মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে হিন্দুদের জন্যে দু’টি আবেদন

Bangladeshi Hindu Minorities: আমরা পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা চাই। যাতে হিন্দুদের ভোটে হিন্দুরা নির্বাচিত হয়ে পার্লামেন্টে যেতে পারে। যাঁরা হিন্দুদের দাবি-দাওয়া, সুবিধা-অসুবিধার কথা পার্লামেন্টে তুলে ধরবে।

inscript
৪ মিনিট
মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে হিন্দুদের জন্যে দু’টি আবেদন

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে, বহু জায়গা থেকেই কানে আসছে বাংলাদেশে মন্দির থেকে শুরু করে বহু হিন্দু স্থাপত্য় ভাঙার খবর। হিন্দু বাড়িতে আগুন লাগানো থেকে হত্যার খবরও ঘুরে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু আমি বলতে চাই, আজকের দিনে বাংলাদেশের হিন্দুদের উপরে ব্যাপক ভাবে হামলার কোনও সংবাদ কিন্তু আমি অন্তত পাইনি। এই যে ছাত্রদের গণআন্দোলন ক্রমশ জাতীয় আন্দোলনের রূপ নিল, তার নেপথ্যে রয়েছে আসলে হাসিনা সরকারের স্বৈরাচার। বাংলাদেশের মানুষ বহু দিন ধরেই ক্ষুব্ধ। দু-দু'টো দফায় ভোট দিতে পারেননি এদেশের জনগণ। বিনা ভোটে ক্ষমতা আটকে রেখেছিলেন শেখ হাসিনা। এদেশের পুলিশবাহিনী থেকে শুরু করে সেনাবাহিনী, দেশের প্রায় সমস্ত সরকারি জায়গায় নিজের লোককে বসিয়ে স্বৈরাচার করে গিয়েছে আওয়ামী লীগ। যেটা বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ মেনে নেয়নি। ভারত শেখ হাসিনাকে সমর্থন করে বলে বাংলাদেশের বিশাল অঙ্কের হিন্দুও কিন্তু শেখ হাসিনাকে সমর্থন করে এসেছেন। এমনকী সে সরকার স্বৈরাচারী হলেও, খারাপ কাজ করলেও সমর্থন করেছেন তাঁরা। এমনকী এই যে সরকার শত শত মানুষকে গুলি করে হত্যা করল, তার পরেও তাঁদের সমর্থন থেকেছে শেখ হাসিনার পাশেই।

পডুয়াদের বিক্ষোভ দানা বাধার পর, তাদের রাজাকার স্লোগানের কথা চারপাশে ছড়াতেই, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের তরফে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, ছাত্র-জনতা— যাঁরা নিজেদেরকে রাজাকার বলেছে, তাঁদেরকে যেন কোনও সরকারি চাকরিতে সুযোগ না দেওয়া হয়। তাঁদেরকে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে অভিযুক্ত করে দ্রুত সাজা দেওয়ারও সুপারিশ করে তাঁরা। এই ঘটনায় বিএনপি-জামাত তো বটেই, সাধারণ মানুষও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপরে ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তাঁর একটা কারণ তো অবশ্যই তাঁরা তাঁরা আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে। দ্বিতীয় কারণ, তাদের এই একপেশে বক্তব্য। আর সেই ক্ষিপ্ততা আঁচ করতে পেরেই বিএনপি-জামাত নেতৃত্ব আমাদের সঙ্গে আলাপ করে এবং তাঁদের সমস্ত নেতানেত্রীকে নির্দেশ দেন, যাতে তাঁরা সারা দেশের সমস্ত হিন্দু মন্দির, মঠ এবং হিন্দু পাড়া-মহল্লাগুলিতে পাহারা দেয়। দেশের বড় বড় প্রায় সমস্ত মন্দিরে নিয়মিত পাহারা দিচ্ছে তারা। তাঁদের সঙ্গে পাহারায় রয়েছেন আমাদের নেতানেত্রীরাও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাসিনার দেশে কাদের গুম করে রাখা হতো কুঠুরিতে! কী এই রহস্যময় আয়নাঘর?

Aynaghar Bangladesh: ২০০৯ থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০৫ জন গুম হয়েছেন বাংলাদেশে।

কিন্তু যারা আদতে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা, সর্বোপরী আওয়ামী লীগের নেতা, যাঁরা বিভিন্ন সময় এই স্বৈরাচারী সরকারকে সমর্থন করেছেন, এলাকার মধ্য়েই অন্য দলের নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, তাঁদের অনেকের বাড়িতেই সাম্প্রতিক কালে হামলা হয়েছে। তাঁদের কিছু দোকানপাটেও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তবে এটাও মনে রাখতে হবে, বহু সুযোগসন্ধানীই এই সুযোগে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে। পরাজিত শক্তি যারা, তারা জয়ীদের এই অর্জনটাকে ধুলিস্যাৎ করার জন্য রাতের অন্ধকারে গ্রামাঞ্চলের মন্দিরগুলিকে ভেঙে দিয়ে আসছে। আবার তারাই সকাল হলে সেই সব ভাঙা মন্দিরের ভিডিও করে প্রশ্ন তুলছে, "এই কি আমাদের স্বাধীনতা? এই কি আমাদের অর্জন?" আমরা সব সময়ে বলেছি, প্রতিটি গ্রামে-মহল্লায় হিন্দুরা যেন প্রতিটি মন্দির পাহারা দেয়। সেই সমস্ত মন্দিরেরই এক-একটি করে কমিটি রয়েছে। কিন্তু সেই সব কমিটিগুলিতে যেখানে যেখানে আওয়ামী লীগের নেতারা ছিলেন, তাঁরা এই মন্দিরগুলি পাহারা দেননি। বাংলাদেশের ইতিহাসে মন্দির রক্ষা করতে গিয়ে কোনও হিন্দু আহত হয়েছে বা নিহত হয়েছে, এমন কোনও খবর নেই। কিন্তু আওয়ামী লীগের পক্ষে গিয়েছেন যাঁরা, তাঁদের পরিণতি হয়েছে শোচনীয়। রংপুরের একজন হিন্দু নেতা খুন হয়েছেন সম্প্রতি, যিনি আওয়ামী লীগের সেক্রেটারিও ছিলেন। তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলন চলাকালীন পুলিশের গুলিতে বহু হিন্দু ছাত্র ও মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এই মুহূর্তে কেমন আছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা?

