মানুষ এক ছোবলেই ছবি! তবে কোন রহস্যে সাপের তীব্র বিষেও বেঁচে যায় বন্য প্রাণীরা?

Snake Venom: হানি ব্যাজারের চামড়াই এত মোটা যে সাপের বিষ দাঁতের পক্ষে সম্ভব নয় সেই চামড়া ভেদ করা

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
মানুষ এক ছোবলেই ছবি! তবে কোন রহস্যে সাপের তীব্র বিষেও বেঁচে যায় বন্য প্রাণীরা?

তিনি বলেছিলেন এক ছোবলেই ছবি (অবশ্য আপনি যদি না স্টিভ লুডউইক হন। সেই রক মিউজি়ক গায়ক, যিনি প্রেমিকার বাড়িতে নৈশভোজের আমন্ত্রণের কথা বেমক্কা ভুলে যেতেন। কারণ তিনি একাধিক সাপের বিষ শরীরে ইঞ্জেক্ট করে নেশা করে পড়ে আছেন)। অথচ জঙ্গলের বেশ কিছু প্রাণী দিব্যি সাপের বিষ শরীরে ঢোকার পর বা বিষাক্ত সাপের কামড় খাওয়ার পরও বহাল তবিয়তে বেঁচেবর্তে থাকে। এ এক বিস্ময়। আমাদের বিষাক্ত সাপে কামড়ালে আমরা সময়ে চিকিৎসা না পেলে মারা যাবই অথচ বনের কিছু কিছু প্রাণী দিব্যি বেঁচে থাকবে! এমনটা কেন হতে পারে, সেই আলোচনায় আসার আগে একটা মজার ঘটনা বলা যাক।

১৯৭৬ সালে টেক্সাসের এগ্রিকালচার অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীরা একবার গবেষণার কাজে ল্যাবে রাখা একটি সাপকে Woodrat খেতে দেন। আবার যে-সে সাপ নয়, একদম rattle snake। সাপটা প্রথমে বিষদাঁত তুলে Woodrat-কে কামড়ানোর চেষ্টা করল। সাধারণত এই বিষদাঁত দিয়ে কামড়ালে সঙ্গে সঙ্গেই প্রায় শরীরের ভিতরে রক্তক্ষরণ শুরু হয়, লিভারে রক্ত জমাট বাঁধে এবং শেষমেশ হৃদযন্ত্র অচল হয়ে আসে। কিন্তু সেসব হওয়ার বদলে দেখা গেল সে দিব্যি Rattle snake-এর দিকে পিটপিট করে চেয়ে আছে।

Rattle Snake

এখানে বলে রাখা ভালো, Woodrat-ও মোটেই নির্বিষ নয়। তাই বলে সে Rattle snake-এর মতো প্রাণীকে কুপোকাত করতে পারে এমনটাও নয়। কারণ সে আকারে বেশ ছোটোই। কিন্তু দেখা গেল Woodrat-ও তার বিষদাঁত তুলে Rattle snake-কে কামড়ানোর চেষ্টা করছে। সেই ঘটনা থেকে যা মর্মোদ্ধার করা গেল তা হল, Rattle snake-এর মতো ভয়ানক বিষাক্ত সাপের ছোবলেও Woodrat-এর মতো খুদে রোডেন্ট মরে না। মোদ্দা কথা, Rattle snake-এর বিষের কাছেও সে অনাক্রম্য বা ইমিউন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কোভিডের টিকাতেই ছিল মৃত্যুফাঁদ! বিস্ফোরক যে তথ্য আসছে প্রকাশ‍্যে

Covid Vaccine: টিকাকরণের প্রভাবে কী কী বিরূপ প্রতিক্রিয়া শরীরে দেখা যাচ্ছে?

