বিশ্বজোড়া দক্ষিণপন্থীদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে বিজেপি, কোন লক্ষ্যে?

RSS-BJP: বিজেপি সামনে বলছে তারা হিংসার রাজনীতির বিরোধী, অথচ পিছনে মদত দিচ্ছে সেই শক্তিগুলোকে, যারা সারা বিশ্বে প্রতিক্রিয়াশীল কাজকর্মের জন্য কুখ্যাত।

suman sengupta
৫ মিনিট
বিশ্বজোড়া দক্ষিণপন্থীদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে বিজেপি, কোন লক্ষ্যে?

সারা বিশ্বের বেশ কিছু রক্ষণশীল এবং অতিদক্ষিণপন্থী দলের সদস্যরা ‘ন্যাশানাল কনসারভেটিসম’ নামে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মিলিত হয়েছিলেন, যাদের উদ্দেশ্য দেশে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ধ্বংস করা। সেখানে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত কাছের দু’জন মানুষ। তাঁরা দু’জনেই আরএসএস এবং বিজেপির সক্রিয় সদস্য, রাম মাধব এবং স্বপন দাশগুপ্ত। ঘটনাচক্রে এই দু’জনের উপরেই দায়িত্ব ছিল, ইংরেজি দৈনিকে উত্তর সম্পাদকীয় লিখে, সংসদে রাহুল গান্ধির বক্তব্যের বিরোধিতা করে, জনমত তৈরি করা যে, সঙ্ঘ পরিবার একটি সামাজিক সংগঠন এবং তাদের কাজকর্মের সঙ্গে হিংসার কোনও যোগসূত্র নেই। আরএসএস গণতান্ত্রিক পরিবেশেই তাদের সামাজিক কাজ করে এসেছে এতদিন এবং ভবিষ্যতেও করতে বদ্ধপরিকর।

ওই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমেরিকা, পোল্যান্ড, ইজরায়েল, হাঙ্গেরি সহ নানা দেশের ১১৪ জন প্রতিনিধি উপস্থিত হয়েছিলেন। ভারতের তরফে ছিলেন রাম মাধব এবং স্বপন দাশগুপ্ত। কীভাবে এই প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির প্রসার ঘটানো যায় এদেশে, তা নিয়েই আলোচনা করতে এই সম্মেলন আয়োজিত হয়েছিল। এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটির মূল উদ্যোক্তা হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরব্যান, যাঁর সঙ্গে রাশিয়ার পুতিন এবং আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্পের যথেষ্ট ভালো সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়।

