জয় করে তবু ভয়! বিজেপির ঘোড়া কেনাবেচার কাছে ফের হারবে হিমাচলের কংগ্রেস?

Himachal Pradesh Election Congress: ইতিমধ্যেই নবনির্বাচিত কংগ্রেসের একাধিক ভাবি বিধায়ক এবং ৩ নির্দল বিধায়ককে নিজেদের দিকে নেওয়ার পথে এগিয়েছে বিজেপি।

Ramen Das
৫ মিনিট
জয় করে তবু ভয়! বিজেপির ঘোড়া কেনাবেচার কাছে ফের হারবে হিমাচলের কংগ্রেস?

গুজরাতে বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে ফের ক্ষমতায় বসতে চলেছে বিজেপি। অমিত শাহের স্পর্শে আবার 'ব্র্যান্ড মোদি' রক্ষা হয়েছে গেরুয়া-গড়ে। এ রাজ্যেও উচ্ছ্বাসে মেতেছেন বিজেপি কর্মীরা। গেরুয়া-আবিরে ভরেছে আহমেদাবাদ থেকে শুরু করে সুরাত, গান্ধীনগরের আকাশ। 'ফাইনাল' লোকসভা নির্বাচনের আগে 'সেমিফাইনাল' জিতে সম্মান রক্ষা হয়েছে মোদির। তবে 'সেমিফাইনাল' কি আসলে জিততে পেরেছে মোদি-শাহর দল! জিতেছে, কিন্তু সমস্ত জয়ের মাঝেও কাঁটা জিইয়ে রেখেছে হিমাচলপ্রদেশ। এখনও পর্যন্ত এই রাজ্যে ভোটগণনার যা গতিবিধি তাতে ৬৮ আসনের বিধানসভায় প্রায় ৩৯ আসনে এগিয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। ২৬ আসনে এগিয়ে বিজেপি। নির্দল প্রার্থীরা এগিয়ে ৩ আসনে। নির্বাচনের ফলাফলের (Himachal Pradesh Election Result) যা ট্রেন্ড তাতে একপ্রকার জিতেই গিয়েছে কংগ্রেস। এগিয়ে থাকার নিরিখে ৩৫ আসনের ম্যাজিক ফিগার পেরিয়ে গিয়েছে রাহুল গান্ধী-সোনিয়া গান্ধীর দল। খানিকটা সম্মান বেঁচেছে মল্লিকার্জুন খাড়গেদের।

কিন্তু এই জয়েও এখন থেকেই আশঙ্কা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কংগ্রেসের অন্দরে ভয় ধরাচ্ছে পুরনো স্মৃতি! অনেকেই বলছেন, "জিতলে আবার হয় নাকি! আটকে রাখাই আসল চ্যালেঞ্জ!" অর্থাৎ টিকিট দিল কংগ্রেস, জনতার ভোটে নির্বাচিত হলেন কংগ্রেসের পক্ষেই কিন্তু জিতেই পগার পার! টাকা আর পদের লোভে দলবদলের ভূরি ভূরি উদাহরণ এবং রাজনৈতিক ঘোড়া কেনাবেচার আবহ নাকি এখন থেকেই টের পাচ্ছে হিমাচলপ্রদেশ। আনাগোনা বেড়েছে দিল্লির নেতাদের। 'ভারত জোড়ো যাত্রা'র মুখ্য ভূমিকায় অবতীর্ণ রাহুল গান্ধীর চিন্তা বেড়েছে হিমাচল জুড়তে!

কী চলছে সেখানে? হিমাচলপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী প্রতিভা সিং। তিনিই ওই রাজ্যের কংগ্রেস সভাপতি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিংয়ের স্ত্রীর কাঁধেই গুরুদায়িত্ব ন্যস্ত করেছিল কংগ্রেস। কাজেও দিয়েছে সেই সিদ্ধান্ত। মোদি ঝড়ের আবহেও হিমাচলের পরম্পরা বজায় রেখে খানিকটা রুখে দেওয়া গিয়েছে বিজেপিকে। আর এখানেই উঠেছে প্রশ্ন। সেমিফাইনালে ১-১ ফল নাকি ঘোড়া কেনাবেচার সূত্রেই ফল ঘুরবে ২-০ এর দিকে! অর্থাৎ হিমাচলও কি দখল করবে বিজেপি।

সেই প্রশ্নেই আশঙ্কা বেড়েছে কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে। শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই নবনির্বাচিত কংগ্রেসের একাধিক ভাবি বিধায়ক এবং ৩ নির্দল বিধায়ককে নিজেদের দিকে নেওয়ার পথে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। সূত্রের খবর, ৩৫ আসনের 'ম্যাজিক ফিগার' থেকে ১০-১১ আসন দূরে থাকতে পারে অমিত শাহের দল। ছোট রাজ্য হিমাচলপ্রদেশে সেই সংখ্যা জোগাড় করা খুব একটা কঠিন কাজ নয় বিজেপির পক্ষে। দাবি, সেই সংখ্যার মধ্যে এখনই প্রায় ৬ জন বিধায়ক জোগাড় করে ফেলেছে বিজেপি। ৩ নির্দল-সহ এই সংখ্যা ১১-১২ হতেও খুব দেরি হবে না বলে দাবি বিজেপি নেতাদের। আর সেই লক্ষ্য পূরণ হলেই হিমাচলপ্রদেশের রঙও বদলে যাবে মুহূর্তেই।

