নতুন নোট ঘিরে বিতর্ক! কীভাবে বিষিয়ে যেতে পারে নেপাল-ভারত সম্পর্ক?

India Nepal Border Dispute: নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১,৭৫০-কিমি দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা পাঁচটি ভারতীয় রাজ্য - সিকিম, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তর প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ড বরাবর বিস্তৃত।

inscript
৩ মিনিট
নতুন নোট ঘিরে বিতর্ক! কীভাবে বিষিয়ে যেতে পারে নেপাল-ভারত সম্পর্ক?

যতই হালফিলে ডিজিটাল লেনদেন হোক না কেন, টাকা তো আখেরে টাকাই! কোনও দেশের অর্থব্যবস্থার শিকড়ে দাঁড়িয়ে আছে টাকা। মুদ্রা হোক বা কাগজের নোট কেনাবেচার ভিত্তি এই দুইয়ে উপরেই। বিশ্বের ১৯৫টি দেশে এই মুহূর্তে মোট ১৮০ ধরনের টাকা ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি দেশের মতো নেপালও নিজস্ব টাকা ছাপায়। তবে এবার সেই টাকা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিচ্ছে। বিতর্কের কেন্দ্রে ভারতবর্ষ। সম্প্রতি নেপাল তাদের ১০০ টাকার নোটকে নতুন করে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এই সিদ্ধান্তে নেপাল ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। কারণ নেপালি নোটে ছাপানো দেশের মানচিত্রে প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে সীমান্তের বিতর্কিত এলাকাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এখানে উল্লেখ্য, নেপাল ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক ও কৌশলগত পার্থক্য বাড়াতে চিনের পরোক্ষ মদত রয়েছে। এই নতুন নোট ছাপানোর জন্য নেপাল চিনের এক মুদ্রণ সংস্থার সঙ্গেই চুক্তি করেছে। নেপালের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক, নেপাল রাষ্ট্র ব্যাঙ্ক (NRB) নতুন ১০০ টাকার নোটের ৩০০ মিলিয়ন কপি ডিজাইন, মুদ্রণ এবং বিতরণের জন্য চায়না ব্যাঙ্কনোট প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশনের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এত পরিমাণ টাকা ছাপানোর খরচ প্রায় ৮.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মতো। নোটপিছু গড় খরচ হবে ৪.০৪ টাকা। এই নয়া নেপালি নোটে নেপালের একটি সংশোধিত রাজনৈতিক মানচিত্র থাকবে, যাতে লিপুলেখ, লিম্পিয়াধুরা এবং কালাপানির বিতর্কিত এলাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই নতুন নোট ছাপানোর বিষয়ে নেপাল সরকারের অবস্থান সম্পর্কে মন্তব্য করে নেপালের যোগাযোগ মন্ত্রী রেখা শর্মা বলেছেন, "সরকার নেপাল রাষ্ট্র ব্যাঙ্ককে নোটের বর্তমান মানচিত্রটিকে সংশোধিত সংস্করণের সঙ্গে প্রতিস্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে।" চলতি বছরের মে মাসে পুষ্প কমল দাহাল সরকারের আমলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আনুষ্ঠানিক টেন্ডার ডেকেই কাজট করা হয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গোরখনাথের অভিশাপ না ষড়যন্ত্র? নিজের বাবাকে সত্যিই খুন করেন নেপালের যুবরাজ?

Nepal King Birendra Murder Mystery: যদি সত্যিই দীপেন্দ্র হত্যাকারী হন, তাহলে সেই অভিশপ্ত রাত্রে কেনই বা প্রত্যক্ষদর্শীরা একাধিক দীপেন্দ্র সদৃশ ব্যক্তিকে নারায়ণহিতি প্যালেসে দেখতে পেলেন?

কিন্তু এই নোট ঘিরে ভারত-নেপাল সীমান্ত বিরোধ প্রসঙ্গ উঠছে কেন? ১৮১৬ সালে ইঙ্গ-নেপাল যুদ্ধের পর নেপাল ও ব্রিটিশ শাসিত ভারতের মধ্যে সুগৌলি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থেকে নেপাল-ভারত সীমান্ত বিরোধ চলছে। এই চুক্তি অনুসারে, কালী নদীকে নেপালের প্রাকৃতিক পশ্চিম সীমান্ত হিসাবে মনোনীত করা হয়েছিল, যার পূর্বে লিপুলেখ, লিম্পিয়াধুরা এবং কালাপানি অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা নেপালের অন্তর্গত।

