একটি প্রণামেই তছনছ সাজানো বাগান? শুভেন্দু-সৌজন্যে বিজেপির অন্দরে যে তোলপাড়

Suvendu Adhikari: আবারও কি আসছেন শুভেন্দু-মমতা? ফিরবে সবুজ শিবিরের নতুন দিন?

Ramen Das
৪ মিনিট
একটি প্রণামেই তছনছ সাজানো বাগান? শুভেন্দু-সৌজন্যে বিজেপির অন্দরে যে তোলপাড়

"কেমন আছিস? বাবাকে আমার প্রণাম জানাস!'' শুক্রবার, অর্থাৎ ২৫ নভেম্বর একটি সাক্ষাৎ এবং কয়েকটি মন্তব্য উত্তাল করেছিল রাজ্য রাজনীতির অলিন্দ। রাজ্য বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎ হয় সেদিন। মাত্র চার-পাঁচ মিনিটের এই 'কাছে আসা' স্বাভাবিকভাবেই বাড়িয়েছিল জল্পনা, বিতর্ক এবং কথকতার। কিন্তু সেই বিতর্ক কমা তো দূরের কথা, এক-একটি দিন যেতে যেতেই সরি বিতর্কই বাড়ছে তরতরিয়ে। দলের বাইরে তো বটেই দলের মধ্যেও সমালোচনার মুখে পড়েন শুভেন্দু। মমতার সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং প্রণাম-বিতর্কে জড়িয়ে দলের ফাঁদে পড়েন তিনি! এবার সেই সূত্রেই ইন্ধন যুগিয়ে শিরোনামে এসেছেন আর এক বিজেপি নেতা।

২৮ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে কেন্দ্রীয় বিজেপি-র সংগঠনের দায়িত্বে থাকা অন্যতম সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষের উদ্দেশে বিস্ফোরক চিঠি লিখেছেন বঙ্গ বিজেপি-র রাজ্য কমিটির সদস্য এবং রাজ্য বিজেপি-র প্রাক্তন সহ-সভাপতি রাজকমল পাঠক। দক্ষিণ কলকাতার এই বিজেপি নেতার দাবি, শুভেন্দু অধিকারী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকার ভুল বার্তা দিচ্ছে দলের কর্মী, নেতাদের মধ্যে! ওই চিঠিতেই তাঁর দাবি, শুভেন্দু প্রণাম করছেন, এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আদৌ তিনি এমন করেছেন কি? এই বিষয়টি স্পষ্ট করা উচিৎ দলের তরফে। রাজকমলের আরও দাবি, শুভেন্দু অধিকারী বা নেতৃত্বকে এমন কিছুই যে ঘটেনি, অর্থাৎ প্রণাম বিষয়টি যে সংবাদমাধ্যমের তৈরি করা- একথাও বলতে হবে। ওই চিঠিতে একথাও লিখেছেন এই বিজেপি নেতা। কিন্তু তাঁর তরফে দাবি, দলের বিরুদ্ধে বা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নয়, দলের অবস্থান স্পষ্ট করতে শুধু এই আবেদন। এর মধ্যে দলের অভ্যন্তরের কোন্দল নেই বলেই দবি ওই রাজকমল পাঠকের।

প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছেন, একাধারে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা, প্রাক্তন সাংসদ, মমতার সরকারের অন্যতম মন্ত্রী। অন্যদিকে বর্তমান বঙ্গ বিজেপি-র মুখ শুভেন্দুর রাজনৈতিক শত্রুর সঙ্গে এই আকস্মিক মোলাকাত খুব একটা ভালো বার্তা দেয়নি সেদিন। দলের অন্য বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল এবং মনোজ টিগ্গাদের সঙ্গে নিলেও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি কাঁথির শান্তিকুঞ্জের এই বাসিন্দার। 'সেটিং থেকে দিদির সঙ্গে ভাইয়ের ফিটিং', একাধিক রাজনৈতিক কটাক্ষ আর স্লোগানে ব্যতিব্যস্ত হয়েছেন শুভেন্দু। সমালোচনায় বিদ্ধ হয়েছেন এই বিজেপি নেতা। কিন্তু শুক্রবারের শীতকালীন আবহের এই উত্তাপে ফের চড়েছে পারদ। যা নিয়ে অর্থাৎ যে আগুনে সেদিনই ঘি ঢেলেছিলেন অধিকারী পরিবারেরই আর এক সদস্য। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চায়ের আমন্ত্রণ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এঁর প্রশংসায় শুভেন্দু-আগুন উসকে দিয়েছিলেন তিনি। সেই শুভেন্দু-ভ্রাতা দিব্যেন্দু অধিকারীর কীর্তিতে উঠেছিল প্রশ্ন। আবারও কি আসছেন শুভেন্দু-মমতা? ফিরবে সবুজ শিবিরের নতুন দিন? এই প্রশ্নেই অগ্নি-কাঠি সঞ্চার করেছিলেন রাজনৈতিক মহলের একটা অংশ।

