যোগী আদিত্যনাথ, আদানিই তবে 'আদর্শ' অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের?

Justice Abhijit Gangopadhyay: বিচারপতি অভিজিৎ কলকাতা পুরসভার আইনজীবীর উদ্দেশে বললেন, ‘‘দরকার পড়লে যোগী আদিত্যনাথের থেকে কিছু বুলডোজার ভাড়া করুন।’’

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
যোগী আদিত্যনাথ, আদানিই তবে 'আদর্শ' অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের?

পথ নিজেকে 'দেব' (দীপকার্থে প্রচলিত মিম নয়) ভাবে। রথও নিজেকে বিশাল কেউকেটা ভাবে, মূর্তিও ভাবে তাঁকে ছাড়া বৃথা আয়োজন। সত্যটির খোঁজ রাখেন কেবল 'অন্তর্যামী'। তিনিই জানেন ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির রহস্য, তিনিই জানেন এআই মানুষকে গিলে খাবে কিনা, তিনিই জানেন, দেশে দেশে যুদ্ধ লাগলে কোন অস্ত্র ফেলা হবে। যাকে মাঝে মাঝে 'আমাদেরই লোক' ভাবা হয়, তিনি আসলে যে কাহাদের এই প্রশ্নটির উত্তরও সেই অন্তর্যামীই জানেন। যেমন জানেন, আমাদের এই রাজ্যের অধুনা 'মসিহা' বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বেশ কিছুকাল ধরে, দুর্নীতিতে পচে যাওয়া রাজ্যে তিনিই হয়ে উঠেছেন একমাত্র আশার আলো। নিপীড়িতের হয়ে, ন্যায়ের হয়ে সওয়াল করেছেন তিনিই। যোগ্য হয়েও চাকরি না পাওয়া মানুষের পাশে থেকেছেন। শাসকদলের ক্রোধে পড়েছেন, সুপ্রিম আদালত মামলা কেড়ে নিয়েছে তবু অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ক্যারিশমা'-তে ভরসা রাখতে চেয়েছেন ক্ষয়ে যাওয়া একটা রাজ্যের মানুষ। কিন্তু ক্যারিশমাধারী মানুষটি নিজেকে কোন তরফে রাখেন? এ বোঝা বড়ই শক্ত।

সিপিআইএমপন্থীরা ভেবেছেন তিনি তাহাদেরই লোক, বিজেপি ভেবেছে বিরোধী তৃণমূলকে নাস্তানাবুদ করতে তাঁদের বিশ্বস্ত হাতিয়ার বিচারপতি অভিজিৎই। একমাত্র তৃণমূল ছাড়া হেন কোনও দল নেই যারা বিষ নজরে দেখে বিচারপতিকে। কিন্তু বিচারপতির নজরটা কেমন? কেমনই বা তাঁর দর্শন, কেমনই বা তাঁর দৃষ্টি? রাজনীতি হোক, জীবন হোক, একজন মানুষের অবস্থা বুঝতে 'লিটল অ্যাক্টস'-এর ভূমিকা অসীম। মুন্নাভাই এমবিবিএস সিনেমায় সঞ্জুভাই যখন পরিত্রাতা ও ত্রাতা দুই-ই, এক যুবতীকে জীবনসঙ্গী বাছতে সাহায্য করেছেন তিনিই। কীভাবে বোঝা যাবে একটা মানুষের সঙ্গে সারাজীবন কাটানো যাবে কিনা? মুন্নাভাই রেস্তোরাঁয় অপেক্ষারত সেই যুবতীকে পরামর্শ দিলেন, তাঁর সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী রেস্তোরাঁর কর্মীকে কীভাবে ডাকছেন তা দেখতে। তিনি যদি শিস দিয়ে, নানা রকম দুর্বোধ্য অশ্লীল আওয়াজ করে একজন কর্মীকে ডাকেন, বুঝতে হবে এই মানুষটি সকলকে সম্মানই করতে জানে না। জীবনসঙ্গী হতে এটুকু শ্রদ্ধা তো দরকার। ব্যাস! কেল্লা ফতে! ছোট্ট একটি অঙ্গভঙ্গি, ছোট্ট আচরণ বুঝিয়ে দিল চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। রাজ্যে কোনও যথোপযুক্ত মুন্নাভাই নেই। কিন্তু বিচারপতি আছেন। তাঁকে 'লিটল অ্যাক্টস' দিয়ে মাপতে বসা বিড়ম্বনার। তিনি আসলে কাহাদের লোক? কী তাঁর দর্শন? কী তাঁর আদর্শ? বিচারপতি অভিজিৎ সম্প্রতি বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত একটি মামলায় কলকাতা পুরসভার আইনজীবীর উদ্দেশে বললেন, ‘‘দরকার পড়লে যোগী আদিত্যনাথের থেকে কিছু বুলডোজার ভাড়া করুন।’’

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নিজের রায় গিললেন বিচারপতি! কেন ববিতাকে চাকরি দিয়েও ফের কাড়লেন অভিজিৎ?

