ভালো খবর ভুলে যাই, কেন খারাপ খবরেই আমরা বেশি বিচলিত হই?

Brain and Negativity: একটি নেতিবাচক তথ্য বা ঘটনা একটি ইতিবাচক বা নিরপেক্ষ তথ্য বা ঘটনার চেয়ে বেশি ওজনদার।

Shamim Haque Mondal
৪ মিনিট
ভালো খবর ভুলে যাই, কেন খারাপ খবরেই আমরা বেশি বিচলিত হই?

সকালে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে কাগজের পাতা ওল্টাচ্ছেন। পাতায় পাতায় খুন, রাহাজানি, ধর্ষণ, বিভিন্ন গোলযোগের খবরে ছয়লাপ। তবে শুধু এগুলো নয়, সঙ্গে কিছু ভালো খবরও আছে বৈকি! মানে এই ধরুন, বৃক্ষরোপণ উৎসব, যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার কীভাবে কাদের কাদের উন্নতি করে যাচ্ছে, অমুক জায়গার তমুক হাসপাতাল গরিবদের জন্য সপ্তাহে একবেলা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করবে, আরও কত কী। অথচ দেখুন, সেসব নিয়ে আমাদের মাথাব্যাথা নেই। আমাদের মনের অজান্তেই আমাদের মস্তিষ্ক গিলতে থাকে খারাপ বা নেতিবাচক খবরগুলিকে। অথচ একইসঙ্গে সবসময়ই বহু মানুষ বহু মানুষকে বলে চলেন "সবকিছুতে পজিটিভ থাকতে হবে"!

ধরা যাক, মানুষের উন্নতির জন্য কিছু সংবাদপত্র যদি একটা 'সুখবর' ভার্সন ছাপে! মানে, সেখানে কোনও নেতিবাচক খবরই থাকবে না। তাহলে কি মানুষজন বদলে যেত? সেই চেষ্টা কি মানব ইতিহাসে করা হয়নি আগে? হয়েছে, কিন্তু আমজনতা সেই খবর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। ব্যাপারটা অনেকটা পতঙ্গ আর অগ্নিশিখার মতোই, "পতঙ্গ যে রঙ্গে ধায়, ধাইলি অবোধ হায়!" নেতিবাচক খবর শুধু পড়া নয়, সেটা নিয়ে চর্চা না করা পর্যন্ত আমাদের আশ মেটে কই! কিন্তু কেন নেতিবাচক খবর আমাদের এত ভাবায়, আমরা এত বেশি তা নিয়েই মগ্ন হয়ে পড়ি?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জম্বিদের মস্তিষ্ক কেমন? তিন 'মৃতের' মাথা পরীক্ষা করে শিউরে ওঠা তথ্য জানালেন গবেষকরা

Zombies of Haiti: তিনজন জম্বির ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাফি এবং ডিএনএ পরীক্ষা করে সত্যটা জানা যায় অবশেষে

আসলে আমাদের মস্তিষ্কের নেতিবাচক জিনিসের প্রতি পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। সে সবসময়ই ইতিবাচক বিষয়গুলির চেয়ে নেতিবাচক জিনিস এবং ঘটনাকে অগ্রাধিকার দেয়। নিজেই ভালো করে ভেবে দেখুন, এমনটা হামেশাই প্রত্যক্ষ করেছেন আপনিও। যেমন ধরুন, পাড়ার শ্যামলের বিয়েতে হয়তো আপনার পোশাক দেখে শতকরা নিরানব্বই ভাগ মানুষ বলেছেন, "বাহ! বেশ লাগছে তো!" শুনে অপনার ভালো লেগেছে। কিন্তু শেষপাতে আইসক্রিম খাওয়ার সময়, মাঝেরপাড়ার তপন বলে ফেলেছেন, "কী সব পোশাক পরেছেন দাদা? এই বয়সে এসব মানায়?" ওমনি মেজাজ চটকে গেল। আপনি কিন্তু আগের নিরানব্বই জনের সবার নাম বা চেহারা মনেও রাখেননি কিন্তু তপনের কথাটা আজও কোনও বিয়েবাড়ি যাওয়ার সময় কানে বাজে। প্রকৃতপক্ষে, একটি নেতিবাচক তথ্য বা ঘটনা একটি ইতিবাচক বা নিরপেক্ষ তথ্য বা ঘটনার চেয়ে বেশি ওজনদার। আর একবার সেই নেতিবাচক তথ্য আমাদের মস্তিষ্কে প্রবেশ করলে তা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