যদিও এর বিপরীতের ওই মহলের দাবি ছিল, সেটিং নয় শুভেন্দু নিজের রাজনৈতিক কৌশলের মধ্যে এই বিষয়টিও ঘটিয়েও জাতীয় রাজনীতিতে কদর বাড়িয়েছেন নিজে।

কোন্দলে বিপর্যস্ত বিজেপি?

দিলীপ ঘোষ। পুরনো সম্পর্ক আর ছোটদের বড়-প্রণামকে ধরে মুখ্যমন্ত্রী এবং শুভেন্দুর সাক্ষাৎকার নিয়ে মুখ খোলেন। মুখ খোলেন তিনি। এবার সেই জল্পনার মধ্যেই সক্রিয হচ্ছে হচ্ছে একই প্রশ্ন। রাম রাম গৃহে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন রাজকমল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তৃণমূল ছাড়ছেন দেবাংশু? হঠাৎ জল্পনার আড়ালে অন‍্য কোনও ইঙ্গিত?

Debangshu Bhattacharya: দল ছাড়ছেন দেবাংশু? আচমকা মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গ ছাড়ছেন সোশ্যাল মাধ্যমে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই মুখ?

ঘরে ফিরবেন শুভেন্দু?

২০২১, ফের ডিসেম্বর মাস। জল্পনা আর একাধিক কল্পনা কাটিয়ে রাজ্যের রাজনীতিতে শোরগোল ফেলেন শুভেন্দু। মুকুল রায়ের পথে দল বদলে বিজেপি-তে নাম লেখান এই নেতা। ঝড় ওঠে তৃণমূলে। বিড়ম্বনা আর অস্বস্তিতে বিদ্ধ হয় তৃণমূল। যা বাড়ে বিধানসভা নির্বাচন এবং নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী লড়াই নিয়ে। ক্ষমতায় না এলেও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হতেই এই অস্বস্তি বাড়তে থাকে মমতার দলের। দুর্নীতি আর অভিষেক বিরোধিতায় ফের আক্রমণ যুদ্ধে অবতীর্ণ হন শুভেন্দু।

হঠাৎ সাক্ষাৎ নিয়ে বিতর্ক

বিধানসভার অন্দরে দিদি আর ভাইয়ের দেখাদেখি। মমতার মুখে শুভেন্দু-নামে প্রশ্ন ওঠে ফের। তাহলে কি মুকুলের দেখানো পথেই ঘরে ফিরছেন তিনি? আবারও কি অভিষেক আপন হবেন শুভেন্দুর? যদিও এই ঘটনার পরের দিনই একাধিক বিষয়ে পুরনো মেজাজে ফেরেন শুভেন্দু। মমতাকে আক্রমণ থেকে দুর্নীতিতে বিদ্ধ তৃণমূলকে আক্রমণ, ফের শুরু করেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই সাক্ষাৎ যে জল্পনা বাড়াবে এমন আঁচ করেই পরদিনই ফের জনমানসে মমতা, অভিষেক বিরোধিতার পথে এগিয়েছেন শিশির-পুত্র।

নয়া রাজনৈতিক কৌশল

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিরোধী দলনেতার সঙ্গে দেখা করেছেন। পুরনো সহযোদ্ধার সঙ্গে কথা বলেছেন। সাংবিধানিক সৌজন্যের নজির হলেও এই ঘটনার মধ্যেও রাজনৈতিক কৌশল খুঁজে পেয়েছেন কেউ কেউ। একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্প। নাম বদল থেকে শুরু করে দুর্নীতি। একের পর এক ক্ষেত্রে শুভেন্দু তীরের বিধর হয়েছে তৃণমূল। বঙ্গের বিজেপির সংগঠনে একাধিক দুর্বলতার মধ্যেও শুভেন্দু আঁচে বারবার তপ্ত থেকেছে রাজ্যের বিজেপি। সেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে সেই দলের মুখের সঙ্গে দেখা করে সুকৌশলে জল্পনা বাড়িয়ে দিতে পারেন মমতা। যা আখেরে রাজনৈতিক লাভ দিয়েছে তৃণমূলকেই! আবার শুভেন্দু অধিকারীর তরফে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে একাধিক দাবি জানিয়ে আসা, দলের কর্মীদের তৃণমূল-তরফে সমস্যার কথা জানিয়ে আসা, মাইলেজ দিতে পারে বিজেপি-কে। একথাও বলেছেন কেউ কেউ।

