১৯৭১-এ সংসার ছেড়েছিলেন মোদি! প্রধানমন্ত্রীর বাকি পরিবারের কথা কেন জানেই না দেশ

PM Modi Family: মোদি কান্নাস্নাত গলায় বলেছিলেন, "আমি উচ্চ পদে বসার জন্য জন্মগ্রহণ করিনি। আমার যা কিছু ছিল, আমার পরিবার, আমার বাড়ি... আমি তা দেশের জন্য ছেড়ে এসেছি..."।

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
১৯৭১-এ সংসার ছেড়েছিলেন মোদি! প্রধানমন্ত্রীর বাকি পরিবারের কথা কেন জানেই না দেশ

“ঝোলা উঠাকে" বেরিয়ে পড়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বলেছিলেন, দেশ সবার আগে, পরিবার, সম্পত্তি, বন্ধনের যাবতীয় গ্রন্থি ছিঁড়ে তাই রাষ্ট্রের সেবক হয়েছিলেন। ভারত যে প্রধানমন্ত্রীদের পেয়েছে, সকলেই যাকে বলে 'ট্রাডিশনাল ফ্যামিলি পার্সন'। রাজনীতির মধ্যে থেকেও পরিবারের সঙ্গে থেকেছেন বা কিছুক্ষেত্রে পরিবারই হয়ে উঠেছে রাজনীতির আধার। তাকে কটাক্ষ করে রাজনৈতিক নেপোটিজম বলাও হয়েছে। মোদ্দা কথা, রাজনীতির মধ্যে থেকেও থেকেছেন পরিবারের সঙ্গে। নেহরু ইন্দিরার সঙ্গে থাকতেন। লাল বাহাদুর শাস্ত্রী সন্তান ও নাতি নাতনিদের নিয়েই কাটিয়েছেন বাকি জীবন। ইন্দিরা গান্ধীও সন্তান সঞ্জয় ও রাজীব এবং তাঁদের পরিবারের সঙ্গেই থেকে যান। এমনকী বিয়ে থা না করেও প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর ছিল এক সুন্দর পরিবার। ১৯৯৮ সালে যখন তিনি ৭ রেসকোর্স রোডে চলে আসেন, তখন তাঁর দত্তক নেওয়া পরিবার, নমিতা ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্বামী রঞ্জন থাকতেন অটলের সঙ্গেই।

তবে নরেন্দ্র মোদি পরিবার থেকে দূরে থাকতে শুরু করেছেন সেই ১৯৭১ সাল থেকে। আরএসএস মানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের মতাদর্শ অনুযায়ী একজন 'প্রচারক'কে পরিবারের সদস্যদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতেই হয়। অর্থাৎ সবার আগে কাজ, গার্হস্থ্য এবং পারিবারিক ঝুট ঝামেলা, মায়া থেকে মুক্ত হয়ে তবেই সবটুকু দেওয়া যাবে সংঘের মত প্রচারের জন্য। আরএসএসের বিশ্বস্ত নরেন্দ্র মোদি ১৯৭১ সাল থেকেই তাই সংসারের বাঁধন ছিন্ন করতে শুরু করেন এবং সংঘের কাজের আরও বেশি মনোযোগ দেন। তখন থেকেই নরেন্দ্র মোদি 'ব্রহ্মচারী' জীবনযাপন শুরু করেন। তাঁর রাজনৈতিক সিঁড়িভাঙা যত বেড়েছে ততই ক্ষীণ হয়েছে পারিবারিক যোগাযোগ। তবুও, যতই হোক, রক্তের আত্মীয় তো! তার উপর প্রধানমন্ত্রী, আত্মীয়রা তাঁকে বেশ গর্বের সঙ্গেই দেখেন। মোদিও একবার বলেছিলেন, "এটা সত্যিই আমার ভাই এবং আত্মীয়দের কৃতিত্ব যে তাঁরা সাধারণ জীবনযাপনই চালিয়ে গেছেন এবং আমাকে কখনই কোনও কিছুর জন্য বিরক্ত করেননি। আজকের বিশ্বে, এটি অত্যন্ত কঠিন বিষয়।"

প্রধানমন্ত্রী মোদি, দামোদরদাস এবং হিরাবেনের ছয় সন্তানের মধ্যে তৃতীয়। বাবা দামোদরদাস মুলচাঁদ মোদি সামান্য চায়ের দোকান চালাতেন এবং মা সামান্য কাজকর্ম করে সংসার চালিয়ে নিতেন। মোদির এই 'সাধারণ' ইমেজকে বরাবর দল হাতিয়ার করেছে। তাঁর 'নিঃস্বার্থ' ইমেজ ভারতের জনগণের মন জেতার জরুরি টোটকা। নোটবন্দি করার পর পর, যখন এমন 'স্বৈরাচারী' পদক্ষেপ নিয়ে দেশ বিক্ষোভ-হতাশা-আশঙ্কায় উত্তাল, একটি জনসভাতে মোদি কান্নাস্নাত গলায় বলেছিলেন, "আমি উচ্চ পদে বসার জন্য জন্মগ্রহণ করিনি। আমার যা কিছু ছিল, আমার পরিবার, আমার বাড়ি... আমি তা দেশের জন্য ছেড়ে এসেছি..."।

