ লক্ষ নারীর জীবন

Nepal Flash Floods: নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানে প্রায় ১.৬ লক্ষ নারীর জীবন ঝুঁকিতে। বন্যার পর তাঁদের সামনে কী কী স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, খাদ্য ও জীবিকার সংকট তৈরি হয়েছে? রাষ্ট্রপুঞ্জের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, নারীদের সুরক্ষায় কী পদক্ষেপ জরুরি?