কোন কোন আসনে বিজেপিকে দুরমুশ করছে তৃণমূল?

Lok Sabha Election Results 2024: সারা রাজ্যের হিসেব বলছে, দুপুর পর্যন্ত তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে প্রায় ৩১টি আসনে। বিজেপির ঝুলিতে দশটি আসন। আর বাম-কংগ্রেস এখনও খাতাই খুলতে পারেনি এ রাজ্যে।

Sohini Das
৪ মিনিট
কোন কোন আসনে বিজেপিকে দুরমুশ করছে তৃণমূল?

সাত দফা ভোট শেষ। এখন সময় ফলপ্রকাশের। গোটা দেশের অধিকাংশ বুথ ফেরত সমীক্ষাই অঙ্ক কষে বলেছিল, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপি। এমনকী বাংলাতেও শাসক দলকে তৃণমূলকে পিছনে ফেলে এক নম্বরে উঠে আসতে চলেছে বিজেপি। দেশে কী হবে, বলা কঠিন। তবে বাংলার রাজনীতিতে যে তেমন কিছু হচ্ছে না, তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে মঙ্গলবার গণনা শুরু হতেই। কার্যত এ রাজ্যে বিজেপিকে বহু পিছনে ফেলে ইতিমধ্যেই সামনের সারিতে উঠে এসেছে তৃণমূল।

একাধিক দুর্নীতি মামলা, একের পর এক নেতা-মন্ত্রী জেলে, তা সত্ত্বেও যে বাংলার মানুষ তৃণমূলকেই ক্ষমতায় দেখতে চাইছেন, তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। সারা রাজ্যের হিসেব বলছে, দুপুর পর্যন্ত তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে প্রায় ৩১টি আসনে। বিজেপির ঝুলিতে দশটি আসন। আর বাম-কংগ্রেস এখনও খাতাই খুলতে পারেনি এ রাজ্যে। তৃণমূলের একের পর এক জনদরদি প্রকল্প যে ভালোই প্রভাব ফেলেছে জনমানসে, তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, এ বার সবচেয়ে ভালো ফল হতে চলেছে বাংলার। সত্যিই কি তেমন আশাপ্রদ কিছু হতে চলেছে বাংলায় বিজেপির জন্য? তেমনটা কিন্তু ঠাহর হচ্ছে না।

এ রাজ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধান বোধহয় তৈরি করেছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবারের মতোই ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। তাঁর বিপরীতে বামেরা প্রার্থী করেছিল তরুণ নেতা প্রতীক-উর রহমানকে। শেষ মুহূর্তে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী করে আরএসএস ঘনিষ্ঠ নেতা অভিজিৎ দাসকে। মঙ্গলবার ভোটগণনা শুরু হওয়ার পর দেখা গেল, প্রায় ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন অভিষেক। যে ব্যবঘান তিনি তৈরি করে ফেলেছেন ইতিমধ্যে, তাকে আদৌ টেক্কা দিতে পারবেন বাকি প্রার্থীরা। সংশয় জাগে বৈকি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অপ্রতিরোধ্য মহুয়া! কৃষ্ণনগরে যে ভাবে মুখ থুবড়ে পড়ছে বাম ও বিজেপির কৌশল

Mahua Moitra: কৃষ্ণনগরের ভূমিকন্যা তথা সেখানকার 'রাজমাতা' অমৃতা রায়কে কার্যত বিপুল ভোটে পিছনে ফেলে দিয়েছেন মহুয়া। কার্যত সেই সংখ্যার ব্যবধান এতটাই যে, অমৃতার ফেরার পথটাও নেই বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই লোকসভা ভোটে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ছিল বোধহয় বসিরহাট। আর তার কারণ সন্দেশখালি। লোকসভা ভোটের আগে সন্দেশখালি ইস্যুকে হাতিয়ার করেই তৃণমূলকে কুপোকাত করতে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু শেষমেশ মুখ থুবড়ে পড়ে সমস্ত হিসেব। সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে প্রার্থী করে ভোটময়দানে ফায়দা তুলতে চেয়েছিল বিজেপি। বামেরা প্রার্থী করেছিল সন্দেশখালিতে প্রতিবাদী চরিত্র নিরাপদ সর্দারকে। আর তৃণমূল আস্থা রেখেছে সেখানকার পুরনো তৃণমূল নেতা হাজী নুরুল ইসলামেই। ভোটের আগেই হাসনাবাদে বেরিয়েছিল তৃণমূলের বিজয়মিছিল। কার্যত সত্যি হল সেটাই। এখনও পর্যন্ত প্রায় ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬১৯ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন হাজী নুরুল। শেখ শাহজাহান মামলা সত্ত্বেও যে তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আস্থা রেখেছে সন্দেশখালি, তা বুঝতে অসুবিধা হয় না।

