মিছিলে হাঁটছে মেয়ে! প্রহরীর মতো রাত জাগে পিতার হৃদয় একা

RG Kar Rape Protest: আশার কথা, কলকাতা এখন বৃদ্ধদের অভিভাবকত্বে নেই। নতুনরা দখল নিতে চাইছে দিন-রাতের। ওদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে ইচ্ছে করছে। বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে। জিগ্যেস করতে ইচ্ছে করছে দুপুরে খেয়েছিস বাপ?

Srikumar Chattopadhyay
৫ মিনিট
মিছিলে হাঁটছে মেয়ে! প্রহরীর মতো রাত জাগে পিতার হৃদয় একা

তখনও এই শহরে এসেছি কি? বড়ো হয়েছি যে-শহরে, সেখানে আবহাওয়া ছিল বেশ চরমভাবাপন্ন। রাজনৈতিক হালচালও ছিল তথৈবচ। কথায় কথায় লাশ পড়ত। ছোটো ছেলেরাও নিজেদের মধ্যে ঝটাপটি করতে করতে অক্লেশে বলতাম— লাশ ফেলে দেব। সেসময়েই নাগরিক কবিয়াল গান বাঁধলেন তাঁর ছোট্ট এক সহনাগরিকাকে নিয়ে। খেলতে খেলতে যার গলায় কলমের খাপ আটকে গিয়েছিল। ‘তার বাবা আর মা তাকে নিয়ে [কলকাতা] শহরের এ-হাসপাতাল ও-হাসপাতাল করতে করতে’ একরত্তি মেয়েটিকেই খুইয়ে বসলেন। ভগবানের গিটারে আলো ঝলসে উঠল। আমাদের লজ্জা, কষ্ট, যন্ত্রণা দলা পাকিয়ে উঠল যখন ওই অপার্থিব ব্যারিটোন গেয়ে উঠল ‘কোঁত করে গেলো মেয়ে শ্বাসকষ্টের ঠেলা/এখানে জীবন মানেই মৃত্যুযন্ত্রণা গিলে ফেলা’। যন্ত্রণা গিলে ফেলার অনুষঙ্গে সে-গানে মেকি গণতন্ত্রও প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। ষোলো-সতেরো বছর বয়সে এই গান শোনার পর থেকেই গণতন্ত্র নিয়ে আমার মনে হাজারও প্রশ্ন। এদিকে গণতন্ত্রের পাল্টা মডেল হিসেবে যা যা জানা আছে তা যে আরও ভয়াবহ। জেনেছিলাম লেনিন রাশিয়ায় বসন্তের হিল্লোল বইয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই রাশিয়ায় গুলাগের উপস্থিতির কথা আমাকে কেউ বলে দেয়নি পঁচিশ বছর বয়স হবার আগে। গণতন্ত্রেও ক্ষমতাবিন্যাস এমনই নিষ্ঠুর করে তোলে শাসককে, যে সংখ্যার জোরে সব কিছু বুঝিয়ে দেওয়া যায় এমন একটা ধারণা কায়েম হয় মনে।

সে যাই হোক, তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। ভগবান বৃদ্ধ হয়েছেন। যে-মন্দিরে অধিষ্ঠিত হয়েছেন, সে-পথ আমার অচেনা। কিন্তু আজ হঠাৎ তাঁকে মনে পড়ল। আমি ‘দেড়শো মাইল’ উজিয়ে যাইনি তাঁর কাছে। কিন্তু আমার নব্বইয়ের দশক হাত ধরে টান দিল, স্মৃতি উস্কে দিল সুর। অনেক অনেক দিন মিইয়ে থাকার পর বাঙালি ফের রুখে দাঁড়িয়েছে। আমার মেয়ে রাত দখলের মিছিলে গেল। জীবনে প্রথম মিছিলে হাঁটল। তার মধ্য-চল্লিশের মা-ও হেঁটে এল অর্ধেক রাত। আমি একা বসে রাত জাগি। অর্ক রাত জাগে। আমরা কথা বলি। কাঁদি। কিন্তু মেয়েকে বারণ তো করতে পারি না আমি। সেই কুড়ি-বাইশ বছর আগে পড়েছিলাম জয় গোস্বামী লিখছেন ‘যদি বাধা নাই দিই, তত্ত্ব করি, কী হল কার দোষে/ যদি না আটকাই, আজও না-ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি/আমার সমস্ত শিল্প আজ থেকে গণহত্যাকারী!’ ‘আনন্দবাজার’ সকালে ব্যানার হেডলাইন করল ‘আজ জেগেছে এই জনতা’। জনতা জেগেছে। কিন্তু কোথায় গেল বাঙালির বিদ্রোহী শিল্পের অহংকার ! যে-গানের লাইন ভেঙে হেডলাইন হচ্ছে, আজ সেই গান কোথায় ?