Woodrat

তবে কেবল Woodrat-ই নয় ক্যালিফোর্নিয়া গ্রাউন্ড স্কুইরেল, গৃহপালিত শূকর, হেজহগ, হানিব্যাজারকে সাপের বিষের সামনে প্রায় ইমিউন বলা চলে। তারা শুধু সাপের বিষের বিরুদ্ধে ইমিউনিটিই গড়ে তোলেনি, মজার বিষয় হল, এক একটি প্রাণীর ক্ষেত্রে বিষের প্রতি অনাক্রম্যতা গড়ে তোলার ধরনও আলাদা আলাদা। যেমন ধরা যাক, হানি ব্যাজারের কথা। তাদের চামড়াই এত মোটা যে সাপের বিষ দাঁতের পক্ষে সম্ভব নয় সেই চামড়া ভেদ করা। বা ধরা যাক mongoose-এর কথা। তাদের কোশ এমন ভাবেই তৈরি যে সাপের বিষকে তারা একপ্রকার আটকেই দেয়।

মঙ্গুজ় ও কোবরার লড়াই

কী কী মলিকিউলার পদ্ধতি বা জেনেটিক গঠন থাকলে সাপের বিষের হাত থেকে বাঁচা যায়, তা এখনও গবেষকদের কাছে পুরোপুরি জানা না থাকলেও কিছু বিষয় থাকে যেগুলি সাপের বিষ থেকে কিছু কিছু প্রাণীদেরকে বাঁচায়। যার মধ্যে অন্যতম হল অ্যান্টিভেনম ব্লাড, কোশের মিউটেশন এবং সব শেষে পুরু চামড়া। মানে যথেষ্ট পুরু চামড়া!

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
উন্নয়নের কোপে পরিবেশ ধ্বংসের মাশুল! কোন ভয়াবহ সংকট আসন্ন

COP-27: উন্নয়নের কর গুনতে গুনতে আস্ত এক-পৃথিবী প্রাকৃতিক শরণার্থী নিয়ে এরপর কার দ্বারস্থ হবে আধুনিক মানুষ?

প্রথমে বলা যাক অ্যান্টিভেনম ব্লাডের কথা। এদেরকে অ্যান্টিভেনিনও বলা হয়। সাপের বিষ বা ভেনমকে নিউট্রালাইজ় (এবং নিষ্ক্রিয়) করতে পারে এমন যে কোনও পদার্থকে বলে অ্যান্টিভেনিন। মূলত রক্তকোশে মিউটেশনের কারণে এই বিষয়টি ঘটে। আবার কোশপর্দার গায়ে কিছু কিছু রিসেপ্টর থাকে, যারা সাপের বিষকে কিছুতেই নিজেদের গায়ে আটকাতে দেয় না। রিসেপ্টর হল কোশের গায়ে লেগে থাকা প্রোটিনের দরজা। রিসেপ্টর যতক্ষণ না উন্মুক্ত হচ্ছে, কোনও পদার্থ কিছুতেই কোশের ভেতর ঢুকতে পারবে না। আবার সব পদার্থের উপস্থিতিতে রিসেপ্টর উন্মুক্ত হয় না। ঠিক তালা-চাবির মতো খাপে-খাপে বসলেই, কোনও একটি পদার্থ এসে রিসেপ্টরটি খুলে যায়। আবার কিছু কিছু রিসেপ্টর থাকে সাপের বিষকে কিছুতেই আটকাতে দেয় না নিজের সঙ্গে। ফলে কোশের ভেতরে বিষটির ঢোকার পথ বন্ধ হয় যায়। ঠিক যেমনটা দেখা যায় গৃহপালিত শূকরের ক্ষেত্রে।

হানিব্যাজারের মতোই গৃহপালিত শূকরের স্বাভাবিক ক্ষমতা আছে সাপের বিষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার। তার পাশাপাশি রিসেপ্টরের কথা আগেই বলা হয়েছে, যারা শুরুতেই কোশে প্রবেশ করা থেকে বিষকে বাধা দেয়। আবার দেখা গেল, কিছু কিছু প্রাণীর জিনে এমন কিছু মিউটেশন বা রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে, যার ফলে কোশটি সম্পূর্ণ ভাবে বিষের বিরুদ্ধে অনাক্রম্যতা গড়ে তোলে। ঠিক যেমনটা দেখা যায় mongoose-এর ক্ষেত্রে। যাদের রক্তকোশ ভেনম বা সাপের বিষকে একপ্রকার ঠেলে সরিয়ে দেয়। অথচ ঠিক এই ঘটনা যদি মানুষের ঘটত, এতক্ষণে রক্তকোশ, শরীরের প্রোটিন, উৎসেচক সব ভেঙে যেত।