সোমভাই মোদি

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
স্কুলে যাননি কোনওদিন, তবু চিকিৎসা করতেন! মোদির প্রয়াত মা হীরাবেনের যে জীবন অজানাই

Heeraben Modi Passes Away: নরেন্দ্র মোদির মা নিজে কখনও স্কুলে যাননি, তবুও তিনি তাঁদের গ্রামের একজন ডাক্তার ছিলেন।

নরেন্দ্র মোদির পরিবারের বাকিদের কথা তাই খুব একটা প্রকাশ্যে আসেওনি কোনওদিন। নরেন্দ্র মোদির সবচেয়ে বড় দাদা হলেন সোমভাই মোদি। ভাদনগরের একটি বৃদ্ধাশ্রম চালান তিনি। নরেন্দ্র মোদির দাদা বলেছিলেন, তাঁর এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির মধ্যে একটা পর্দা রয়েছে। সেই পর্দাটি তিনি দেখতে পান ঠিকই কিন্তু বাকিদের কাছে অদৃশ্য। "আমি নরেন্দ্র মোদির ভাই, প্রধানমন্ত্রীর ভাই নই। প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্য, আমি ভারতের ১৩৯ কোটি মানুষেরই একজন," বলেছিলেন সোমভাই।

মোদির সমস্ত পরিবারই এখনও অদ্ভুতভাবে মধ্যবিত্ত জীবনই অতিবাহিত করেন। ২০০১ সালে তাঁদের পরিবারের সদস্য প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। তারপর থেকে এতকাল কেটে গেলেও অবস্থা পালটায়নি। নরেন্দ্র মোদির মেজোভাই, অম্রুতভাই মোদি ২০০৫ সালেও মাস মাইনে পেতেন ১০,০০০ টাকারও কম। চাকরি করতেন একটি বেসরকারি সংস্থায়। আহমেদাবাদের ঘাটলোদিয়া এলাকায় চার কামরার মধ্যবিত্ত বাড়িতে ছেলে সঞ্জয় এবং পুত্রবধূ আর তাঁদের ছেলে মেয়েদের সঙ্গে থাকেন মোদির এই দাদা। ছেলে সঞ্জয় একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। সঞ্জয়ের ছেলে নীরব ও মেয়ে নিরালি দু'জনেই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছেন। সঞ্জয় তাঁর লেদ মেশিনের দোকানে খুচরো যন্ত্রাংশ তৈরি করেন এবং মধ্যবিত্ত জীবন যাপন করেন। পারিবারিক একটি চারচাকা কেনা আছে ঠিকই, কিন্তু দু'চাকাতেই যাতায়াত বেশি।

অম্রুতভাই মোদি

সঞ্জয়ের পরিবার কখনও বিমানে চাপেননি, নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মাত্র দু'বার দেখা হয়েছিল তাঁদের। ২০০৩ সালে, যখন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে, তিনি তাঁর গান্ধীনগরের বাড়িতে একটি পারিবারিক সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন এবং তারপরে ১৬ মে, ২০১৪ তারিখে, ফের গান্ধীনগরের বাসভবনে, যেদিন বিজেপি সেই ঐতিহাসিক লোকসভা নির্বাচন জেতে। যে আবাসনে তাঁরা থাকেন সেখানে সবাই জানেন অম্রুতভাই প্রধানমন্ত্রীর দাদা। কিন্তু শোনা যায়, সঞ্জয়ের যে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আছে, সেই ব্যাঙ্কের আধিকারিকরা এই কথা জানেন না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ বুঝতেন অটল বিহারী, বাজপেয়ীর বিজেপির থেকে কোথায় আলাদা মোদির বিজেপি?