অন্দরেই প্রশ্নের মুখে শুভেন্দু

কিন্তু একাধিক রাজনৈতিক কৌশল আর কথকতার ভিড়েও উঠেছে প্রশ্ন। দলের অভ্যন্তরে বিতর্কের সামনে পড়েছেন এই নেতা। কেন? বঙ্গ বিজেপি সূত্রে বলছে, বাংলায় বিজেপি-র মূল রাজনৈতিক শত্রু। মানুষ যাঁর বিরুদ্ধে গেরুয়াকে বিকল্প হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। সেই দলের বস্তা হিসেবে এই আদিখ্যেতা না করলেই ভালো হত। বঙ্গের এক বিজেপি নেতার দাবি, "শুভেন্দু অধিকারী ভালো কাজ করছেন। তিনি এই রাজ্যে দলের অনেকটা অগ্রগতি ঘটিয়েছেন। তাই বলে, তিনিই সর্বেসর্বা, দলের আর কেউ নেই, একথা না ভাবা ভালো। যা কিছু তিনি করতে পারেন না, চাইলেই।'' যদিও এই ঘটনার পরের দিনই অবস্থান বদলান তিনি।

চিঠি-বিপদে শুভেন্দু

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে চিঠি গিয়েছে। শুভেন্দু আর মমতার আকস্মিক সাক্ষাতের স্পষ্ট বক্তব্য চেয়েছেন তিনি। কিন্তু কেন? রাজ্যের এই নেতার চিঠি নিয়ে রাজনৈতিক মহলের দাবি, এই ঘটনায় যে অস্বস্তি ছিল তা এক ধাক্কায় বাড়িয়ে দিয়েছেন রাজকমল। যেখানে প্রশ্ন উঠেছে শুভেন্দুর কাজ নিয়েই। অর্থাৎ দলের মধ্যেই বিরাট প্রশ্নের মুখে পড়েছেন এই নেতা। যা বঙ্গ বিজেপি-তে খুব একটা স্বস্তির খবর নয় বলেই মত রাজনৈতিক মহলের ওই অংশের।

তাহলে কি বিপদে শুভেন্দু

মোদি না অমিত শাহ, না কি নাড্ডা? বঙ্গ বিজেপি-র অন্যতম বর্তমান মুখের বিড়ম্বনায় কি অস্বস্তিতে পড়েছেন তাঁরাও? ব্যবস্থা নেওয়া হবে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে? এই প্রশ্নের বিশ্লেষণে, রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, শুভেন্দু অধিকারী যা করেছেন সেটি ভুল বলে অবস্থান বিজেপি-র দলীয় অন্দরে প্রকাশ হলেও প্রকাশ্য এর কোনও প্রকাশ না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। দলের কথা আপাতত দলেই রাখতে চাইছেন নেতৃত্ব। তাই, রাজকমলের চিঠি নিয়ে বিতর্কে খুব একটা ইন্ধন না দেওয়ার সম্ভাবনায় রয়েছে গেরুয়া-কর্তাদের তরফে, এমনও বলছেন কেউ কেউ।

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাহুলদের মিছিল, পুলিশের বাধায় ধর্না বিরোধীদের

Opposition March to EC Office: এসআইআর ও ফর্ম ৬ নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করলেন রাহুল গান্ধী-সহ ইন্ডিয়াা জোটের বিরোধী সাংসদরা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ‘সেভ ডেমোক্রেসি’ স্লোগান ওঠে। তবে কমিশনের দফতরে পৌঁছনোর আগেই মিছিল আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ।

ফর্ম ৬ বদলের অনুমোদন দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট: তাহলে বদল করল কে?

Supreme Court on Form 6 Changes: সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে, ফর্ম ৬-এ পরিবর্তন আদালত অনুমোদন করেনি। তাহলে ফর্ম ৬-এ অতিরিক্ত তথ্য চাওয়ার সিদ্ধান্ত কে নিল? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রয়োজনীয় নথি চেয়েছে আদালত।

ব্রাজিলের ভোটে লুলার ধাক্কা, ফ্লাভিওর উত্থান: কেন বদলাচ্ছে সমীকরণ?