আর যদি কোনও প্রাণীর ত্বক সত্যিই খুব পুরু হয়, তাহলে সাপের বিষ দাঁতের পক্ষে বেশ কষ্টকর সেই মোটা ত্বককে ভেদ করে ঢোকা। সেক্ষেত্রে ত্বকই অনেকটা বিষের বিরুদ্ধে বর্ম হিসেবে কাজ করে। যেমনটা আবার দেখা যায় হানি ব্যাজারের ক্ষেত্রে। তবে শুধু মোটা ত্বকই নয়, হানি ব্যাজারের ক্ষেত্রে রক্তে অ্যান্টিভেনমও উপস্থিত থাকে। শুধু সাপই নয়, হানি ব্যাজার মৌমাছির বিষের বিরুদ্ধেও অনাক্রম্য। এমনতা তো হতে হবেই, নাম শুনেই বোঝা যায় সে মধু খায়। আর মধু খেতে তাকে চাক ভাঙতেও হয়। তবে শুধু মধু খেয়েই যে সে ক্ষান্ত থাকে তা নয়, হানি ব্যাজার আদতে সর্বভুক। সে বিষাক্ত সাপও শিকার করে খায়। বিষাক্ত সাপও খাব, অথচ তার বিষ সহ্য করব না, সে আর কেমন করে চলে! অগত্যা প্রকৃতিই হানি ব্যাজারকে সেই ভাবে গড়েপিটে নিয়েছে, যাতে সে সর্বভুক হয়েও নিজেকে অন্যান্য প্রাণীর আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।

হানি ব্যাজার

আরেকটি প্রাণী হল ক্যালিফোর্নিয়া গ্রাউন্ড স্কুইরেল। কেই বা ভেবেছিল কাঠবেড়ালির মতো খুদে প্রাণীও সাপের বিষের হাত থেকে বাঁচতে পারে! তবে শুধু ক্যালিফোর্নিয়া গ্রাউন্ড স্কুইরেলই নয়, ট্রি স্কুইরেল, চিপমাঙ্ক, উড়ন্ত কাঠবেড়ালি বা প্রেইরি ডগস এরা প্রত্যেকেই সাপের বিষের বিরুদ্ধে গড়ে তুলেছে ইমিউনিটি।

ক্যালিফোর্নিয়া গ্রাউন্ড স্কুইরেলের মূল শত্রু র‍্যাটল স্নেক। Rattle snake যখন খোলস ছাড়ে সেই খোলসকে খেয়ে নেয় ক্যালিফোর্নিয়া গ্রাউন্ড স্কুইরেল। কিন্তু তারপরের কাজটি আরই অদ্ভুত! খোলসটি খাওয়ার পরেই নিজের এবং তার ছানাদের শরীর জিভ দিয়ে চেটে দেয় ক্যালিফোর্নিয়া গ্রাউন্ড স্কুইরেল। তাতে নিজের গায়ে তো বটেই, ছানাদের গা থেকেও এর গন্ধ ছাড়ে। সেই গন্ধেই rattle snake-সহ বিভিন্ন বিষাক্ত প্রাণীকে তারা নিজেদের থেকে দূরে রাখে।

ক্যালিফোর্নিয়া গ্রাউন্ড স্কুইরেল

এদিকে rattle snake যখন ক্যালিফোর্নিয়া গ্রাউন্ড স্কুইরেলকে আক্রমণ করে, তখন ক্যালিফোর্নিয়া গ্রাউন্ড স্কুইরেল হিংসাত্মক ভাবে নিজের লেজকে নাড়াতে থাকে। এই ভাবে লেজ নাড়ালে লেজ থেকে ইনফ্রারেড রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়। rattle snake-এর কাছে কিন্তু ইনফ্রারেড রশ্মি প্রচণ্ড ভয়ের। ফলে খুদে হলেও কী হবে ক্যালিফোর্নিয়া গ্রাউন্ড স্কুইরেলের এই অভিনব পদ্ধতি rattle snake-এর মতো বিষাক্ত সাপকেও তাদের থেকে দূরে রাখে।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সাত দিনের ব্যবধানে দুটো ঘূর্ণিঝড়: জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতা কি এটাই?

