বান্ধবীর মেয়েকে দত্তক! বাজপেয়ী আর 'মিসেস কৌলে'র বন্ধুত্বের যে রসায়ন রইল অজানাই

Atal Bihari Vajpayee Love Relation: ১৯৭৮ সালে বাজপেয়ীকে এক তরুণ সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, "বাজপেয়ীজি, পাকিস্তান, চিন আর কাশ্মীর থাক। আমাদের মিসেস কৌল সম্পর্কে কিছু বলতে পারবেন?"

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
বান্ধবীর মেয়েকে দত্তক! বাজপেয়ী আর 'মিসেস কৌলে'র বন্ধুত্বের যে রসায়ন রইল অজানাই

চল্লিশের দশক। গোয়ালিয়রের বিখ্যাত কলেজ। পরাধীন ভারতের পড়ুয়ারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন কলেজ চত্বরে, হাতে বই-খাতা। লাইব্রেরির পথে দেখা দু'জনের। ভালো লাগলে হাসি ফুটে ওঠে রোদের মতো। উঠেওছিল ফুটে। তাবড় প্রাচীন বইয়ের মধ্যে নরম ভালোবাসার গন্ধ। মেলামেশার খুব যে সুযোগ আছে তা নয়। তবু, এই কলেজ লাইব্রেরিতে দুই পাঠক-পাঠিকা তো দেখা করতেই পারে। অনর্গল কথা না হোক, নীরব থেকেও কথোপকথন হতে পারে। হচ্ছিলও। বই আদানপ্রদানের মাঝে কুশল বিনিময়। স্বাধীনতার আগে প্রেম যেমন হয়, উষ্ণ কিন্তু আড়াল। যুবকের সঙ্গে দেখা হল যুবতীর। হামেশাই হয়। ভালোবাসার কথা সাদা কাগজে কলম লিখে দিয়েছে। পকেটে যত্নে মুড়ে রাখা ভালোবাসার স্বীকারোক্তি। একটি বইয়ের মধ্যে চিঠি ভরে দিলেন যুবক। যুবতী এসে তুলে নিয়ে গেলেন। বাকিটা অপেক্ষা। উত্তর আসবে অথবা প্রত্যাখ্যান- কিন্তু আসবে তো। যুবতীর সেই মায়াময় মুখখানি কোনও না কোনও অভিব্যক্তিতে তো জানান দেবেই চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার। যুবতীও চিঠি লেখে, পাতার ভাঁজে রেখে বইকে পিওন করে পাঠিয়ে দেয় ঠিকানায়। পিওন ঠিকানা ভুল করে। অপেক্ষার ঠিকানায় এসে পৌঁছয় না যুবতীর লেখা পত্র। উত্তরহীনতাই সবচেয়ে বড় উত্তর, এই ভেবে সরে আসে যুবক। ভালোবাসা থাকে, যেমন তার থাকার কথা, অতি সঙ্গোপনে।

রেট্রো জমানার কোনও সিনেমার চিত্রনাট্য হতেই পারত। কিন্তু সব চরিত্রই বাস্তবিক। যুবক আমাদের প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী, আর যুবতী তাঁর দীর্ঘদিনের বান্ধবী। আজীবন বিয়ে করলেন না অটল, যুবতী করলেন। বান্ধবীর মেয়েকে, নাতনিকে দত্তক নিয়ে নিলেন তাঁর বন্ধু অটল, কবি অটল, দেশের প্রধানমন্ত্রী অটল। অটল বিহারী বাজপেয়ী আর তাঁর এই বান্ধবীর গল্প অতি যত্নে সমস্ত চটুল কলুষ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন দু'জনেই। অটল বিহারী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঠিক চার বছর আগে, দিল্লির কৃষ্ণ মেনন মার্গের বাড়িতেই মৃত্যু হয়েছিল এই বন্ধুর। মিডিয়ার কোনও ঝলকানি ছিল না। ২০১৪ সালের ৩ মে তৎকালীন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী এসেছিলেন শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। শ্মশানে এসেছিলেন লালকৃষ্ণ আডবানী, অমিত শাহরাও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোদি নন, বাজপেয়ীই প্রকৃত বিজেপি! অটল বিহারীর স্মৃতিসৌধে গিয়ে কোন বার্তা দিলেন রাহুল?

