বুনো ওল বনাম বাঘা তেঁতুল! অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়-অরুণাভ ঘোষ সংঘাতের আসল কারণ কী

বিবাদমান দুই পক্ষের নাম, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও আইনজীবী অরুণাভ ঘোষ। এতে বিচারব্যবস্থা কতটা কলঙ্কিত হলো, সেই প্রশ্নে না গিয়েও বলা যায়, তাঁদের দ্বিমুখী লড়াইয়ের 'বচন’ নিয়ে চর্চা গড়াল দিন থেকে দিনান্তে।

tiasa gupta
৪ মিনিট
বুনো ওল বনাম বাঘা তেঁতুল! অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়-অরুণাভ ঘোষ সংঘাতের আসল কারণ কী

এজলাসে ডুয়েল।

প্রতিপক্ষ (দুই আইনজীবী নন) এক আইনজীবী বনাম বিচারপতি।

যেন বুনো ওল আর বাঘা তেঁতুলের লড়াই! এ বলে আমায় দেখ, ও বলে আমায়! মুখের তোড়ে কেউই কম গেলেন না! বিবাদমান দুই পক্ষের নাম, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও আইনজীবী অরুণাভ ঘোষ। এতে বিচারব্যবস্থা কতটা কলঙ্কিত হলো, সেই প্রশ্নে না গিয়েও বলা যায়, তাঁদের দ্বিমুখী লড়াইয়ের 'বচন’ নিয়ে চর্চা গড়াল দিন থেকে দিনান্তে। আইনজীবী বিচারপতিকে বলছেন, তিনি আইন জানেন না। (বিচারপতি কতটা প্রতাপশালী সেই বিতর্কে না গিয়েও বলা যায়, অবশ্যই এতে খেপে যাওয়ার উপাদান ছিল)। সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা। "আপনাকে আমি রুল ইস‍্যু করে জেলে পাঠাব,"- এরপর অরুণাভকে বিচারপতি। সত্যিই তিনি আইনজীবীকে জেলে ভরতে পারবেন না, তা তর্কসাপেক্ষ। তবে দোর্দণ্ডপ্রতাপ দুই বিচারপতি আর আইনজীবীর ডুয়েলের যেভাবে সাক্ষী থাকল এজলাস, তাতে রসের উপাদান অবশ্যই আছে। কারণ যাঁরা সাধারণকে বিচার দেন, তাঁরাই কিনা বিবাদমান! কী হলো এ-দিন?

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে আইনজীবী অরুণাভ ঘোষের 'অম্লমধুর' সম্পর্ক নিয়ে বারবার চর্চায় মেতেছে কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এবং আইনজীবী ঘোষের বচসা গড়িয়েছিল আদালতের বাইরেও। ১৮ অগাস্ট তাঁরা তর্কে জড়ালেন এজলাসের ভেতরেই।

এইদিন বিকেল ৩টে নাগাদ হাই কোর্টে টেট মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। এজলাসে এসে বিচারপতি বলেন, "আমি আজ মামলা শুনব না। শরীরটা ভালো নেই। অরুণাভ কোথায়?" সংবাদমাধ্যমের সূত্র বলছে, তখন গান গেয়ে ওঠেন আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়- তুমি আসবে বলে কোর্টরুমে এত ভিড় হয়ে গেল! এরপর অনুব্রত মন্ডলের মেয়ে সুকন্যার আইনজীবী অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, "আপনিও নাকি ভালো গান করেন?"