Bangladeshi Hindu Minorities: গোবিন্দ বলছেন, ভারতের কিছু সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক নেতারাই গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদেরই ক্ষতি করছেন।

অনেকেই মনে করেন, হাসিনার আমলে বাংলাদেশের হিন্দুরা তুলনামূলক সুরক্ষিত ছিলেন। কিন্তু এ কথা সর্বান্তকরণে ভুল। কার্যত কোনও সুরক্ষাই ছিল না আওয়ামী লীগের সময়কালে হিন্দুদের। শেখ হাসিনার সময়ই অভয়নগরে আওয়ামী দুই নেতার কোন্দলের জেরে হাজার হাজার হিন্দুকে নদী পার হয়ে পালিয়ে যেতে হয়েছিল। শত শত বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। চট্টগ্রামের বহু জায়গায় মহানবীর বিরুদ্ধে কটুক্তি, ইসলামের বিরুদ্ধে কটুক্তি— এই সমস্ত অজুহাতে আওয়ামী লীগের নেতারা সক্রিয় ভাবে হিন্দু বাড়িতে হামলা চালায়। ১৯৯১ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতায় এসেছিল, তখনও হিন্দুদের বাড়িতে ব্যাপক ভাবে হামলা হয়। তার বিচার করেনি বিএনপি সরকারও। হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে সাহাবুদ্দিন কমিশন গড়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই কমিশনের কাছে ২৫ হাজার হিন্দু নির্যাতনের অভিযোগ জমা পড়েছিল। যে সব ঘটনায় আওয়ামী লীগ জড়িত, সেই সব মামলাগুলি অবলীলায় সরিয়ে ফেলা হয়। কেটেছেঁটে মামলার সংখ্যা নামিয়ে আনা হয় ৫ হাজারে। সেই সব মামলায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের নাম নিয়ে একটা গেজেট তৈরি করা হয়েছিল। দেখা যায়, সেই পাঁচ হাজার ঘটনার সঙ্গেও কোনও না কোনও ভাবে যোগ থেকে গিয়েছে আওয়ামী লীগের। ফলে সেই গেজেট যাতে কোনও মানুষের হাতে না যায়,সেই ব্যবস্থা করেছিল হাসিনা সরকার। স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশে ৫৫০টি মডেল মসজিদ হয়েছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। কিন্তু হিন্দুদের কোনও দাবিদাওয়া পূরণ করেনি হাসিনা সরকার। এমনকী দুর্গাপুজোয় তিন দিনের ছুটির জন্য সমগ্র হিন্দু সমাজ বহুদিন ধরে দাবি করে আসছে। পূরণ করা হয়নি সেই সামান্য দাবিটুকুও। এর থেকেই বোঝা যায়, ঠিক কতখানি মৌলবাদী ছিল শেখ হাসিনা সরকার। আসলে আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের মধ্যেই ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটা নেই। আর হাসিনার এই চালাকিটাই ভারত সরকার কখনও বুঝতে পারেনি।

হাসিনার বিদায়ের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বুঝে নেবে গণতান্ত্রিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যার মুখ হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসকে। বলাই বাহুল্য, তিনি একজন অসাম্প্রদায়িক মানুষ। কৌটিল্য বলেছিলেন, 'সুখস্য মূলম ধর্ম, ধর্মস্য মূলম অর্থ, অর্থস্য মূলম রাজ্যম'। ফলে রাজক্ষমতার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনও জাতি টিকে থাকতে পারে না বলেই বিশ্বাস করি। আর সেই রাজক্ষমতায় অংশীদারিত্বের জন্য আমরা পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা চাই। যাতে হিন্দুদের ভোটে হিন্দুরা নির্বাচিত হয়ে পার্লামেন্টে যেতে পারে। যাঁরা হিন্দুদের পক্ষে কথা বলবে, যাঁরা হিন্দুদের দাবি-দাওয়া, সুবিধা-অসুবিধার কথা পার্লামেন্টে তুলে ধরবে। আর চাই একটা সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, যেটা ভারত-পাকিস্তানের মতো প্রায় সব দেশেই রয়েছে। অথচ বহুবার চেষ্টা করেও বাংলাদেশে সেটা তৈরি করা সম্ভব হয়নি। আমার মনে হয়, এইটুকু যদি করা যায়, তাহলে বাংলাদেশের হিন্দুরা নিজেরাই মেরুদণ্ড সোজা করে নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারবে। এই ভূমি আমাদের। আমরা এই ভূমি ছেড়ে কোথাও যেতে চাই না। ভারতেও যেতে চাই না, আমেরিকাতেও যেতে চাই না। এটা আমাদের পিতৃভূমি, মাতৃভূমি। এটা হরিঠাকুর, অনুকূল ঠাকুর, জগদ্বন্ধু, বালক ব্রহ্মচারী, রামঠাকুর পরমহংসদেবের পুণ্যভূমি। এই ভূমি ছেড়ে আমরা কোথাও যাবো না।

(লেখক বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসভার মহাসচিব)

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।