মানসিকভাবে খারাপ অভিজ্ঞতাগুলি আমাদের মস্তিষ্কের একাগ্রতা বা ফোকাসকে সংকীর্ণ করে। ওদিকে ইতিবাচক অভিজ্ঞতাগুলি এটিকে প্রশস্ত করে৷ সহজভাবে বললে, ইতিবাচক উপলব্ধির ক্ষেত্রে আমাদের মস্তিষ্ক আশেপাশের থেকে যতটা পারে ধারণা শোষণ করার চেষ্টা করে। অন্যদিকে, নেতিবাচক উপলব্ধির বেলায় আমাদের মস্তিষ্ক, সেই উপলব্ধির উৎস সম্পর্কে বেশি চিন্তা ভাবনা শুরু করে, তখন আমাদের চারপাশে কী ঘটছে তার কোনও খেয়াল থাকে না। শুধু যে কারণে মনখারাপ বা যেটি আমাদের বিরক্ত করে রেখেছে, সেটিই মাথার ভেতরে ঘুরপাক খেতে থাকে। ব্যাপারটা অনেকটা থিয়েটার হলের মতো। ইতিবাচক আবেগগুলি অনেকটা হলঘরের আলোর মতো, তারা যখন একসঙ্গে জ্বলে ওঠে তখন থিয়েটার হলের সব কিছু দৃশ্যমান হয়। আবার যখন নেতিবাচক আবেগগুলি সেগুলিকে ম্লান করে দেয় এবং স্পটলাইট চালু করে, আমরা শুধু সেটাই দেখি, যা মঞ্চে ঘটছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রথমবার বাবা হওয়ার পর আয়তনে হ্রাস পাচ্ছে মস্তিষ্ক! নতুন গবেষণায় চাঞ্চল্য বিজ্ঞানমহলে

Brain Plasticity: আপাত দৃষ্টিতে কর্টেক্সের আয়তনে হ্রাস পাওয়ার ঘটনা ক্ষতিকর শুনতে মনে হলেও, এই ঘটনা আদতে সন্তান ও অভিভাবকের মধ্যে সুসম্পর্ক এবং তার প্রতি স্নেহের টান স্থাপন করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

মূলত, যদি কিছু একটা নেতিবাচক ঘটনা ঘটে, তখন আমরা তার সম্পর্কে আরও নাড়াঘাঁটা করতে থাকি। কারণ আমাদের মস্তিষ্ক তখন এটির উপরই 'ফোকাস' করে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কেন আমাদের মস্তিষ্ক এমনটা করে? আসলে প্রকৃতির রূঢ় বাস্তবতায় দীর্ঘকাল ধরে বাঁচার জন্য সংগ্রাম করে করে মানুষ দেখেছে, বেঁচে থাকতে গেলে আনন্দদায়ক জিনিসের বা মুহূর্তের ঢেঁকুর তোলার চেয়ে বিপদ এবং হুমকির মোকাবিলা করা বেশি জরুরি। সেজন্যই, প্রকৃতিগতভাবে আমাদের মস্তিষ্কে একটা বিপদ নির্ধারণ কৌশল বা থ্রেট ডিটেকশন মেকানিজম আছে। কোনও খারাপ খবরের আঁচ পেলে সে সতর্ক হয়ে যায়। আমাদের শক্তিশালী মস্তিষ্কের একটি খারাপ দিক হলো যে, এমনকী সবচেয়ে বিমূর্ত বা ধারণাগত জিনিসগুলিকেও আমরা বিপদ বা হুমকি হিসাবে ভাবতে থাকি এবং স্বভাবতই সেই বিষয়ে আমাদের মনোযোগ চলে যায়। খারাপ খবর আমাদের টানে বেশি।

কিন্তু আশার কথা হচ্ছে যে, আমাদের মস্তিষ্কের নেতিবাচক জিনিসের মতোই ইতিবাচক জিনিসের প্রতিও পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। 'কন্ট্রাডিকশন' মনে হচ্ছে? আসলে যদি সময়ের সারণিতে হিসেব করি, তাহলে আমরা দেখব, কম সময়ের ক্ষেত্রে আমাদের মস্তিষ্ক নেতিবাচক ঘটনার পক্ষপাতদুষ্ট কিন্তু একটু লম্বা সময়ের বেলায় সে বেশ ইতিবাচক। খারাপ ঘটনার তথ্য আমাদের মাথায় ঢুকলে যেমন একটা আপৎকালীন সংকেত আসে, ঠিক তেমনই সেটি একবার স্মৃতির গর্ভে বিলীন হয়ে গেলে নেতিবাচক আবেগ তুলনামূলকভাবে দ্রুত ম্লান হয়ে যায়। ঘটনাটার তথ্য মস্তিষ্কের স্মৃতিতে থেকে যায় ঠিকই কিন্তু এর সঙ্গে জড়িত অপ্রীতিকর উপলব্ধি বা আবেগ ম্লান হয়ে যায়। ব্যাপারটা অনেকটা চুইংগাম চেবানোর মতো। প্রথমে এর স্বাদ থাকে, পরের দিকে চুইংগাম থাকলেও কোনও স্বাদ বা গন্ধ থাকে না। সেজন্যই বোধহয় আমরা বলি, 'time heals'!

মজার বিষয় হলো, ইতিবাচক আবেগের স্মৃতির সঙ্গে কিন্তু এটা ঘটে না। আমাদের পুরনো স্মৃতিগুলি ইতিবাচক দিকেই ঝুঁকতে চায়। আমাদের মস্তিষ্ককে বোঝার জন্য আমাদের স্মৃতিগুলিই সম্বল, কারণ এটি বিভিন্নভাবে আমাদের চিন্তাভাবনা এবং উপলব্ধিকে প্রভাবিত করে। এই সমস্ত কিছুর একটি ফলাফল হলো যে, আমরা প্রায়শই একটি ব্যপারে আশাবাদী, 'সময়ের স সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে"।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।