সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক-কমেন্ট না পেলেই বিষণ্ণ! চরম আসক্তির দায় আসলে কার?

Social Media Addiction: আমরা নিজেরাও জানি সামাজিক মাধ্যম অন্তরের শূন্যতাকে ভরিয়ে তুলতে পারে না, কিন্তু মন খারাপ হলে বা নিতান্তই একঘেয়ে লাগলে হাতটা অজান্তেই ফোনের কাছে চলে যায়।

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক-কমেন্ট না পেলেই বিষণ্ণ! চরম আসক্তির দায় আসলে কার?

অফিসে কাজের ফাঁকে বা দিনের শেষে বিছানায় গিয়ে স্মার্ট ফোনটা হাতে নিয়ে একবার ভাবলেন ফেসবুকটা দুই মিনিটের জন্য একটু স্ক্রল করি বা ইনস্টাগ্রামে গিয়ে একটা রিল দেখি! তারপর সেই দুই মিনিট পেরিয়ে কখন দুই ঘণ্টা হতে চলল বা ইনস্টাগ্রাম রিলের সংখ্যা এক পেরিয়ে কখন দশ বা বিশ ছুঁয়েছে, সে খেয়াল আর নেই আপনার। কেবল কম বয়সীদের দোষ দিয়ে লাভ নেই, প্রৌঢ় থেকে বৃদ্ধ প্রায় সবাই ইন্টারনেটের নেশার জাঁতাকলে আবদ্ধ। শুধুই কি ইন্টারনেটে উপচে পড়া পোস্ট, ভিডিও বা ছবিই আপনার এই বেলাগাম নেশার পারদ চড়াচ্ছে? না কি আরও কিছু আছে যা আপনাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নেশায় বুঁদ করে রাখে! সময় কখন আঙুলের ফাঁক দিয়ে ফসকে যায় আপনি সেই নেশার ঘোরে বুঝতেও পারেন না!

ইন্টারনেটে উপচে পড়া ‘রসদ’-কে দোষারোপ করে লাভ নেই। পুরোটাই মস্তিষ্কে নিউরোনের খেলা, যা আপনাকে ইন্টারনেটের নেশায় বুঁদ করে রাখে। বললে অবাক হবেন, ঠিক যে নিউরোনাল বর্তনী বা সার্কিটরি, আপনাকে সামাজিক মাধ্যমের নেশায় বুঁদ করে রাখে, একই নিউরোনাল সার্কিটরি কোকেনের মতো মারণ নেশায় মানুষকে বশ করে রাখে।

ডোপামাইন রিওয়ার্ড সিস্টেম:

ডোপামাইন- সেই নিউরোহরমোন যা সরাসরি আমাদের স্মৃতিধারণ ক্ষমতা, বুদ্ধিমত্তা, আবেগপ্রবণ আচরণ এবং নতুন কিছু শেখার ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু তার পাশাপাশি ডোপামাইন যা করে, তা হল ‘প্লেজা়র অ্যান্ড রিওয়ার্ড সিকিং বিহেভিয়ার’, নেশা এবং উপলব্ধির ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করা। এ ক্ষেত্রে রিওয়ার্ড শব্দটিকে ঠিক পুরস্কার অর্থে ব্যবহার করা যায় না। বলা যেতে পারে এমন কিছু কাজ, যা করে আমাদের ভালো লাগবে। অর্থাৎ কোনও কাজ শেষ করার পরে বা পছন্দের গান শুনে, প্রিয় খাবার খেয়ে যে আনন্দটা পাই তা কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করে ডোপামাইন। আবার এই যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইন্টারনেটে কাটানো, সোশ্যাল মিডিয়া ঘাঁটার যে নেশা- তার নেপথ্যেও রয়েছে ডোপামাইন। সারাক্ষণই যেন মনে হয় ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা টিকটকের মতো সামাজিক মাধ্যম বুঝি আমাদের আনন্দ দেবে, মনের যে শূন্যতা তা ভরিয়ে দেবে। আমরা নিজেরাও জানি সামাজিক মাধ্যম অন্তরের শূন্যতাকে ভরিয়ে তুলতে পারে না, কিন্তু মন খারাপ হলে বা নিতান্তই একঘেয়ে লাগলে হাতটা অজান্তেই ফোনের কাছে চলে যায়। আর ঠিক এটাকেই বলে ‘প্লেজা়র সিকিং বিহেভিয়ার’।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দুধের শিশুর শরীরে বিষ হয়ে ঢুকছে দুধ! জানেন কী বিপদ ডেকে আনছেন

Lactose Intolerance: দুধ যথেষ্ট কম মাত্রায় খাওয়া প্রয়োজন, তবেই তা পুষ্টি বৃদ্ধি করে।

আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও কিছু পোস্ট করার পর আশা করেন আপনার কৃত্রিম জগতের বন্ধু-বান্ধব বা আপনার অনুগামীরা আপনার পোস্ট লাইক করবেন, সেখানে নিজের মতামত জানাবেন, দুটো ভালো কথা বলবেন। আর একেই বলে ‘রিওয়ার্ড সিকিং বিহেভিয়ার’। এখানে পুরস্কার হল কয়েকটা লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার। কিন্তু এর অন্যথা হলে অর্থাৎ আশানুরূপ লাইক, ভালো কমেন্ট বা শেয়ার না হলে আমরা হতাশ হই। কারণ আমরা ‘রিওয়ার্ড’ পাই না, রিওয়ার্ড না পেলে ডোপামাইন ক্ষরণ হবে না। আর ডোপামাইন ক্ষরণ না হলে প্লেজা়র বা আনন্দ পাব না আমরা।