এখানেই আশঙ্কার মেঘ জমছে কংগ্রেস-অন্দরে। প্রকাশ্যে কিছু না বললেও জয়ী বিধায়কদের আস্থা ভোট, শপথ অনুষ্ঠানের আগে হিমাচল ছাড়া করতে চাইছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। রাজস্থান অথবা ছত্তিশগড়; কংগ্রেস শাসিত এই দুই রাজ্যের কোনও এক জায়গায় বাসে করে বিধায়কদের নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। অর্থাৎ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মানুষের রায়ে জিতেও টাকার কাছে জনপ্রতিনিধিদের মত বদলের আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে কংগ্রেস। যাতে কোনওভাবেই ফের জয়ের আশা পূর্ণ না হয় বিজেপির, তা নিশ্চিত করতে চাইছেন গান্ধীরা। কিন্তু পারবেন কি? এই প্রশ্নেই দ্বিধাবিভক্ত রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কেন?

'ঘোড়া কেনাবেচা'র ইতিহাস

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গুজরাত ভোটে তিনিই 'চাণক্য', অমিত শাহর ছোট্ট চালে যে ভাবে কিস্তিমাত 'ব্র্যান্ড মোদি'-র

Gujarat Legislative Assembly Election : লক্ষ্যপূরণের দায় নিয়ে অসুস্থ শরীরেও এগিয়ে গিয়েছেন। একাধিক বিতর্ক আর দাঙ্গাবাজ তকমার পরেও তিনিই হয়ে উঠেছেন সেরা!

২০১৪ সাল। মোদি ঝড়ে কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার ভেঙে যাওযার পর থেকেই একাধিকবার রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে দেশের একাধিক রাজ্যে। বিভিন্ন জায়গায় নতুন নতুন নজির স্থাপন করেছেন অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদিরা।

২০১৬- উত্তরাখণ্ড

হরিশ রাওয়াত-নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস ২০১৬-এর উত্তরাখণ্ড নির্বাচনে জয় পায় ৩৬ আসনে। ৭০ আসন এবং ১টি মনোনীত আসন মিলিয়ে মোট ৭১ আসনের বিধানসভায় বিজেপি পায় ২৮ আসন। কিন্তু এরপরেও শুরু হয় ডামাডোল। বিধায়ক অর্থাৎ ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ ওঠে অমিত শাহের দলের বিরুদ্ধে। ওই রাজ্যে জারি হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। ফের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হরিশ রাওয়াত। বিধায়ক কেনাবেচার যুদ্ধে হারে বিজেপি! কিন্তু বেশিদিন যায়নি, মাত্র ১ বছরের মধ্যেই ফের তৈরি হয় অস্থিরতা। ক্ষমতায় এসে হাজির হয় বিজেপি।

অরুণাচলপ্রদেশে অস্থিরতা

জুলাই ২০১৬। রাজনৈতিক অশান্তি শুরু হয় উত্তর পূর্ব ভারতের অরুণাচল প্রদেশে। বিধানসভা নির্বাচনে স্থানীয় পিপিএ দল ৩০ এবং বিজেপি পায় ১১ আসন। নির্দলীয় প্রার্থীদের দখলে যায় ২ আসন। কিন্তু এখানেও ওঠে প্রশ্ন। একদা কংগ্রেসের জোটসঙ্গী, মিলিজুলি সরকার ক্ষমতায় আসার পথে বাধা হয় বিজেপি। ফের ওঠে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ। পিপিএ কে নিজের দিকে টেনে অরুণাচল প্রদেশের সরকারে বসে বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী করা হয় নাবাম টুকিকে। এখানেও অভিযোগ ওঠে ঘোড়া কেনাবেচার।

২০১৭- গোয়া

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বারবার বিজেপির হাতছাড়া রাজধানী! কোন চালে কিস্তিমাত আপ-এর?

Delhi MCD Elections: কেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ওপর ভরসা রাখলেন দিল্লির পুর এলাকার বাসিন্দারা?

দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নির্বাচনের পরেও ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ শোরগোল ফেলে গোয়ায়। ৪০ আসনের বিধানসভায় কংগ্রেস পায় ১৭ আসন। বিজেপি ১৩ এবং অন্যান্যরা ১০টি আসনে জেতে। কিন্তু এই ত্রিশঙ্কু বিধানসভায় ছড়ি ঘোরাতে শুরু করে বিজেপি। কংগ্রেস বিধায়কদের সরিয়েও লাভ হয়নি তেমন একটা। গোয়া ফরওয়ার্ড দল, মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক দলের বিধায়কদের নিজের দিকে টেনে সরকার গড়েন মনোহর পরিকররা।

২০১৯- কর্ণাটক

ক্ষমতায় কংগ্রেস। জনতা দল সমাজবাদী এবং কংগ্রেসের জোট নির্বাচনের পর শাসন করতে শুরু করে কর্ণাটক। কিন্তু তা বেশিদিন টিকতে দেয়নি বিজেপি। মাত্র ১৪ মাসের মাথায় পড়ল সরকার। এখানেও উঠল টাকার জোরে বিধায়ক কেনাবেচার অভিযোগ। দেখা গেল প্রায় ১৩ জন কংগ্রেস বিধায়ক এবং ৩ জন জেডি(এস) বিধায়ক পদত্যাগ করলেন। দুই নির্দল বিধায়ক হঠাৎ সমর্থন প্রত্যাহার করলেন জোট সরকার থেকে। মামলা গড়াল দেশের শীর্ষ আদালতে। কিন্তু ফের শেষ হাসি হাসলেন বিএস ইয়েদুরাপ্পারা।

২০২০- মধ্যপ্রদেশ

ফের সংকট। মধ্যপ্রদেশে বিপদে পড়ল কংগ্রেস। কমলনাথ সরকারকে বিপদে ফেলার অভিযোগ উঠল বিজেপির দিকে। ২২ কংগ্রেস বিধায়ক ইস্তফা দিয়ে সংখ্যালঘু করে দিলেন সরকারকে। ক্ষমতা বাঁচাতে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হল বিধায়কদের। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। একদা কংগ্রেসে কমলনাথ-বিরোধী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া দিলেন বিজেপিতে যোগ। পদত্যাগ করলেন কমলনাথ। ফের ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগে জর্জরিত হয়েও জিতল বিজেপি। ক্ষমতা দখল করলেন শিবরাজ চৌহানরা।

২০২০- রাজস্থান

২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ উঠলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি বিজেপি। কিন্তু ২০২০ সালের রাজ্য সভার ৪ আসনের নির্বাচন ফের সমস্যা বাড়ায় রাজস্থানে। প্রায় ৮০ জন কংগ্রেস বিধায়ককে উদয়পুরের হোটেলে বন্দি করেন অশোক গেহলতরা।

২০২২ - মহারাষ্ট্র

জুনের ২১ থেকে ৩০। মাত্র ৯ দিনের ঘটনা পরম্পরা উত্তপ্ত করে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। একদা বন্ধু, নিজের মন্ত্রিসভার অন্যতম মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে অসমে পাড়ি দেন একাধিক বিধায়ক সঙ্গে নিয়ে। চাপে পড়েন উদ্ধব ঠাকরে। সরকারের লাগাম এক ধাক্কায় চলে যায় বিজেপির হাতে।

একবার নয়, একাধিকবার বিধায়ক কেনাবেচা, টাকার জোরে সরকার ভাঙার খেলায় মেতেছে বিজেপি- উঠেছে এই অভিযোগ। একাধিক রাজ্যে বিধায়ক ভাঙিয়ে গণতন্ত্রকে অপমান করেছেন অমিত শাহরা, এই দাবি উঠেছে গেরুয়া-বিরোধী শিবিরে। কিন্তু সবকিছু পেরিয়েও লক্ষ্যপূরণ করেছে বিজেপি। সংবিধানে কঠিন দলত্যাগী আইন না থাকা, দল বদলে সরকার ফেলে দেওয়ার বিরুদ্ধে তেমন কোনও কঠিন বন্দোবস্ত না থাকার সুযোগে বারবার জনতার রায়ের বিপক্ষে ঘুরেছে রাজনৈতিক গতিপথ। পরিবর্তন হয়েছে ক্ষমতার আধার। এবার হিমাচল প্রদেশ। ফের কি এখানেও একই উদাহরণ সৃষ্টি করবে বিজেপি, নাকি কংগ্রেস রুখে দেবে সব উদ্যোগ? প্রশ্ন উঠছে, উত্তর দেবে সময়।

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?

যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ, পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে সিজেপি-র দুই নেতা

Jantar Mantar protest: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জেরে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাল আদালত। নির্বাচন কমিশন, এসআইআর এবং প্রতিবাদের অধিকার ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক।

দিল্লিতে মহিলা বিক্ষোভকারীদের হেনস্থার অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে যে সব প্রশ্ন

Delhi protest: দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে মহিলা আন্দোলনকারীদের একাংশ পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা ও প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

২৩ দিনের অনশন থেকে জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন, রাজপথই নেহা বোরার হয়ে ওঠার সাক্ষী

Neha Bora: ২৩ দিন ধরে অনশন করে যেমন তিনি সংবাদমাধ্যমের নজরে এসেছিলেন, তেমনই সম্প্রতি দিল্লির রাজপথে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও তাঁকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।