রেগে আগুন অমিত শাহ! বঙ্গ বিজেপির নেতারাই কি বারবার মুখ পোড়াচ্ছেন তাঁর?

বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতাদের একাংশ যেভাবে দল পরিচালনা করছেন, তাতে দলের মুখ বার বার পুড়ছে৷ তবুও হুঁশ ফিরছে কই?

Kanad Dasgupta
৫ মিনিট
রেগে আগুন অমিত শাহ! বঙ্গ বিজেপির নেতারাই কি বারবার মুখ পোড়াচ্ছেন তাঁর?

শাহি-তোপের নিশানায় এবার বিজেপি'র রাজ্য নেতারা৷ পদ খোয়ানোর ভয়ে বাড়ছে তাঁদের রক্তচাপ৷ অপরাধের যা বহর, তাতে শুধু পদ খোয়ানোতেই 'শাস্তি' শেষ নাও হতে পারে৷ রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আম এবং ছালা, দুটোই হাতছাড়া হতে পারে গেরুয়াবাহিনির রাজ্য সেনাপতিদের৷

জনগণকে ভুল বোঝালে তার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হয়তো মেলে না৷ পরবর্তী ভোট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়৷ কিন্তু কাশীপুরের ঘটনা নিয়ে বঙ্গ বিজেপি-র নেতারা গত ৬ মে যে ভাবে বিভ্রান্ত করেছেন অমিত শাহকে, তাতে রুষ্ট হয়েছেন খোদ দলের শীর্ষনেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ এই রোষের কোপ দ্রুত নেমে আসতে পারে রাজ্য কমিটির ঘাড়ে৷ সূত্রের খবর, এই ক্ষোভ তিনি উগরেও দিয়েছেন৷ শোনা যাচ্ছে, এভাবে কেন তাঁকে ভুল বোঝানো হলো, তার কৈফিয়তও শাহ তলব করেছেন বঙ্গ নেতাদের কাছ থেকে৷ মোটের ওপর, রহস্যজনকভাবে মৃত বিজেপি কর্মী অর্জুন চৌরাসিয়ার মরদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায়, হতমান হয়েছেন অসহায় অমিত শাহ৷ প্রসঙ্গত, গত ৬ মে দলের রাজ্য নেতাদের 'পরামর্শে' কাশীপুরের ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকার তথা শাসক দলকে এই মৃত্যুর জন্য দায়ী করে অনেক কথা শাহ বলেছিলেন৷ নিজে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও ওই মৃত্যুর ঘটনার সিবিআই স্তরের তদন্ত দাবি করেছিলেন তিনি৷ বলেছিলেন, "এই হত্যাকাণ্ডের সিবিআই তদন্ত হওয়া উচিত। গত কিছুদিনের মধ্যে অনেকগুলি ক্ষেত্রে সিবিআই তদন্তের নির্দেশে দিয়েছে আদালত। দেশের কোথাও এত কম সময়ে এতগুলি সিবিআই তদন্তের নির্দেশের নজির নেই। সাধারণ মানুষের মতো আদালতেরও রাজ্য পুলিশের উপরে আস্থা নেই।" বলেছিলেন, "অর্জুন চৌরাসিয়ার রাজনৈতিক হত্যা হয়েছে। জঘন্য হত্যা হয়েছে। সারা বাংলায় বিরোধী নেতাদের হত্যা করার একের পর এক উদাহরণ সামনে আসছে। আজই রাজ্য সরকারের কাছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রিপোর্ট তলব করছে। দোষীদের সবাইকে কঠোর শাস্তি সুনিশ্চিত করব।"

সেদিন এই ধরনের মন্তব্য করার আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মাথায় রাখা উচিত ছিল, (১) ন্যূনতম তদন্ত তখনও পর্যন্ত শুরু হয়নি, (২) তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন কেন্দ্রীয় সরকারি কোনও এজেন্সির রিপোর্টও তাঁর হাতে তখন ছিল না, (৩) তিনি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, দলের নিচুতলার নেতাদের ইন্ধনে মন্তব্য করা একদমই হঠকারিতা হচ্ছে কি না, (৪) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখ থেকে এভাবে 'সিবিআই-তদন্ত' চাওয়া ঠিক হচ্ছে কি না৷ সেদিন এসবকিছুই ভাবেননি অমিত শাহ৷ অবশ্য ভাববেনই বা কেন! দলের দায়িত্বশীল পদাধিকারীরা তাঁকে 'ব্রিফ' করেছেন, "অর্জুন চৌরাসিয়াকে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে তৃণমূল৷ তাঁর কলকাতা সফরের মাঝেই দলের এক কর্মীকে এভাবে খুন করবে তৃণমূল, আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চুপ থাকলে কর্মীরা হতোদ্যম হয়ে পড়বে।"

