চিংড়ি খেতে গিয়ে এই মারাত্মক ভুল করছেন? জীবন নিয়ে টানাটানি হতে পারে যে কোনও সময়

Prawn Allergy: চিংড়িতে প্রোটিন প্রায় ৫৮-৬২%। ফ্যাটের পরিমাণও মাছ-মাংসের তুলনায় কম, মাত্র ৪-৬%। রক্তে যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি তারা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে তবেই চিংড়ি খান।

Ravhali Biswas
৬ মিনিট
চিংড়ি খেতে গিয়ে এই মারাত্মক ভুল করছেন? জীবন নিয়ে টানাটানি হতে পারে যে কোনও সময়

মাছের রানি ইলিশের গুণাগুণ প্রায় সকলেরই জানা। কিন্তু গুণী চিংড়িও কোনও অংশে কম যায় না। বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে চিংড়িও। নিখাদ ঘটিবাড়ি মানেই মোহনবাগান প্রেম আর বাড়িতে চিংড়ির সমারোহ। এছাড়া অন্য যে কোনও আমিষ জাতীয় খাবারের সঙ্গে টক্কর দিতে পারে চিংড়ি। চিংড়ি খেতে ভালবাসেন না এমন বাঙালি হাতে গোনা। বাজারে গেলেই হয় বাগদা নয় গলদা, আর তা না হলে কুচো চিংড়ি তো থাকবেই বাঙালির থলিতে।

চিংড়ি আসলে মাছ না কি পোকা- এ নিয়ে তর্ক রয়েছে, থাকবেও। তবে, চিংড়ির স্বাদ নিয়ে কারও দ্বিমত নেই। একদম ছোট গুঁড়ো চিংড়ি থেকে শুরু করে ইয়া বড় বড় চিংড়ি, সবই খেতে মুখরোচক। চিংড়ি দিয়ে বানানো যায় হাজারো মজাদার পদ, চিংড়ি মাছের কোর্মা, চিংড়ির বিরিয়ানি, লাউ চিংড়ি, কচুর লতি চিংড়ি, পুঁই চিংড়ির পকোড়া, দই চিংড়ি, ডাব চিংড়ি, চিংড়ি পিঁয়াজ, চিংড়ির চপ, চিংড়ি মাছের মালাইকারি, চিংড়ি ভর্তা, লিখে শেষ করা যাবে না। তবে জানলে অবাক হবেন, চিংড়ি কিন্তু কেবল আমাদের রসনা তৃপ্তিই ঘটায় না, একাধিক রোগে ওষুধ হিসাবেও কাজ করতে পারে।

চিংড়ি মাছ নাকি পোকা?

চিংড়ি হচ্ছে অর্থপোডা পর্বের সন্ধিপদযুক্ত অমেরুদণ্ডী প্রাণী। মাছ হিসাবে পরিগণিত হবে সেগুলোই যাদের মেরুদণ্ড ও পাখনা আছে এবং ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। চিংড়ির মেরুদণ্ড নেই, এদের শ্বসন অঙ্গ প্রকৃত ফুলকার মতো নয় এবং এদের সন্ধিপদ যুক্ত পা আছে যা মাছের বৈশিষ্ট্য নয়। তাই চিংড়িকে মাছ বলা হয় না। জলের পোকা বলা হয়।

চিংড়ির পুষ্টিগুণ

চিংড়িতে প্রোটিন প্রায় ৫৮-৬২%। ফ্যাটের পরিমাণও মাছ-মাংসের তুলনায় কম, মাত্র ৪-৬%। রক্তে যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি তারা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে তবেই চিংড়ি খান। চিংড়ি সর্বদা রান্না করুন আনস্যাচুরেটেড তেলে যেমন সয়াবিন বা সানফ্লাওয়ার তেলে। এতে EAA ও EFA দু’টিরই পরিমাণ বেশ বেশি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় DHA, যা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক। এছাড়াও চিংড়ির শরীরে ধাতব পদার্থগুলির উপস্থিতি যেমন ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, ও লোহা একে পুষ্টিগুণের দিক থেকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