তখন এজলাসে প্রবল ভিড়। এই নিয়ে অরুণাভ ঘোষ বলে বসেন, "আদালত যেন ছাতুবাবুর বাজার হয়ে গেছে। এত ভিড়!" এই থেকে শুরু হয় বচসা। মাঝে দুম করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলে বসেন, একদিন সুযোগ পেলে গান্ধী পরিবারের হলফনামাও দেখব। মেজাজ হারান অরুণাভ। তিনি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেন, "আপনি আইন জানেন না। আপনাকে কী করে ডিল করতে হয় জানি। সাংবাদিকরা আপনার চেম্বারে যান। আপনি অনেক কথা বলেন।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দাপটে অস্থির মন্ত্রী-আমলা, একাই একশো বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

Justice Abhijit Ganguly: চাঁচাছোলা মন্তব্য, আগ্রাসী মনোভাবের জন্য প্রশ্নের মুখে পড়লেও, চাকরির আশায় দিনের পর দিন ধরনায় বসে থাকা মানুষজনকে আশার আলো জুগিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

অভিজিৎ এর পাল্টা দেন সঙ্গে সঙ্গে। "আপনি তো সংবাদমাধ্যমে অনেক কিছু বলেছেন। এই নিয়ে রুল জারি করে জেলে পাঠাব। আমার শরীর ভালো না। আসতাম না। কিন্তু না আসলে অনেকে ভাবত আমি ভয়ে পালিয়ে গিয়েছি। তাই এলাম।"

তারপরেই বিচারপতি আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেন। প্রক্রিয়া শেষে অরুণাভর উদ্দেশে হাতজোড় করেন। বাকি আইনজীবীরা অরুণাভকে বলেন, "আপনি উঠে দাঁড়ান", সেই শুনে অরুণাভ দাঁড়িয়ে হাসেন। অভিজিৎ কল‍্যাণ ও অরুণাভর উদ্দেশে বলেন, "মনে কোনও ক্ষোভ রাখবেন না।"

তাহলে কি মধুরেণ সমাপয়েৎ!

বিচারপতির দাপটে কেঁপেছে এজলাস

এসএসসি হোক অথবা ডিএ, এইসব মামলাকে কেন্দ্র করে বারবার চর্চায় উঠে এসেছেন দু’জন বিচারপতি। একজন হলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং আরেকজন হলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি একসময় স্কুল সার্ভিস কমিশনেরই আইনজীবী ছিলেন। যদিও তাঁর কেরিয়ার শুরু হয়েছিল একজন ডব্লুবিসিএস অফিসার হিসেবে। তবে এই চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর তিনি আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন। এরপর অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে কলকাতা হাই কোর্টে তিনি যোগ দেন ২০১৮ সালের ২ মে। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ৩০ জুলাই হাই কোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে কাজ শুরু করেন।

এর আগে তিনি দশ বছর ধরে আইনজীবী হিসাবে কাজ করেছেন। ন্যাশনাল ইনশিওরেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলাও তাঁকে লড়তে দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে ২০২১ সাল থেকেই পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় একের পর এক নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ই এখন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের কাছে আশা-ভরসার পীঠস্থান। নেটমাধ্যমে প্রশংসাও কুড়োচ্ছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এ-যাবৎ সবচেয়ে বড় উল্লেখযোগ্য নির্দেশ হলো, এসএসসি মামলায় মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর শিক্ষকতার চাকরি কেড়ে নেওয়া এবং ৪১ মাসের বেতন ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ। এসএসসি সংক্রান্ত মামলা কেবলমাত্র সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ায় নয়, এর পাশাপাশি মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তিত্বকেও বেকায়দায় ফেলে দিয়েছেন তিনি। দুর্নীতির মামলা ছাড়াও এই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ৭৬ বছরের বৃদ্ধা শিক্ষিকা শ্যামলী ঘোষকে ২৫ বছরের বকেয়া বেতন পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করিয়ে দিয়েছেন। ক্যানসার-আক্রান্ত শিক্ষিকার ১২ দিনের বেতন কেটে নেওয়ায় প্রধান শিক্ষকের পদ কেড়ে নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ওই প্রক্রিয়া দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, ধারে-ভারে কতটা প্রভাব ফেলেছেন সমাজে এই বিচারপতি!