Bharat Jodo Yatra: বাজপেয়ী নিজেই একবার একটি সাক্ষাত্কারে জানিয়েছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা করাতে তাঁকে কীভাবে সাহায্য করেছিলেন রাজীব গান্ধী।

ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী আর তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু রাজকুমারী কৌলের বন্ধুত্বের রয়াসন ছিল এমনই নিখাদ যে তাতে কোনও আঁচড় কাটেইনি সামাজিক চর্চা। বহু বহু দশক ধরে অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রাণের সখী ছিলেন রাজকুমারী কৌল। এমনকী অটল বান্ধবীর পরিবারের সঙ্গে থেকেওছেন দীর্ঘ দীর্ঘকাল! রাজকুমারী কৌলের স্বামীর মৃত্যুর পর বাজপেয়ী তাঁর মেয়ে নমিতাকে দত্তক নেন। বান্ধবীর সন্তানকে দত্তক নেওয়ার পর সামান্য কানাঘুষো শোনা যায় ঠিকই। তবে বন্ধুত্বের যে নিপাট শীতলপাটি বিছিয়েছিলেন অটল এবং রাজকুমারী তাতে এসব অনধিকার চর্চার ঠাঁই হয়নি। রাজকুমারী কৌল আসলে কে? তাঁর পরিচয় জানতে ফিরে যেতে হবে ফের সেই চল্লিশের দশকেই।

অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং রাজকুমারী হাকসার তখন গোয়ালিয়রের ভিক্টোরিয়া কলেজে (পরে যার নাম হয় লক্ষ্মীবাই কলেজ) যান। চরম রক্ষণশীল পরিবেশ। তবু চিঠির আদানপ্রদান হয়ে যায়ই যুবক যুবতীদের। ছেলে আর মেয়ের সহজ বন্ধুত্বকে খোলা মনে মেনে নেওয়ার ধক ছিল না সময়ের। দেশভাগের আগে আগে এই রক্ষণশীলতার ফাঁদেই পড়ে থমকে যান বাজপেয়ী এবং রাজকুমারী হাকসার। অটল তাঁদের কলেজের লাইব্রেরিতে বইতে রেখে যাওয়া চিঠিতে রাজকুমারীর প্রতি তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা যায়। রাজকুমারীও উত্তর দিয়েছিলেন, কিন্তু সেই বইটি আর কখনই অটলের কাছে পৌঁছয়নি।

তখন দেশভাগের উত্তাল সময়। দাঙ্গার নগ্নতা দেখছে ভারতবর্ষ। অটল আর রাজকুমারীর সফর দুই পৃথক পথ ধরে নেয়। রাজকুমারীর কাশ্মীরি পণ্ডিত বাবা গোবিন্দ নারায়ণ হাকসার কাশ্মীরি পণ্ডিত ব্রিজ নারায়ণ কৌলের সঙ্গে বিয়ে দেন মেয়ের। অটল এবং রাজকুমারীর একে অপরের প্রতি ভালো লাগার কথা জানা থাকলেও গোবিন্দ নারায়ণ হাকসার তাঁর মেয়েকে মধ্যবিত্ত পরিবারের অটলের সঙ্গে বিয়ে দিতে চাননি। রাজকুমারীরা সম্ভ্রান্ত, উচ্চবিত্ত। রক্ষণশীলতার পাশে দেওয়াল গড়ে দেয় সামাজিক মর্যাদাও। বিয়ের পর দিল্লিতে চলে আসেন রাজকুমারী। আর অটল প্রথমে কানপুর এবং তারপর লখনউতে চলে যান। ব্রিজ নারায়ণ কৌল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রামজাস কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং পরে রামজাস হোস্টেলের ওয়ার্ডেনও হন। এর বহু বছর পরে, যখন অবিবাহিত বাজপেয়ী সম্পূর্ণ সময়ের রাজনীতিবিদ হয়ে উঠেছেন, জীবন তাঁর সফরের মোড় ঘুরিয়ে দিল দিল্লির পথে। দিল্লিতে তাঁর ফের দেখা রাজকুমারীর সঙ্গে, তখন রাজকুমারী রামজাস কলেজের অধ্যাপক বিএন কৌলের স্ত্রী, মিসেস কৌল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ বুঝতেন অটল বিহারী, বাজপেয়ীর বিজেপির থেকে কোথায় আলাদা মোদির বিজেপি?

