অবশেষে জামিন শার্জিল ইমামের, তবু কেন জেলের অন্ধকারেই দিন কাটাতে হবে মেধাবী গবেষককে

Sharjeel Imam: বুধবার দিল্লি হাইকোর্টে জামিন মিলল দেশদ্রোহ মামলায় ধৃত জেএনইউয়ের গবেষক শার্জিল ইমামের। তবে সবকটি মামলায় নয়। দিল্লি হিংসার মামলা থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

Sohini Das
৩ মিনিট
অবশেষে জামিন শার্জিল ইমামের, তবু কেন জেলের অন্ধকারেই দিন কাটাতে হবে মেধাবী গবেষককে

একদিন আগেই জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে ইউএপিএ মামলায় ধৃত উমর খলিদের। তবে বুধবার দিল্লি হাইকোর্টে জামিন মিলল দেশদ্রোহ মামলায় ধৃত জেএনইউয়ের গবেষক শার্জিল ইমামের। তবে সবকটি মামলায় নয়। দিল্লি হিংসার মামলা থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছে তাঁকে। অভিযোগ, সিএএ বিরোধী বিক্ষোভের সময় নাকি শাহিনবাগ প্রতিবাদের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন শার্জিল। সে সময় তাঁর বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহ-সহ একাধিক মামলা দায়ের হয় পাঁচ রাজ্যে। সেই মামলায় ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে গ্রেফতার হন শার্জিল ইমাম।

অনৈতিক ইউএপিএ মামলায় এতদিন ধরে পুলিশি হেফাজতেই রয়েছেন দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষক। ট্রায়াল কোর্টে খারিজ হয়ে যায় শার্জিলের জামিনের আবেদন। সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে ফের নতুন করে জামিনের আবেদন করেন শার্জিল। আদালতকে তিনি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ, তাতে দোষীসাব্যস্ত হলে যে সর্বোচ্চ সাজা মিলতে পারে, তার অর্ধেকেরও বেশি সময় ইতিমধ্যেই জেলে কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। প্রায় সাড়ে চার বছর পর অবশেষে মিলল মুক্তি। দিল্লি হাইকোর্ট বুধবার মঞ্জুর করেছে তাঁর জামিনের আবেদন। যদিও তাঁর অন্ধকার দিন এখনও শেষ হয়নি। বাদবাকি মামলাগুলি এখনও ঝুলছে তাঁর কাঁধে। সেই সব মামলাগুলির শুনানি আগামী ৪ জুলাই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রাপ্য শুধুই সহমর্মিতা! উমরের মুক্তি চেয়ে কি আদৌ জোট বাঁধবে দেশ?

Umar Khalid: উমর খালিদের মা সাবিহা খানুম বলেন, “উমর নিজের অসুবিধার কথা শেয়ার করে না। সবসময় হাসিমুখে কথা বলে।”

সিএএ বিরোধী বিক্ষোভে তখন ফুটছে দেশ। দিল্লির শাহিনবাগে প্রতিবাদে জড়ো হয়েছেন অজস্র মানুষ। সেই আন্দোলনকে দিশা দেখিয়েছেন শার্জিল। আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির সামনে দাঁড়িয়ে শার্জিল যে বক্তৃতা দিয়েছিলেন সে সময়ে, তার ভিত্তিতে শার্জিলের বিরুদ্ধে প্রাথমিক ভাবে পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়। এর পরে দায়ের করা হয় আরও তিনটে। অসম, অরুণাচল, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, মণিপুর- এই পাঁচ রাজ্য থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় মামলা। প্রথম মামলাটি হয় ২০২০ সালের ২৫ জানুয়ারি নাগাদ। তাঁর খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরছিল দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখার পাঁচটি দল। মুম্বই, দিল্লির পাশাপাশি বিহারের জহানাবাদে তাঁর পৈতৃক ভিটেতেও হানা দেয় পুলিশ। জেরার জন্য তুলে আনা হয় তাঁর ছোট ভাইকেও। ২৮ জানুয়ারি আত্মসমর্পণ করেন শার্জিল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দু'বছর পর বেকসুর খালাস, জেল থেকে ছাড়া পাবেন উমর খালিদরা?