তা সত্ত্বেও, এই অঞ্চলগুলি ১৯৬০ সাল থেকে ভারতের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই আঞ্চলিক ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়ে ২০১৯ সালের নভেম্বরে। ভারত তখন একটি নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে যাতে এই বিতর্কিত এলাকাগুলিকে ভারতের সীমানার অন্তর্ভুক্ত করে দেখানো হয়। নেপাল পাল্টা ২০২০ সালের মে মাসে তার নিজস্ব সংশোধিত রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে প্রতিশোধ নেয়, এই এলাকাগুলিকে নেপালের বলে দাবি করা হয় সেই মানচিত্রে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অমৃতপাল সিং থেকে ইয়াসিন ভটকল, ভারতকে এড়াতে কেন নেপালেই আশ্রয় নেয় অপরাধীরা?

Amritpal Singh Khalistan Nepal : ১৮ মার্চ তাঁকে গ্রেফতার করার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরেছে পুলিশ। কিন্তু এখনও তাঁর টিকি পাওয়া যায়নি।

ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নেপালের একতরফা পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেছেন, “আমাদের অবস্থান খুবই স্পষ্ট। নেপালের সঙ্গে আমরা একটি প্রতিষ্ঠিত ফোরামের মাধ্যমে আমাদের সীমান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি। এর মাঝে, তারা নিজেদের পক্ষ থেকে কিছু একতরফা পদক্ষেপ করেছে…কিন্তু তাতে পরিস্থিতি বা আমাদের মধ্যকার বাস্তবতা পরিবর্তন হচ্ছে না।"

চিনকেই কেন নোট ছাপার দায়িত্ব দিল নেপাল? ইংরেজি দৈনিক রিপাবলিকা-র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চায়না ব্যাঙ্কনোট প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশনকে ট্রেন্ডার ডেকেই নির্বাচন করা হয়েছিল। ভারত-চিন-নেপাল ত্রি-সীমান্ত অঞ্চলের কূটনৈতিক অবস্থান এখানে গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের বেশ কিছু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক বলছেন, নেপাল সরকার, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহালের অধীনে জাতীয়তাবাদী অনুভূতিকে মাথায় রেখেই নতুন নোটের ব্যবহার করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, নেপালের নতুন নোট ছাপানোর পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে শক্তিশালী সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১,৭৫০-কিমি দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা পাঁচটি ভারতীয় রাজ্য - সিকিম, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তর প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ড বরাবর বিস্তৃত। এই নোট ছাপানোর ইস্যু সীমান্তে পরিস্থিতি জটিল করে তুলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নেপালের বিদেশমন্ত্রী নারায়ণ কাজী শ্রেষ্ঠা কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেছেন, “আমরা ভারতের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা সমাধান করতে চাই। আমরা কূটনৈতিক উপায় এবং আলোচনার মাধ্যমেই এটি ঠিক করতে চাই। আমরা এর জন্য উদ্যোগ নিচ্ছি।" তবে, তাতে দুই দেশের মধ্যে ব্যবধান কমবে কিনা তা সন্দেহের।

নেপালের নোটে লিপুলেখ, লিম্পিয়াধুরা এবং কালাপানির অন্তর্ভুক্তি ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন?২০২০ সালের মে মাসে, ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যকে তিব্বতের কৈলাশ মানসরোবরের সঙ্গে সংযুক্ত করে লিপুলেখের মধ্য দিয়ে ভারত একটি ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা উদ্বোধন করার পরই নেপাল বিতর্কিত এলাকায় নিজের দাবিকে তীব্র করে তোলে। রাস্তাটিকে বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়েছিল কারণ এটি ভারত থেকে তিব্বত পর্যন্ত একটি পথ তৈরি করেছে। ভারত বলছে, এই এলাকাগুলিকে নেপাল নিজেদের অংশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার যে চেষ্টা করছে তা আসলে সীমান্তের 'কৃত্রিম সম্প্রসারণ'।

বিতর্কিত জমির আয়তন প্রায় ৩৩৫ বর্গকিলোমিটার। ভারত-নেপাল-চিন কৌশলগত অবস্থানের কারণে এই এলাকা গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশই কিন্তু ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিনিময় থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক বিনিয়োগ সবই করে। জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো প্রকল্পগুলিতে যথেষ্ট পরিমাণে বিনিয়োগ থাকায় ভারত নেপালের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারও। এরই মাঝে মাথাচাড়া দিচ্ছে সীমান্ত সমস্যা। তাই এর কূটনৈতিক সমাধান না হলে দুই দেশের সম্পর্কের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।