জমে গিয়েছে জলের পাইপ, কাঁপছে উত্তর ভারত, হঠাৎ করে কেন এমন শৈত্যপ্রবাহের দাপট?

Cold Wave in North India : কিন্তু কী এই শৈত্যপ্রবাহ? কেন এমন ঠাণ্ডার কামড় জাঁকিয়ে ধরেছে উত্তর ভারতকে?

Aritra Som
৪ মিনিট
জমে গিয়েছে জলের পাইপ, কাঁপছে উত্তর ভারত, হঠাৎ করে কেন এমন শৈত্যপ্রবাহের দাপট?

তাপমাত্রা কোথাও ৭ ডিগ্রি, কোথাও নেমে গিয়েছে ৩-এ। কোথাও আবার পারদ নেমে গিয়েছে ০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কাশ্মীরের ডাল লেকের একাংশ জমে গিয়েছে; পাইপ থেকে জল নয়, বেরোচ্ছে বরফের কুচি! বিগত কয়েকদিন ধরেই উত্তর ভারত কাঁপছে। দিল্লি থেকে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান – শৈত্যপ্রবাহ একেবারে জাঁকিয়ে বসেছে। রাজস্থানের বিকানেরের তাপমাত্রা তো ০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের অঙ্ক ছুঁয়েছে! ওই রাজ্যেরই চুরুর তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি। শীতের দাপট এমনই, সামান্য সোয়েটার আর লেপ কম্বলে হচ্ছে না। আগুন সেঁকার পরও শরীর জমিয়ে দিচ্ছে ঠাণ্ডা হাওয়া। ইতিমধ্যেই উত্তর ভারত জুড়ে শৈত্যপ্রবাহের দাপটে বেশ কয়েকজন মারাও গিয়েছে। বাড়ছে ব্রেন স্ট্রোক, কোল্ড স্ট্রোকের সম্ভাবনা।

উত্তর ভারত শৈত্যপ্রবাহে কাঁপলেও কলকাতায় সেভাবে দাপট ফেলেনি। ঠাণ্ডা হাওয়া ঢোকায় কাঁপুনির অনুভূতি হচ্ছে। কিন্তু এর আগে বাংলাও দেখেছে শৈত্যপ্রবাহের ঝোড়ো ইনিংস। কিন্তু কী এই শৈত্যপ্রবাহ? কেন এমন ঠাণ্ডার কামড় জাঁকিয়ে ধরেছে উত্তর ভারতকে?

Amid a cold wave prevailing in North India, Rajasthan's Bikaner recorded a minimum temperature of 0°C while Churu recorded a minimum temperature of 1.0°C & Madhya Pradesh's Nowgong, Chhatarpur district recorded 0.2°C said IMD.

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এই কনকনে শীতে প্রাণ কাড়ছে কোল্ড স্ট্রোক! কোন উপসর্গগুলি দেখলেই সতর্ক হবেন?

Cold Stroke: ১৯৭০-১৯৮০ সালের তুলনায় ভারতে কোল্ড স্ট্রোকে মৃত্যুর হার দ্বিগুণ হয়েছে।

— ANI (@ANI)

কী এই কোল্ড ওয়েভ (Cold Wave) বা শৈত্যপ্রবাহ?

কেবল কোল্ড ওয়েভ নয়, তাপপ্রবাহ বা হিট ওয়েভের সঙ্গেও পরিচিত এই ভারত। গরম হোক বা শীত, সাধারণত ওই নির্দিষ্ট সময়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশ খানিকটা নিচে নেমে গেলে আবহাওয়া দফতর শৈত্যপ্রবাহ ঘোষণা করে। তবে সমস্ত জায়গার ক্ষেত্রে এই প্রবাহের মাত্রাটা একরকম নয়। পার্বত্য এলাকা, যেখানে এমনিতেই তাপমাত্রা কম থাকে, সেখানে যে পরিস্থিতিতে শৈত্যপ্রবাহ হবে, সমতলে সেটা হবে না। আইএমডি (IMD) বা ইন্ডিয়ান মেটেরোলজিকাল ডিপার্টমেন্টের মতে, উত্তর ভারতের সমতলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় যখন ৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামে তখন শৈত্যপ্রবাহ ঘোষণা করা হয়। তবে এর সঙ্গে সমতল অঞ্চলের দৈনিক গড় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে যেতে হবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কনকনে শীতেও গায়ে সামান্য হাফহাতা জামা, রাহুল গান্ধীর কি ঠাণ্ডা লাগে না? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?