চিংড়িতে রয়েছে সেলেনিয়াম, যা ইমিউনিটি থাইরয়েড ও রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ ভালো রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন এ, ডি, ই, বি1, বি2, বি3 নার্ভাস সিস্টেম ভালো রাখে, ক্যালসিয়াম ও আয়রন ব্লাড ফরমেশন ও ক্লটিংয়ের জন্য বিশেষ দরকার।

চিংড়ির পুষ্টি উপাদান

USDA-এর তথ্য মতে প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা চিংড়িতে রয়েছে-

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
খাসি বা ইলিশ নয়! ইছামতির গলদা চিংড়ি ভোগে সন্তুষ্ট কৃষ্ণচন্দ্রের সাধের ইটিন্ডার সিদ্ধেশ্বরী কালী

Kali Puja 2022: মন্দির পার্শ্ববর্তী যে পুকুর রয়েছে সেখানে নাকি কালী স্নান করতেন এবং একাধিক পূণ‍্য তিথিতে খাঁড়া হাতে কালীকে নাকি রাস্তায় প্রদক্ষিণ করতেও দেখা যেত।

ক্যালোরি – ৮৫, টোটাল ফ্যাট – ০.৫ গ্রাম, কোলেস্টেরল - ১৬১ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম - ১১৯ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম – ২৬৪ মিলিগ্রাম, টোটাল কার্বোহাইড্রেট – ০ গ্রাম, প্রোটিন – ২০ গ্রাম, আয়রন - ২%, ক্যালসিয়াম - ৬%, ম্যাগনেসিয়াম - ৮%

আবার, USDA এর তথ্য মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম রান্না করা চিংড়ি থেকে পাওয়া যায়-

ক্যালোরি – ৯৯, টোটাল ফ্যাট – ০.৩ গ্রাম, কোলেস্টেরল - ১৮৯ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম - ১১১ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম – ২৫৯ মিলিগ্রাম, টোটাল কার্বোহাইড্রেট - ০.২ গ্রাম, প্রোটিন – ২৪ গ্রাম, আয়রন - ২%, ক্যালসিয়াম – ৭%, ম্যাগনেসিয়াম - ৯%

চিংড়ি মাছের উপকারিতা

১. শরীরে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় চিংড়ি। চিংড়ির মধ্যে থাকে এমন কিছু উপাদান যা ক্ষতিকারক হোমোসিস্টাইন অনুগুলিকে ধ্বংস করে দেয়। সেই সঙ্গে শরীরে ওমেগা-৬ এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণও রাখে নিয়ন্ত্রণে।

২. চিংড়ির মধ্যে থাকে সেলেনিয়াম। যা ক্যান্সার কোশ গঠনে বাধা দেয়। সেই সঙ্গে থাকে গ্লুটাথিয়ন পারক্সিডেজ- যার মধ্যে অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই উপাদান বিপাকক্রিয়া স্বাভাবিক করে এবং কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

৩. যারা শারীরিক দুর্বলতায় ভোগেন তারা বেশি বেশি চিংড়ি খেতে পারেন। চিংড়ি শরীরের প্রায় ১৭ শতাংশ আয়রনের ঘাটতি পূরণ করায় সহযোগিতা করে। ফলে শারীরিক দুর্বলতা কেটে গিয়ে শক্তি বৃদ্ধি পায়।

৪. চিংড়িতে আছে প্রায় ১৪ শতাংশ ফসফরাস। ফলে চিংড়ি খেলে হাড়ের ক্ষয় রোধ হওয়ার পাশাপাশি হাড় হয় মজবুত ও শক্ত।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইলিশের পেটে বালি, পাল্টে যাচ্ছে স্বাদ! বাঙালির প্রিয় মাছ বয়ে আনছে দুঃসংবাদ

