মমতা-মন্তব‍্যে ফের বিতর্কিত সিঙ্গুর! এক নজরে ফিরে দেখা সেই ইতিহাস

Singur Timeline: কী বলছে সিঙ্গুরের ইতিহাস? দেখে নিন এক নজরে।

Ramen Das
২ মিনিট
মমতা-মন্তব‍্যে ফের বিতর্কিত সিঙ্গুর! এক নজরে ফিরে দেখা সেই ইতিহাস

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের হাত ধরে ফের লাইমলাইটে সিঙ্গুর। প্রশ্ন, বিতর্ক আর জল্পনার দাবদাহে মেতেছে রাজ্য। কিন্তু ঠিক কী হয়েছিল সেদিন? কী বলছে ইতিহাস? দেখে নিন এক নজরে।

২০০৬ বিধানসভা নির্বাচনে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর নেতৃত্বে বিপুল জয় পেল বামফ্রন্ট।

১৮ মে, ২০০৬

টাটা গোষ্ঠীর প্রধান রতন টাটা এবং বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ঘোষণা করলেন ন্যানো প্রকল্পের।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০০৬

সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় সক্রিয় হল রাজ্য সরকার। টাটা গোষ্ঠীর কারখানা তৈরির জন্য জমি নেওয়া হল সিঙ্গুরে।

১ ডিসেম্বর, ২০০৬

সিঙ্গুরে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী নেত্রীকে বাধা দিল পুলিশ। শুরু হল উত্তেজনার পরিস্থিতি।

৪ ডিসেম্বর, ২০০৬

এবার এই ইস্যুতে অনশনের পথে হাঁটলেন মমতা।

১৮ ডিসেম্বর, ২০০৬

প্রকাশ্যে এল তাপসী মালিক হত্যাকাণ্ড। উত্তাল হল রাজ্য।

২৮ ডিসেম্বর, ২০০৬

২৬ দিনের অনশন ভাঙলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

৯ মার্চ, ২০০৭

সিঙ্গুরের টাটা মোটরস পেল প্রায় ৯৯৭ একর জমি।

১০ জানুয়ারি, ২০০৮

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কৌশল না স্মৃতিভ্রম! টাটা তাড়ানোর ইতিহাস নিয়ে মমতার মন্তব্যে দানা বাঁধছে জল্পনা

Mamata Banerjee: সিঙ্গুর প্রসঙ্গে মুখ‍্যমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে কী বলছেন শমীক লাহিড়ী, সুখেন্দুশেখর রায় ও শমীক ভট্টাচার্যরা?

রাজধানী দিল্লিতে প্রথম প্রকাশ্যে এলো টাটার ন্যানো।

১৮ জানুয়ারি, ২০০৮

রাজ্যকে ফের জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

২৭ জুন ২০০৮

ফের উত্তেজনা। সিঙ্গুরের ন্যানো কারখানার সামনে বিক্ষোভ। গেট ভাঙল উত্তেজিত জনতা।

১৯ অগাস্ট, ২০০৮

অনিচ্ছুকদের দেওয়া জমি ফেরাতে হবে, ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০ অগাস্ট, ২০০৮

রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী। রাজভবনে বৈঠকে মুখোমুখি হলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যর্থ হল ওই বৈঠক।

২৪ অগাস্ট, ২০০৮

সিঙ্গুরে জাতীয় সড়কের উপর মঞ্চ বেঁধে অবস্থান শুরু করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

৩ অক্টোবর, ২০০৮

সিঙ্গুর থেকে সরল ন্যানো প্রকল্প। সরে গেল টাটা গোষ্ঠী। ঘোষণা করলেন রতন টাটা।

১৩ মে, ২০১১

রাজ্যের বামশাসন হঠিয়ে মহাকরণ দখল করল মমতার তৃণমূল কংগ্রেস।

৯ জুন, ২০১১

কৃষকদের জমি ফেরাতে অর্ডিন্যান্স জারির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

১৩ জুন, ২০১১

বিধানসভায় পাশ হলো ‘সিঙ্গুর বিল’।

২০ জুন, ২০১১

সিঙ্গুর বিলে সই করলেন রাজ্যপাল।

২১ জুন, ২০১১

সিঙ্গুরের জমি দখলে নিল রাজ্য সরকার।

২২ জুন, ২০১১

‘সিঙ্গুর আইন’-কে চ্যালেঞ্জ। কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলো টাটা মোটরস। সরকারের নির্দেশে স্থগিতাদেশ চাইল টাটা মোটরস।

২৭ জুন, ২০১১

টাটাদের আর্জি খারিজ করল কলকাতা হাই কোর্ট। রাজ্যের ওই অর্ডিন্যান্সে স্থগিতাদেশের আবেদন করে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল টাটা মোটরস কর্তৃপক্ষ।

২৮ জুন, ২০১১

সকালে জমি মাপার কাজ শুরু হলো। একই দিন সন্ধ্যায় সিঙ্গুরের ওই জমির কাগজ হস্তান্তর হলো।

২৯ জুন, ২০১১

সিঙ্গুরের কৃষকদের জমি ফেরতে না করল সুপ্রিম কোর্ট।

৩১ অগাস্ট, ২০১৬

এবার এল ঐতিহাসিক রায়। ২০০৬ সালে সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ অবৈধ ছিল, জানাল দেশের শীর্ষ আদালত।

উচ্ছাস শুরু হলো তৃণমূল শিবিরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনরত জয় হয়েছে বলা হলো ফের। জমি ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য।বিতর্কের কেন্দ্রে থাকল সিঙ্গুর ইস্যু। ফের সেই সিঙ্গুর ইতিহাসই তুলে আনলেন মমতা।

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।