Atal Bihari Vajpayee: নিজের প্রায় পাঁচ দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ৯০ শতাংশ সময়ই বিরোধী আসনে বসেছেন অটল বিহারী বাজপেয়ী।

ষাটের দশকে অধ্যাপক কৌল তখন রামজাস হোস্টেলের কড়া ওয়ার্ডেন। হামেশাই আবাসিক ছাত্রদের সঙ্গে ঝামেলা! দেরি করে ফেরা হোক, হালকা মদ্য পান বা নেশা- সব খবর পৌঁছে যায় ওয়ার্ডেনের কাছে। ওয়ার্ডেন কৌল তখন কড়া শাস্তির বন্দোবস্ত করেন। আবাসিকদের কেউ কেউ ঠিক করলেন এভাবে ওয়ার্ডেনকে সামলানো যাবে না। হাতে পায়ে ধরতে হবে ওয়ার্ডেনের স্ত্রী মিসেস কৌলের। শোনা যায়, ওয়ার্ডেনকে নিয়ে অভিযোগ জানাতে যখন ছাত্ররা দল বেঁধে রাজকুমারীর কাছে যান, তাঁরা দেখেন সেখানে রয়েছেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। এর পর বেশ কয়েক বছরই অটল বিহারীকে কৌল পরিবারের সঙ্গে দেখা গিয়েছে। আরও কিছুকাল পরে অটল বিহারী কৌল পরিবারের সঙ্গেই থাকতে শুরু করেন।

মেয়ে নমিতা মাঝে, বাঁদিকে রাজকুমারী কৌল

১৯৭৮ সাল নাগাদ, যখন অটল বিহারী বাজপেয়ী মোরারজি দেশাই সরকারের বিদেশমন্ত্রী, ব্রিজ নারায়ণ কৌল, তাঁর স্ত্রী রাজকুমারী কৌল এবং তাঁদের কন্যারা সবাই ৫, রাইসিনা রোডের বাড়িতে চলে আসেন অটলের সঙ্গে। অটল বান্ধবী রাজকুমারীর মেয়ে নমিতাকে এবং পরে তাঁর নাতনি নীহারিকাকে দত্তক নেন। রাজকুমারী কৌলের সঙ্গে অটল বিহারী বাজপেয়ীর বন্ধুত্ব নিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল অবশ্য বসেনি। এ যেন এক অলিখিত প্রটোকল, যা কোনও সংবাদ মাধ্যমই কোনওদিন লঙ্ঘন করেনি, বাজপেয়ীও কখনও এই বন্ধুত্ব ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন বোধ করেননি। জীবনের একমাত্র সাক্ষাৎকারে রাজকুমারী নিজেই জানিয়েছিলেন, অটল বিহারী বাজপেয়ীর সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব এমনই নিখাদ যে তা সবার বোঝার ক্ষমতাও নেই আর তাঁর স্বামীর সঙ্গে রাজকুমারীর সম্পর্ক এতটাই শক্তিশালী যে এই গুজব তাঁদের কোনও অশান্তির মধ্যে ফেলতেও পারে না।

২০১৮ সালের ১৬ অগাস্ট প্রয়াত হন অটল বিহারী। মেয়ে নমিতাই মুখাগ্নি করেন। রাজকুমারী আর বাজপেয়ীর সম্পর্ক কেমন ছিল তা নিয়ে রসিক বুদ্ধিমান অটল নিজেই একটি দুর্দান্ত মন্তব্য করেছিলেন। ১৯৭৮ সালে বাজপেয়ীকে এক তরুণ সাংবাদিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, "বাজপেয়ীজি, পাকিস্তান, চিন আর কাশ্মীর থাক। আমাদের মিসেস কৌল সম্পর্কে কিছু বলতে পারবেন?" স্তব্ধতা নেমে এল। বাজপেয়ী কিছুক্ষণ ভাবলেন, তারপর শান্তভাবে নিজস্ব ভঙ্গিতে হাসিমুখে উত্তর দিলেন, "কাশ্মীর জাইসা হি মামলা হ্যায়।"

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।