বিজেপি ছাড়া অন্য যারা এই আন্তর্জাতিক ‘ন্যাশানাল কনসারভেটিসম’ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন, তার তালিকা দেখলে মনে হতে বাধ্য, ওই সম্মেলনের আলোচিত বক্তব্য আগামীদিনে আরও হিংসার দিকে ঠেলে দেবে সারা বিশ্বকে। আমেরিকার হেরিটেজ ফাউন্ডেশন খ্রিস্টান জাতীয়তাবাদী সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত একটি সংগঠন। এরা মনে করে সমস্ত গণতান্ত্রিক সংস্থা এবং মানবাধিকার সংগঠনকে ভেঙে দিতে হবে ২০২৫ সালের মধ্যে, তাদের প্রতিনিধিরা ছিলেন এই সম্মেলনে। তাদের তরফ থেকে অন্তত দশজন বক্তব্য রেখেছেন। তাদের নিজস্ব গণমাধ্যম, ‘দ্য ডেইলি সিগন্যাল’, তার অন্যতম প্রধান মেরি মার্গারেট উপস্থিত ছিলেন এখানে। ট্রাম্পের বহু সমর্থক, যারা একসময়ে ট্রাম্পের জাতিবিদ্বেষ সহ অভিবাসন নীতির পক্ষ নিয়েছিলেন এবং ভবিষ্যতেও নেবেন, তেমন বহু মানুষও ছিলেন। প্রাক্তন রিপাবলিকান প্রার্থী বিবেক রামস্বামী ছিলেন। যারা ওই সম্মেলনে ছিলেন, তাদের প্রত্যেককে নিয়ে চর্চা করা হলে দেখা যাবে, এঁদের সবার মতাদর্শ প্রতিক্রিয়াশীল। যে যে সংগঠন ওখানে ছিল, তারা সকলেই হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরব্যানের স্বৈরতান্ত্রিক চিন্তাভাবনাকে সমর্থন করেছে, কোনও না কোনও সময়ে। পোল্যান্ডের অতি দক্ষিণপন্থী দল, যাদের বিরুদ্ধে কিছুদিন আগে সেই দেশের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো ধ্বংসের অভিযোগ উঠেছিল, যাদের বিরুদ্ধে সেখানকার মানুষ গর্জে উঠে তাদের ক্ষমতা থেকে সরিয়েছিল, সেই দলের প্রথম সারির নেতারা এসেছিলেন। ইজরায়েলের জাতীয়তাবাদী সংগঠনের বিশিষ্ট মানুষজন, যাঁরা প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অন্যতম পরামর্শদাতা ছিলেন, প্যালেস্টাইনের উপর আক্রমণের সমর্থন করে তাদের বক্তব্য রেখেছেন। বোঝাই যাচ্ছে, প্রতিটি সংগঠন এবং ব্যক্তি কোন অভিমুখে তাঁদের বক্তব্য রেখেছিলেন। অভিবাসন বিরোধী সংগঠন, সেন্টার ফর ইমিগ্রেশন স্টাডিজের প্রধানও তাঁর অভিবাসন বিরোধী বক্তব্য রেখেছেন। ফ্রান্সে যদিও বামপন্থী এবং সমাজতান্ত্রিক দল নতুন করে ক্ষমতায় এসেছে কিন্তু সেই দেশের এলজিবিটিকিউ আন্দোলন বিরোধী অতি দক্ষিণপন্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে রাশিয়া যাচ্ছেন, এক যুদ্ধবাজ নেতার সঙ্গে দেখা করছেন, অন্যদিকে স্বপন দাশগুপ্ত এবং রাম মাধব ওই সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখছেন। বিজেপি কি তাহলে দ্বিচারিতার রাজনীতি করছে? সামনে বলছে তারা হিংসার রাজনীতির বিরোধী, অথচ পিছনে মদত দিচ্ছে সেই শক্তিগুলোকে, যারা সারা বিশ্বে প্রতিক্রিয়াশীল কাজকর্মের জন্য কুখ্যাত। যতই প্রধানমন্ত্রীসহ বিজেপির মন্ত্রীরা সংসদে বিরোধী দলনেতার বক্তব্যের বিরোধিতা করে গলা ফুলিয়ে বলুক যে, রাহুল গান্ধি তাঁর বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে সমস্ত হিন্দুদের অপমান করেছেন, তাঁরা নিজেরা জানেন, সঙ্ঘ পরিবার তাদের জন্মলগ্ন থেকেই হিংসার রাজনীতি করে আসছে। গান্ধি হত্যাই তার অন্যতম প্রমাণ। বিভিন্ন সময়ে যে সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ শানানো হয়েছে, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে নানা জায়গায় যে দাঙ্গা হয়েছে, তার প্রত্যক্ষ মদতদাতা যে সঙ্ঘ পরিবার, তা ইতিহাস সচেতন সকলেই জানেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
‘হিন্দুই নন!’ লোকসভায় সরাসরি আক্রমণ রাহুলের, উত্তর দিতে কালঘাম ছুটল টিম মোদির

Rahul Gandhi Vs Narendra Modi: সপ্তাহের শুরুর দিনেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সংসদে পেয়ে ঝড় তুললেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। বিজেপি এবং মোদির হিন্দুত্ব নিয়েই এদিন প্রশ্ন তুলে দেন রাহুল।

