প্রশান্ত কিশোর: 'ছেড়ে রেখেই ধরে রাখা'-র সিদ্ধান্ত তৃণমূলের?

Kanad Dasgupta
৫ মিনিট
প্রশান্ত কিশোর: 'ছেড়ে রেখেই ধরে রাখা'-র সিদ্ধান্ত তৃণমূলের?

জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচন-কুশলী প্রশান্ত কিশোর যদি সত্যিই জাতীয় স্তরে কংগ্রেস দলে যোগ দেন, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস কি সত্যিই বিপাকে পড়বে ?

প্রশান্ত কিশোর এখনও তৃণমূলের প্রধান পরামর্শদাতা৷ নির্দিষ্ট চুক্তির ভিত্তিতেই তিনি এই কাজের দায়িত্ব নিয়েছেন৷ পিকে'র পরামর্শেই তৃণমূল বাংলার বাইরে একাধিক রাজ্যে পা রাখার জমি তৈরি করার চেষ্টা করছে৷ বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেস ছেড়ে একাধিক নেতার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের নেপথ্যেও পিকে-র হাতযশ রয়েছে৷ বাংলার বাইরের কয়েকটি রাজ্যে তৃণমূলের ডালপালা মেলার বিষয়টি প্রায় পুরোটাই ছাড়া হয়েছে পিকে'র হাতেই৷ সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক আপাতদৃষ্টিতে ভাল হলেও দল হিসেবে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের সুসম্পর্কের ঘাটতি রয়েছে৷ পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে কংগ্রেস পর্যুদস্ত হওয়ার পর তৃণমূলের তরফে এমন কথাও বলা হয়েছে, এখন কংগ্রেস বরং মিশে যাক তৃণমূলের সঙ্গে৷ বিজেপি-বিরোধী শিবিরের পতাকা কংগ্রেসের হাতে থাক, এমনটাও চাইছে না তৃণমূল৷ এমন অপছন্দের দলের কোনও নেতাকে ভবিষ্যতেও নিজেদের পথ চলার কৌশল স্থির করার গুরুদায়িত্বে তৃণমূল রাখবে?

ওদিকে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে ডুবন্ত কংগ্রেসকে টেনে তোলার একাধিক পরামর্শ দফায় দফায় সোনিয়া-সহ শীর্ষ কংগ্রেস নেতৃত্বকে ইতিমধ্যেই দিয়ে ফেলেছেন পিকে৷ কংগ্রেসকে ফের স্বমহিমায় ফেরাতে চাইছেন পিকে৷ এই কাজে আপাতত পরামর্শ দিলেও ভবিষ্যতে হয়তো কংগ্রসের অন্যতম শীর্ষ নেতা হিসেবেই এই বিষয়টিই এককভাবে দেখবেন পিকে৷ রাজনৈতিক মহলের অভিমত, আনুষ্ঠানিকভাবে সে কাজ শুরু করলে তৃণমূলের সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের Conflict of interest বা স্বার্থের সংঘাতের আশঙ্কা প্রবল৷ তখন নেতা পিকে এবং পেশাদার ভোট-কুশলী পিকে'র মধ্যে একটা ফারাক তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক৷ রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পিকে বিভিন্ন রাজ্যের যে সব কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে তাঁদের তৃণমূলে পাঠিয়েছেন, অথবা যেসব নাম এখনও পাইপলাইনে রয়েছে, এবার তাহলে তাদের কি ফের ঠেলে দেবেন কংগ্রেসের কোর্টে? পেশাদার পিকে-র কাছে এই কাজ চরম পরাজয়ের হলেও কংগ্রেস নেতা প্রশান্ত কিশোর এমন করতে পারলে প্রথম রাতেই বেড়াল মারতে সফল হবেন৷ কিন্তু এমন করলে তো পিকে-র সঙ্গে তৃণমূলের চিরস্থায়ী শত্রুতা অনিবার্য৷ পেশাদার একজন নির্বাচন-কুশলী, যাঁর কাজের ক্ষেত্র বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আঙিনার অন্দরে, তাঁর পক্ষে কি চট করে এমন কাজ করা সম্ভব?