Rahul Gandhi Bharat Jodo Yatra : যেখানে সবাই মোটা জ্যাকেট, চাদর পরে আছেন, সেখানে প্রবল শীতেও কী করে এমন হাফহাতা জামা পরে আছেন রাহুল?

এটা হল প্রাথমিক সীমারেখা। তাপমাত্রার পারদ এর থেকেও নিচে নামলে শৈত্যপ্রবাহের মাত্রা আরও ভয়ানক হবে। উত্তর ভারতের সমতল অঞ্চলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যদি ২ ডিগ্রি ছোঁয়, তবে ‘বিপজ্জনক শৈত্যপ্রবাহ’-র সংকেত দেওয়া হবে। এই মুহূর্তে এই দুটো পর্যায়ের মধ্যে দিয়েই চলছে উত্তর ভারত। কোথাও হলুদ সতর্কতা, কোথাও আবার কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

হঠাৎ এরকম শৈত্যপ্রবাহের কারণ?

জায়গায় জায়গায় জমছে বরফ। মোটা জামাকাপড় পরলেও ঠাণ্ডা হাওয়া যেন চামড়া ভেদ করে ঢুকে যাচ্ছে। উত্তর ভারত জুড়ে দাপট দেখানো শৈত্যপ্রবাহের কারণ অবশ্য একটি নয়। বেশকিছু কারণ নির্ভর করে আছে।

চাপের তারতম্য ও জেট স্ট্রিম

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাজস্থানে অভাবনীয় তুষারপাত! কলকাতায় শীতকাল কবে আসবে সুপর্ণা?

Winter Weather Update: রাজস্থানের মাউন্ট আবু হিল স্টেশনে তুষারপাত ঘটেছে এবং থর মরুভূমির প্রবেশদ্বার চুরুতে তাপমাত্রার পারদ নেমে গিয়েছে শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি জানিয়েছে, এই মুহূর্তে উত্তর পশ্চিম এশিয়ায় একটি বিশেষ জলবায়ুগত ব্যাপার ঘটছে। সেটি হল জেট স্ট্রিম। ব্যাপারটি কী? বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের খামখেয়ালিপনা পৃথিবীর সামগ্রিক স্বভাবের ওপর প্রভাব ফেলছে। এর ফলে পৃথিবী জুড়ে উষ্ণতার তারতম্য ঘটছে। কোথাও বেশি গরম, আবার কোথাও বেশি ঠাণ্ডা।

তাপমাত্রার এমন হেরফেরের জন্য চাপের তফাৎ হচ্ছে। ছোটবেলায় ভূগোলের পাঠ্যবইয়ে একটি ব্যাপার পড়েছিলাম সবাই। গরম বায়ু হালকা, তাই ওপরে ওঠে। অন্যদিকে, ঠাণ্ডা বায়ু ভারী; তাই নিচে থাকে। এই তাপমাত্রার হেরফেরের জন্য বাতাসও নিজের জায়গা বদল করে। ফলে চাপের তারতম্য দেখা যায়। আর এই তারতম্য একবার তৈরি হয়ে গেলে ঠাণ্ডা হাওয়া প্রবলভাবে গরম অঞ্চলের দিকে চলে আসবে। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঠাণ্ডা ও গরম বায়ুর এমন চলাচলই জেট স্ট্রিম। এই মুহূর্তে উত্তর ভারতের শৈত্যপ্রবাহের অন্যতম কারণ এটি।