শাহ বিশ্বাস করেছেন রাজ্য নেতাদের এই কথা৷ তিনি তো জানেন না, বঙ্গ বিজেপির যাবতীয় অভিযোগই দাঁড়িয়ে আছে কল্পনা আর অসত্যের ওপর৷ তাই তিনি প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ বর্ষণ করেছেন৷ তৃণমূলের কঠোরতম শাস্তিও দাবি করেছেন৷

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ঐতিহাসিক জয়ের ১১ বছর, আজ কোথায় দাঁড়িয়ে মমতার তৃণমূল?

অস্বস্তিতে পড়েছে সরকার৷ রাজনৈতিক মহল বলছে, তৎকালীন শিক্ষা দপ্তর তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিয়োগ-সংক্রান্ত বিষয়ে আরও সতর্ক, আরও সচেতন এবং আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে, আজ এভাবে প্রশ্নের মুখে সরকারকে পড়তে হতো না৷

ওদিকে কলকাতা হাই কোর্ট এই মৃত্যুর মামলায় মরদেহের ময়নাতদন্তের ভার দেয় কেন্দ্রীয় সরকার-নিয়ন্ত্রিত কম্যান্ড হাসপাতালকে৷ যথারীতি ময়নাতদন্ত হয় এবং সেই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই বিজেপির রাজ্য নেতারা যে হাওয়া দিয়ে অমিত শাহের বেলুন ফুলিয়ে দিয়েছিলেন, তা চুপসে যায়৷ বোকা হয়ে যান শাহ৷ এমন পরিস্থিতিতে আগে পড়েননি তিনি৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্টে অর্জুনের খুন হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে৷ বলা হয়েছে, সে আত্মহত্যাই করেছে৷ এদিকে আত্মহত্যার কারণ হিসেবে মৃত বিজেপি নেতা অর্জুন চৌরাসিয়ার অনলাইন জুয়ায় আসক্তির কথাই উঠে আসছে৷ কয়েক বছর ধরেই এই অনলাইন জুয়ায় ডুবে গিয়েছিলেন তিনি৷ হেরেছেন লক্ষ লক্ষ টাকা৷ এই নিয়ে পরিবারে চরম অশান্তি চলছিল৷ যাঁদের কাছ থেকে টাকা ধার করে অর্জুন জুয়া খেলে হেরেছে, তারাও ফেরত চাইছিল টাকা৷ প্রাথমিক তদন্তের শেষে পুলিশ মোটামুটি নিশ্চিত, জুয়ায় বিপুল পরিমাণ টাকা খোয়ানো, এই নিয়ে পারিবারিক অশান্তি এবং পাওনাদারদের তাগাদা, এই তিনের জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন বিজেপির ওই নেতা৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখার পর বিজেপি নেতারা ভাবছেন, কম্যান্ড হাসপাতালে ময়নাতদন্তের দাবি আদালতে তোলা ব্লান্ডার হয়েছে৷ রাজ্য সরকারের কোনও হাসপাতালে হলে ফের চিল-চিৎকার করা যেত৷ওদিকে,এইভাবে বেইজ্জত হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই অমিত শাহ চটেছেন দলের নেতাদের উপর৷ শাস্তি দেওয়ার মকশো করছেন দিল্লি বসে৷ ঘনিষ্ঠ মহলে শাহ বাংলার নেতাদের তুলোধনা করে বলেছেন, "এরা কেউ মাটির খবর রাখে না, সব বিষয়কেই নিজেদের মতো সাজিয়ে নেয়।" অমিত শাহকে ভুল বুঝিয়ে এবং ন্যূনতম খোঁজখবর না নিয়েই রাজ্য বিজেপি নেতারা এই মৃত্যুকে 'খুন' বানিয়ে দেন এবং খুনের দায় চাপান তৃণমূলের ঘাড়ে৷ এই পর্যন্ত না হয় ঠিকই ছিল, বিজেপি প্রায় সব ঘটনার ক্ষেত্রেই এমন করে৷ কিন্তু মাতব্বরি দেখাতে এই মিথ্যা, স্বরচিত কাহিনিই ব্রিফ করা হয় শাহকে৷ নানা রং চড়িয়ে শাহকে বলা হয়, নিজের চোখেই দেখুন, বাংলায় তৃণমূল ঠিক কেমনভাবে খুন করছে বিজেপি কর্মীদের৷ শুধু অসত্য তথ্য পেশ করাই নয়, বিজেপি নেতারা সেদিন অকুস্থলে পর্যন্ত টেনে আনেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে৷ শাহ দলের নেতাদের ওপর ভরসা করে শত ব্যস্ততার মাঝেও কাশীপুরে পা রাখেন এবং হাস্যকর কিছু কথা বলে যান৷ এই ধাক্কাটা এখন ঠিক নিতে পারছেন না অমিত শাহ৷ বাংলার নেতাদের ভোটের পর থেকেই 'অপদার্থ', 'অযোগ্য' ছাড়া অন্য কিছুই ভাবছিলেন না শাহ৷ কিন্তু কিছু করতে পারছিলেন না দলীয় বাধ্যবাধকতার কারনে ৷ এবার সেই রাগ মেটাতে চাইছেন অমিত শাহ৷ বিজেপি সূত্রে খবর, এই ঘটনায় বিস্তর চটেছেন শাহ। রাজ্য নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, "এরা কেউই কোনও খবর রাখে না, শুধুই অজুহাত খোঁজে৷ একুশের নির্বাচনে এরাই ভুলভাল তথ্য দেওয়ায় দুশো পার করা যায়নি। কাশীপুরের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে এরা ভুল খবর দেয় এবং আমায় ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে দলের এবং আমার সম্মান ডুবিয়ে দিয়েছে।"