সারাদিনের অনেকটা সময় অটোয় বসে কাটে আমার। যখন খুব ক্লান্ত লাগে তখন হোয়াটসঅ্যাপের ডিপি-তে প্রিয়জনদের মুখের ছবি দেখি। গত কয়েকদিন দেখছি আমার মেয়ের ডিপি কালো। তার বন্ধু থাকে কর্নাটকে, তার ডিপি কালো। আমাদের পারিবারিক চিকিৎসক রঙ্গনদার ডিপি কালো। আমার ছাত্রীর ডিপি কালো। এত কালো মেখেছি ডান হাতের বুড়ো আঙুলে যে টালিগঞ্জে নেমে গণশৌচাগারে হাত ধুয়ে আসি ‘Out, damned spot’.

মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে কলকাতায় জিলো পন্টিকার্ভোর সিনেমা দেখছি বাইপাসে, কাদাপাড়ায়। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে মনে পড়ে যাচ্ছে। জীবনানন্দের বুনো হাঁসেদের মনে পড়ছে যারা শিকারির গুলি এড়িয়ে উড়ে গেছে দিগন্তের নম্র নীল জ্যোৎস্নার ভিতরে। ‘আর সে-নাছোড় ভগবান’ অলোকরঞ্জনের কবিতার মতো ফিরে আসে। আমি তাকে এড়াতে পারি না। ‘বিরোধীকে বলতে দাও’। বিরোধী বলবে কবে ? আমি তোমার মতের বিরোধিতা করছি মানেই তোমার শত্রু নই। কিন্তু সমাজমাধ্যমের সুবিধা নিয়ে যারা মেয়েটির মৃত মুখের ছবিও ছড়িয়ে দিল, এই অসামাজিকতাও আমি চাই না। যেমন চাই না চোরের ওপর রাগ করে মাটিতে ভাত খাওয়ার মতো, মেয়েদের রাতের কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার মধ্যযুগীয় চিন্তা। মাঝরাতে কলকাতার আকাশে যে চাঁদ দেখেনি, সে কী জানে পৃথিবীর সৌন্দর্য। চিক-পর্দার আড়ালে ফিরে যাব না কি আমরা ? কাদম্বিনী, অবলা বসু, প্রীতিলতা, কল্পনা দত্তের বাংলায় ? শঙ্খ ঘোষের কবিতাটা কি মনে পড়বে না আমাদের—

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এই উদাসীন আন্দোলনের রঙ্গমঞ্চে ইলা মিত্রকে খুব প্রয়োজন আজ

Ila Mitra: মানুষকে সংবদ্ধ করে মাথা উঁচু করে বাঁচার লড়াইয়ে যেসব মেয়েরা 'আলালের ঘরে দুলালি' হয়ে চাইলেই কাটিয়ে দিতে পারতেন জীবনখানা, কিন্তু কাটাননি বলে এই সমাজটা অন্যরকম হয়েছে, ইলাদেবী তাঁদের একজন।

‘মাঝে মাঝে শুধু খসে পড়ে মাথা

কিছু-বা পুরোনো কিছু-বা তরুণ

হাঁক দিয়ে বলে কন্‌ডাক্‌টর :

পিছনের দিকে এগিয়ে চলুন।’

কলকাতার এমন চেহারা দেখিনি কখনও। সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ‘কলের কলকাতা’য় পড়েছি শহরটার মধ্যে একটা পাগলামি আছে। এই ভালো তো, তারপরেই খেপে ওঠে। আজও কলকাতায় হাজার মানুষ রাস্তায়। রাজনীতির বৃহৎ ইশারা দেখতে আজ মন চাইছে না। ভাবতেও ইচ্ছে করছে না অন্য দেশের গণ-আন্দোলনের প্রভাব। প্রভাব কোন আন্দোলনে থাকে না! নকশালবাড়িতে ছিল না ? পারিতে? সঙ্কটটা হল সার্ত্র কলকাতায় প্যামফ্লেট বিলি করছেন না। শঙ্খবাবু বেঁচে নেই, সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শিল্পীর ঋজু কণ্ঠস্বরও নেই। সবাইকে ডাকার, রাস্তায় নামানোর কেউ নেই। অথচ সেই পঞ্চাশের দশকের মতোই আজও ‘দূর্বাতে তার রক্ত লেগে/ সহস্র সঙ্গী/ জাগে ধক্‌ ধক্‌, যজ্ঞে ঢালে/ সহস্র মণ ঘি’।

রাতে সবাই শুয়ে পড়লে আমি একা ঝিম মেরে বসে থাকি। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই চোখ চলে যায় আমার সদ্য কলেজপড়ুয়া মেয়েটির দিকে। সে আজও আলাদা ঘরে শুতে শেখেনি। মায়ের পাশে তার নিশ্চিন্ত ঘুম। ‘প্রহরীর মতো’ তার গালের পাশে ভালোবাসা রাত জাগবে কি?

