প্রাপ্য শুধুই সহমর্মিতা! উমরের মুক্তি চেয়ে কি আদৌ জোট বাঁধবে দেশ?

Umar Khalid: উমর খালিদের মা সাবিহা খানুম বলেন, “উমর নিজের অসুবিধার কথা শেয়ার করে না। সবসময় হাসিমুখে কথা বলে।”

Zerin Hossain
৪ মিনিট
প্রাপ্য শুধুই সহমর্মিতা! উমরের মুক্তি চেয়ে কি আদৌ জোট বাঁধবে দেশ?

সিস্টেমকে প্রশ্ন করলে সিস্টেম আইনের নামে শাস্তি দেয়, স্বাভাবিক যাপনের থেকে সরিয়ে এনে ফেলে জেলের চৌহদ্দিতে। প্রশ্ন করলে দেশ কারাদণ্ড দেয়। একটি গণতান্ত্রিক দেশে বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা চর্চার ফলে সাধারণ মানুষকে জাতীয়তাবাদী বিরোধী ঘোষণা করা হয়। ৩৫ বছর বয়সী ভারতীয় সমাজকর্মী উমর খালিদের সঙ্গেও এমনটাই ঘটে। দিল্লি পুলিশ মনে করে, উমর যে বক্তৃতা দিয়েছেন তা ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গায় উসকানি জুগিয়েছে এবং সাহায্য করেছে। ২০২০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর উমর খালিদকে দিল্লি দাঙ্গা মামলার কথিত ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল গ্রেফতার করে। পুলিশ দিল্লি দাঙ্গার বিষয়ে উমর খালিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট ফাইল করে যা ২০২১ সালের জানুয়ারির শুরুতে দিল্লি আদালতে গৃহীত হয়। উমর খালিদ ২০২১ সালের জুলাইয়ে জামিনের আবেদন করেন, ৮ মাস দীর্ঘ শুনানির পর তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করা হয়। এই বছর ১৩ সেপ্টেম্বর বেআইনি কার্যকলাপ আইনের অধীনে তিহার জেলে দুই বছর পূর্ণ করলেন উমর খালিদ।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ভারতের প্রেস ক্লাবে ন্যায় বিচারের অন্বেষণে একটি সংহতি সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় বিরোধী দলের রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি অনেক ছাত্রকর্মীই সংহতির বার্তা দেন। উমরের মা সাবিহা খানুমও উপস্থিত ছিলেন এই সভায়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেএনইউএসএউয়ের ছাত্রকর্মী অপেক্ষা প্রিয়দর্শিনী। সভার শুরুতেই তিনি জানান, কীসের জন্য তাঁদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল?

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধন এবং নাগরিকত্বের জন্য জাতীয় সাম্প্রদায়িকীকরণে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর জন্যই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। প্রিয়দর্শিনী জানান, উমর কখনই এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দাবি করেননি। বরং তিনি বারেবারে জানিয়েছিলেন, এই প্রথমবার সারা দেশের নাগরিকরা একত্রিত হয়েছিলেন একদল মুসলিম মহিলার নেতৃত্বে এবং তাঁরা এই বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ করেছিলেন।

বস্তুত শাহিনবাগের মহিলারাই ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে জামিয়ায় ছাত্রদের উপর নৃশংস দমন-পীড়নের পরে সিদ্ধান্ত নেন যে আর চুপ থাকা যাবে না। তাঁরা সারা দেশে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের ঝড় ডেকে আনেন। প্রিয়দর্শিনী বলেন, “এই বিক্ষোভ যে এত ব্যাপক ছিল, সেই বাস্তবতাকে বিকৃত করার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। সেই সময়ে আমাদের বহু নাগরিকই সমর্থন করেছিলেন এটি। কিন্তু আজ দেখা যাচ্ছে, এদের মধ্যে থেকে অনেকেই পিছু হটে যাচ্ছেন।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আজীবন ঝর্না কলমের চরম বিরোধী মহাত্মা গান্ধী, যে কথা মনে রাখেনি কেউ

Mahatma Gandhi: ১৯৪৭ সালেই ছাত্রদের ঝর্না কলমের দামের প্রসঙ্গে বলছেন, প্রায় পঞ্চাশ টাকা। এখনকার মূল্যে প্রায় পনেরো হাজার টাকা।

শাহিনবাগের প্রতিবাদের একটি ভিডিও ক্লিপ এবং উমর খালিদের গ্রেফতারির ঠিক আগের একটি ভিডিও ক্লিপ দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। উমর খালিদ, তাহির হোসেন, শোয়েব আলম, খালিদ সাইফি, শাদাব আহমেদ, শিফাউর রহমান সহ আরও অনেক নেতাকর্মীরা রয়েছেন যাদের আইনের নামে বন্দি করে রাখা হয়েছে। সকলকেই কারাগার থেকে মুক্ত করার দাবি জানানো হয় এই সভা থেকে।

সভার উদ্বোধনী বক্তা ছিলেন ঔপন্যাসিক গীতাঞ্জলি শ্রী। তিনি জানান, উমর খালিদের মুক্তির সংগ্রামের সঙ্গে সম্পূর্ণ একাত্মতা বোধ করেন তিনি। গীতাঞ্জলি আরও জানান, আইনের নামে দুই বছর ধরে জেলে রয়েছেন উমর। আদালত বলছে, উমর এতটাই ‘বিপজ্জনক’ যে জামিনেও তাঁকে মুক্তি দেওয়া যাবে না। “আজ মানুষ প্রশ্ন করে বলে তাদের চুপ করিয়ে দেওয়া হয় এবং এটিই ঘটেছে উমর এবং অন্যদের সঙ্গে। উমর এই অন্যায় কারাবাসের শেষ চায়”, বলেন গীতাঞ্জলি শ্রী।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাজনীতিতে ভরসা নেই যুবসমাজের, বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল সমীক্ষায়

Indian Politics: সমীক্ষায় এও জানা গিয়েছে, ছেলেদের তুলনায় বেশি সংখ্যক মেয়ে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যোগ দিতে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে।  

প্রাক্তন বিচারপতি অঞ্জনা প্রকাশ বলেন, “ইউএপিএ নিয়ে আমার অবস্থান খুব স্পষ্ট। এটা আমাদের সঙ্গে খাপ খায় না। ফৌজদারি আইনশাস্ত্র ও আন্তর্জাতিক আইন দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত একজন ব্যাক্তিকে নির্দোষ মনে করে। ফৌজদারি আইনের এই মৌলিক নীতিটি আইনশাস্ত্রের কোন নিয়মে বাতিল করা হয়েছে সেটা আমি বুঝতে পারছি না। আমি বিস্মিত যে আদালত কীভাবে এই অবস্থান গ্রহণ করেছে!”

অ্যাডভোকেট শাহরুখ আলম এফআইআরের বিরুদ্ধে মত পোষণ করে একে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মহড়া বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “২০১৯ সালের কুখ্যাত এই এফআইআর ‘রাজনৈতিক’ ছাড়া কিছুই নয়। আমি চাই আদালত আরও কিছু করুক এবং রাষ্ট্রকে বলুক আদালতে যেন রাজনীতি না নিয়ে আসা হয়।” আরজেডির রাজ্যসভার সদস্য মনোজ ঝা বলেন, “এটা দুর্ভাগ্যজনক যে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও উমর, শারজিল এবং মীরনের মতো ব্যক্তিরা কারাগারের পিছনে।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, “একদিকে গণধর্ষকদের সংস্কারী বলা হচ্ছে, তাহলে কেন এদের কারাগারে রাখা হয়েছে?” সিপিআইএম নেতা মহম্মদ সেলিম বলেন, “দুর্নীতিবাজ, খুনি, ধর্ষকরা মুক্তভাবে ঘোরাফেরা করেন, কেউ কেউ তো সংসদেও বসেন আর যারা দেশ রক্ষার জন্য, শিক্ষা রক্ষার জন্য জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখছেন, সেই আলিগড়ের বা জামিয়ার ছাত্ররা বুলডোজার-পিষ্ট হচ্ছেন। উমর এই বিরক্তিকর প্রবণতার উদাহরণ।”

জেএনএউএসইউ সভাপতি ঐশী ঘোষ বলেন, “উমর সবসময় ছাত্র হিসাবে যে কোনও জায়গায় যে কোনও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। এই কারণেই রাজনৈতিক বন্দিদের কণ্ঠ এত সমালোচনামূলক।” ঐশী আরও জানান, বিজেপি-আরএসএস এই ধরনের কণ্ঠস্বর, ছাত্র এবং যুবদের ভয় পায়। “বিজেপি-আরএসএস উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ভেড়া এবং ভেড়ার বাচ্চা উৎপাদন করতে চায়। তাই তারা শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন করে পড়াশোনার, সমালোচনার মান কমিয়ে দিতে চায়।”