এদিকে এই কাণ্ডের পর তৃণমূলের সমালোচনার মুখে পড়েছেন অমিত শাহের ভূমিকা৷ তা নিয়েও প্রচণ্ড রেগেছেন শাহ। সেই ক্ষোভই এবার উগরে দিতে চলেছেন বঙ্গ বিজেপির নেতাদের ওপর৷

এমনিতেই শাহ-র এবারের কলকাতা সফরে তেমন কিছু প্রাপ্তি হয়নি রাজ্য নেতাদের৷ ৩৫৬ ধারা জারি করার রাজ্য নেতাদের আবদার তিনি খারিজ করে দিয়েছেন। বিরোধী দলের ঠিক কেমন করে লড়াই করা উচিত, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ের ইতিহাস থেকে শিখতে বলেছেন৷ এতেই কাত হয়ে পড়েছে বিজেপির রাজ্য কমিটি৷ তার ওপর এখন শাহকে ভুল বোঝানোর দায় চেপেছে তাদের ঘাড়েই৷ অভিযোগ এনেছেন খোদ শাহই৷ শিয়রে সমন নিয়ে এখন শাস্তির অপেক্ষায় রয়েছেন রাজ্য নেতারা৷

আসলে, সব কাজ সবার দ্বারা হয় না৷ রাজার পার্ট সবার জন্য নয়৷ চিড়িয়াখানা ছাড়া যারা জীবনে বাঘ দেখেনি, তারাই যদি 'রিং মাস্টার' হয়ে যায়, তাহলে অস্তিত্বের সংকট অবধারিতভাবেই দেখা দেবে৷ মিথ্যাকেন্দ্রিক রাজনীতিতে মুখ পোড়ার আশঙ্কা থাকে সবসময়৷ আর এবার তো বাঘের সামনে দাঁড়ানোমাত্রই সন্ধ্যা হয়েছে৷ বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতাদের একাংশ যেভাবে দল পরিচালনা করছেন, তাতে দলের মুখ বার বার পুড়ছে৷ তবুও হুঁশ ফিরছে কই?

অমিত শাহ পাকা মাথার খেলোয়াড়৷ তাঁর বুঝতে বিন্দুমাত্র অসুবিধা হয়নি, রাজ্য নেতারা অযোগ্য, অদক্ষ, সাংগঠনিক কোনও মেরুদণ্ডই নেই তাঁদের৷ পদে আছেন বলে পাঁচটা লোক সমীহ করে৷ পদ না থাকলে পাশের বাড়ির পড়শিরাও এঁদের চেনে না৷

রাজ্য নেতারা যে তাঁদের সীমাবদ্ধ যোগ্যতার কথা জানেন না, তেমন নয়৷ তবুও নিজেদের হুঁশ ফিরছে কোথায়? এই নেতাদের অযোগ্যতা, অপরিণামদর্শিতা, অনভিজ্ঞতার জেরেই কি এভাবে কালি লেগেছে শাহের মুখে? শাহ অন্য ধাতুতে তৈরি৷ দম্ভ আর অহংকারে সবসময়ই গমগম করছেন৷ সেই শাহ রাজ্য নেতাদের মূর্খামির শিক্ষা দেবেন, বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা৷ অপেক্ষা শুধু সময়ের৷

লিখেছেন
Kanad Dasgupta
Kanad Dasgupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?