Abhijit Ganguly SSC Scam: পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারী বেআইনিভাবে শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন ববিতা সরকার।

মানিকতলা মেনরোডের এক বাসিন্দার অভিযোগ, তাঁর পৈতৃক বাড়ি দখল করে বেআইনি নির্মাণ করেছেন এক প্রতিবেশী। ওই প্রতিবেশী কলকাতা পুরসভায় বাড়ি মেরামতের আবেদন করে পাশের ভবনে যাতায়াতের জন্য বেআইনি ভাবে পথ নির্মাণ করেন। পুরসভায় অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি। তাই কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেন তিনি। ২০১৮ সালে বিচারপতি দেবাংশু বসাক নির্মাণটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। আংশিকভাবে ওই বেআইনি নির্মাণ ভেঙেও দেয় পুরসভা। ছ’মাস পরেই ফের নতুন করে নির্মাণ শুরু করে ওই প্রতিবেশী পরিবার। ২০২১ সালে আবার নতুন মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। সেই মামলার রেশ ধরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পরামর্শ দিচ্ছেন, যোগীর পথে এগোতে। বুলডোজার দিয়ে উত্তরপ্রদেশে কী হয়, তা সকলের জানা। নির্মাণ ভেঙে উৎখাত করতে হলে সেখানে বুলডোজারের দাপটই শেষ কথা। বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলে ন্যায় দিতে হবে একথা সত্য। কিন্তু তাতে আদর্শ কিনা যোগী আদিত্যনাথ? কেন যোগীর রাজ্য চালানোর পন্থায় এত আস্থা রাজ্যের বিচারপতির?

এখানেই শেষ নয়, আরেকটি মামলাতে বিচারপতির কাছে আদর্শ হয়ে উঠেছে আদানি গোষ্ঠী! ইস্টার্ন কোল্ডফিল্ডের স্কুলের শিক্ষকরা বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় স্কুল কর্তৃপক্ষকে তীব্র ভর্ৎসনা করে বলেছেন, স্কুল চালাতে না পারলে আদানিকে বেচে দিন। মাত্র পাঁচ হাজার টাকা বেতন না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইস্টার্ন কোল্ডফিল্ডের বিরুদ্ধে। মোট ৪৪ জন শিক্ষক কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হছেন এই অভিযোগে যে, ইসিএল কোনও নিয়ম না মেনে, নিজের ইচ্ছেমতো বেতন দিচ্ছে। আসলে তলে তলে স্কুল বন্ধ করার চক্রান্ত করছে তারা। ইস্টার্ন কোলফিল্ডের অধীনে ঝাড়খণ্ডে ৯ টি ও বাংলায় ৭ টি স্কুল আছে। শিক্ষকরা বেতন পান যথাক্রমে ৭ হাজার, সাড়ে ৫ হাজার ও ৫ হাজার টাকা। সেই সামান্য বেতনও নাকি ৭-৮ বছর ধরে বাকি পড়ে রয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এবার অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখেও মমতা-স্তুতি!পালটে গেলেন বিচারপতি?

Justice Abhijit Ganguly: বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, "কুণাল ঘোষের কথা আমি খুব এনজয় করি। রোজ কিছু না কিছু বলেন। তবে আমি কোনও অতিরিক্ত মন্তব্য করব না।"

ন্যায়ের সওয়ালে রেগে গিয়েছেন অভিজিৎ। ইস্টার্ন কোল্ডফিল্ডকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা তো করেছেন। পাশাপাশি ভর্ৎসনার প্রেক্ষিতে আস্থা রেখেছেন আদানির উপর। তাহলে স্কুল বা ইত্যাদি পরিকাঠামোর দেখভালে সারাদেশে আদানিই একমাত্র বিশ্বস্ত গোষ্ঠী? ধনকুবেরদের হাতে পড়লেই বাংলার স্কুলের মানোন্নয়ন হবে, শিক্ষকদের দুর্দশা ঘুচবে? অর্থাৎ বেসরকারি হলেই পরিষেবা ভালো হবে মন্ত্রেই বিশ্বাসী অভিজিৎ? এইখানে এসেই ঘেঁটে গিয়েছে 'দেব' ভাবা সমস্ত পথ, রথ ও মূর্তির যাবতীয় দ্বন্দ্বরা। বিচারপতির দর্শন কি তবে আমজনতার মতো নয়? দেশ বা রাজ্য শাসনের প্রসঙ্গে যে যোগীরাজ্যের নিরন্তর সমালোচনা করেন একাংশের শুভবুদ্ধিসম্পন্নরা, সেই যোগী আর বুলডোজারের উগ্র রাজনীতিকেই 'দৃষ্টান্ত' ভাবছেন কেন অভিজিৎ? কেন আদানি গোষ্ঠীর মোদিনির্ভরতা (পড়ুন, মোদির আদানি নির্ভরতা) তাঁর কাছে হয়ে উঠেছে 'উদাহরণ'?

আসলে, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মধ্যে যে 'স্মার্টনেস'-কে ভরসা করেছিল রাজ্য, ভরসা করে রাজ্য- সেই তালমেল রাখতে গিয়ে বিচারপতি এর আগেও এমন কিছু কথা বলেছেন, উদাহরণ দিয়েছেন যা সোশ্যাল মিডিয়ার ভাষায় 'ক্যাচি'। তাহলে, এমন পদাধিকারী ব্যক্তিও কি 'ক্যাচি'র মোহেই পড়েছেন? নাকি সেই 'লিটল অ্যাক্টস'-এর গল্প? তাঁর বেছে নেওয়া উদাহরণই বলে দিচ্ছে আসলে বিচারপতি কীভাবে ভাবতে ভালোবাসেন? স্রেফ 'কথার কথা' বলে যে কিছু হয় না, তা মনস্তত্ত্বের কোনও পাঠ না থাকা মানুষও বুঝবেন। ফের সেই প্রশ্নের ঘাটেই নোঙর ফেলা যাক, বিচারপতি কাহাদের লোক না বলে ভাবা যাক, বিচারপতির আদর্শ আসলে কোনমুখী। বড়ই বিড়ম্বনার সওয়াল, যে অন্তর্যামী হাসছেন আড়ালে, তিনিও দিকভ্রষ্ট হচ্ছেন কিনা সন্দেহ!

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।