'ভোটে লড়ার টাকা নেই'! কতটা সত্যি বলছেন নির্মলা?

Nirmala Sitharaman: শোনা গিয়েছে, দলের তরফে নাকি লোকসভা ভোটে লড়ার জন্য ডাক পাঠানো হয়েছিল নির্মলাকে। প্রাথমিক ভাবে তিনি ভেবে দেখার কথা বললেও পরবর্তীতে ভোটে লড়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন। বৃহস্পতিবার তিনি জানান, অর্থাভাবেই ভোটে লড়তে পারছেন না তিনি।

Sohini Das
৫ মিনিট
'ভোটে লড়ার টাকা নেই'! কতটা সত্যি বলছেন নির্মলা?

লোকসভা ভোট সামনেই। ইতিমধ্যেই প্রায় সব দলেরই প্রার্থীতালিকা ঘোষণা প্রায় শেষের পথে। বিজেপির তিন দফা তালিকা প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে সেই তালিকায় নাম নেই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের। কেন নেই? তবে কি তাঁকে লোকসভা ভোটে দাঁড়ানোর জন্য আমন্ত্রণ জানায়নি দল? বৃহস্পতিবার নির্মলা জানিয়েছেন, তিনি ভোটে লড়তে পারবেন না। কারণ নাকি তাঁর কাছে টাকা পয়সা নেই ভোটে লড়ার মতো। কিন্তু কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী সীতারমনের ২০২২ সালে জমা করা হলফনামা বলছে, সে সময় তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২,৬৩,৭৭,৮৬১ টাকা। সর্বশেষ সম্পত্তির হিসাবে স্বয়ং মোদীর চেয়ে একটু হলেও এগিয়েই আছেন নির্মলা। অথচ তিনি বলছেন, ভোটে লড়ার মতো অর্থই নাকি তাঁর নেই।

তবে কেন এমন বলছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। শোনা গিয়েছে, দলের তরফে নাকি লোকসভা ভোটে লড়ার জন্য ডাক পাঠানো হয়েছিল নির্মলাকে। প্রাথমিক ভাবে তিনি ভেবে দেখার কথা বললেও পরবর্তীতে ভোটে লড়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, অর্থাভাবেই ভোটে লড়তে পারছেন না তিনি। রাজনীতির ব্যাপারে যাদের সামান্যতম জ্ঞানটুকুও রয়েছে, তাঁরা সকলেই জানেন, কোনও প্রার্থীই সাধারণত নিজের সঞ্চিত অর্থের ভরসায় ভোটে লড়েন না কোনও কালেই। সেই অর্থ তাঁকে জোগায় দল। এদিকে বিজেপি দেশের অন্যতম ধনী দল। ইলেক্টোরাল বন্ড মারফৎ কোটি কোটি টাকা ঢুকেছে দলের কোষাগারে। এদিকে নির্মলার মতো জরুরি মন্ত্রকের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীর ভোটে দাঁড়ানোর সামান্য অর্থটুকু জোগাতে পারল না দল? স্বাভাবিক ভাবেই নির্মলার এই তত্ত্ব হজম হচ্ছে না ওয়াকিবহাল মহলের।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নির্বাচনে লড়ার টাকা নেই খোদ অর্থমন্ত্রী নির্মলার! সম্পত্তির খতিয়ান বলছে যে কথা

Nirmala Sitharaman BJP: নির্মলা বলছেন, "আমার কাছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো টাকা নেই। অন্ধ্রপ্রদেশ হোক বা তামিলনাড়ু হোক, দুই ক্ষেত্রেই আমারও সমস্যা আছে।"

যতদূর জানা যাচ্ছে, ২০২৪ লোকসভা ভোটে তামিলনাড়ু বা অন্ধ্রপ্রদেশের আসন থেকেই লড়তে বলা হয়েছিল নির্মলাকে। কিন্তু সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। নির্মলা তামিলনাড়ুর ভূমিকন্যা। সেখানেই তাঁর জন্ম। বেড়ে ওঠাও। এদিকে অন্ধ্রপ্রদেশ নির্মলার শ্বশুরবাড়ি। তাঁর স্বামী পারকলা প্রভাকর অন্ধ্রের মানুষ। এমনকী নির্মলা ও প্রভাকরের বিয়েতে বিশেষ ভূমিকা ছিল অন্ধ্রপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর। এক জায়গার তিনি মেয়ে, অন্য জায়গায় পুত্রবধূ। অথচ দুটি জায়গাই ভোটে লড়ার জন্য প্রত্যাখ্যান করলেন নির্মলা। যদিও তিনি বলেছেন, “অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা তামিলনাড়ু, যেখানেই ভোটে দাঁড়াই, সেখানে জেতার একাধিক মাপকাঠি রয়েছে।" অথচ সেই জেতাম্যাচে তিনি অংশই নিলেন না শুধুমাত্র অর্থাভাবে।