এদিকে কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রত্যাশামাফিক এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী মালা রায়। তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ছিলেন বিজেপির দেবশ্রী চৌধুরী এবং বামপ্রার্থী সায়রা শাহ হালিম। এই তিন নারীর লড়াইয়ে সকলকে প্রায় ১ লক্ষ ২৭ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন মালা। কলকাতা দক্ষিণ কখনও খালি হাতে ফেরায়নি তৃণমূল সুপ্রিমোকে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সাংসদ পদ থেকে মমতা পদত্যাগ করলেও কলকাতা দক্ষিণ তৃণমূলের দখলেই রয়েছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভাতেই জয়ী হয় ঘাসফুল শিবির। এবারও সেই পরম্পরাই অক্ষুন্ন থাকবে কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে, তেমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হায় রে উচ্চাশা! প্রশান্ত কিশোর যা বলেছিলেন, আর বাংলার গণনায় যা হচ্ছে

Lok Sabha elections 2024: ভোটকুশলী পিকে জানিয়েছিলেন, রাজ্যে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলের চেয়ে পশ্চিমবঙ্গে ভালো ফলাফল করবে বিজেপি। কিন্তু ভোটগণনা শুরু হতেই উল্টেপাল্টে গেল হিসেব।

মেদিনীপুরে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পলকে পিছনে ফেলে ব্যাপক ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল নেত্রী জুন মালিয়া। প্রায় ৩৪ হাজার ভোটে এগিয়ে তিনি। ঘাটালেও প্রত্যাশামাফিক ভালো ফল তৃণমূলের। বিজেপির হিরণকে প্রায় ৩৮ হাজার ভোটে পিছনে ফেলে দিয়েছেন দেব। কৃষ্ণনগরে বিজেপি ও বামেদের পিছনে ফেলে প্রায় ৬৫ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন মহুয়া মৈত্র। যাদবপুর কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও শেষপর্যন্ত উঠে আসতে পারলেন না বামনেতা সৃজন ভট্টাচার্য। মানুষের ভোট গিয়েছে তৃণমূল নেত্রী সায়নী ঘোষের পক্ষেই। প্রায় ১ লক্ষ ১৯ হাজার ভোটে এগিয়ে তিনি।

এবার খড়্গপুরের বদলে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছিল বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। তবে সেখানে তেমনভাবে দাঁত ফোটাতে পারলেন না বিজেপি নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল দাঁড় করিয়েছিল প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদকে। যিনি কিনা আগে বিজেপির হয়ে ভোটে জিতেছেন। যতদূর জানা গিয়েছে, সেই কীর্তি ৫৮ হাজারেরও বেশি ভোটে পিছনে ফেলে দিয়েছেন বিজেপির এই প্রবীণ নেতাকে। বর্ধমানের প্রাক্তন কলেজ অধ্যক্ষ সুকৃতি ঘোষালকে সেখানে প্রার্থী করেছিল বামেরা। তবে সেখানে তিনি তেমন সুবিধা করতে পারবেন বলে মনে করছে না ওয়াকিবহাল মহল।

সংখ্যালঘুদের গড় হিসেবেই পরিচিত বাংলার মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রটি। সেই সংখ্যালঘু ভোটের কথা মাথায় রেখেই ওই কেন্দ্রে প্রার্থী বেছেছিল বাম ও তৃণমূল। বাম প্রার্থী করেছিল সিপিআইএমের প্রবীণ নেতা ও সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে। তৃণমূলের তাস ছিল সিনিয়র নেতা আবু তাহের খান। টানা চারবার নওদা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি। বিজেপি দাঁড় করিয়েছিল গৌরীশঙ্কর ঘোষকে। গণনাপর্বে দেখা হয়েছে বামনেতা সেলিমের সঙ্গে তৃণমূল নেতা আবু তাহেরের। কুশল বিনিময়ও করেছেন দুজনে। একসঙ্গে বসে ছবিও তুলতে দেখা যায় তাঁদের। সকাল থেকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও বেলা বাড়তেই দেখা যায়, প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী কার্তি আজাদ। এদিকে বহরমপুরের ২৫ বছরের সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীকও পিছনে ফেলে দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান।

সব মিলিয়ে এই লোকসভা ভোটে বাংলায় যে তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভান্ডারের মতো জনদরদী প্রকল্পগুলি ম্যাজিকের মতোই কাজ করেছে, তা বললেও বোধহয় ভুল হবে না। এই লোকসভা ভোটের প্রচারে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বারংবার জোর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বঞ্চনার উপরে। একশো দিনের কাজ-সহ বিভিন্ন প্রকল্পে বাংলার বঞ্চনাই কি আদতে শাপে বর হল তৃণমূলের। যে হিন্দুত্বের মশাল গোটা দেশ জুড়ে জ্বালতে চেয়েছিল মোদিবাহিনী, তা কি বাংলায় পৌঁছতে পৌঁছতে নিভে গেল আসলে? মানুষের রায় যে আসলে তৃণমূলের পক্ষেই, তা ভোটবাক্সে ভালোমতোই বুঝিয়ে দিল বঙ্গবাসী। অন্তত দুপুর পর্যন্ত ভোটগণনার অঙ্ক তো সেদিকেই দিকনির্দেশ করছে।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।