আমাদের মস্তিষ্কে চারটি ডোপামাইন পাথওয়ে রয়েছে, যা এই সমস্ত ধরনের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করে। পাথওয়ে বলতে বোঝায় মস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলে যে পথে কোনও জৈবরাসায়নিক পদার্থ নিজেদের রাসায়নিক বার্তা পাঠায়। ঠিক সেই রকম, ডোপামাইনের ক্ষেত্রে এই রকম চারটি ভিন্ন ধরনের পাথওয়ে আছে, যারা ভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্ন ভাবে কাজ করে। এই চারটি পাথওয়ে হল মেসোকর্টিক্যাল, মেসোলিম্বিক, নিগ্রোস্ট্রায়াটাল এবং টিউবেরোইনফান্ডিব্যুলার পাথওয়ে। এর মধ্যে প্রথম তিনটিকে বলে ‘রিওয়ার্ড পাথওয়ে’। তবে যে কোনও ধরনের নেশার ক্ষেত্রে এই তিনটে পাথওয়ে যথাযথ ভাবে কাজ করে না। কিন্তু যখনই আমরা আশা করি আমরা ‘রিওয়ার্ড’ পাব (যেমন ফেসবুক স্ক্রোল করে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করার পর তাতে লাইক, কমেন্ট ইত্যাদি পাওয়া), তখনই সক্রিয় হয়ে ওঠে প্রথম তিনটি পাথওয়ে।

খাবারের গন্ধ পেলে বা খাবার দেখতে পেলে আমাদের খিদে পেতে শুরু করে বা জিভে লালা ক্ষরণ ঘটে। এক্ষেত্রে খাবার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। ঠিক তেমন ফেসবুকে একটি নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামে একটি লাইক, এমনকী একটি মেসেজ সেই রিওয়ার্ডের উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।

কখন কতটা ডোপামাইন ক্ষরণ হচ্ছে:

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গীতা ছুঁয়ে শপথ, ঋষি সুনককে কেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মানল ব্রিটেন

Rishi Sunak: ঋষি-র কাছে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে, দেশের অর্থনীতিকে ফের শক্তিশালী করা।

ধরুন, আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করার পরে একটি নোটিফিকেশন এল। আপনি আশা করছেন আপনি ‘রিওয়ার্ড’ পাবেন। ঠিক এই সময়ে আপনার ডোপামাইন ক্ষরণ তুমুলভাবে হয়। কিন্তু নোটিফিকেশনটি খুলে দেখলেন, কেউ বাজে ভাবে সমালোচনা করছে আপনার পোস্টকে। ঠিক সেই সময় ডোপামাইনের মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে হঠাৎ করে নেমে যায়। বা আপনি নোটিফিকেশন দেখে আশা করছেন, কেউ ভালো কথা বলবে। ডোপামাইনের ক্ষরণ পৌঁছেছে চরমে। দেখলেন, ভালো কথাই লিখেছেন আপনার বন্ধু বা অনুগামী। তখন আর ক্ষরণ বাড়ে না বরং আবার স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে এই নিউরোহরমোনটির ক্ষরণ।

আবার দেখা গেল, কেউ হুট করেই ‘রিওয়ার্ড’ পেল। তখন মেঘ না চাইতেই জল! রিওয়ার্ড পাওয়া মাত্রই ডোপামাইন ক্ষরণ আবার বাড়ে হু হু করে।

সোশ্যাল মিডিয়া এবং ডোপামাইন-চালিত ফিডব্যাক লুপ:

ভেবে দেখুন আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় যা দেখতে ভালোবাসেন, তাই দেখতে পান মূলত। এবং আপনি যেমন মানুষ, ঠিক সেরকম মানুষের সঙ্গেই আলাপ হয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলিতে। ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিয়ে লাভ নেই। এটি নিতান্তই সোশ্যাল মিডিয়া অ্যালগোরিদম। প্রোগ্রামাররা খেটে-খুটে, অনেক অঙ্ক কষে এবং অবশ্যই আপনার-আমার মনস্তত্ত্বকে বুঝে এসব অ্যালগোরিদম বানান। যার ফলে আপনি যা দেখতে চান সোশ্যাল মিডিয়ায় তাই দেখতে পান এবং আপনি যা দেখতে পান, তাই দেখতে চান।

আপনার ‘প্লেজার অ্যান্ড রিওয়ার্ড সিকিং বিহেভিয়ার’ আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বুঁদ করে রাখে। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় রিওয়ার্ড এবং আনন্দ না পেলে বা ডোপামাইন ক্ষরণ কমে গেলে আপনি আবারও হতাশা ও একঘেয়েমি কাটাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘প্লেজার এবং রিওয়ার্ড’ খোঁজেন। মোদ্দা কথায় যাকে বলা হচ্ছে ডোপামাইন-চালিত ফিডব্যাক লুপ। ভেবে দেখুন, কী সীমাহীন একটা চক্রের মধ্যে আমাদের ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়া এবং সামগ্রিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা।

‘ভেরিয়েবল রিওয়ার্ড শিডিউল’। এই বিষয়টির কথা প্রথম বলেছিলেন বি.এফ. স্কিনার। তখন ১৯৩০-এর দশক। তিনি ল্যাবের খাঁচায় বন্দি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করে দেখেছিলেন, যখনই ইঁদুরদের রিওয়ার্ড (ইঁদুরদের ক্ষেত্রে খাবার) দেওয়া হয়, তখনই তারা সেই উদ্দীপনায় সাড়া দেয়। এখানে ল্যাবের খাঁচা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি। শুধু ইঁদুর (এবং তাদের পরীক্ষক) কারা, তা বুঝে নেওয়ার দায়িত্ব আপনার।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।