তাই, পিকে কংগ্রেসে যোগ দিলে তৃণমূল কংগ্রেস বিপাকে পড়বে অথবা তিনি নিজেই বিপাকে পড়বেন, এতখানি সরলীকরণ করা বোধহয় ঠিক নয়৷ গোটা বিষয়টির মধ্যে দু'তরফের কোনও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকাই স্বাভাবিক৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অন্ধকারে রেখে প্রশান্ত কিশোর কংগ্রেসের ত্রাতা হতে চলেছেন, এমন ভাবার বুদ্ধিগ্রাহ্য কোনও কারণ আছে বলে মনে হয় না৷

তবে এটাও ঠিক, কিছুটা অস্বস্তিতে পড়বেন গোয়া, মেঘালয় বা জাতীয় স্তরের বেশ কিছু প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা, যাঁরা এই প্রশান্ত কিশোরের ডাকে সাড়া দিয়েই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন৷ পিকে-র দৌত্যেই মেঘালয়ের মুকুল সাংমা ১১ জন বিধায়ককে নিয়ে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে গিয়েছেন৷ মেঘালয়ে তৃণমূলের বিস্তার ঘটানোর সম্পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রশান্তের তৈরি সংগঠন আইপ্যাক-কে। আজ পিকে-র কংগ্রেস-প্রীতি দেখে সাংমারা হয়তো ভাবছেন, 'আমও গেল, ছালাও গেল'৷ সাম্প্রতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মেঘালয়ের তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি চার্লস পিংরোপ তো বলেই দিয়েছেন, "এটা অনৈতিক৷ মেঘালয়ে একই সঙ্গে কংগ্রেস ও তৃণমূলের জন্য কাজ করতে পারেন না পিকে বা তার টিম।" এদিকে এআইসিসি-তে গুঞ্জন, পিকে কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এলে ২০২৩-এ যেসব রাজ্যে ভোট হবে, সেই রাজ্যগুলিতে কংগ্রেস সংগঠন শক্তপোক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হবে প্রশান্ত কিশোরকেই। এই রাজ্যগুলির মধ্যেই আছে মেঘালয়। মুকুল সাংমা-রা হয়তো তাই নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ইদানীং গভীরভাবে চিন্তা করছেন৷ এমন ভাবনায় ডুবে আছেন আরও দু'একটি রাজ্যের দলবদলু নেতারাও৷

প্রশান্ত কিশোর নিজের ব্যাপারে অন্যরকম ভাবনার কথা প্রকাশ্যে আনলে এমন 'সংকট' যে হতে পারে, সে সম্পর্কে তৃণমূল প্রথম থেকেই অবহিত৷ এটা নিশ্চিত৷ তাহলে পিকে-কে থামাল না কেন তৃণমূল? কেন কংগ্রেসের হয়ে ব্যাট ধরার আগ্রহ প্রকাশ করতে দেওয়া হলো পিকে-কে? তৃণমূলের সঙ্গে পিকে নিশ্চয়ই চুক্তিবদ্ধ৷ সেই চুক্তিতে সম্ভবত একথা বলা আছে, কোনও রাজনৈতিক দল যদি তৃণমূলের বৃহত্তর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করার অভিপ্রায় প্রকাশ্যে আনে, তাহলে চুক্তিবদ্ধ সময়কালে প্রশান্ত কিশোর অবশ্যই সেই দলের ব্রিফ নিতে পারবেন না৷ তাহলে এমন পরিস্থিতিতে তৃণমূল পড়তে চলেছে কেন ?

আসলে পেশাদার প্রশান্ত-র একাধিক স্টেডিয়ামে খেলার দক্ষতা রয়েছে৷ ওঁর ট্র্যাক-রেকর্ড বলছে,২০১২-তে বিজেপির হয়ে গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনে, ২০১৪-তে সেই বিজেপির হয়েই লোকসভা ভোটে, ২০১৫-তে জেডিইউ-র হয়ে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে, ২০১৭-তে কংগ্রেসের হয়ে পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে, ২০১৭-তেই কংগ্রেসের হয়ে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে, ২০১৯ সালে ওয়াইএসআর-এর হয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে, ২০২০-তে আম আদমি পার্টির হয়ে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে, ২০২১-এ তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে, ২০২১-এ ডিএমকে-র হয়ে তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে ভোটকুশলী হিসেবে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন প্রশান্ত কিশোর৷ সুতরাং দেখাই যাচ্ছে, কোনও বিশেষ দলের হয়েই তিনি একমাত্র 'কাজ' করবেন, এমন নয়৷ ফলে তৃণমূলের সেভাবে আপত্তি করার প্রশ্ন নেই৷ তাই ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে এবং তার আগে গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনে পিকে কংগ্রেসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার মধ্যে বিস্ময়েরও কিছু নেই৷ তবে এবার তিনি যদি সরাসরি কংগ্রেসে যোগ দিয়ে কংগ্রেসের হয়ে কাজ করেন, সেটাই হবে পিকে-র ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ ৷