রাহুল সংসদে দাঁড়িয়ে কী বলেছিলেন? রাহুল গান্ধি খুব স্পষ্টভাবে বলেন, দেশের অধিকাংশ হিন্দু মানুষজন, বিজেপির হিংসার রাজনীতি, সংখ্যালঘু আক্রমণের নীতি পছন্দ করেন না। এই বক্তব্য সঙ্ঘ পরিবার এবং বিজেপিকে লক্ষ্য করেই। বিজেপি জানে, সমাজের উপরতলার কিছু অংশের মানুষের মধ্যে যদি রাহুল গান্ধি তাঁর বক্তব্যের সমর্থক খুঁজে পান, তাহলে বিজেপির রাজনীতির জন্য বিপদ অবশ্যম্ভাবী।

নীচের তলার মানুষকে বিজেপি মুসলমান জনসংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, একদিন মুসলমানরা হিন্দুদের ছাপিয়ে যাবে, হিন্দুদের চাকরি না হওয়ার কারণও মুসলমানরা ইত্যাদি ভুয়ো এবং ভ্রান্ত বার্তা দিয়ে ভুল বোঝাতে পারবেন। কিন্তু সমাজের উপরের অংশকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ইংরেজিতে জাতীয় স্তরের সংবাদপত্রগুলোর উত্তর সম্পাদকীয় প্রবন্ধ দিয়েই তা করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে বিভাজনের বদলে, ভারতের উন্নয়ন, বিকাশের জন্য নরেন্দ্র মোদিকেই কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। রাম মাধব এবং স্বপন দাশগুপ্তকে সেই দায়িত্বই দেওয়া হয়েছিল বিজেপির পক্ষ থেকে। বিজেপি এবং আরএসএস জানে, সমাজের উপরতলার অংশই ধারণা তৈরি করে এবং তাঁদের ধারণাকে একটা দিশায় চালনা করা গেলেই কাজ হাসিল। সেই জায়গা থেকেই তারা ইতিমধ্যেই একটি ধারণা প্রচার করতে সক্ষম হয়েছে যে, বিজেপি এবং সঙ্ঘ পরিবার সত্যিই হিংসায় বিশ্বাস করে না এবং নরেন্দ্র মোদি সত্যিই দেশের উন্নয়নের জন্য প্রাণপাত করছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, সেই অংশের মানুষও কি জানেন যে, খোদ আমেরিকাতে হওয়া ‘ন্যাশানাল কনসারভেটিসম’ নামের ওই সম্মেলনে বিজেপি সঙ্ঘ পরিবারের শুধু নয়, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ, বৌদ্ধিক সেলের উপর তলার ওই দু’জন নেতাকে পাঠানো হয়েছিল? ঘটনাচক্রে তাঁদেরকেই বিজেপির তরফ থেকে রাহুল গান্ধির সংসদের বক্তব্যকে খণ্ডনের যুক্তি সাজাতে বলা হয়েছিল। বিজেপির এই দ্বিচারিতার রাজনীতির মুখোশ উন্মোচন আশু কর্তব্য।

বিশ্বের বহু বিশেষজ্ঞই এই বিষয়ে একমত যে, নরেন্দ্র মোদির আমলে ভারত গণতন্ত্রের মাপকাঠিতে ক্রমশ নীচে নামছে। ‘ভ্যারাইটিস অফ ডেমোক্রেসি’ নামে একটি সংস্থার পক্ষ থেকে ২০২৩ সালের একটি ডেমোক্রেসি সার্ভে রিপোর্টে ভারতকে ‘নির্বাচনী স্বৈরতন্ত্র’ বলা হয়েছে। ওই রিপোর্টে বলা হচ্ছে,

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কাশ্মীরের শান্তি নষ্টের মূল কারিগর, কাশ্মীর টাইগার আসলে কারা?

