"জি-স্পটটা কোন দিকে?" সঙ্গিনীকে যৌনসুখ দিতে যা খুঁজছেন, তা কি আদৌ আছে?

G-Spot: গবেষকরা জানান জি-স্পট বলে আদতে আলাদা করে কোনও জায়গাই নেই। বরং তাঁরা উল্টে ক্লিটোরাল এবং ভ্যাজাইনাল অর্গ্যাজ়মের উপস্থিতির কথা জানান।

Madhurima Pattanayak
৫ মিনিট
"জি-স্পটটা কোন দিকে?" সঙ্গিনীকে যৌনসুখ দিতে যা খুঁজছেন, তা কি আদৌ আছে?

পাঠকদের শুরুতেই সাবধান করা হচ্ছে, আপনারা সিটবেল্ট শক্ত করে বেঁধে, লম্বা শ্বাস নিয়ে, হাতের পাশে জলের গ্লাস তৈরি করে বসুন, কারণ এই প্রতিবেদনের পরতে পরতে আপনারা যা পেতে চলেছেন তাতে আপনাদের মধ্যে “এই (কালচার) গেল গেল” রব উঠতে পারে। আপনাদের ভেতরকার মরাল মাসি-মেসোরা জেগে উঠতে পারে; আবার আপনারা পড়ে চূড়ান্ত হতাশও হতে পারেন। যে আশা নিয়ে লেখাটা পড়া শুরু করছেন, আপনার সেই আশা-বিশ্বাস আমরা ভাঙতে চলেছি। অবশ্য বলা যায় না, আপনি পড়ে আনন্দও পেতে পারেন, আশার আলোও দেখতে পারেন।

শুরু করা যাক একটি মিম দিয়ে। প্রেমিক-প্রেমিকা খোলা আকাশের নিচে শুয়ে। অন্তরঙ্গ হচ্ছেন দু’জনে ধীরে ধীরে। প্রেমিকা আদুরে গলায় জানতে চাইলেন, “বলো তো, লেবিয়া মেজোরাটা ঠিক কোথায়।" প্রেমিক আকাশের দিকে আঙুল তুলে রোম্যান্টিক গলায় বলে উঠলেন, “কালকে তো আকাশের ওই কোণটায় উঠেছিল।"

নাহ, সেই প্রেমিক কেন, জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপও লেবিয়া মেজোরা আকাশে খুঁজে পায়নি; কারণ লেবিয়া মেজোরা আকাশে পাওয়া যায় না (আপনি কি একবার গুগলে বা নাসার ওয়েবসাইটে খুঁজলেন?)। ওটা আসলে স্ত্রী যৌনাঙ্গের বাইরের দিকের ঠোঁটের মতো অংশ। আপনি নাসার ওয়েবসাইটে পাবেন না।

তবে আজ লেবিয়া মেজোরা নয়, আমরা বেরোব জি-স্পটের সন্ধানে। কারণ জি-স্পটের ধারণা মানুষের মধ্যে গোলমেলে, বিশেষ করে জি-স্পটের অবস্থান সম্পর্কে। তবে অনেক পুরুষ মনে করেন জি-স্পট নাকি ‘ম্যাজিক বাটন’। আলাদিনের প্রদীপের মতো। তাকে খুঁজে বের করে, ঘষা দিলেই নাকি অর্গ্যাজ়মে পৌঁছনো যায় বলে মনে করেন অধিকাংশ পুরুষ।

১৯৫০ সালে জার্মান ডাক্তার আর্নস্ট গ্রেফেনবার্গ “The role of urethra in female orgasm” নামে একটি সাড়া জাগানো প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। সেখানেই তিনি লেখেন, “an erotic zone always could be demonstrated on the anterios wall of the vagina along the course of the urethra”। তাঁর নামেই এই যৌন সংবেদী অঞ্চলের নাম রাখা হল গ্রেফেনবার্গ স্পট। যা পরে সংক্ষেপে হয়ে গেল জি-স্পট।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হারানো যৌন উদ্দীপনা থেকে দৃষ্টিশক্তি ফেরাতে পারে সাপের বিষে তৈরি ওয়াইন!

ভিয়েতনামের সংস্কৃতিতে যেহেতু সাপ, ‘তাপ’ কিম্বা ‘ পুরুষত্বের প্রতীক’ হিসাবে কল্পিত হয়ে থাকে - তাই পুরুষালি যে কোনো সমস্যার সমাধান হিসাবে স্নেক হোয়াইন একটি স্বনামধন্য কামোদ্দীপক হিসাবে বিশেষ জনপ্রিয়।

বলা হয়, জি-স্পটটি নাকি উঁচু একটি জায়গা, যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তা আরও উঁচু হয়ে ওঠে। যোনির মুখ থেকে কয়েক সেন্টিমিটার ভেতরে যোনির সামনের দেওয়ালের যৌন সংবেদী অংশকেই মূলধারার মাধ্যম এতদিন যাবৎ জি-স্পট বলে এলেও, চিকিৎসাশাস্ত্রে কিন্তু জি-স্পটের উপস্থিতি এবং অবস্থান নিয়ে বিতর্ক এখনও রয়েছে, জানাচ্ছেন একাধিক গবেষক এবং ডাক্তাররা।