আমি এখনও কোনো মিছিলে যাইনি। কোথায় যেন বাধো-বাধো ঠেকছে। আমার অক্ষর দিয়ে সাজানো দুনিয়া থেকে অনেক দূরে মিছিলের চলাচল। আমি জানি অলীক চিন্তা করছি। কিন্তু মূর্খের জগতে বাস করছি না। কারা যেন বলছে অরাজনৈতিক মিছিল। অরাজনৈতিক? ফুঃ! শাসকের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার চাওয়াও যদি রাজনীতি না হয় তবে কাকে বলে রাজনীতি? পতাকা যারা বানায়, তারা দল দেখে না। বড়োবাজারের দোকানে ডাঁই হয়ে পড়ে থাকে ডান-বাম-রামের পতাকা। আগে স্থির হোক কাকে বলে রাজনীতি। বুঝতে পারছি মাঝবয়সের ক্রাইসিস আমাকে পেছন থেকে টানছে। কিন্তু আমি নিজের মুদ্রাদোষে একা হয়ে পড়ে আছি। কিন্তু নিজেকে বোঝাতে পারিনি এখনও। বয়সের জড়তাও একটা ব্যাপার।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দ্রৌপদী থেকে নির্ভয়া, ‘সবক’ শেখাতেই ধর্ষণ আজও

Nirbhaya case: সে রাতে ফাঁকা বাসে নির্ভয়া আর তার পুরুষ বন্ধুটি ছিলেন দুর্বলের সারিতে। রাতের শহরে একা মেয়ের এক পুরুষবন্ধুর সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর সবক শেখানো গিয়েছিল সেদিন নির্ভয়াকে।

আশার কথা কলকাতা এখন বৃদ্ধদের অভিভাবকত্বে নেই। নতুনরা দখল নিতে চাইছে দিন-রাতের। ওদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে ইচ্ছে করছে। বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে। জিগ্যেস করতে ইচ্ছে করছে দুপুরে খেয়েছিস বাপ? মেয়েদের হাওয়ায় ওড়া চুলে বিলি কেটে দিয়ে রাতে ঘুম পাড়াতে ইচ্ছে করছে।

আমার সবচেয়ে কমবয়সি বন্ধু পৃথ্বী ছুটছে কলকাতার রাস্তায়-রাস্তায়। ঠাট্টা করে তাকে হাড্ডি খিজির বলে ডাকছি! ঠাট্টা? হাড্ডি খিজির কি সত্যিই ভর করেনি তাকে? সে বড়ো অভিমানী। আমি জানি। ভালোবাসার কাঙাল। তার হাতে ধুলোমাটি সোনা হয়। ২২ বছর বয়সে যখন তার প্রথম কবিতার বই বেরোল, তাতে সে লিখেছিল ‘এমনকী মায়ের শাড়িও শেষ পর্যন্ত বালাপোশ হয়ে যায়/ আমাদের ওম দেবে বলে।’ সেই ছেলেকেই দেখলাম মিছিলে গলা ফাটাচ্ছে সল্টলেক স্টেডিয়ামের রাস্তায়।

দিল্লিতে পা ভেঙে ঘরবন্দি হয়ে বসে আছেন কবি অরণি বসু। বহুদিন শহরছাড়া। তাঁরও আমার মতো দশা। শহরটাকে চিনতে অসুবিধে হচ্ছে। ১১ তারিখ সন্ধেবেলা কবিতা লিখে পাঠালেন—

‘আমাদের ভীরু ঘৃণা, রাগ মোমবাতিতেই শেষ/ যাদের জ্বালিয়ে পুড়িয়ে খাক করে দেওয়ার কথা/ আমাদের খর্বকায় রাগ সে পর্যন্ত পৌঁছোয় না।’

আরেক বন্ধু আমার রোজ এঁকে চলেছে ডিজিটাল পোস্টার। তার অসামান্য ক্যালিগ্রাফি আর অপূর্ব সেন্স অফ হিউমার নিয়ে। সবাই তাকে গদ্যলেখক বলে। আমার কাছে সে কবি, কবিই। তার দেখার চোখ আমাদের থেকে আলাদা। দুঃখ পেলে ওর মুখে মেঘ খেলা করে। তার ‘বিয়োগ শেখার স্কুল’ আমার খুব পছন্দের কবিতার বই। আর এই সেদিন লোকের ফোনে ফোনে ঘুরল কলকাতায় ফুটবল ম্যাচ বাতিল নিয়ে তার বানানো পোস্টার।

—এই আমার দুনিয়া। তবে ঘরে বইপত্রে বাস করেন বহু মানুষ। যখন উত্তর খুঁজি, তাঁরা কেউ কেউ হাত বাড়িয়ে দেন। পিঠে হাত রাখেন। এই সঙ্কটেও হয়তো পাবো কোনও আলোর রেখা।

তোমার কথা বলতে পারলাম না মেয়ে। তোমাকে যারা মেরেছে তারাও যে আমার মতো। পুরুষ।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।