যিশুর জন্মদিন কবে, বলা নেই খোদ বাইবেলেও! কেন তবে ২৫ ডিসেম্বর পালিত হয় বড়দিন?

Christmas 2022: ৬ জানুয়ারি তারিখটি ছিল রোমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র তারিখ কারণ এটি ছিল শিশু দেবতা মিথ্রার জন্মদিন। তবে চতুর্থ শতাব্দীতে পুরো দৃশ্যপট পাল্টে যায়

Sourish Das
৪ মিনিট
যিশুর জন্মদিন কবে, বলা নেই খোদ বাইবেলেও! কেন তবে ২৫ ডিসেম্বর পালিত হয় বড়দিন?

সন্দেহাতীতভাবে সারা বিশ্বে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের সব থেকে বড় উৎসব ক্রিসমাস। এই অনুষ্ঠানের বয়স প্রায় দুই হাজার বছর ছাড়িয়ে গিয়েছে। যুগে যুগেই সম্প্রদায়ের মানুষ এবং সম্প্রদায়ের বাইরের মানুষও নানা উপায়ে উদযাপন করেন ক্রিসমাস। মূলত যিশুখ্রিস্টের জন্মবার্ষিকী পালনের উদ্দেশ্যেই শুরু হয়েছিল এই উৎসবটি। ২৭৩ এডি থেকে এই উৎসবের প্রচলন শুরু হয়। তবে এর আগে, একই দিনে দু'টি উৎসব পালন করা হতো। মনে করা হয়, যাতে দুটো উৎসব একইসঙ্গে পালন না হয় এবং খ্রিস্টানরা দু'টি উৎসবেই সমান ভাবে আনন্দ করতে পারেন, তার জন্যই ক্রিসমাসের দিন পরিবর্তন করে ২৫ ডিসেম্বর তারিখটি নির্ধারণ করা হয়।

আগে যখন ক্রিসমাস পালন করা হতো, সে সময় উৎসব শুধু একটি দিনে সীমিত থাকত না। এই উৎসবের জন্য আসলে কোনও একটি নির্দিষ্ট তারিখ ছিলই না। একটা দীর্ঘ সময়ের জন্য এই ক্রিসমাস পালন করা হতো। এমনকী বাইবেলেও যিশুখ্রিস্টের জন্মদিনের কোনও সঠিক তারিখ উল্লিখিত নেই। অতীতেও যিশুখ্রিস্টের জন্মদিবস নিয়ে বহু আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। তবে, কিছু তথ্যসূত্র মারফত জানা যায়, ৩৩৬ এডিতে ২৫ ডিসেম্বর তারিখে প্রথম যিশুখ্রিস্টের জন্মদিবস পালন করা হয়। এবং সেখান থেকেই ক্রিসমাসের তারিখটি নির্ধারিত হয় ২৫ ডিসেম্বর। তবে মাতামাতি করলেও, খ্রিস্টানদের সব থেকে বড় উৎসব ক্রিসমাসের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু অজানা কথা আজও অনেকেই জানেন না।

উৎসবটির নাম ক্রিসমাস কেন?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ডাকাতরা না থাকলে জন্মই হত না কেকের? বড়দিনে কেক কাটার যে কারণ অনেকেরই অজানা...

Christmas 2022: কোচি শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার ভেতরে গেলেই রয়েছে ম্যাটানচেরি নামে এক অদ্ভুত শহর।

যদি মনে হয়, এই উৎসবের ক্রিসমাস নামকরণের পিছনে কোনও বিশাল বড় ইতিহাস রয়েছে, তাহলে হয়তো ভুল করছেন। ক্রিসমাস নামকরণের পিছনে বিশেষ কোনও ইতিহাস নেই। মূলত এই উৎসবের নামটি দু'টি শব্দকে একসঙ্গে জুড়ে দিয়েই তৈরি করা হয়েছিল। প্রথমটি হল ক্রাইস্ট এবং দ্বিতীয়টি হল মাস। এই দু'টি শব্দ মিলেই তৈরি হয় ক্রিসমাস।

আমেরিকাতে কীভাবে শুরু হলো ক্রিসমাস উদযাপন?

সপ্তদশ শতাব্দীতে ধর্মীয় প্রথা সংস্কারের আন্দোলনের হাওয়া ইউরোপ জুড়ে ক্রিসমাসের আয়োজনের পুরো রূপ পরিবর্তন করে দিয়েছিল। ১৬৪৫ খ্রিস্টাব্দে অলিভার করমওয়েল এবং তাঁর পিউরিটন বাহিনী ইংল্যান্ড দখল করেছিল। তাঁরা ইংল্যান্ডকে তখন অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন এবং তারই একটি অংশ হিসাবে ক্রিসমাসকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে এরপর সিংহাসনে বসেন দ্বিতীয় চার্লস। তাঁর সিংহাসনে বসার পরেই আবারও এই জনপ্রিয় রীতিটি ইংল্যান্ডে প্রত্যাবর্তন করে। ১৬২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আগমনকারী ইংল্যান্ডের বিচ্ছিন্নতাবাদী তীর্থযাত্রীরা করমওয়েলের থেকেও ছিলেন বেশি রক্ষণশীল। সেই কারণে প্রথম দিকে কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এভাবে ক্রিসমাস পালন করা হতো না। বলতে গেলে ১৬৫৯ থেকে ১৬৮১ সাল পর্যন্ত বোস্টনে ক্রিসমাস পালন করা ছিল একেবারে নিষিদ্ধ। যদি কারও মধ্যে এর সমর্থনে কিছু করার লক্ষণও দেখা যেত, তাহলে তাঁকে পাঁচ শিলিং জরিমানা করা হতো। তবে যাই হোক, জেমস টাউন বন্দোবস্তের মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ধীরে ধীরে জায়গা করে নিতে শুরু করে ক্রিসমাস।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রোনাল্ডোর গোপন খাবার থেকে ক্রোয়েশিয়ার 'সেক্সিয়েস্ট ফ্যান', বিশ্বকাপ রঙিন হয়ে থাকল যে ঘটনায়