ইলেক্টোরাল বন্ড মারফত সবচেয়ে বেশি টাকা পেয়েছে বিজেপি, এ কথা প্রমাণিত। লোকসভা ভোটের ঠিক আগে আগে এই ঘটনা যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলেছে দলকে। ইলেক্টোরাল বন্ড মারফত অন্যান্য ছোট-বড় দলরাও টাকা পেয়েছে বটে। তবে বিজেপির মতো এত বড় অঙ্ক আর কারওর ফান্ডে ঢোকেনি। সম্প্রতি নির্মলার স্বামী তথা প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ মুখ খুলেছিলেন এই ইলেক্টোরাল বন্ড কেলেঙ্কারি নিয়ে। এই প্রকল্পকে শুধু দেশের নয়, গোটা বিশ্বের সব থেকে বড় দুর্নীতি বলে জানান তিনি। নির্বাচনেও ভোটাররা এই দুর্নীতির জন্য এই সরকারকে যথাযথ শাস্তিও দেবে বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। প্রভাকরের এই মন্তব্য নিয়ে মুখে কিছু না বললেও বেশ অস্বস্তিতে পড়েছিল দল। বলাই বাহুল্য, অস্বস্তিতে পড়েন নির্মলা নিজেও। তিনি বর্তমানে দেশের অর্থমন্ত্রী। আর তার জমানাতেই সামনে এসেছে বিজেপির এত বড় অস্বস্তির কথা। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মত, সেই অস্বস্তি চারিয়ে গিয়েছে নির্মলার মধ্যেও। আর সেখান থেকেই কি দলের টাকা নিতে চাইছেন না নির্মলা! তাই এবার প্রকাশ্যে ঘোষণা করে সেই বিরোধিতার জায়গাটা সামনে এনে দিলেন তিনি। উঠেছে প্রশ্ন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
চৌকিদারই চোর? বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি নির্বাচনী বন্ডই?

Bharti Airtel Electoral Bond: ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৮ তারিখ, সংসদে যে নতুন টেলিকম বিল পেশ হয়, সেই সময়ে ১৪৩ জন বিরোধী সাংসদকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

তবে কেউ কেউ আবার উস্কে তুলেছে অন্য একটি প্রশ্নও। অতীতে বারবার রাজ্যসভায় জিতে সংসদে এসেছেন নির্মলা। সেখান থেকেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক হয়ে অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব। সেই নির্মলা কি তবে লোকসভা ভোটে লড়তে আদতে ভয় পাচ্ছেন? সে জন্যই অর্থাভাবের কথা বলে ভোটের লড়াই থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন নির্মলা? দক্ষিণ ভারতে বিজেপির অবস্থা যে খুব একটা ভালো, তেমনটা বলা যায় না। অনেকদিন ধরেই দক্ষিণ ভারতের মন জয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছে বিজেপি। দলের তাবড় নেতারা বারবার যাচ্ছেন দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে। কিছুদিন আগেই মহাধূমধাম করে উদ্বোধন হয়েছে রামমন্দিরের। সেই রামমন্দিরে অভিষিক্ত রামমূর্তির আদলেও আমরা দেখেছে দক্ষিণ ভারতীয় শিল্পের ঢং। সেসময় থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, কেন উত্তর ভারতে অবস্থিত রামমন্দিরে দক্ষিণী মূর্তির আদল গ্রহণ করল মোদি সরকার। রামমন্দিরের প্রতিটা ইঁটের গাঁথনি থেকে শুরু করে প্রতিটি নকশা কিন্তু রীতিমতো বিবেচনা করে ভেবেচিন্তেই নিয়েছে মোদি-সরকার। আর তার নেপথ্যে অবশ্যই ছিল ২০২৪ লোকসভা ভোটের ভাবনা। ফলে দক্ষিণের মন জয়ে মোদির দল যে ঠিক কতটা মরিয়া, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না।