ন্যাশনাল ফেডারেশন ফর ইন্ডিয়ান ওমেনের সম্পাদক অ্যানি রাজা বলেন, “আমরা উমর খালিদের জন্য আমাদের সংহতি প্রকাশ করছি। সরকার খুবই প্রতিহিংসাপরায়ণ। সরকার সমস্ত কঠোর আইন ব্যবহার করে বুদ্ধিজীবিদের জেলবন্দি করছে।” দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকর্মী কৌশল বলেন, “রাজনৈতিক বন্দিদের অভিজ্ঞতা থেকে জেলের ভেতরের অবস্থা সম্পর্কে আমরা ভালোভাবেই জানি। জেএনএউতে থাকাকালীন আমি উমর আর শারজিল দু’জনের সঙ্গেই কথা বলেছি। তাঁরা অহিংস প্রতিবাদের পথেই তর্ক করেছেন। আমি উমর ও শারজিলের প্রতি আমার সংহতি প্রকাশ করছি।”

উমর খালিদের মা সাবিহা খানুম বলেন, “উমর অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে জেলের ভিতরে সমস্ত অগ্নিপরীক্ষা মোকাবিলা করছে। আমি যখনই ওঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলি, আমি ওর শারীরিক সুস্থতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। ও নিজের অসুবিধার কথা শেয়ার করে না। সবসময় হাসিমুখে কথা বলে।” উমরের মা আরও জানান, বাটলা হাউসের এনকাউন্টারের পর উমর নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। তার অন্য ভাইবোনরা পেশাগত দিক দিয়ে ভালো কাজ করছে। উমর ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় খুব ভালো, ফলে চাইলে তিনিও পেশাগতভাবে অনেক ভালো থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর এবং ক্ষমতাকে প্রশ্ন করার পথ বেছে নেন। “আমরা যখন আমাদের ভয় থেকে মুক্ত হব, তখনই আমরা এই নিপীড়নমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে হারাতে পারব। আমি শুধু উমর নয়, সকল রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দাবি করছি,” বলেন উমরের মা সাবিহা।

লিখেছেন
Zerin Hossain
Zerin Hossain
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ছদ্ম-বিরোধী তৈরিই কি তবে ভারতের রাজনীতিতে ক্ষমতার নতুন কৌশল?

Indian opposition politics: বিরোধীদের সরাসরি নিষিদ্ধ না করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ, আইনি ফাঁকফোকর এবং সুপরিকল্পিত দল ভাঙার মাধ্যমে তৈরি করা হচ্ছে অনুগত ‘ছদ্ম-বিরোধী’।

EXCLUSIVE: কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে ভোট না-করানো তৃণমূলের বড় ভুল, নিজেদের ভুল নিয়েও আলোচনার দরকার ছিল: কুণাল

Kunal Ghosh on Mamata Banerjee: ইনস্ক্রিপ্টে ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে তিনি একদিকে যেমন দাবি করেছেন মমতাকে ভয় পেয়েই তাঁকে বারবার নিশানা করা হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে দলের ভুলত্রুটি স্বীকার করে আত্মসমালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন।

EXCLUSIVE: শেষদিকে দল পরিচালনায় গ্যাপ ছিল, অভিষেকের অফিসও ঠিকঠাক ম্যানেজ করা হয়নি: কুণাল

Kunal Ghosh on Abhishek Banerjee: ইন্সক্রিপ্টের ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে অভিষেক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ের দল পরিচালনায় আরও ‘সতর্কতা’ প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, অভিষেকের অফিসও সব সময় ঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি।

মমতা-অভিষেকের দল পরিচালনায় বিরাট গ্যাপ তৈরি হয়েছিল: ইনস্ক্রিপ্ট পডকাস্টে আর কী বললেন কুণাল?

Kunal Ghosh Interview: বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে প্রতীক, নাম হারিয়ে কার্যত দিশাহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই জারি রয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে মমতার কাছাকাছির বৃত্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ পুড়েছে। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন পুরভোটে কেমন করবে তৃণমূল? ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা আছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে যা বললেন দলের বিধায়ক এবং অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?