FIFA World Cup 2022 : এই ফ্রেমের বাইরেও বিশ্বকাপের আরও বেশকিছু মুহূর্ত রয়ে গেল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এমনই কিছু বিশেষ মুহূর্তের ঝলক রইল

তবে মার্কিন রেভোলিউশনের পর পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ইংরেজ রীতিনীতি ছুঁড়ে ফেলার একটা হিড়িক ওঠে। আর এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল ক্রিসমাস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিসমাসকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করা হয়েছিল অনেক পরে। ১৮৭০ সালের ২৬ জুন প্রথমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিসমাসকে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দারা কিন্তু উনবিংশ শতাব্দীর আগে পর্যন্ত ক্রিসমাসকে সাদরে গ্রহণ করেননি। ইউরোপে যেভাবে বিশৃঙ্খল উপায়ে ক্রিসমাস উদযাপন করা হতো, মার্কিনিরা তার আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে। এর আগে ইউরোপে ক্রিসমাস ছিল শুধুমাত্র খাওয়া দাওয়া, ভোজনবিলাস এবং নাচ গান করার দিন। মদ্যপান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের অদ্ভুত খেলা, সবকিছুই চলত এই দিনে। মার্কিনিরা এই বিষয়টিকে পরিবর্তন করেন। তারা এই দিনটি পরিবারের সঙ্গে আনন্দ আয়োজন এবং স্মৃতি রোমন্থনের মাধ্যমে কাটানোর রেওয়াজ শুরু করেন। উনবিংশ শতাব্দীর শুরুটা ছিল শ্রেণি কলহ এবং বিক্ষোভ আন্দোলনের সময়। সেই সময় ইউরোপ এবং আমেরিকায় বেকারত্ব একেবারে সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। যখনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিসমাস পালন হতো, তখন সর্বহারা দলগুলি দাঙ্গা বাঁধিয়ে দিত। এমনকী ১৮২৮ সালে নিউ ইয়র্কে সর্বপ্রথম পুলিশ বাহিনীও গড়ে তোলা হয়েছিল শুধুমাত্র ক্রিসমাসের দাঙ্গাকে ঠেকাতে। এসময় নিউইয়র্কের ধনী শ্রেণির কিছু ব্যক্তি ক্রিসমাস আয়োজনে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন।

১৮১৯ সালে কিংবদন্তি লেখক ওয়াশিংটন আরভিং The Sketchbook Of Geofret Crayon নামের একটি গল্পের সিরিজ লেখেন। এই গল্পটি ছিল মূলত ইংরেজ পরিবারে তাঁর কাটানো ক্রিসমাসের অভিজ্ঞতা নিয়ে। আমেরিকায় ক্রিসমাস উদযাপনের ধারা পরিবর্তনে এই বইটি এক অসাধারণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি আরও একজন প্রথিতযশা লেখক চার্লস ডিকেন্সের 'The Christmas Carrol' বইটির ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এই বইটিতে চার্লস ডিকেন্স দেখিয়েছিলেন কীভাবে ধনী গরিবের ভেদাভেদ ভোলার জন্য একটি বড় ধর্মীয় দিন হয়ে উঠতে পারে ক্রিসমাস। ডিকেন্সের এই মতবাদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইংল্যান্ডে বেশ প্রভাব ফেলে। আর এভাবেই কিছু প্রগতিশীল অবদানের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ক্রিসমাস।

কবে প্রথম উদযাপিত হয়েছিল ক্রিসমাস?

মানুষ যখন খ্রিস্টধর্ম অনুসরণ করতে শুরু করেছিল, তখন যিশুর জন্মদিন পালনের কোনও ধারণাই ছিল না। একমাত্র উদযাপনের দিনটি ছিল ইস্টার। এর কারণে সঠিক জন্মতারিখের কোনও প্রমাণ ছিল না বাইবেলেও। কিন্তু অনেকেই যিশুর জন্মদিন পালনের জন্য আগ্রহী হয়েছিলেন। সেই কারণে একটি তারিখ ঠিক করা হয় এবং সেটি ছিল ৬ জানুয়ারি। এই তারিখটি প্রথমে কিন্তু ২৫ ডিসেম্বর ছিল না। ৬ জানুয়ারি তারিখটি ছিল রোমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র তারিখ কারণ এটি ছিল শিশু দেবতা মিথ্রার জন্মদিন। তবে চতুর্থ শতাব্দীতে পুরো দৃশ্যপট পাল্টে যায় যখন তৎকালীন নিযুক্ত পোপ জুলিয়াস ঘোষণা করেন, ২৫ ডিসেম্বরকে যিশুর জন্মদিন হিসাবে উদযাপন করা হবে। এই ব্যাপক পরিবর্তনের পেছনের তথ্য এবং কারণগুলি এখনও বেশ বিতর্কিত। তবে মনে করা হয়, যেহেতু মিথ্রা ও যিশুর জন্মদিন একই দিনে পালন করা হচ্ছিল, ফলে সমস্যা হচ্ছিল। তাই সেই সমস্যার সমাধানের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

লিখেছেন
Sourish Das
Sourish Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।