দেশজুড়ে জ্বরজারি, করোনা নয় তবে কী? কী বলছে কেন্দ্র?

Influenza H3N2 Virus: সংক্রমণ এড়াতে কী করতে হবে? এড়াতে হবে কী কী?

inscript
২ মিনিট
দেশজুড়ে জ্বরজারি, করোনা নয় তবে কী? কী বলছে কেন্দ্র?

শীতের শেষ এবং গরমের শুরু, মাঝের বসন্ত কালটুকু আজকাল অবশ্য টের পাওয়া যায় না বিশেষ। ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে চড়া রোদের যে দাপট, তাতে অবশ্য ঠাহর করা সম্ভবও না। কিন্তু বসন্ত জানান দিচ্ছে রোগের প্রকোপে। ঘরে ঘরে জ্বর জারি দেখেই চেনা যাচ্ছে পুরনো সময়টাকে। আবহাওয়া বদলের সময়ে জ্বর, সর্দি, কাশি এগুলো কোনওটাই নতুন নয়। নতুন যেটা তা হল নিত্য নীতি। ভাইরাসের দাপট। এমনিতেই করোনা মহামারীর জেরে পরবর্তী সময়ে মানবদেহে ইউমিউনিটি সিস্টেমের সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে। যার ফল এই নতুন নতুন ভাইরাস জনিত রোগের বাড়বাড়ন্ত।

Fever cases on rise - Avoid Antibiotics

— Indian Medical Association (@IMAIndiaOrg)

করোনা অথবা ডেঙ্গু নয় সম্প্রতি আরও একটি নতুন ভাইরাস মাথাচাড়া দিচ্ছে গোটা দেশ জুড়ে। লক্ষণ বলতে জ্বর, সর্দি। তবে মামুলি জ্বরের সঙ্গে একে গুলিতে ফেলেই হচ্ছে বড় বিপদ। করোনার মতো উপসর্গ অথচ করোনা নয়, বিগত দুই থেকে তিন মাস ধরে সারাদেশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নয়া রোগের ভ্রুকুটি। হুহু করে ছড়িয়ে পড়ছে ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি! ‘ফ্লু’-এর দাপটে নাজেহাল আমআদমি। ফ্লু থেকে রক্ষা পেতে তাই ইতিমধ্যেই একাধিক পরামর্শ জারি করেছে কেন্দ্র।

কিন্তু কী এই ফ্লু?

উপসর্গ প্রায় একই রকম হলেও রোগের ধরন আলাদা। এটি আসলে ইনফ্লুয়েঞ্জা A সাব-টাইপ H3N2। অন্যান্য ‘সাব-টাইপের’ তুলনায় এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির হারও তুলনামূলক অনেকটাই বেশি। ICMR এর মতে, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর থেকে এই ভাইরাসের কেস দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এই রোজ আক্রান্তদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মোটামুটি ২ থেকে ৩ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে H3N2। এই রোগে আক্রান্তদের বয়স মোটামুটি ১৫ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মৃত বেড়ে ১১, রোজই চোখ রাঙাচ্ছে অ্যাডিনোভাইরাস, বিপদ এড়াতে যা যা খেতে দেবেন শিশুদের

Adenovirus : ঠিক কোন কোন খাবার খেলে রোগ ছড়াতে পারবে না খুদের শরীরে, কিসে বাড়তে পারে ইমিউনিটি সিস্টেম?

Influenza A subtype H3N2 is the major cause of current respiratory illness. ICMR-DHR established pan respiratory virus surveillance across 30 VRDLs. Surveillance dashboard is accessible at

— ICMR (@ICMRDELHI)

সম্প্রতি এই রোগের ছড়িয়ে পড়ার হাত থেকে বাঁচার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়মাবলী প্রকাশ করেছে কেন্দ্র।করোনা ভাইরাসের মতো একইভাবে জ্বর সর্দি কাশি এবং শ্বাসকষ্ট জনিত লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তাই এর থেকে বাঁচার উপায় হিসেবে একই রকম নিয়মাবলী মেনে চলার কথা বলেছেন চিকিৎসকেরা। নিয়মিত সাবান এবং জল দিয়ে হাত পা ধোয়া এবং মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এছাড়াও প্রকাশ্যে থুতু না ফেলার কথা বলা হয়েছে গাইডলাইনে। এর পাশাপাশি হ্যান্ডশেক না করার কথাও রয়েছে এই নির্দেশিকাতে। আইসিএমআর এর তরফে বলা হয়েছে যে, জ্বর সর্দি থেকে বাঁচতে কথায় কথায় যে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার চল রয়েছে ঘরে ঘরে। কিন্তু এখানে সেই বিষয়েই কড়া পদক্ষেপ জারি করা হয়েছে। কেবল অ্যান্টিবায়োটিক নয়, উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসারও পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি বলা হয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য ওষুধগুলি কেবলমাত্র অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শের পরেই খাওয়া যাবে নচেৎ নয়। তবে আশার কথা হল এই যে, এর লক্ষণগুলি গুরুতর তবে এটি প্রাণঘাতী নয়।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।