সব অভিযোগ মনগড়া! 'উপহারের বিনিময়ে প্রশ্ন' বিতর্কে নিজেকে বাঁচাতে পারবেন মহুয়া?

Mahua Maitra, Cash For Query Row: টাকার বিনিময়ে আদানি-মোদিকে জড়িয়ে প্রশ্ন করা তো দূর, তিনি যাতে সংসদে এ নিয়ে প্রশ্ন না করতে পারেন, সে জন্যই তাঁর মুখ বন্ধ করার চেষ্টা চলছে বলে বিস্ফোরক দাবি করেছেন মহুয়া।

Sohini Das
৪ মিনিট
সব অভিযোগ মনগড়া! 'উপহারের বিনিময়ে প্রশ্ন' বিতর্কে নিজেকে বাঁচাতে পারবেন মহুয়া?

সংসদে বিরোধীদের চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করার জন্য খ্যাতি ছিল তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের। তবে সেই গুণের মাশুল যে এই ভাবে গুনতে হতে পারে তা কে-ই বা জানত। আদানির সঙ্গে মোদিকে জড়িয়ে প্রশ্ন করার জন্য বিপাকে পড়েছেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ। দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নিয়েই নাকি এমন প্রশ্ন করেছেন মহুয়া, এমন অভিযোগ তুলে লোকসভার স্পিকারের দ্বারস্থ হন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। একই অভিযোগ আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাইয়েরও। মহুয়ার বিরুদ্ধে ওঠা ‘টাকা ও উপহারের বিনিময়ে প্রশ্ন’-এর এই মারাত্মক অভিযোগ যায় লোকসভার এথিক্স কমিটিতে।

বৃহস্পতিবার এথিক্স কমিটির বৈঠকে শোনা হয়েছিল দুই অভিযোগকারীর বক্তব্যই। তাঁরা দুজনেই অভিযোগ করেছেন দুবাইয়ের ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে উপহার-নগদ নেন তৃণমূল সাংসদ, আর তার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও আদানিকে জড়িয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করেন মহুয়া মৈত্র। ইতিমধ্যে আবার দুবাইয়ের ওই ব্যবসায়ী দর্শন, যিনি কিনা আবার মহুয়ার বন্ধুও বটে। তিনি হলফনামা দিয়ে সমস্ত অভিযোগ স্বীকারও করে নিয়েছেন। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগই উড়িয়েছেন মহুয়া। সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ধরে ধরে প্রায় প্রতিটি অভিযোগকেই খণ্ডন করেছেন তৃণমূল সাংসদ।

বরাবরই বিতর্ক তাড়া করে ফিরেছে মহুয়াকে। কখনও কালী বিতর্ক তো, কখনও আবার অন্য কিছু। তবে এবার তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা কার্যত বিস্ফোরক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে মুখ খোলেনি দল। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি নিয়ে মুখ খোলেন মহুয়া। নিশিকান্ত ও জয়, দুজনেই অভিযোগ করেছিলেন, দুবাইয়ের ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে উপহার-নগদ নিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ। সেই বিস্ফোরক অভিযোহ সম্পর্কে মহুয়া জানান, বছর কয়েক আগে জন্মদিন উপলক্ষে মহুয়াকে বিদেশি একটি প্রসাধনী সংস্থার আইশ্যাডো ও লিপস্টিক উপহার দিয়েছিলেন দুবাইয়ের ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি। দুবাই বিমানবন্দর থেকে কেনা হয়েছিল ওই সামগ্রী, তা ছিল ডিউটি ফ্রি অর্থাৎ নিঃশুল্ক। মহুয়া জানিয়েছেন, দর্শনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অনেকদিনের। মুম্বই গেলে দর্শন বন্ধু হিসাবে বিমানবন্দরে তাঁর জন্য গাড়ি পাঠাতেন। ভবিষ্যতেও মুম্বই গেলে তিনি বন্ধু দর্শনকে তা জানাবেন বলেই জানিয়েছেন মহুয়া।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
"গোটা দেশকে টুপি পরিয়েছে ও", আদানি ইস্যুতে রণংদেহী মহুয়া মৈত্র, আদৌ কি সঠিক সেই বক্তব্য?

Mahua Moitra Slams Adani Modi Relation : এর আগেও মহুয়া মৈত্র সংসদে বেশ উত্তপ্ত ভঙ্গিতে ভাষণ দিয়েছেন। কিন্তু মোদি-আদানি সম্পর্ক নিয়ে যে প্রশ্ন তুলেছেন, তা সত্যি?