Delhi Riot 2020: দিল্লির আদালত ইতিমধ্যেই উমর খালিদদের বেকসুর ঘোষণা করে দিয়েছে। তারপরও অবশ্য জেলে থাকতে হবে এই ছাত্রনেতাদের।।

এর পর একের পর এক মামলায় জুড়ে দেওয়া হতে থাকে শার্জিলের নাম। জামিয়া মিলিয়ার এফআইআর-এ মার্চ ও এপ্রিলে যোগ হয় শার্জিলের নাম। দিল্লি হিংসা মামলাতেও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয় তাকে। অথচ দিল্লি হিংসা হয়েছিল ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে। শার্জিল তার এক মাস আগে থেকেই জেল হেফাজতে। অথচ সেই হিংসা মামলাতেও জুড়ে দেওয়া হল তাঁর নাম। একে একে অসম, অরুণাচল প্রদেশ এবং এলাহাবাদের মামলায় জামিন পান জেএনইউ পড়ুয়া। মণিপুরে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি না হওয়ায় সেখান থেকে জামিনের প্রয়োজন ছিল না। জামিয়া-মিলিয়া মামলাতেও ইতিমধ্যেই জামিন পেয়েছেন শার্জিল। বাকি ছিল দু'টি মামলা। তার মধ্যে প্রথমটি ছিল তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া দেশদ্রোহের মামলা। ঠিক নব্বই দিনের মাথায় যখন শার্জিল জামিনযোগ্য বলে বিবেচিত হওয়ার সম্ভাবনাটুকু তৈরি হল, সেসময়েই তাঁর বিরুদ্ধে রুজু করা হল ইউএপিএ-তে মামলা। সেই সব থেকে রেহাই পেতে নিম্ন আদালতে জামিনের আবেদন করা হয়। সেখানে খারিজ হয়ে যায় আবেদন। এরপর সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শার্জিল। সেখানে অবশ্য় বছর দুয়েক পড়েই ছিল মামলাটি। অবশেষে এতদিন বাদে বিচারের মুখ দেখল সেই মামলা। দিল্লি হিংসা মামলায় জামিন মঞ্জুর হল শার্জিলের।

বুধবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সুরেশ কুমার কাইত ও বিচারপতি মনোজ জৈনের বেঞ্চের সামনে প্রসিকিউশন জানায়, শার্জিল তাঁর বক্তৃকায় উত্তর-পূর্বকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। তার জন্যই শার্জিলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রোদ্রোহের মামলা দায়ের করা হয়। এর সাপেক্ষে শার্জিলের আইনজীবী আদালতকে জানান, ইউএপিএ -এর ধারা ১৩-র অধীনে সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছর। যার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি সময় অর্থাৎ চার বছর তিনি এমনিতেই হেফাজতে কাটিয়ে ফেলেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অপরাধই প্রমাণিত হয়নি। অথচ বিনা প্রমাণে বিনা অপরাধে এতগুলি বছর জেলের অন্ধকারে নষ্ট হচ্ছে শার্জিলের মতো উজ্জ্বল এক ছাত্রের।

বিহারের জেহানাবাদে জন্ম শার্জিলের। আইআইটি বম্বে থেকে এমটেক করার পর আধুনিক ইতিহাল নিয়ে জেএনইউয়ে স্নাতকোত্তর পাশ করেন তিনি। ২০১৫ সাল নাগাদ সেখানেই শুরু হয় তাঁর পিএইচডি। শার্জিলের ভাই মুজাম্মিল জানান, মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে তাঁর মতো উজ্জ্বল পড়ুয়ার কাছ থেকে চার-চারটি বছর কেড়ে নেওয়া হল। এতদিনে হয়তো পিএইচডির গবেষণাও শেষ হয়ে যেত তাঁর। এতদিন জেলে থাকায় তাঁর মানসিক স্থিতি যেভাবে নষ্ট হয়েছে, বাকি মামলাগুলিতে জামিন পেয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেও কতটা পড়াশোনায় মন দিতে পারবেন শার্জিল, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

সম্প্রতি জামিন পেয়েছেন নিউজক্লিকের কর্ণধার প্রবীর পুরকায়স্থ। তাঁর বিরুদ্ধেও ইউএপিএ মামলায় আনা হয়েছিল সন্ত্রাসমূলক কাজকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ। এর আগে একাধিক বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, পড়ুয়া, অধ্যাপক, সাংবাদিককে এই অনৈতিক মামলায় গ্রেফতার করেছে রাষ্ট্র। কখনও কাউকে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রদ্রোহী নামে, কখনও কারওর গায়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে আরবান নকশালের তকমা। অবশেষে দিল্লি হিংসার মামলায় জামিন পেলেন শার্জিল। তাঁর বাকি মামলাগুলি এখনও ঝুলছে। অন্ধকারে ডুবে রয়েছে এখনও উমর খলিদের মতো ছাত্রনেতার ভবিষ্যৎ। কবে সুবিচার পাবেন তাঁরা? প্রশ্ন থেকেই যায়।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।