Climate change impact on cyclone: ২৮ অক্টোবরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ঠিক সাত দিন পর ৩ নভেম্বরে ল্যান্ডফল করে ‘মুরাসু’। আবহাওয়াবিদদের ভাষায়, এই পিঠোপিঠি ঝড়ের ঘটনাকে বলা হয় ‘ক্লাইমেটোলজিক্যাল অ্যানোমালি'। বঙ্গোপসাগরের এই ‘ওভার-এনার্জাইজড’ অবস্থাই, এখন জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতা।

কোথায় আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মুরাসু, কতটা ক্ষয়ক্ষতি, বাংলায় কী প্রভাব?

Cyclone Murasu: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয় ঘূর্ণিঝড় মুরাসু। মঙ্গলবার ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়ে শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়। নেল্লোর, প্রকাশম ও বাপটলা জেলায় গাছ উপড়ে পড়েছে, নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। তামিলনাড়ু ও ওড়িশাতেও ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি হয়েছে। বাংলায় কতটা প্রভাব ফেলবে মুরাসু?

ভুটানে হড়পা বানের জেরে উত্তরবঙ্গে আতঙ্ক, কী পরিস্তিতি এখন?

Bhutan Flash Flood: ভুটানের শিনতাফু হ্রদ ভেঙে হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তা ও পর্যটনকেন্দ্রের পরিকাঠামো। বন্যার আশঙ্কায় আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রামে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানোর উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। শুক্রবার সকালে সংকোশ নদীর জলস্তর না বাড়ায় কিছুটা স্বস্তি ফেরে। পরিস্থিতি এখন কেমন?

মাত্র ১০০ বই থেকে ১০ হাজার! অসমের চা-বাগানের শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ছেন অনিন্দিতা

Assam Library Initiative: মাত্র ১০০টি বই নিয়ে ২০২০ সালে অসমের চা-বাগান এলাকার শিশুদের জন্য লাইব্রেরি শুরু করেছিলেন অনিন্দিতা গগৈ। আজ তিনটি লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। পরিবারের ৪০ লক্ষ টাকারও বেশি বিনিয়োগে এগিয়ে চলেছে এই উদ্যোগ। কীভাবে শিশুদের পড়াশোনা ও সৃজনশীলতার সুযোগ তৈরি করছেন অনিন্দিতা?

Cyclone Arnab: কোথায় আছড়ে পড়ল অর্ণব, কতটা ক্ষয়ক্ষতি? বাংলায় কতটা প্রভাব?

Cyclone Arnab: অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া, ভারী বৃষ্টি ও জল জমার জেরে বিপর্যস্ত একাধিক এলাকা। ৮৪ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে। বাংলার কোন কোন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, আর কতটা প্রভাব পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়ের?

অ্যানথ্রোপিকের মতো এআই সংস্থাগুলি যেভাবে হয়ে দাঁড়াচ্ছে জলবায়ু সংকটের কারণ

The AI Carbon Bill: অ্যানথ্রোপিকের আইপিও ফাইলিংয়ে জলবায়ু পরিবর্তনকে বড় ব্যবসায়িক ঝুঁকি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো। ডেটা সেন্টার ঠান্ডা করতে বিদ্যুৎ-জলের ব্যয় বাড়ছে। ২০২৫-এ ডেটা সেন্টারগুলিতে ঘণ্টা প্রতি বিদ্যুৎ ব্যবহার, ৪৪৮ টেরাওয়াটে পৌঁছবে।

লুলার জয়ের পরেও কেন স্বস্তিতে নেই 'পৃথিবীর ফুসফুস' আমাজন?

lula's amazon policy: প্রথম পর্বে পিছিয়ে থাকার পর, কুড়ি দিনে এক কোটিরও বেশি ভোট বাড়িয়ে লুলা দা সিলভা চতুর্থবার ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। লুলার আমলে, আমাজনের জঙ্গল উজাড় হওয়া ৭১% কমেছে, তবু আইনসভায় ডানপন্থীদের শক্তিবৃদ্ধি হওয়ায়, আমাজনের সংকটজনক সীমার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা রয়ে গেলই।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব : কোথায় রয়েছে, বাংলায় কতটা দুর্যোগের আশঙ্কা?

Cyclone Arnab: বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে অর্ণব। বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঝড়। সরাসরি বাংলায় আঘাত না হানলেও মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি হতে পারে। কোন কোন জেলায় দুর্যোগের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি?