মোদির রামরাজ্য এক অন্ধকারাচ্ছন্ন ভারতবর্ষের কথাই বলে

Hey Ram : গান্ধির কাছে সীতার ভূমিকাটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ছিল কিন্তু আজকের বিজেপি এই সীতারামের সীতা অংশটি ছেঁটে ফেলে শুধু ম্যাচো এক পুরুষতান্ত্রিক রামকেই হাজির করেছে।

Surojit Sen
৫ মিনিট
মোদির রামরাজ্য এক অন্ধকারাচ্ছন্ন ভারতবর্ষের কথাই বলে

অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রীর কথা অনুযায়ী মন্দির হলেই দেশে রামরাজ্য প্রতিষ্ঠা হবে। এর আগে আমরা রামরাজ্য কথাটি শুনেছি মহাত্মা গান্ধির মুখে। সে বিষয়ে যাওয়ার আগে বলা দরকার, বিজেপি নির্মিত এই ম্যাচো রাম ও তার অনুগত ক্রুদ্ধ হনুমানের সঙ্গে গান্ধির কল্পনার রামের কোনও দূরতম সম্পর্ক নেই। অসহযোগ আন্দোলনের সময়েই গান্ধির মুখে প্রথম রামরাজ্যের কথা শোনা যায়। কিন্তু সেটা কী তা তখন তিনি খুঁটিয়ে ব্যাখ্যা করেননি।

এই রামমন্দির নির্মাণের সঙ্গে গান্ধির রামরাজ্য ভাবনার আদর্শের কোনও যোগই যে কোথাও নেই, সেই কথা বলছেন ইতিহাসবিদেরা। ওদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, এক অবিতর্কিত, সমদর্শী, দীনদরিদ্রপ্রেমী রামচন্দ্রের কথা। তাঁর নিষ্কলঙ্ক চরিত্রের আদর্শের ভিত্তিতেই নাকি গান্ধি রামরাজ্যের স্বপ্ন দেখেছিলেন। এই রকম একটি হাস্যকর দাবি প্রধানমন্ত্রী করেছেন।

এই হাস্যকর দাবির প্রসঙ্গে মনে পড়ল, পরশুরামের (রাজশেখর বসু) হাস্যরসের লেখা ‘রামরাজ্য’ গল্পটির কথা। গল্পের একটি চরিত্র বলে যে, গান্ধিজি নেই, দেশ জাহান্নমে গেছে। তাই তাঁকেই প্ল্যানচেটে ডেকে পরামর্শ নেওয়া হোক, কীভাবে আসবে রামরাজ্য। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়, গান্ধিজি নয়, প্ল্যানচেটে শ্রীরামকেই ডাকা হোক। কিন্তু রামের বদলে এসে পড়ে হনুমান এবং তার দীর্ঘ বক্তৃতায় প্ল্যানচেটে বসা মানুষদের মধ্যে স্বার্থের সংঘাতে হাতাহাতিতে পর্যবসিত হয়ে ব্যাপারটি শেষ হয়।

প্রচলিত প্রবাদ অনুযায়ী রামরাজ্য বলতে কী বোঝায়? রামের রাজ্যে প্রজারা সুখে-শান্তিতে বাস করত এবং রাজ্যের সমৃদ্ধি ও ন্যায়বিচার অব্যাহত ছিল। এই জন্য রামের শাসনের অনুসরণে সুশাসিত রাজ্যকে ‘রামরাজ্য’ বলার প্রবণতা চালু হয়। রামরাজ্য শব্দটি গান্ধি জনপ্রিয় করেছিলেন। এটি একটি আদর্শ সমাজ যা তিনি কল্পনা করেছিলেন, ভগবান রামের শাসনের উপর ভিত্তি করে। রামরাজ্যের ধারণাটি একটি আদর্শ সমাজের ধারণাকে প্রতিফলিত করে যেখানে সবাই সমান এবং ন্যায়বিচার বিরাজ করে।

এইবার গান্ধির দিকে ফেরা যাক। পারিবারিকভাবে গান্ধি ছিলেন বৈষ্ণব, তাঁর নামও ছিল মোহনদাস কিন্তু তাঁর প্রিয় ভজন ছিল ‘রঘুপতি রাঘব রাজারাম/ পতিতপাবন সীতারাম’। যদিও হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী রাম বিষ্ণুরই সপ্তম অবতার। এই ভজনটির নির্দিষ্ট উৎস জানা যায় না। আন্দাজ করা হয় ভজনটি উত্তর প্রদেশের সন্ত কবি তুলসীদাসের ১৬ শতকের রচনা রামচরিতমানসের উপর ভিত্তি করে লেখা অথবা মারাঠি সন্ত কবি রামদাসের ১৭ শতকের গাওয়া প্রার্থনার উপর ভিত্তি করে লেখা। এই ভজনটি জনপ্রিয় হয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী পণ্ডিত বিষ্ণু দিগম্বর পালুসকরের কণ্ঠে। রেডিওতে এই ভজন ছোটবেলায় শুনেছি। এই ভজনটির জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করে, গান্ধি মূল ভজনটি পরিবর্তন করেছেন। যোগ করেছেন যে, হিন্দুদের ঈশ্বর এবং মুসলমানদের আল্লাহ এক এবং অভিন্ন। গানটিকে আরও ধর্মনিরপেক্ষ-সুদর্শন করতে, হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে মিলনের কথা বলেছেন। গান্ধির পরিবর্তন করা ভজনটি দেখে নেওয়া যাক,

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পথের নাম নৈরাজ্য, মৃত গান্ধী জীবিত গান্ধীর চেয়েও শক্তিশালী যেভাবে

Mahatma Gandhi Death: মৃত্যুর কয়েক দিন আগেই তিনি কংগ্রেস দলটির অবলুপ্তির ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কারণ তিনি মনে করেছিলেন, স্বাধীনতা লাভের পর কংগ্রেসের প্রয়োজন ফুরিয়েছে।

রঘুপতি রাঘব রাজারাম,

পতিতপাবন সীতারাম॥

সীতারাম, সীতারাম,

ভজ প্যায়ারে তু সীতারাম॥

রঘুপতি রাঘব রাজারাম,

পতিতপাবন সীতারাম॥

ঈশ্বর আল্লাহ তেরো নাম

সব কো সন্মতি দে ভগবান॥

রঘুপতি রাঘব রাজারাম,

পতিতপাবন সীতারাম॥

রাম রহিম করিম সমান

হাম সাব হ্যায় উনকি সন্তান॥

রঘুপতি রাঘব রাজারাম,

পতিতপাবন সীতারাম॥

সব মিলা মাঙে ইয়ে বরদান

হামারা রহে মানব কা জ্ঞান॥

রঘুপতি রাঘব রাজারাম,

পতিতপাবন সীতারাম॥

এই ভজনে বারবার উচ্চারিত পতিতপাবন সীতারাম শব্দদু'টি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। সীতারাম অর্থ সীতা ও রাম। এটি হিন্দুদের অভিবাদন হিসাবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ভারতের আওধ, ভোজপুর এবং মিথিলা অঞ্চলে আর ভারতের বাইরে ফিজি, গায়না, মরিশাস, সুরিনাম এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রবাসী ভারতীয় হিন্দিভাষীরাও এই অভিবাদন ব্যবহার করেন। পতিতপাবন সীতারাম অর্থ পাপীদের ত্রাণকর্তা সীতা ও রাম। লক্ষ্যণীয় সীতার নামটি আগে আসছে। সীতার অর্থ কী? লাঙল দিয়ে কর্ষণের ফলে জমিতে যে রেখা পড়ে তাকে বলে সীতা। রামায়ণ অনুসারে, যজ্ঞের অংশ হিসাবে লাঙল দিয়ে জমি কর্ষণ করার সময় রাজা জনক সীতাকে পেয়েছিলেন এবং তাকে দত্তক নেন। সীতা শব্দটি একটি কাব্যিক শব্দ ছিল যা উর্বরতা এবং বসতিবদ্ধ কৃষি থেকে আসা অনেক আশীর্বাদকে বোঝায়। আর ধরিত্রী যেমন প্রকৃতি, পশু ও মানুষকে ধারণ করে আছে, তেমনই ধরিত্রীকন্যা (যেহেতু মাটি থেকেই তার জন্ম) সীতাও এই প্রকৃতি, প্রাণী ও মনুষ্য সমাজকে ধারণ করে রাখেন। সীতার ভূমিকাটিকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে এই ভজনে। প্রজাপালনে, জীববৈচিত্রের লালনে এই সীতার ভূমিকা রামের চেয়েও বড়। গান্ধির কাছে সীতার এই ভূমিকাটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ছিল কিন্তু আজকের বিজেপি এই সীতারামের সীতা অংশটি ছেঁটে ফেলে শুধু ম্যাচো এক পুরুষতান্ত্রিক রামকেই হাজির করেছে।

গান্ধি তাঁর নিজের রামরাজ্যর যে ভাবনার কথা ‘হিন্দ স্বরাজ’ পত্রিকায় লিখেছিলেন, সেগুলি একবার পড়া যাক-

ক. সমতা : গান্ধি তাঁর রামরাজ্যের ধারণায় সাম্যের গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, জাতি, ধর্ম বা লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল ব্যক্তির সমান সুযোগ এবং অধিকার থাকা উচিত।

খ. ন্যায়বিচার : রামরাজ্য এমন একটি সমাজ, যেখানে ন্যায়বিচার থাকবে এবং কেউই আইনের ঊর্ধ্বে থাকবে না। গান্ধি ন্যায়বিচার অর্জনে স্বশৃঙ্খলা এবং স্বয়ংসম্পূর্ণতার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, ব্যক্তিদের অর্থনৈতিক এবং আধ্যাত্মিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য কাজ করা উচিত, যাতে তারা সমাজে অন্যায় মোকাবিলায় আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাম মন্দির উদ্বোধন নিয়ে মোদির পাশে নেই বহু হিন্দুত্ববাদীই! কেন?