মেঘ

আকাশে যত মেঘ থাকবে, তত গরম থাকে। মেঘ থাকা মানে আরও একটা স্তর তৈরি হয়ে যাওয়া। এর ফলে ইনফ্রারেড রশ্মি ও গরম ওই অঞ্চলের ভেতরেই ঘোরাফেরা করতে থাকে। সেজন্য শীতকালে মেঘ হলে ঠাণ্ডা ভাব কমে যায়, গরম বাড়ে। এই মুহূর্তে উত্তর ভারতের আকাশে সেরকম মেঘ নেই। ফলে সমতল থাকছে ঠাণ্ডা।

লা নিনা

ভূগোল নিয়ে যারা পড়াশোনা করেন, তাঁদের কাছে এই বিশেষ নামটি পরিচিত। মূলত প্রশান্ত মহাসাগরে এটি দেখা যায়। সমুদ্রে জলের উষ্ণতাও একরকম থাকে না। কখনও গরম, কখনও আবার ঠাণ্ডা। অনেক সময় গরম স্রোতের নিচে ঠাণ্ডা স্রোত থাকে। লা নিনার সময় এই গরম স্রোত চলে যায় ইন্দোনেশিয়ার দিকে। একবার সেই জল সরে যাওয়া মানে তলার ঠাণ্ডা জল ওপরে চলে আসা। ফলে সমুদ্র ঠাণ্ডা হবে; এবং জলের সংস্পর্শে থাকা বাতাসও ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো সেই হাওয়াও ঢুকবে স্থলভাগে। উত্তর ভারত এখন সেই ছবিটাই দেখছে।

এছাড়াও অসময়ে বৃষ্টিপাতও এমন শৈত্যপ্রবাহ তৈরি করতে পারে। এর থেকে বাঁচার উপায়, প্রয়োজন না হলে ঘরের বাইরে না বেরনো। যাদের শীতে কষ্ট হয়, তাঁরা পুরোপুরি ঘরের ভেতর হিটারের পাশে থাকবেন। শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা যদি কমে যায়, তাহলে হঠাৎ গুরুতর রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। সেখান থেকেই হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক। শরীর যেন ভিজে না থাকে, তাহলে ঠাণ্ডা আরও জাঁকিয়ে ধরবে। যদি বাইরে বেরতেই হয়, বেশ কয়েকটি জামা, শীতের মোজা পরে বেরনো উচিত।

লিখেছেন
Aritra Som
Aritra Som
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

জলবায়ু বদলেছে, নদীর প্রবাহ বদলেছে: ৩০ বছরের পুরনো ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তিতে কোন কোন পরিবর্তন দরকার?

A Flawed Pact of Farakka: ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ। বাংলাদেশের নদী বিশেষজ্ঞ মনজুর এ চৌধুরীর মতে, চুক্তিটি 'ত্রুটিপূর্ণ', এতে নেই গ্যারান্টি ক্লজ, নেই পরিবেশগত প্রবাহের হিসাব, নেই জলবায়ু পরিবর্তনের বিধান। তাঁর প্রস্তাব, তিন বছরের নতুন অন্তর্বর্তী চুক্তি হোক, তারপর নেপালকে যুক্ত করে তৈরি করা হোক ত্রিপাক্ষিক কাঠামো।

থালায় খাবার, নাকি বিষ? খাদ্যব্যবস্থার ভিতরে যেভাবে ঢুকছে কীটনাশক ও কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণ

Poison on the Plate: বায়ার-মনসান্টো ও সিনজেনটার মতো 'বিগ সিক্স' কর্পোরেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বিশ্বের বীজ বাজার। ২০২৩ সালে ভারতে ১০,৭৮৬ জন খাদ্য উৎপাদক কৃষক ও কৃষিশ্রমিকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২৮ শতাংশ খাদ্য নমুনায় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যাচ্ছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত গ্লাইফোসেটকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ক্ষতিকারক ‘সম্ভাব্য কার্সিনোজেন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তবুও এর ব্যবহার থামেনি। অন্যদিকে, প্রচারের অন্তরালে সিকিম আমাদের দেশের প্রথম শতভাগ জৈব কৃষির রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। সারা বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদ বন্দনা শিবার ‘পয়জন-ফ্রি ফুড অ্যান্ড ফার্মিং ২০৩০’ অভিযানের ডাক আমাদের খাবারের থালাকে বিষমুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছে।