কম যান না অরুণাভ ঘোষ

শুধুমাত্র টিভির পর্দায় নয়, তাঁর মেজাজের সঙ্গে অনেকদিন ধরেই পরিচয় ঘটেছে রাজ্যবাসীর। আইনজীবী এবং কংগ্রেস নেতা অরুণাভ ঘোষ বিভিন্ন সময়ে বিনামূল্যে দুঃস্থদের হয়ে মামলা লড়েছেন, বিধাননগরে সম্পত্তি কর নিয়ে মামলা অথবা বাম আমলে সল্টলেকে জমি বণ্টন নিয়ে তাঁর প্রতিবাদী মেজাজের সাক্ষী থেকেছে রাজ্য। বারে বারে বিভিন্ন মামলায় তাঁর সওয়াল জবাবে কেঁপেছে এজলাস। তিনি বর্ষীয়ান আইনজীবী। তাঁর সন্ত্রাসবিরোধী মুখ তুলে ধরে ২০১৬ সালে বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রে তাঁকেই বেছে নেয় দল। তাঁকে বাম-সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী করা হয়। নিন্দুকরা বলেন, তিনি যত সক্রিয় টিভির পর্দায়, পথের আন্দোলনে তত ক্রিয়াশীল নন।

সে যাই হোক, সাতের দশকে প্রেসিডেন্সির আঙিনায় ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকে তাঁর উপস্থিতি প্রবল। ২০০১-এ সিপিএমের ভরা বাজারেও দমদম কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। পরে ফেরেন কংগ্রেসে।

রাজনীতির আঙিনায় দাঁড়িয়ে বিভিন্ন সময় তাঁর গর্জন শুনেছে রাজ্য। সম্প্রতি খোদ তাঁর দল মমতা বন্দ‍্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের কথা বললে, তিনি আইনজীবীর মতো এই নিয়ে কী বক্তব্য রেখেছিলেন? "মমতা সব জানেন। তবে যদি এ-কারণে মমতার পদত্যাগ চাওয়া হয়, তাহলে জ্যোতিবাবুর পদত্যাগ করা উচিত ছিল লক্ষণ শেঠের ব্যাপারে। লক্ষণবাবু চোর মানে জ্যোতিবাবু চোর নন। বুদ্ধদেববাবুও সৎ। রেজ্জাক মোল্লা তাঁর দলেও তো ছিলেন। কিন্তু, বর্তমান দুর্নীতি প্রসঙ্গে মমতা সব জানতেন।" মমতাকে নিশানাও করেন অরুণাভ। তাঁর কটাক্ষ, "আমার ছেলে যদি চুরি করে, ক'টা লোক আছে, নিজের ছেলেকে চোর বলবে? আমার বাপ চোর এটাই বা ক'জন বলতে পারে।" কখনও কখনও তাঁর আইনের পেশা ছাপিয়ে গেছে তাঁর রাজনৈতিক সত্তাকে। সম্প্রতি তৃণমূল-বিজেপিকে হারিয়ে হাই কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হন অরুণাভ ঘোষ। এতে কিছুটা হলেও অক্সিজেন পায় হাত শিবির।

অরুণাভ ঘোষ কিংবা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রত্যেকেই স্ব-স্বক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব অনেক আগে থেকেই। অভিজিৎ সম্পর্কে বিভিন্ন সময় নাকি অপ্রকাশ্যে উষ্মা প্রকাশ করেছেন অরুণাভ। আদালতের ভেতরে নাম না করে তাঁকে 'হাই কোর্টের জ্যাঠামশায়' বলে সম্বোধন করেছেন অভিজিৎও। ফলে বলা যায়, এদিন যা ঘটেছে, তা দীর্ঘ দ্বন্দ্বের প্রতিক্রিয়ামাত্র। কিন্তু এজলাসে তাঁরা যা করলেন, তা কি এককথায় কলকাতা হাই কোর্টের ইতিহাসে নজির হয়ে থাকল না?

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?