কিন্তু গোটা বিষয়টি এত সহজ-সরল নাও হতে পারে৷ ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের জন্য হোমওয়ার্ক করতে বসে প্রশান্ত কিশোর হয়তো দেখেছেন, কয়েকটি দল কংগ্রেসকে বাইরে রেখে জাতীয় স্তরে বিজেপি- বিরোধী জোট গঠন করতে সচেষ্ট হয়েছে৷ তৃণমূল কংগ্রেসও এই একই ধারণা পোষণ করছে৷ এই জোট প্রাথমিকভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গুরুত্ব দিলেও সঠিক সময়ে নিজেদের মত বদল করতে পারে৷ তাছাড়া কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে তৈরি জোটের পক্ষে মোদিকে হারানো সম্ভব নয়৷ অভিজ্ঞ প্রশান্ত কিশোর জাতীয় রাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বিজেপি-বিরোধী মহাজোটের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে তৃণমূল সুপ্রিমো'র ওপরও সে ভাবে আস্থা রাখতে পারছেন না৷ পিকে নিজে তৃণমূলের পরামর্শদাতা হলেও, তাঁর ধারণা, কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে ২০২৪-এ মোদিকে হারানো সম্ভব নয়। এর পরই নতুন কৌশল রচনা করেছেন পিকে৷ পোড় খাওয়া ভোটকুশলী পিকে নিশ্চিত হয়েছেন এই মুহূর্তেই বিজেপি-বিরোধী জোটের পতাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া ঠিক ততখানি সহজ হচ্ছে না৷ অথচ ওই নির্বাচনে যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক রাখতে হবে মমতাকে৷ এর একমাত্র দাওয়াই কংগ্রেসকে সামনে রেখেই জোট গড়া৷ সেই জোটের গুরুত্বপূর্ণ নেত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ আর এই কাজ সহজতর হবে পিকে যদি কংগ্রেসে যোগ দেন অথবা কংগ্রেসের পরামর্শদাতা হন৷ তাই কংগ্রেসকে সামনে রেখেই মোদি-বিরোধী মহাজোট হবে৷ পিকে হয়তো দায়িত্ব নিয়েছেন, তিনি নিজে সোনিয়া গান্ধী বোঝানোর চেষ্টা করবেন ওই জোটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় আনা হোক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ ২০২৪-এ বাংলায় কংগ্রেস আসন সমঝোতা করুক তৃণমূলের সঙ্গে৷ এই জোট কমপক্ষে ৩৮-৪০টি আসন লাভ করবে৷ আর পিকে নিশ্চিত, তিনি কংগ্রেসে যোগ দিন বা না দিন, শুধুমাত্র পরামর্শদাতা হিসেবে তাঁর দেওয়া এই ফরমূলা সোনিয়া গান্ধী মেনে নেবেন৷ সেক্ষেত্রে মেঘালয়েও কংগ্রেস জোট করতে পারবে তৃণমূলের সঙ্গে৷ মুকুল সাংমাদের অস্বস্তিও দূর হবে৷ পিকে-র এই পরিকল্পনা সম্ভবত তৃণমূলের ছাড়পত্র পেয়েছে৷ প্রশান্ত কিশোরকে আপাতত 'ছেড়ে রেখেই ধরে রাখা'-র সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের সুপ্রিমো৷

অভিজ্ঞ এবং পেশাদার প্রশান্ত কিশোর তৃণমূলকে বোঝাতে পেরেছেন, জাতীয় স্তরে তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে থাকলেই লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের রাজনৈতিক ফায়দা শতগুণে বেশি৷

লিখেছেন
Kanad Dasgupta
Kanad Dasgupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?