তেলের বদলে বিদ্যুৎ! আরব সাগরের তলায় ভারত-সৌদির ৯ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প

India Saudi Arabia submarine power link: আরব সাগরের তলদেশ দিয়ে ভারত ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রস্তাবিত ২১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাবমেরিন বিদ্যুৎ সংযোগের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হচ্ছে, যার ক্ষমতা থাকবে ৩ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের। প্রযুক্তি হিসাবে ব্যবহৃত হবে HVDC, এর ফলে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ বিলিয়ন ডলার। আজ, ৫ অক্টোবর, দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হবে প্রকল্পটির ব্যয় কমানো, অর্থায়ন মডেল ও ঝুঁকি ভাগাভাগি নিয়ে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ভারতের ওয়ান সান ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ান গ্রিড প্রকল্প ও জি-২০ তে প্রস্তাবিত ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকোনমিক করিডোরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এই প্রকল্পটিকে চিনের বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের বিকল্প হিসেবে দেখা যেতে পারে।

কয়লার দেশ হয়েও কেন বিদ্যুৎ সংকটে ভারত?

India's energy crisis 2026: হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায়, ভারতের ৮০ শতাংশের বেশি জ্বালানি আমদানি ধাক্কা খেয়েছে। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এক সময় জ্বালানিক্ষেত্রে ‘ঘাটতি নেই’ বললেও সেপ্টেম্বরে স্বীকার করলেন, জ্বালানির পরিস্থিতি বর্তমানে ‘টানটান’। ৭৬টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংকটজনক ভাবে মজুত করা কয়লায় চলছে। চলছে এলপিজির কালোবাজারি। ডিসকমগুলির বকেয়া জমে রয়েছে প্রায়, ৩,৩৩০ কোটি টাকা।

প্রকৃতির কোলে পিকনিক, শেষে প্লাস্টিকের পাহাড়: মানুষ কি সত্যিই প্রকৃতিকে ভালোবাসে?

Environmental Pollution: প্রশাসনের তরফে অতিরিক্ত দূষণ ছড়ানো কলকারখানা সিল করে দেওয়ার মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ হয়তো নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতেই কি সমস্যার সমাধান মিলবে? কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যক্তিগত যানবাহনের দাপট এবং বৈদ্যুতিন বর্জ্য। শ্রমবিমুখ হয়ে সবকিছু প্রস্তুত পাওয়ার মানসিকতা এবং দেশে সংস্কারের লড়াই না করে সহজে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার প্রবণতাও স্পষ্ট। এই দায় এড়িয়ে কি সার্বিক সমাধান সম্ভব?

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

সিভিল সার্ভিস ছেড়ে বাঘের টানে রণথম্ভোরে, ৩৫ একর জমিতে তৈরি করলেন বন

Ranthambore tiger conservation: তাঁরা কেবল চেয়েছিলেন সংরক্ষিত বনের বাইরে বাঘেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে। তারপর কুড়ি বছর পর্যটন লজ থেকে যেটুকু আয় হতো, তার প্রায় সবটাই তাঁরা সঞ্চয় করতেন ভাদলাভে কৃষকদের কাছ থেকে এক এক করে জমি কেনার জন্য। প্রায় দুই দশক ধরে একটু একটু করে ৩৫ একরেরও বেশি জমি তাঁরা কিনে নেন, যার মোট খরচ ছিল সে সময়ের হিসাবে এক কোটি টাকারও বেশি।

জলবায়ু বদল শুধু প্রকৃতির বিপদ নয়, ভারতের অর্থনীতির ভিতও নড়বড়ে করে দিচ্ছে

climate change and economy: ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ২১টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি খতিয়ে দেখে একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। দেখা যাচ্ছে, বার্ষিক গড় তাপমাত্রা যদি মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বাড়ে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক উৎপাদন দক্ষতা কমে যায় প্রায় ৩.২২ শতাংশ।