Ayodhya Ram Mandir inauguration : হিন্দু মহাসভা রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতেও অস্বীকার করেছে, কারণ এটি নাকি আসলে 'বিজেপি-স্পন্সরড রাজনৈতিক প্রোগ্রাম'।

গ. অহিংসা : রামরাজ্য এমন একটি সমাজ যেখানে হিংসা পরিহার করা হবে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধগুলির সমাধান করা হবে। গান্ধির রামরাজ্যের ধারণার মূল ভিত্তি হলো অহিংসা। গান্ধিজি বলেছেন, অহিংসা হলো আত্মার অঙ্গ এবং ধর্ম, তাই প্রত্যেকের জীবনের প্রতিক্ষেত্রেই অহিংসা পালন করা প্রয়োজন। তিনি বিশ্বাস করতেন, হিংসা কেবল হিংসারই জন্ম দেয় এবং শক্তি প্রয়োগ কখনই স্থায়ী শান্তি আনতে পারে না। পরিবর্তে, তিনি নিজের লক্ষ্য অর্জনের জন্য সত্যাগ্রহের যে বিভিন্ন পদ্ধতিগুলি গ্রহণ করেছিলেন সেগুলি হলো, আমরণ অনশন, অসহযোগ আন্দোলন, আইন অমান্য আন্দোলন, সরকারি অনুষ্ঠান বয়কট, পিকেটিং প্রভৃতি।

ঘ. স্বশাসন : রামরাজ্য এমন একটি সমাজ, যেখানে মানুষের স্বশাসন থাকা উচিত এবং তাদের জীবনকে প্রভাবিত করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা উচিত।

ঙ. সমৃদ্ধি : রামরাজ্য এমন একটি সমাজ যেখানে প্রত্যেকেই জীবনের মৌলিক প্রয়োজনীয়তাগুলি পাবে।

চ. নৈতিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ : রামরাজ্য সম্পর্কে গান্ধির দৃষ্টিভঙ্গি নিছক একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল না বরং নৈতিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে একটি সমাজ তিনি কল্পনা করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, সমাজের ভিত্তি হওয়া উচিত সত্য, প্রেম, সহানুভূতি এবং ক্ষমা।

ছ. ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ : গান্ধি বিশ্বাস করতেন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ হওয়া উচিত এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত স্থানীয় পর্যায়ে। তিনি গ্রাম সভা বা গ্রাম সমাবেশ প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছিলেন।

জ. ট্রাস্টিশিপ : গান্ধি বিশ্বাস করতেন, রাষ্ট্র নয়, ট্রাস্টিশিপই একটি ন্যায়সঙ্গত ও ন্যায়পরায়ণ সমাজ গঠনের জন্য অপরিহার্য। রাষ্ট্রের এহেন বিরোধিতায় তাঁকে একজন আধ্যাত্মিক নৈরাজ্যবাদীও বলা যায়। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, সম্পদ নিজেই শেষ নয়, বরং সর্বসাধারণের ভালো পরিবেশনের একটি উপায়। রামরাজ্যে, ধনী এবং ক্ষমতাবানরা ট্রাস্টি হিসাবে কাজ করবে, দরিদ্র ও দরিদ্রদের উন্নতির জন্য তাদের সম্পদ ব্যবহার করবে। গান্ধির ট্রাস্টিশিপের ধারণা ছিল অহিংসা ও স্বেচ্ছাসেবী সহযোগিতার নীতির উপর ভিত্তি করে।

এই হলো গান্ধির পতিতপাবন সীতারাম ও রামরাজ্যের ভাবনা। ২০১৪ সাল থেকে আজ পর্যন্ত মোদির প্রধানমন্ত্রীত্বে উপরের একটি ভাবনাকেও বাস্তবায়িত হতে আমরা দেখিনি। তিনি যে অযোধ্যা, রামমন্দির এইসব রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রদর্শনের বিষয়গুলো নিয়ে রামরাজ্যের দাবি করছেন, প্রকৃত প্রস্তাবে তা এক পিছিয়ে যাওয়া এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন ভারতবর্ষের কথাই বলে।

লিখেছেন
Surojit Sen
Surojit Sen
1 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।