কসমোপলিটান ম্যাগাজি়নের সমীক্ষা বলছে, আশি শতাংশ পুরুষই মনে করেন পৃথিবীর সমস্ত মহিলার জি-স্পট নামের একটি অঙ্গ অথবা জায়গা রয়েছে। প্রথমত, জি-স্পট আদৌ কোনও আলাদা অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গ নয়; যদিও সেই ভুল ধারণা অনেকের মধ্যেই রয়েছে। দ্বিতীয়ত, জি-স্পট আদৌ সব মহিলার থাকে না এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক যৌন জীবনের জন্য বা যৌনসুখ পাওয়ার জন্য তা আদৌ অপরিহার্য নয়।

আশির দশক থেকেই মেইনস্ট্রিম মিডিয়া এবং বর্তমানে কয়েক বছর যাবৎ পুঁজিপতিরা আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছে, যৌন সুখ পাওয়ার জন্য জি-স্পট অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং অপরিহার্য একটি স্থান। আর তারপর থেকেই ‘হট কেকের’ মতো বিক্রি হয়েছে জি-স্পট কন্ডোম, জি-স্পট ডিলডো, জি​-স্পট ভাইব্রেটর এবং অন্যান্য সেক্স টয়। এখানেই শেষ নয়, বিশাল সংখ্যক মহিলা, যারা এরকম কোনও জায়গা নিজেদের যোনির ভেতরে খুঁজে পাননি, তাঁদের অনেকেই চূড়ান্ত হতাশা এবং অবসাদে ভোগা আরম্ভ করেছেন। নিজেদের অসম্পূর্ণ এবং অস্বাভাবিক ভাবতে আরম্ভ করেছেন।

তাহলে জি-স্পট কি সত্যিই আছে?

গ্রেফেনবার্গের সাড়া জাগানো সেই প্রতিবেদন প্রকাশের ঠিক তিরিশ বছর বাদে অর্থাৎ ১৯৩৫ সালে “আর্কাইভ অব সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার” নামের জার্নালে একটি গবেষণায় দেখা যায়, সেই গবেষণায় অংশগ্রহণকারী মহিলাদের মধ্যে ৮৯ শতাংশেরই যোনিকে উদ্দীপিত করলে অর্গ্যাজ়মের মতো অনুভূতি আসছে। কিন্তু পাঠকের সব আশায় জল ঢেলে আমরা জানাতে বাধ্য হচ্ছি, তার পরেও গবেষকরা জানান জি-স্পট বলে আদতে আলাদা করে কোনও জায়গাই নেই। বরং তাঁরা উল্টে ক্লিটোরাল এবং ভ্যাজাইনাল অর্গ্যাজ়মের উপস্থিতির কথা জানান।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দেবতার যৌনতাকে বস্ত্রে ঢেকেছে মানুষ, শ্লীল অশ্লীলের বেড়া ভেঙেছেন রহস্যময়ী লজ্জা গৌরী

Lajja Gauri: ইতিহাস বলছে, বেশ কয়েক বছর আগে সিঙ্গারায়াকোন্ডার কাছে একটি প্রস্তরখণ্ড পাওয়া যায়। সেখানে একটি নারী মূর্তিকে অদ্ভুত ভাবে বসে থাকতে দেখা যায়, তিনিই দেবী লজ্জা গৌরী।

আবার এই গবেষণায় যে মহিলারা অংশগ্রহণ করেন, তাঁদের মধ্যে ৮৫ শতাংশ জানান, তাঁরা এই অনুভূতি যোনির পেছনের দিকের দেওয়ালে পেয়েছেন। অর্থাৎ যেদিকে মলাশয় রয়েছে। অন্যদিকে, ৭৪ শতাংশ মহিলা জানিয়েছেন তাঁরা যৌন অনুভূতি যোনির সামনের দিকের দেওয়ালে পাচ্ছেন।

১৯৮৬ তে ইজ়রায়েলের একটি গবেষণাতেও মহিলাদের শরীরে জি-স্পট বলে আলাদা কোনও ‘স্পট’ বা জায়গা পাওয়া যায়নি। ২০০৩ সালে মিশরীয় মহিলাদের ওপর করা হয় একটি গবেষণা। যোনির ভেতরে একটি অঞ্চলজুড়ে, তড়িতের খেলা দেখতে পান গবেষকরা। সেখানে তড়িতের খেলা বোঝার হাতিয়ার ইলেক্ট্রোভ্যাজিনোগ্রাম। যৌনসুখ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তড়িতের খেলা বাড়তে থাকে সেই অংশে। তবে এখানেও গবেষকরা আলাদা করে জি-স্পটের সন্ধান পাননি।

‘স্পট’ বললে শুরুতেই ছোট্ট, সীমাবদ্ধ অংশের কথা মাথায় আসে। গবেষকরা উলটে বেশ কিছু অঞ্চল জুড়ে এই ‘প্লেজা়র এরিয়া’র সন্ধান পান। শুধু তাই নয়, কোনও উঁচু জায়গাও যোনির ভেতরে পাওয়া যায়নি বলে জানান গবেষকরা।

২০০৯ সালের মিশরীয় মহিলাদের উপর আরেকটি গবেষণা হয়, সেখানে কিন্তু হিস্টোলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যেমে সাতচল্লিশ শতাংশ মহিলার শরীরে জি-স্পটের সন্ধান পাওয়া যায় এবং অ্যানাটমিক্যাল পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রায় সাতষট্টি শতাংশ মহিলাদের শরীরে জি-স্পটের সন্ধান পাওয়া যায়।

২০১০ সালে “জার্নাল অব সেক্সুয়াল মেডিসিন”-এ প্রকাশিত গবেষণায় জি-স্পটের বদলে ‘ইউরেথ্রোভ্যাজাইনাল স্পেস’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। সোজা কথায়, সেই ‘আনন্দের স্থান’ বা ‘প্লেজা়র স্পট’ কোনও ছোট্ট বিন্দু বা দলার মতো জায়গা নয়। বলা যেতে পারে এটি একটি অঞ্চল। ঠিক একই বছর একই জার্নালে আরেক দল গবেষক একটি ভিন্ন গবেষণায় ‘ক্লিটো-ইউরেথ্রোভ্যাজাইনাল কমপ্লেক্স’ শব্দটির উল্লেখ করেন। হ্যাঁ, স্পট নয়। কমপ্লেক্স! যোনি ছাড়াও ক্লিটোরিস (যা থাকে যোনির বাইরে, মূত্রছিদ্রের উপরে) এবং মূত্রনালির কিছু অংশ যৌনসুখ পাওয়া এবং অর্গ্যাজ়মের সঙ্গে যুক্ত। অনেক মহিলাই জানাচ্ছেন, তাঁদের ক্লিটোরিসকে উদ্দীপ্ত করলে যোনির ভেতরের বেশ কিছু অংশ উদ্দীপ্ত হচ্ছে।

অন্যদিকে ২০১৬-তে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এমআরআইয়ের সাহায্যে জি-স্পটের সন্ধান পান গবেষকরা। সেখানে অংশগ্রহণ করেছিলেন কিছু মহিলা। ২০২১ সালে ‘এলসিভিয়ার’ জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে গবেষকরা লিখেছেন, নারীদের যৌনতা আদতে খুবই জটিল এবং আকর্ষণীয় একটি জিনিস। তার কারণ এটি কোনও বেঁধে দেওয়া সূত্রে চলে না। নারীর ‘প্লেজা়র পয়েন্ট’ তাঁর শারীরিক, মনস্তাত্ত্বিক, হরমোনাল, এমনকী, সংস্কৃতি এবং ধর্মের নিরিখে ভিন্ন ভিন্ন হয়। এমনকি দেখা গেছে যমজ বোনেরও ‘প্লেজা়র পয়েন্ট’ আলাদা।

জি-স্পট সত্যিই রয়েছে কিনা তার উত্তর গবেষকরা আজও পাননি। যদি আমরা তাত্ত্বিক ভাবেও মেনে নিই যে জি-স্পট রয়েছে, সেক্ষেত্রে তার সপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ নেই এবং তা কোথায় রয়েছে, সে নিয়েও উত্তর দেওয়ার জায়গায় গবেষকরা নেই। সেখানে দাঁড়িয়ে জি-স্পটের (যদি ধরে নিই তা আছে) অ্যানাটমি যে অজানা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। এমিলির নাগোস্কি তাঁর বই “Come as you are: The Surprising New Science that Will Transform Your Sex Life” বইতে লিখছেন, “If it feels good, you’re doing it right”. গ্রেফেনবার্গ আবার সেই সাড়া জাগানো প্রতিবেদনেই লিখেছিলেন, “we can almost say that there is no part of the female body which does not give sexual response, the partner has only to find the erotogenic zones”

এরপরে আপনাকে কী করতে হবে আপনি তো জানেনই।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।

সুপারমার্কেটের শাকে নয়, বুনোশাকেই রয়েছে বেশি পুষ্টিগুণ

Wild leafy greens: Scientific Reports (2024)-এর গবেষণা বলছে, বাণিজ্যিক উপায়ে চাষ করা সাধারণ সবজির চেয়ে এই বুনো শাকগুলিতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ভিটামিন এ ও সি এবং ফাইবার অনেক বেশি থাকে। এমনকী কর্ণাটকের সোলিগা উপজাতির মহিলারা গর্ভবতী মায়েদের রক্তশূন্যতা দূর করতে বিশেষ কিছু বুনো শাক ব্যবহার করে আসছেন যুগের পর যুগ।