কৃষক আন্দোলনকে রুখতে গোদি মিডিয়ার নীরবতাই নয়া 'হাতিয়ার'?

Farmers Protest: আন্দোলন প্রতিরোধ করতে একদিকে ব্যবহার করা হচ্ছে কাঁদানে গ্যাসের শেল, জলকামান, লোহার ব্যারিকেড। একই সঙ্গে বড় অস্ত্র হয়ে উঠেছে গোদি মিডিয়ার নীরবতা।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
কৃষক আন্দোলনকে রুখতে গোদি মিডিয়ার নীরবতাই নয়া 'হাতিয়ার'?

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আঁচে হাত সেঁকছে সব রাজনৈতিক দল। একদিকে রামমন্দির, অন্য দিকে রাজ্যে রাজ্যে দুর্নীতির অভিযোগ— জোড়া অস্ত্রে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে চাইছে বিজেপি। কিন্তু বাধ সাধছে দিল্লির কৃষক আন্দোলন। কৃষকদের 'দিল্লি চলো' অভিযানের জেরে উত্তাল পঞ্জাব থেকে দিল্লি, শম্ভু ও সিঙ্ঘু সীমানা। আন্দোলন প্রতিরোধ করতে একদিকে ব্যবহার করা হচ্ছে কাঁদানে গ্যাসের শেল, জলকামান, লোহার ব্যারিকেড। একই সঙ্গে বড় অস্ত্র হয়ে উঠেছে গোদি মিডিয়ার নীরবতা। দিল্লিতে বসে দিল্লির মিডিয়া প্রতিনিধিরা যখন প্রতি সন্ধেয় সন্দেশখালি নিয়ে চিন্তা জাহির করে অথচ একবারের জন্যেও কৃষক আন্দোলন গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরার দায় অনুভব করে না, তখন তাদের অভিসন্ধি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে হয় বইকি।

ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি নিশ্চয়তা (এমএসপি), কৃষি ঋণ মকুব এবং স্বামীনাথন কমিশনের সমস্ত সুপারিশ বাস্তবায়নের মতো একাধিক দাবি নিয়ে পথে নেমেছেন কৃষকেরা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা ও কৃষক নেতাদের মধ্যে চার দফা আলোচনা হওয়ার পরও কোনও সমাধান হয়নি। বরং রাজধানীতে ১৩ মার্চ পর্যন্ত ১৪৪ ধারা চলবে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে খবর। দিল্লি ও তার সংলগ্ন পাঞ্জাব ও হরিয়ানার নিরাপত্তায় আরও জোর দিচ্ছে প্রশাসন। সাত জেলায় ইন্টারনেট এবং এসএমএস পরিষেবা বন্ধ। কৃষকরা শম্ভু ও খানাউরি বর্ডার পয়েন্টে অস্থায়ী শিবির বানিয়ে অবস্থান করছেন।

শুধুমাত্র ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারিই আন্দোলনরত কৃষকদের প্রায় ৬০ জন জখম হন। চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন দু'জন এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। এত কিছু সত্ত্বেও কিন্তু মূল ধারার সংবাদমাধ্যমে জাতীয় ইস্যু হিসেবে জায়গা করে নিতে পারেনি কৃষক আন্দোলন। কৃষক আন্দোলন নিয়ে কোনও প্রাইম টাইম শো করেননি অর্ণব গোস্বামী, সুধীর চৌধুরীরা। এখান থেকেই প্রশ্ন ওঠে, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় নিয়ে একরকম নিশ্চিত বলেই কি রাজধানীতে আন্দোলনকারীদের উপস্থিতিতে অগ্রাহ্য করছে গোদি মিডিয়া? নাকি গলায় কাঁটার খচখচ সত্ত্বেও নির্বিকার ভাবমূর্তি তুলে ধরতেই এই নীরবতা?