Brazil presidential election 2026: প্রথম দফায় ফ্লাভিওর প্রায় দুই শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে থাকা ছিল কার্যত অপ্রত্যাশিত। কারণ, অধিকাংশ প্রাক-নির্বাচনী সমীক্ষাতেই লুলাকে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু ভোটের এই সংখ্যার আড়ালে যে প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হলো—কেন বোলসোনারোবাদ এখনও এতটা শক্তিশালী?

‘দিল্লিতে রক্ত ঝরলে কলকাতাও আঘাত পায়’: যাদবপুরে নেহা বোরার কণ্ঠে প্রতিরোধের ঐক্যের বার্তা

Neha Bora Jadavpur University: নেহার কথায়, “আমার গলার অবস্থা, আমার শরীরের অবস্থা যা—ঠিক একই পরিস্থিতি আজ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের, সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের (SRFTI)। আর এই যন্ত্রণা যদি কেউ বুঝতে পারে, তবে দিল্লির রাজপথে যাদের রক্ত ঝরেছে, যাদবপুরে যাদের উপর হামলা হয়েছে, এসআরএফটিআই-তে যাদের উপর আক্রমণ হয়েছে—আমরাই একে অপরের ব্যথা সবচেয়ে ভালো বুঝি।”

‘যেই আসে লঙ্কায় সেই হয় রাবণ’: আসলে কেমন শাসক ছিলেন আসলে লঙ্কেশ?

Ravana character analysis: ঊনবিংশ শতাব্দীতে যখন মানুষ কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামিতে জেরবার, তখন ১৮৬১ সালে প্রকাশিত 'মেঘনাদ বধ কাব্য' সমাজকে একদম গোড়া থেকে নাড়িয়ে দিল। শিক্ষিত যুবক সমাজকে ভাবতে বাধ্য করল এই মহাকাব্য।

‘ভাই’ থেকে ‘বিরোধী’, কুড়ি বছর পর ফের একসঙ্গে: SIR যেভাবে কাছে আনল উদ্ধব ও রাজকে

Uddhav Thackeray Raj Thackeray: জনসভা থেকে রাজ ঠাকরে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, বাদ পড়া এই দুই কোটি মানুষ আসলে কারা? দিল্লির দরবারে যখন এই বিষয়ে আলোচনা হবে, তখন সমস্ত রাজনৈতিক দলের উচিত এই এসআইআর প্রক্রিয়া পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানানো। একই সঙ্গে তিনি ইভিএমের বদলে পুরনো ব্যালট পেপারে ভোট করানোর জোরালো দাবি তোলেন।

গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে কংগ্রেসের ব্লুপ্রিন্ট কী?

Electoral demands of congress leaders: কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে ৩ সেপ্টেম্বর, সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, নরেন্দ্র মোদি ‘অবৈধ প্রধানমন্ত্রী’, অমিত শাহ ‘অবৈধ মন্ত্রী’, সকল মুখ্যমন্ত্রীরা ‘অবৈধ’। কংগ্রেসের দাবি, লোকসভা ও সকল বিধানসভা ভেঙে ব্যালট পেপারে পুনঃনির্বাচন করানো হোক। এসআইআরে ১৩ কোটি নাগরিকের নাম বিলোপ, ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, ২০২৩-এর সিইসি নিয়োগ আইন চ্যালেঞ্জ, এই সকল বিষয় উঠে এসেছে সাংবাদিক সম্মেলনটিতে। সামনে রয়েছে ইন্ডিয়া ব্লকের দলগুলির ৬ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের অফিসের দিকে পদযাত্রা। ইতোমধ্যে, কালই রাহুল গান্ধী দেশজুড়ে বিভিন্ন গণআন্দোলনের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ‘সত্যাগ্রহ’ নামক একটি ওয়েব প্ল্যাটফর্ম লঞ্চ করেছেন।

আরও চাপে জ্ঞানেশ কুমার, দু'দশকের পুরনো মামলায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ

Gyanesh Kumar Under Scrutiny: ২০০৬ সালে কেরলের পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্টের সচিব থাকাকালীন জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে ফের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেরল সরকার। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালা ভিজিল্যান্স অ্যান্ড অ্যান্টি-করাপশন ব্যুরোকে এই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।