মহুয়ার বিরুদ্ধে নগদ নেওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সর্বৈব ভাবে মিথ্যা বলেই জানিয়েছেন মহুয়া। তিনি দর্শনের থেকে ২ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে দাবি অভিযোগকারীদের। অথচ দর্শনের হলফনামাতেও ওই টাকার উল্লেখ নেই কোথাও। নিশিকান্ত ও জয়, দু'জনেই মনগড়া অভিযোগ করছেন বলে দাবি করে মহুয়া জানান, জয় অনন্ত দেহাদ্রাই তাঁর পুরনো বন্ধু। তবে পোষ্যের মালিকানা নিয়ে বিবাদ হয়েছিল তাঁদের মধ্যে। আর সাংসদ নিশিকান্ত দুবে বিরোধী দলের নেতা ও সাংসদ। ফলে মহুয়ার সঙ্গে দ্বৈরথের কারণটা আলাদা করে বলে দিতে হয় না। গত তিন-চার বছর ধরেই দুবের সঙ্গে মহুয়ার রাজনৈতিক সংঘাত লেগেই রয়েছে। দর্শনের কাছ থেকে মহুয়া দামি ব্র্যান্ডের জুতো, ব্যাগ-সহ অন্যান্য জিনিস উপহার নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ওই দু'জন। মহুয়া জানান, অভিযোগ পত্রে আদানপ্রদানের যে দীর্ঘ তালিকা লোকসভা স্পিকারের সামনে এনেছেন তাঁরা, তার কোনও প্রমাণই নেই অভিযোগকারীদের কাছে। কোনও নথিও তাঁরা দেখাতে পারবেন না অভিযোগের স্বপক্ষে।

টাকার বিনিময়ে আদানি-মোদিকে জড়িয়ে প্রশ্ন করা তো দূর, তিনি যাতে সংসদে এ নিয়ে প্রশ্ন না করতে পারেন, সে জন্যই তাঁর মুখ বন্ধ করার চেষ্টা চলছে বলে বিস্ফোরক দাবি করেছেন মহুয়া। তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, দিল্লির টেলিগ্রাফ লেনের বাংলোটি নাকি নতুন করে সাজিয়েছিলেন মহুয়া। আর সে সমস্তটাই হয়েছে নাকি ব্যবসায়ী দর্শনের টাকায়। তবে সেই অভিযোগ উড়িয়ে মহুয়া জানান, দর্শনকে তিনি অনুরোধ করেছিলেন, তাঁর সংস্থার আর্কিটেক্টরা যাতে নকশাটুকু করে দেন। ব্যস ওটুকুই। তাঁর বাংসো সংস্কারের কাজ কিন্তু গোটাটাই করেছে সরকারি সংস্থা সিপিডব্লিউডি। সেখানে দর্শন বা তাঁর সংস্থার কোনও ভূমিকাই ছিল না। মহুয়ার দাবি, প্রয়োজন হলে এথিক্স কমিটি দর্শনকে ডাকুক। দুজনকে মুখোমুখি বসিয়ে প্রশ্ন করা হোক। তাহলেই সত্যিটা সামনে এসে যাবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইটের বদলে পাটকেল! 'জ্বালাময়ী' মহুয়াকে যে ভাবে পাল্টা উত্তর দিলেন নির্মলা সীতারামন

Mahua Moitra slams BJP government : মহুয়া মৈত্র যে ক্ষমতাকে প্রশ্ন করেছিলেন, সেই ক্ষমতার উদাহরণকেই আরেক দফা ব্যবহার করলেন নির্মলা। এবার তাঁর অভিমুখ পশ্চিমবঙ্গ।

নিশিকান্ত যে অভিযোগগুলি জানিয়েছেন চিঠি লিখে, তার মধ্যে মূল ছিল মহুয়ার বিরুদ্ধে দুবাই-যোগের অভিযোগ। তাঁর বক্তব্য ছিল, সংসদের ওয়েবসাইটে লগ-ইন করার জন্য নিজের কোড এবং পাসওয়ার্ড হীরানন্দানিকে দিয়ে দিয়েছিলেন মহুয়া। ওই ব্যবসায়ী দুবাইয়ে বসে তার ‘সুযোগ’ নিয়েছেন। আর এটি জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। মহুয়ার বক্তব্য, বহু সাংসদই নিজেদের লগইন পাসওয়ার্ড অন্যকে দিয়ে রাখেন। লোকসভায় এই সংক্রান্ত তেমন কোনও নিয়ম নেই। মহুয়া বেশির ভাগ প্রশ্ন হাতে লিখে সই করে দেন। কোনও কোনও সময়ে অবশ্য তা সাংসদের লগ ইন আইডি ব্যবহার করেও লেখেন। তাছাড়া প্রশ্ন লিখলেও ফোনে ওটিপি আসে। সেটা অন্য কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। মহুয়ার বক্তব্য, সমস্ত সাংসদের লগ-ইন কোড এবং পাসওয়ার্ড প্রকাশ করা হোক। তাহলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে, অন্য সাংসদেরা এই কাজ করেন কিনা।

যবে থেকে 'টাকা ও উপহারের বিনিময়ে প্রশ্ন' বিতর্কে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে মহুয়াকে, আশ্চর্যজনক ভাবে মুখে কুলুপ এঁটেছে তৃণমূল। এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য তো দূরের, বরং একটু সাবধানী দূরত্ব বজায় রেখে চলেছে দল। এমনকী বিষয়টি নিয়ে কোনও কিছু বলতে দেখা যায়নি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সপাট জবাব মহুয়ার, তিনি তৃণমূলকর্মী। মমতা বন্দ্যাপাধ্যায় তাঁর রাজনৈতিক মা। তাঁর অনেক বড় লড়াই রয়েছে। এই লড়াইটা তিনি নিজেই লড়তে পারবেন বলেই জানান কৃষ্ণনগরের সাংসদ। তবে মুখে যাই বলুন না কেন, সত্যিই কি এই অভিযোগ থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারবেন মহুয়া, আপাতত সেটাই প্রশ্ন।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।