সন্দেশখালি এবং কৃষক আন্দোলন বিষয় সংবাদমাধ্যমের ভুমিকার নিয়ে কৃষক নেতা অভীক সাহা জানান, "সন্দেশখালি বিষয়টা রাজনৈতিক। দু-তিনটি দলের মধ্যে রেষারেষি চলছে। সেটায় কোনও মিডিয়া পক্ষ নিচ্ছে, কোনও মিডিয়া অন্যদিকে কথা বলছে। কিন্তু কৃষক আন্দোলনের একটাই পক্ষ আছে সারা দেশে। সেটা অন্নদাতাদের। সারাদেশে দু'বেলা খেতে পাওয়ার যে অন্ন-ব্যবস্থা রয়েছে, সেই ব্যবস্থা নিয়ে এই আন্দোলন।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তরুণ কৃষকের মৃত্যুতে আগুনে ঘি! ভোটের আগে যে পথে এগোচ্ছে দেশের কৃষক আন্দোলন

Farmer's Protest: বুধবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে শুভকরণের। সেই ঘটনার প্রতিবাদে সংযুক্ত কিসান মোর্চার তরফে শুক্রবার 'ব্ল্যাক ফ্রাইডে' পালনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

প্রথম কৃষক আন্দোলনের সময়েও একই রকম গা-ছাড়া ভাব দেখিয়েছিল দিল্লির কর্পোরেট মিডিয়া। আন্দোলনকারীদের তরফে কোনও প্রতিনিধির উপস্থিতি ছাড়াই চিৎকার-চেঁচামেচিতে আলোচনা সভা শেষ হয়ে যেত। কৃষক আন্দোলনের প্রচারের বিষয়ে অভীকবলেন, 'আমাদের নিজেদের যে আইটি ব্যাবস্থা আছে ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপে, সেখানে কৃষক আন্দোলনের যে পেজ আছে তাতে লক্ষ লক্ষ ফলোয়ার আছে। সকলের নজর থাকে কৃষক আন্দোলনের উপরে।'

২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই, কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিটি প্রতিবাদকে দেশদ্রোহিতা হিসেবে দাগাতে চেয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কৃষক থেকে সাংসদ, ডাক্তার থেকে আইনজীবী, সাংবাদিক থেকে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ, প্রায় সকলেই। আন্দোলনকারী মুসলিম হলেই তিনি পাকিস্তানি, শিখ হলে তিনি খলিস্তানি, আর বাংলার হলে বাংলাদেশি। গোদি মিডিয়া এই স্রোতেই গা ভাসিয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কৃষকদের ফের আলোচনায় বসার ডাক! ভোটের মুখে অবস্থান থেকে সরবে বিজেপি সরকার?

Farmers’ protest 2024: গত ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশে ছোড়া কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেটে অন্তত ৬০ জন জখম হয়েছেন বলে খবর। ওই ঘটনায় দুজন চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন এবং হৃদরোগে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

২০২১ সালে 'নিউজলন্ড্রি'-র একটি বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদনে কিসান মোর্চার মিডিয়া টিমের প্রতিনিধি তথা অল ইন্ডিয়ান কিষান সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সদস্য আশুতোষ মিশ্র বলেছিলেন, গোদি মিডিয়ার প্রতিবেদকেরা সাধারণত এমন একজন ব্যক্তিকে নিশানা করেন, যিনি যথেষ্ট জানেন না এবং শেষ পর্যন্ত অজান্তে কিছু ভুল বলে ফেলেন। সংবাদ চ্যানেলগুলি এরপর আন্দোলনের অসারতা তুলে ধরতে আদাজল খেয়ে নেমে পড়ে।

২০২১ সালের ২৬ জানুয়ারি, একজন প্রতিবাদী কৃষক তিনটি বিতর্কিত কৃষি বিল আইনের পাস হওয়ার বিরুদ্ধে দিল্লির লালকেল্লার প্রাচীর থেকে শিখ ধর্মের পতাকা উড়িয়েছিল। সেই প্রতিবাদী কৃষককে গোদি মিডিয়া 'খলিস্তানি' বলে আখ্যা দেয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা কৃষকদের দেশদ্রোহী, বিচ্ছিন্নতাবাদী অংশ দ্বারা উদ্বুদ্ধ ( টুকরে টুকরে গ্যাং) বলে চিহ্নিত করেছিল। আর বিন্দুমাত্র যাচাই না করে সংবাদমাধ্যম বারংবার এই ভাষ্যই প্রচার করে গিয়েছে।