অর্থমন্ত্রীর সিংহাসনে বসা নির্মলা কি সত্যিই পারতেন সেই দক্ষিণে দাঁত ফোটাতে? অবশ্য ভূমিকন্যা হওয়ার সামান্য সুবিধা তার কাছে ছিলই। এখানে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন ওঠে, অর্থাভাবে ভোট লড়তে পারছেন না বলার পরেও কি দলের তরফে অর্থসহায়তার আশ্বাস পাননি নির্মলা? তবে কি ভোটে লড়বেন না বলে ইলেক্টোরাল বন্ড দুর্নীতি থেকে নিজের ব্যবধানটাই স্পষ্ট করে দিতে চাইলেন অর্থমন্ত্রী? সিপিআইএমের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক মহম্মদ সেলিম অবশ্য তেমনটাই মনে করছেন। ইলেক্টোরাল বন্ড দুর্নীতির টাকা নিতে চাননি বলেই নির্মলা অর্থাভাবের কথা বলেছেন বলে মনে করছেন সেলিম। তাঁর কথায়, "বিজেপির মতো দলগুলি টাকাপয়সা দিয়েই ভোট করে। বামেদের প্রার্থীতালিকায় তো কোনও প্রার্থীর অর্থবল দেখা হয়নি। বিজেপি যে টাকায় ভোট করে অর্থাৎ ইলেক্টোরাল বন্ডের টাকা, সেই পাপের টাকার আসলে অংশীদার হতে চান না নির্মলা। ভোট লড়তে চান না সেই ঘুষের টাকায়। সেজন্য তাঁকে বাহবা জানাই। ওঁর স্বামী অর্থনীতিবিদ পারকলা প্রভাকর নিজেই জানিয়েছেন, যে অর্থনীতি দিয়ে বিজেপি চলছে, তা আসলে দেশটাকে চৌপাট করে দিচ্ছে। স্ত্রী হিসেবে সেই দুর্নীতিকে যদি নির্মলা অনুভব করে থাকেন, তার জন্য ফের স্বাগত জানাই নির্মলাকে।" প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির জমানায় এই ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্পের শুরু। সে সময় অর্থমন্ত্রী ছিলেন না নির্মলা। ফলে নির্মলা নিজেকে সেই দুর্নীতি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টাই সম্ভবত করলেন অর্থাভাবের কথা বলে, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

তাছাড়া সাধারণত যে কোনও দলের ভোটের খরচ বহন করে সেই দলই। ইলেক্টোরাল বন্ড মারফৎ সব দল কমবেশি লাভবান হলেও এক পয়সাও বন্ড থেকে নেয়নি সিপিএম। কেরলের মতো জায়গায় সরকারে থাকা সত্ত্বেও সেই দুর্নীতির অংশ হয়নি বাম। এমনকী প্রকল্প প্রণয়ণের সময় জেটলি জমানাতেই এই বন্ডের বিরোধিতা করেছিল বামেরা। সেলিম জানিয়েছেন, বামেদের দল চলে ক্রাউড ফান্ডিংয়ের টাকা থেকেই। জনতার টাকাতেই ভোট করে তাঁদের দল। কর্পোরেট পুঁজি কোনও কালেই ব্যবহার করেনি বাম। বরাবরই ছাত্রযুব, শ্রমিক, কৃষক থেকে নিজস্ব বাহিনী তৈরি করে এসেছে কমিউনিস্ট পার্টি। তাঁদের ৩৬৫ দিনের আয়ের থেকে দু'দিনের আয় নেয় সিপিএম। এই টাকা বামেদের প্রথম সম্বল। এ ছাড়া গণসংগ্রহ তো রয়েইছে। সেখান থেকেই দল চলে। ভোট হয়। অর্থাৎ বোঝাই যায়, নির্মলা যা বলেছেন, তা সর্বাঙ্গীন ভাবে সত্যি নয়। তবে এই ইলেক্টোরাল বন্ড দুর্নীতি সামনে আসার পর তাঁর এই বক্তব্য বিশেষ ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ তো বটেই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?