শিল্পাঞ্চলের দূষিত জল পরিশোধন করার কোনও চেষ্টাই করা হচ্ছে না। সেই বিষাক্ত জলের অগাধ বিচরণ মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ইলিশের গঠন এবং স্বাদের ওপর।

৫. চিংড়ি মানব শরীরের ভিটামিন বি১২-এর চাহিদা দূর করে। পাশাপাশি রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই রক্তস্বল্পতায় ভোগা ব্যক্তিরা চিংড়ি খেলে উপকার পাবেন।

৬. বিষণ্ণতায় ভোগা ব্যক্তিরা চিংড়ি খেলে বিষণ্ণতা দূর হয়। কারণ এতে আছে ৩৪৭ মিলিগ্রাম ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি মস্তিষ্কে সেরেটেনিন উৎপন্ন করে এবং বিষণ্ণতা দূরীকরণে ভূমিকা রাখে।

৭. ডায়াবেটিসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যও চিংড়ি খেতে পারেন। কারণ চিংড়িতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম দেহকে টাইপ-২ ডায়বেটিসের হাত থেকে রক্ষা করে।

৮. যাদের মোটা হয়ে যাওয়ার ভয় আছে তারা নির্দ্বিধায় চিংড়ি খান। চিংড়ি শরীরে ফ্যাট জমতে বাধা দেয়। আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদার প্রায় ৪২ শতাংশ চিংড়ি পূরণ করতে সক্ষম। আর শরীরে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকলে ত্বক, চুল এবং নখ ইত্যাদি থাকে সুরক্ষিত।

চিংড়ি মাছের অপকারিতা

গরম ভাতে কচুশাক চিংড়ি হোক বা মালাইকারি খেতে তো বেশ লাগে, কিন্তু এই পাত চেটেপুটে খাওয়ার পর শরীরে কতখানি ক্যালোরি গেল তার হিসেব রাখেন কি? সামুদ্রিক মাছের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ পুষ্টি। থাকে ক্যালশিয়াম, ওমেগা-৩, ভিটামিন, আয়রন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট। আর তাই কম পরিমাণে খেলেই পেট ভরে যায়। যে কারণে যাঁরা ডায়েট করছেন বা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন তাদের চিংড়ি খেতে মানা করা হয়। বিশেষত বড় চিংড়ি। এই চিংড়ির মধ্যে ক্যালোরির পরিমাণ সব চাইতে বেশি থাকে। চিংড়ির খোসায় থাকে অ্যাটাক্সানথিন, যা খেতে ভাল। কিন্তু এই পদার্থটিই চিংড়ির মধ্যে ফ্যাটের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তবে চিংড়ি কিন্তু ভিটামিন ডি-এর ভালো উৎস। এই ভিটামিন ডি ক্যালশিয়াম ও ফসফরাস শোষণ করে। ফলে রক্তে এই দু’টি উপাদানের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে।

কেন চিংড়ি ওজন বাড়ায়

চিংড়ি মাছের মধ্যে ক্যালোরির পরিমাণ বেশি থাকে। তবে চিনি এবং চর্বি কিন্তু থাকে না। এছাড়াও থাকে ভিটামিন বি ১২। সেই সঙ্গে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বজায় রাখতেও সাহায্য করে চিংড়ি। ত্বক আর চুলও ভাল রাখে। চিংড়ি খেলে তখনই ওজন কমে যদি তা স্টিম বা সিদ্ধ করে খাওয়া হয়। আদা-পেঁয়াজ-রসুন মশলা দিয়ে চিংড়ি রান্না করলেই ওজন বাড়ে। দিনে ১০০ গ্রামের বেশি চিংড়ি একেবারেই খাবেন না। আলু, লেবু আর ভুট্টা বাদ দিয়ে চিংড়ি রান্না করুন। চিংড়ির সঙ্গে এই উপাদানগুলো মিশলে তাতে ফ্যাটের পরিমাণ বেড়ে যায় আরও খানিকটা। যাঁদের থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে, লিভারের সমস্যা রয়েছে তাঁদের কিন্তু একেবারেই চিংড়ি খাওয়া ঠিক নয়। তাই ডায়েটে চিংড়ি রাখলে অবশ্যই পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে নেবেন।