২০২১ সালে মার্চ মাসে 'দ্য ওয়্যার'-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আমরোহার একজন কৃষক সুখদর্শন সিং প্রশ্ন তুলেছিলেন, ২৬ শে জানুয়ারি লালকেল্লা হিংসার ঘটনায় ২৫০ জন কৃষক শহিদ হওয়ার পরও কেন কৃষকদের উদ্দেশ্যে কোনও বার্তা দেয়নি প্রধানমন্ত্রী। তিনি কি নিহতদের বা তাঁদের শোকাহত পরিবারের প্রধানমন্ত্রী নন? কৃষক আন্দোলনের এই দ্বিতীয় স্রোতে যে কৃষকেরা দৃষ্টি হারিয়েছেন, ২২ বছরের যে যুবক-কৃষকের প্রাণ গেল, হৃদরোগে যিনি মারা গেলেন, তাদের তাদের জন্যেও কি এবারেও কিছুই বলার নেই প্রধানমন্ত্রীর? এই প্রশ্নগুলি করার দায়িত্ব কার? সংবাদমাধ্যমের নয় কি?

অভীকবাবুর মতে, কৃষক আন্দোলনে যে জমায়েতগুলো হয়েছিল ভোটে তার তাৎক্ষণিক ফল দেখা গিয়েছিল ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্রিশগঢ় ভোটে। তিনটে রাজ্যই ছিল বিজেপি-শাসিত এবং সেই তিনটে রাজ্যেই বিজেপি হেরে যায়। মধ্যপ্রদেশে অবশ্য পরে ভোট কারচুপি করে সরকার গঠন করে তারা। মধ্যপ্রদেশে এবং ছত্তিশগঢ়ে বিজেপি তিনটি টার্ম ধরে সরকারে ছিল বিজেপি। মানে ১৫ বছর ধরে তাঁরা শাসন করছিল, অথচ তাঁরা হেরে যায়। আর এ সমস্ত কিছুকেই কৃষক আন্দোলনের অবদান বলে মনে করছেন কৃষকনেতা অভীক। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে এই কৃষক আন্দোলন? ২০২০ সালের নভেম্বরে যে কৃষক আন্দোলন হয়েছিল তা চলেছিল ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সেই আন্দোলনে জয়ের আরও একটি বড় কারণ কিন্তু ছিল কেন্দ্রে বিজেপি বুঝতে পেরেছিল কৃষক আন্দোলনের জেরে তাঁরা উত্তরপ্রদেশের মত বড় রাজ্যে হেরে যেতে পারে। উত্তরপ্রদেশে ভোট ছিল তারপরের বছর এপ্রিল মাসে। তাই তারা এক বছর আন্দোলনের দিকে তাকায়নি। নভেম্বর মাসে এসে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা চেয়ে তিনটি আইন বাতিল করেন এবং কৃষক আন্দোলনের জয় হয়। অভীকের মতে, কৃষকরা রাস্তায় বসে আছে, কৃষকদের জন্য সরকারের দুঃখ হচ্ছে বলে কিন্তু আইন বাতিল করা হয়নি। বাতিল হয়েছিল উত্তরপ্রদেশে আসন্ন ভোটের কথা ভেবে।

আসলে আমরা এমন একটা সময়ে বসবাস করছি, যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রচারকে এগিয়ে দেওয়ার জন্য মিডিয়াকে একটি অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বারবার তাই বঞ্চিত, লাঞ্ছিত গোষ্ঠীর দিকেই আঙুল তোলা হচ্ছে। রাজ্যগুলির অশান্তিকে কি এ কারণেই বড় করে দেখানো হচ্ছে, যাতে সেখানে বিজেপির প্রবেশপথ উন্মুক্ত হয়? স্বভাবতই কৃষক আন্দোলন নিয়ে কেন্দ্র ও গোদি মিডিয়ার এই নির্লিপ্তি দেখে সেই প্রশ্নগুলি উঠেছেই।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।