Atal Bihari Vajpayee: নিজের প্রায় পাঁচ দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ৯০ শতাংশ সময়ই বিরোধী আসনে বসেছেন অটল বিহারী বাজপেয়ী।

ছোটোবেলার কথা মনে করতে গেলে সঞ্জয়ের সবচেয়ে আগে মনে আসে একটি লোহার ইস্ত্রির কথা! প্রথম থেকেই ভালো করে আয়রন করা জামা কাপড় পরার প্রতি ঝোঁক ছিল তাঁর কাকা নরেন্দ্র মোদির। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭১- আহমেদাবাদে অম্রুতভাইয়ের সঙ্গে থাকার সময় নরেন্দ্র মোদি একটি লোহার ইস্ত্রি ব্যবহার করতেন। বাবাকে কোনওদিন সেই ইস্ত্রি বিক্রি করতেও দেননি সঞ্জয়। কারণ তাঁর মনে হয়, যদি কাকা মানে নরেন্দ্র মোদি আজ এই লোহার ইস্ত্রি দেখেন, নিশ্চয়ই স্মৃতিমেদুর হয়ে পড়বেন। বাড়িতে প্রাচীন এক সিনি ব্র্যান্ডের টেবিল ফ্যানও রয়েছে, আহমেদাবাদের চরম গ্রীষ্মে এই পাখাই চালিয়ে শুতেন মোদি।

প্রহ্লাদ মোদি

তবে পরিবারের সব্বাই যে মোদি-ভক্ত এমনও নয়। পরিবারের কিছু সদস্য এমনও আছেনযাঁরা মোদির বিরোধিতাও করেন। যেমন সবচেয়ে ছোট ভাই প্রহ্লাদ মোদি। রেশন দোকান চালাতেন এবং গুজরাত ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনে সহ-সভাপতি। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন পিডিএস ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার জন্য তাঁর বড় দাদা মোদির একজন সোচ্চার সমালোচক ছিলেন প্রহ্লাদ। চলতি বছরেই অগাস্ট মাসে দিল্লির যন্তর মন্তরে রেশন ব্যবসায়ীদের ধর্নায় উপস্থিত হয়েছিলেন প্রহ্লাদ মোদি। ধর্নায় বসে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। জিএসটির দাবি নিয়েও প্রতিবাদ করেছিলেন প্রহ্লাদ।

কেমন আছেন মোদির পরিবারের অন্যান্যরা? আসছে পরবর্তী লেখায়

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।

রামলীলার সভার জন্য ক্ষতি হয়েছে ছোট দোকানদারদের, কতটা প্রচার, কতটা সত্যি?

loss claim for Ramlila rally: রামলীলা ময়দানের সমাবেশ ঘিরে ছোট দোকানদারদের ‘২.৫ লক্ষ দোকান বন্ধ’ ও ‘১০-১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি’র দাবি আসলে, দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন সিটিআই-এর অনুমান আসলে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের হিসাবের ভিত্তিতে করা হয়েছে। বিজেপি-কংগ্রেস পাল্টাপাল্টি অভিযোগে এই সংখ্যাগুলি এখন রাজনৈতিক হাতিয়ার।

এসআইআর: মূল টার্গেট ছিল বাংলা?

SIR West Bengal controversy: এসআইআরের নামে বাংলার নাগরিকদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার পরিকল্পনা কতটা সুপরিকল্পিত? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, বিচারকদের পর্যবেক্ষণ, ডিজিটাল কারচুপি ও সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ কী ইঙ্গিত দিচ্ছে?

শ্রমিক বিক্ষোভের নেপথ্যে আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ সরকারের অভিযোগের বাস্তব ভিত্তি কতটা?

Garment Workers' Protest in Bangladesh: বাংলাদেশে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, আন্দোলনের পিছনে আওয়ামী লীগের ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ বাংলাদেশ সরকারের। কিন্তু শ্রমিকদের অসন্তোষের নেপথ্যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, নাকি মূল্যবৃদ্ধি ও প্রকৃত মজুরি কমে যাওয়ার ক্ষোভ? সরকারের দাবির পক্ষে কতটা প্রমাণ রয়েছে?

সকালে জমা বিকেলে খরচ: আইনের শাসনের অবমাননা

Gaighata incident: গাইঘাটার ঘটনার পরমুহূর্তে শাসক দলের মন্ত্রী, নেতাদের প্রতিক্রিয়া পরিষ্কার করে দেয়, বন্দি অভিযুক্তকে হত্যার ঘটনা সরকারি নীতির ('সকালে জমা, বিকালে খরচ')—নগ্ন প্রয়োগ।

৫০ কোটি মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত, মোদীর দাবির আড়ালে কোন পরিসংখ্যানগত বিতর্ক?

World Bank's claim about India's poverty decline: বিশ্বব্যাঙ্কের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১১-১২ থেকে ২০২২-২৩-এ ভারতের চরম দারিদ্র্য ২৭.১% থেকে ২.৬%-এ নেমেছে বলে দাবি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই পরিসংখ্যানকে রাজনৈতিক প্রচারের কাজেও লাগাচ্ছেন। কিন্তু, পরিসংখ্যানের আড়ালে আসল সত্য কি? কি বলছেন অর্থনীতিবিদরা?