চিংড়িতে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল থাকে। অন্যান্য ধরনের সামুদ্রিক খাবারে কোলেস্টেরলের পরিমাণের চেয়ে প্রায় ৮৫% বেশি। উচ্চ কোলেস্টেরলযুক্ত খাবারগুলি আপনার রক্তে কোলেস্টেরল এবং হৃদরোগ বাড়ায়। রক্তের বেশিরভাগ কোলেস্টেরল আপনার লিভার দ্বারা উৎপাদিত হয় এবং আপনি যখন উচ্চ কোলেস্টেরল খাবার খান, তখন লিভার কম উৎপাদন করে।

অ্যালার্জি থেকে সাবধান

যতটা চটজলদি চিংড়ি মাছ রান্না করা যায়, এই মাছ পরিষ্কার করাটা ততটাই ঝক্কির! অনেকেই এই ঝক্কি এড়াতে মাছ বিক্রেতাদের কাছ থেকেই চিংড়িমাছ পরিষ্কার করিয়ে আনেন। অনেকেই চিংড়ির গায়ে লেগে থাকা কালো শিরা ফেলেন না, আর তাতেই হয় সমস্যা।

চিংড়ি মাছের খোলসের নীচে এই কালো শিরায় শরীরের নানা বর্জ্য পদার্থগুলি জমা থাকে। এই শিরাটি ভাল ভাবে পরিষ্কার না করে এই মাছ খেলে আপনার অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে, শুধু তাই নয়, এর ফলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতিও হতে পারে।

ঠিক কী কী সমস্যা হয় শিরা-যুক্ত চিংড়ি খেলে?

চিকিৎসকদের মতে, আপনার যদি চিংড়ি থেকে অ্যালার্জির সমস্যা না থাকে তা হলে শিরা-যুক্ত চিংড়ি খেলে আপনার অ্যালার্জি হবে না। তবে এই শিরা খেলে আপানার পেটের গণ্ডগোল ও বদহজমের সমস্যা হতেই পারে। আর যাঁদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে, তাঁরা শিরা-যুক্ত মাছ খেলে শরীরে প্রদাহ তৈরি হয়। শ্বাসনালির পেশির সংকোচন বেড়ে যায়। রক্তনালিগুলি ফুলে ওঠে। চিকিৎসার পরিভাষায় এর নাম ভ্যাসোডাইলেশন। যথেষ্ট পরিমাণ রক্ত আর হৃদযন্ত্রে পৌঁছয় না। মস্তিষ্কেও রক্ত পৌঁছানোর পরিমাণ কমতে থাকে। ফলে গলা ধরে যাওয়া, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ার মতো সমস্যা হয়। এমনকী, এর জেরে মৃত্যুও হতে পারে।

তবে চিংড়িতে উপস্থিত রয়েছে বেশ কয়েকটা অ্যালার্জিক যৌগ যেমন ট্রোপোমায়সিন, আর্জিনিন কাইনেজ ইত্যাদি, যা আমাদের দেহে বিভিন্ন রকম সমস্যা তৈরি করতে পারে যেমন, ত্বকের প্রদাহ, শ্বাসকষ্ট, চোখের সমস্যা ইত্যাদি। এর মারাত্মক আকার দেখা যায় অনাফেলাইটিক শক হিসাবে, যা অত্যন্ত সঙ্কটজনক পরিস্থিতি তৈরি করে। তবে এটি খুবই কম ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে।

তাই ইলিশের তেল-ঝাল হোক বা চিংড়ির মালাইকারি, পাতে থাকতেই পারে! তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, ডিসলিপিডমিয়া ইত্যাদির সমস্যা থাকলে অবশ্যই পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে তবেই খান। দেখবেন পেট মন দুইই ভালো থাকবে।

লিখেছেন
Ravhali Biswas
Ravhali Biswas
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।