Kathua Army Convoy Attack: সোমবারের হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী কাশ্মীর টাইগার্স। কারা এই কাশ্মীর টাইগার্স? কীসের জোরে উপত্যকা জুড়ে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তারা?

“South and Central Asia is now the second most autocratic region in the world. More than nine out of ten people, or 93% of the population reside in electoral autocracies like India, Bangladesh, Pakistan, and Kazakhstan. Afghanistan, Turkmenistan, and Uzbekistan are closed autocracies, accounting for 4% of the regional population.”

ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের অন্যতম খারাপ স্বৈরশাসক। বিজেপি ভারতের রাজনীতির মূল স্তম্ভ এবং সংস্থাগুলোকে কব্জা করে ফেলে সেগুলোর রাজনীতিকরণ করেছে, যাতে বিরোধী দল এবং যে কোনও বিরোধী কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করা যায়। নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সমস্ত স্বশাসিত সংস্থাকে ব্যবহার করে মুসলিম সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক করে তাদের ওপর অত্যাচার করছে বিজেপি। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার প্রতিনিধিদের হুমকি দেওয়া, তাঁদের গ্রেফতার করানো, সমস্ত কিছুই হয়েছে নরেন্দ্র মোদির শাসনকালে। বিজেপি মূলত হিন্দুত্বের রাজনীতিই করে এবং অন্যান্য ধর্মের থেকে হিন্দুধর্মকেই প্রাধান্য দেয়। আরএসএস এবং সঙ্ঘ পরিবার তাদের জন্মলগ্ন থেকেই, ইতালির মুসোলিনির ভাবাদর্শে বিশ্বাস করে এসেছে এবং হিন্দুত্বের রাজনীতিই যে ভারতবর্ষের চালিকাশক্তি তা প্রচার করে এসেছে। আরএসএস এবং বিজেপি প্রতিবেশী দেশ দখল করে হিন্দু সাম্রাজ্য তৈরি করার কথাও বলেছে।

সারা পৃথিবীতে এই অতি দক্ষিণপন্থীদের উত্থান হচ্ছে। সেই উত্থানে ভারতের বিজেপি এবং আরএসএসের প্রথম সারির নেতারা উপস্থিত থাকছেন। অন্যদিকে বিজেপি এবং আরএসএস দাবি করছে, তাদের সঙ্গে হিংসার দূর দূর পর্যন্ত কোনও সম্পর্ক নেই। ভারতে নির্বাচনী ফল প্রকাশের পরে দেখা যাচ্ছে সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ করছে হিন্দুত্ববাদী শক্তিরাই, আর অন্যদিকে তারাই আবার দাবি করছে, হিন্দুরা হিংসাশ্রয়ী নয়! রাই রাহুল গান্ধিকে ক্ষমা চাইতে হবে! এই বৈপরীত্য কীভাবে চলতে পারে? বিরোধী দলগুলোর উচিত সংসদের আসন্ন অধিবেশনে বিজেপির নেতাদের আবার প্রশ্ন করা যে, প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ, রাজ্যসভার সদস্য কিংবা আরএসএসের একজন প্রথম সারির সংগঠক কেন বিদেশের মাটিতে এই ধরনের প্রতিক্রিয়াশীল সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন? বিজেপিরও কি তবে গণতন্ত্র ধ্বংস করাই উদ্দেশ্য? রাহুল গান্ধি সঙ্ঘ পরিবার এবং বিজেপিকে লক্ষ্য করে যে বক্তব্য রেখেছেন, তা কি সেটাই সঠিক? সামনে হিন্দুত্বের রাজনীতির বিরোধিতা, পিছনে সেই রাজনীতিকেই মদতের চেষ্টাই কি করছে না বিজেপি?

তথ্যঋণ- https://v-dem.net/publications/democracy-reports/

মতামত লেখকের ব্যক্তিগত

লিখেছেন
suman sengupta
suman sengupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?